As primeras 186 linias.
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জাহিদুল ইসলাম
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জাহিদুল ইসলাম
=== সাবটাইটেল সম্পাদনায় === আব্দুল্লাহ আল মামুন
=== সাবটাইটেল সম্পাদনায় === আব্দুল্লাহ আল মামুন
পাইলট মাইকে বলছে: শুভ সকাল,ভদ্র মহাদয়গন
আমরা সেয়াটেলের একেবারে কাছে এসে পরেছি
পূর্ব দিকের আবহাওয়া বেশ চলনসই।
বাইরের তাপমাত্রা ৬৮' সেলসিয়াস।
আমাদের সাথে থাকার জন্য ক্যাবিন ক্রুর পক্ষো থেকে,
আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ঘুম না আসলে কিছুই ভাললাগেনা
হ্যাঁ,ঠিক বলেছ ।
অনেক সময় আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান করা যায়।
আচ্ছা
এটা শুনতে আজগুবি লাগবে,
তুমি কি কখনো একটা ভিডিও টেপের কথা শুনেছ যেটা দেখার পর
তুমি মারা যাবা?
সেদিন আমি একটা পার্টিতে ছিলাম
পার্টিতে এক মেয়ের সাথে আমার দেখা হয়
আমরা অনেক মজ মাস্তি করলাম
তার পরের দিন সে ভিডিওটা পাঠাল টেপ টায় লেখা ছিল , "আমাকে দেখ."
তো,আমি একটা ভিসিআর কিনলাম,
তারপর দেখলাম,
কিন্তু ঐটার ছবিগুলো ছিল...
ঐটা শেষ হওয়া মাত্রই, আমার ফোনটা বেজে উঠল।
আর একটা মেয়ে বলে উঠল আমি সাত দিনের মধ্যে মারা যাবো
এটা ছিল এক সপ্তাহ আগের কথা।
তারপর থেকেই, সবকিছু অদ্ভুত হতে শুরু করলো।
আমার শুধু একটাই চিন্তা যে পরের ৫ মিনিট কেমন যাবে।
মহিলা মাইকে বলছে: স্বারক হিসেবে...
গড।আমি স্যরি।
বিমানের সেবক:স্যার! স্যার!, প্লিজ আপনার সিটে বসুন।
প্লিজ আপনার সিটে থাকুন সিট বেল্টটি বেধে বসুন।
স্যার!
এইটা কি হল?
ঐ কিউট ছেলেটা আমাদের পাশেই যে বসে ছিল...
বুঝলাম তার মাথায় গন্দোগোল আসে।
সে আমাকে বলছিল যে কী একটা মুভি দেখলে তুমি মারা যাবা।
কি মুভি?
কী একটা ভিডিও।
ভিডিও টা দেখার পর একটা মেয়ে ফোন দেয়
আর বলে, "সাত দিন,"
আরে সে বললো,তাই নাকি, আজই।
কেলি:খোলতো!
তুমি কি ঐটার একটা কপি করেছ?
তুমি কি টেপটার কোন কপি করেছ?
না! আমি...
মিস, সিট বেল্টের আলো জ্বলছে।
কেলি: ওহ,গড।
তোমার সাথে কি হচ্ছে? এইটা একটা ঘটনা।
আমিও এটা দেখেছি!
ট্রাফিক কন্ট্রোল, ফ্লাইট ৭৭ থেকে।
আমরা কিছু সংকেত পাচ্ছি।
তুমি যদি কিনতে না চাও,তাহলে আমি একটু দেখতে চাই।
নিশ্চই।মানে, এইটা একটা পুরনো ভিসিআর?
কোনো এক সময়, এটা প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
ও আচ্ছা।
লোকটার সাথে কথা বলে জানলাম।
এই জিনিসগুলো সে এক পরিবারের কাছ থেকে পেয়েছে
ঐ পরিবারের এক ছেলে ২ বছর আগে বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে।
আর এখন এইগুলো শুধু বাতিল জিনিস।
আমি বলি "বিরল।"
আরে,ডিব্বা।
তোমার ভিতরে কি এখনো জান আছে।
এই, স্ক্যে?
বলত।
কি?
এইটার ভিতরে দেখি একটা টেপ আছে।
দেখবে নাকি ভিতরে কি আছে?
আমার ক্লাসে যেতে দেরি হয়ে যাবে।
তারপর,না হয় তুমিই আমাকে বলো।
ভাল থেকো, প্রফেসর।
আরে,কাজ কর।
হ্যালো?
সামারা:সাত দিন।
কি?কে বলছেন?
হল্ট:জুলিয়া।
আমি একটা উপন্যাস নিয়ে ভাবছিলাম।
এটা ছিল উপন্যাসের ইতিহাসে বেস্ট একটা রোমান্টিক উপন্যাস
তো,ঐভাবে আমাদের দেখা হয়নি।
হল্ট:না। তবে,অরফিয়াস নামে একজন
তার গার্লফ্রেন্ড মারা যাওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য।
সে একেবারে উন্মাদ হয়ে গিয়েছিল
কেন ছেলেরাই সবসময় মেয়েদের ফিরে পেতে চায়?
আরে...
সে তার সন্ধানে বের হল। ঠিক আছে? আর তাকে পেয়ে গেল।
এক শর্তে শয়তান তাকে যেতে দিল
প্রথমে মেয়েটিকে ছাড়া তাকে চলতে হবে।
এমনকি পিছনে ফিরেও মেয়েটির দিকে তাকানো যাবেনা
-কিন্তু... -সে এক মুহূর্তের জন্য পিছনে ফিরল
আর তাকে চিরদিনের জন্য হারাল। নবম শ্রেনী.
-ইংরেজি সাহিত্য। (হাসি) - আচ্ছা।তুমি জানতে।
তো,কি বলতে চাচ্ছ?
আমি জানিনা।আমি...
সে আমার আত্মীয় হয়।
মানে,আমি ভাবতেও পারিনা যে তোমার দিকে কিভাবে তাকাব।
অনেক হয়েছে,তোমাকে এখন যেতে হবে।
কারণ আমার বয়ফ্রেন্ড কেলেজে চলে যাচ্ছে,
আর আমি ওয়াদা করেছি যে জিনিসপত্র গোছাতে তাকে আমি সাহায্য করব।
-না! -আরে,উঠনা।
বেবি,বেবি, বেবি,আমি একটা অলস।বিছানায় চল।
- (হাসাহসি) -বিছানায় আস,এখনি।
তোমার এত কিছু সত্যিই লাগবে?
হ্যাঁ।
চলো। এসো,এসো।
তাড়াতাড়ি আসো,হল্ট!
আরো এক ঘণ্টা আগে যাওয়ার কথা।
একটু দাঁড়াও না,বাবা।
তুমি সঠিক কাজ করছ।
তোমার মার,এখন তোমাকে অনেক দরকার।
তোমার গন্ধটা অনেক মিস করব।
সত্যিই?
হ্যাঁ।
হল্ট:আচ্ছা।
কলাম্বাস দিনের ছুটিতে দেখা হবে।
আর টমি লিম্বারটিকে বলো যে আমি তাকে দেখে নেবো।
তুমি কি বলতে চাচ্ছ?
যেদিন আমি চলে যাব সেদিন তোমার ওখানে সে কাজ পাবে?
তুমি একটা পাগল!
পিছনে ফিরোনা!
রাত ৯:৩০ এ, স্কাইপে,কথা হবে!
তোমার শার্ট গেলো কই?
আজ রাতে!
জুলিয়া: আর প্রতি রাতে!
আর প্রতিদিন রাতে!
তা নাহলে আমি টমি লিম্বারটির সাথে চলে যাব!
হল্ট:তুমি এমনিই বলছ!
হল্ট: আহ,বেবি, ছয় সপ্তাহ হয়ে গেলো।আমি আর থাকতে পারছি না।
এক শহরে না থাকা সত্ত্বেও
আমি ছাড়া কিভাবে ভালো আছ?
দুঃখিত,তোমার নাম জানো কি?
- একদম চুপ। - কী অদ্ভুত নামরে বাবা।
তোমার ক্লাস কেমন চলছে?
আশানুরূপ নয়।
জীব বিজ্ঞান ক্লাসের একটা পরীক্ষণ করতেছিলাম
স্যারটার কিছুটা তারছেড়া ছিল।
তাহলেতো ভালই আছ।
হ্যাঁ।
তারপরও,সবকিছু ঠিক নেই।
এখনও পুরো এক সপ্তাহ পর তোমাকে দেখতে পাব।
আচ্ছা,তুমিতো এখনো আমাকে দেখছ।
হ্যাঁ,তাইতো দেখছি।
আমার চুলের ক্লিপ খুলে ফেললে কেমন হয়?
- (হাসি) - ওহ!
হ্যাঁ। আহ, ঠিকআছে।
এরপর কি?
ব্লু:"ওহ,আমাকেও নে,নে না। আরে পড়ে যাচ্ছিত!"
হল্ট:তোরা কিভাবে ভিতরে ঢুকলি?
এই বাদরগুলো না বলে ঢুকে পড়েছে।
আয়,গেব্রিয়েল তোকে ডাকতে পাঠিয়েছে। বলেছে এবার তোর দেখার পালা।
চল সাত তলায় যাই।
-বাল।আজকেই? - হ্যাঁ,আজকেই।
স্যরি,আপু, তোমার বয়ফ্রেন্ডের আজরাতে কাজ আছে।
চলো, আমরা কথা বলি।
না থাক।
হল্ট:আমি প্রমিস করছি, এমন আর হবে না।
-আগামিকাল কথা হবে। -সে অবশ্যই কথা বলবে...
হ্যাঁ,নিশ্চয়।
আমি বলেছিলাম না এমন আর হবে না।
হল্ট:জুলিয়া...
তোমার কাছে একটা শ্বপ্ন পাই।
- স্ক্যে:সে কথায়? -তুমি কে?
হল্ট কথায়?
আমি জানি না। তার সাথে আমার অনেকদিন কথা হয় না।
আমার কাছে লুকিও না!
আমি কিছুই লুকাচ্ছি না!
তুমি ওর কম্পিউটার নিয়ে কি করছ?
ওকে বলো লুকানোর কোনো পথ নেই। মরাটারে বইলো লুকায়ে লাভ নেই।
কি... কি যা তা বলছ? তোমার কি হয়েছে?
সে(সামারা) আসছে।
কেউ তাকে থামাতে পারবে না।
হল্টকে বলো...
প্লিজ ফোনটা ধরো।
হল্ট বলছি। জানইতো কী করতে হবে...
হল্ট বলছি। জানইতো কী করতে হবে...
এইসব কি হচ্ছে,হল্ট?
ঐ মেয়ের সাথে এই মাত্র আমার জীবনের
সবচেয়ে অদ্ভুত আলাপ হলো।
হল্ট বলছি। জানইতো কী করতে হবে।
কেউ কি আছেন?
গেব্রিয়েল: বিজ্ঞান বলছে যে,আমরা নাকি
কিছু কার্বন,কিছু প্রোটিনের বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত
আমরা ক্ষনিকে জন্য বাঁচি, খাওয়া দাওয়া করি,
আর যখন সময় পাই,সেক্স করি।
আর তারপর, আমরা মারা যাই।
লিউইন,এই কথা গুলোর নোট করার দরকার নেই।
No comments yet. Be the first to leave one.