The Lighthouse

The Lighthouse

Descargar subtítols en Bengali

Información d'a versión

The Lighthouse 2019 WEB-DL Bangla
The Lighthouse 2019 720p Bluray x264-[FGT]
The Lighthouse 2019 1080p WEBRip 1400MB DD5 1 x264-GalaxyRG
The Lighthouse 2019 720p BRrip 2CH x265 HEVC-PSA
The Lighthouse 2019 HDRip XviD AC3-EVO
The Lighthouse 2019 1080p WEB-DL DD5 1 x264-CMRG[TGx]
The Lighthouse 2019 1080p Bluray H264 AC3-EVO[TGx]
The Lighthouse 2019 720p BRrip 800MB x264-GalaxyRG
The Lighthouse 2019 1080p Bluray x264-[YTS LT]
Un comentario de tskushal
মুভির ডায়লগগুলোর বেশির ভাগই প্রাচীন নাবিকদের জীবন নির্ভর। ভাষাগত ভাবে অনেক কঠিন ও অনেক রেফারেন্স দূর্বোধ্য হওয়াতে, সহজে বোঝার জন্য যথাসম্ভব ভাবানুবাদ করতে চেয়েছি। ভাল লাগলে, গুড রেটিং প্রত্যাশা করছি। সকল ব্লুরে, HDrip এবং ওয়েব ডিএল রিপে সাব সিঙ্ক করবে।

Etiquetas

hdrip
HDRip
XviD
AC3
HD
webrip
web
x264
BRip
1080
Web-DL
web-dl
WEB-DL
Publicau o: 2019-12-27
Descargas: 142
Ta personas con problemas auditivos: No

Anvista previa d'os subtitulos en Bengali

As primeras 200 linias.

"বাতিঘর"

C

Cr

Cre

Crea

Creat

Create

Created

Created b

Created by

Created by K

Created by KU

Created by KUS

Created by KUSH

Created by KUSH

Created by KUSHA

Created by KUSHAL

Created by KUSHAL

ওউ!

মলিন মুখে শঙ্কা নিয়ে মৃত্যু দিলে হানা,

এই সাগর শরীর করে দিও শান্তির বিছানা,

ঈশ্বর, যে জানে সকল স্রোতের বন্দনা,

তিনিই মোদের রক্ষাকারী আত্মার প্রার্থনায়।

আগামী চার সপ্তাহের নামে!

না, স্যার। ধন্যবাদ।

মদের পেয়ালা না খেয়ে রেখে দেয়াটা দুর্ভাগ্য ডেকে আনে, ছোকরা।

ওহ, আসলে সম্মানের খাতিরে...

বিশেষ কোন কারন ছাড়া কেউ মদকে না করে না।

আসলে তেমন কিছু না...

আমি পড়েছি, এই কাজটা আমাদের নিয়ম বিরুদ্ধ, স্যার।

তুমি কি তাই বিশ্বাস করো?

জ্বি স্যার, ম্যানুয়ালে তাই লেখা ছিল...

তোমার পড়ার দৃশ্য তো আমার চোখে ভাসছে না।

আসলে, এ নিয়ে আমি বাড়াবাড়ি করতে চাচ্ছি না।

তাহলে, সেটাই করো, যেটা আমি বলি।

তোমার বইয়ে সেটাও লেখা আছে।

আগামী চার সপ্তাহের নামে।

চৌবাচ্চাটার ভাল দেখভাল করা দরকার।

এটা তোমার একটা দায়িত্ব, বাছা।

নাকি বইয়ে এটাও লেখা ছিল না?

পিতল আর ঘড়িকলটা সব সময় পরিষ্কার করবে।

তারপর থাকার জায়গাটাও গুছিয়ে রাখবে।

এছাড়াও বাইরে আরো অনেক কাজ আছে।

আমার কথা কানে যাচ্ছে তো?

জ্বি স্যার।

জো হুকুম!

জো হুকুম।

কুয়াশা পরিষ্কার হয়ে গেলে,

তুমি সন্ধ্যার মধ্যে কাজ সারবে।

সন্ধ্যার মধ্যে? আমি তো ভেবেছিলাম, বাতিঘরের কাজটা আমার।

আমি বাতির পরিচর্যা করব।

কিন্তু নিয়ম তো, পালা বদল করে কাজ করা।

মধ্যরাতের সময়টা খুবই সাংঘাতিক, বাছা।

আমার সময় রাত থেকে সকাল পর্যন্ত।

আমার কপালে শুধু আনকোরা গুলোই জোটে।

তুমি তোমার কাজে মন দাও। বাতির দায়িত্ব আমার।

ধুর মরা!

তোমার নামে, আমার সুন্দরীতমা।

ছাদে ছিদ্র হয়ে আছে।

চৌবাচ্চার পর এদিকে নজর দিবে।

আর বাতির জন্যও তেল দরকার।

জো হুকুম।

যা! ভাগ!

সর এখান থেকে!

ঐখানে যাবে না কখনো!

- তেল, স্যার। - ক্লান্ত হয়ে পড়েছো? পরবর্তীতে এটা ব্যবহার করো।

এরকম হাজার ঝামেলায় নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে।

দম ফুরিও না, ছোকরা।

বললাম, গায়ে জোশ আনো!

তারপর ওই ড্রামাটা তুলে আনো,

মই এর নিচেই যেটা রাখা আছে।

এমন ধীরগতিতে কাজ করলে পুরো বাতিঘর রসাতলে যাবে।

তোমার বাকি কাজগুলোতে মন দাও।

এখনো তোমার অনেক কাজ বাকি।

- জো হুকুম। - এত ধীর কেন তুমি? আলসে নাকি?

না, স্যার।

বোকা বানাচ্ছ আমাকে।

মলিন মুখে শঙ্কা নিয়ে মৃত্যু দিলে হানা,

এই সাগর শরীর করে দিও শান্তির বিছানা,

ঈশ্বর, যে জানে সকল স্রোতের বন্দনা,

তিনিই মোদের রক্ষাকারী আত্মার প্রার্থনায়।

স্বাদটা কি এখনো মাথায় গিয়ে উঠছে?

তোমাকে বেশ ফুরফুরে লাগছে দেখছি।

এখন তাহলে খোশগল্প করা যাক।

ভাল হয়, যদি এটাই উপভোগ করো।

দু সপ্তাহ পার হতে হতে আমরা দুজনেই

শ্মশানের মত নীরব হয়ে যেতে চাইব।

আমি আসলে এত কথার লোক না।

তুমি ভাবছো, তুমিই প্রথম?

না স্যার, তা না।

তুমিই প্রথম না।

তুমি না।

চিকপি, এক কথায় অসাধারণ ছিল এই নৌ বহর।

তিনকোনা আকৃতিতে চমৎকার এক বহর!

1964 সালে সেটা ছাড়া আর কোন শক্তিশালী বহর ছিল না।

আমরা বিরতিতে ছিলাম...

একটা বিদ্রোহ হয়েছিল...

তুমি হয়তো জিজ্ঞেস করতে পারো, কেন?

বলতো, নাবিক জীবনের সবচেয়ে দুঃসহ অংশটা কী?

যখন সে পাক খাওয়া বাতাস আর সীমাহীন জলের মাঝে আটকা পড়ে।

এই উদাসীনতা, মনমরা ভাব!

শয়তানের চেয়েও ভয়ংকর।

এই একঘেয়েমি উদাসীনতা, মানুষকে শয়তানে পরিণত করে,

আর তাতে সকল প্রাণশক্তি, একেবারে বিলুপ্ত হয়ে যায়, ছোকরা।

একমাত্র ওষুধ হচ্ছে মদ।

যা নাবিকদের আমোদ যোগায়, তাদের স্পৃহা বাড়ায়,

তাদের শান্ত রাখে, তাদের...

বোকা বানায়।

আমাকে অভিশাপ দিও, যদি নিজের মাঝে কোন পুরোনো নাবিক আত্মা

খুঁজে না পাও।

সেটাকে প্রকাশ করো, বাছা।

উহ.....

আপনার শেষ রক্ষী এখান থেকে চলে গিয়েছিল কেন?

তার কথা বলছো? আগেরজনের কথা?

হুম।

সে মারা গিয়েছিল।

সে পাগল হয়ে গিয়েছিল।

সাইরেন, মৎসকন্যা, অশুভ লক্ষণ এসব নিয়ে প্রলাপ বকতো।

শেষ পর্যন্ত,

সে তার সকল বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছিল, আর সেটা ফিরে পাওয়াটাও অসম্ভব ছিল।

সে বিশ্বাস করতো, এখানকার বাতিটায় অলৌকিক কিছু ছিল।

সে অনুধাবন করলো, এক অলীক

দীপ্তিময় প্রাণসর তাকে বিদ্ধ করেছে।

সে একে বলতো, মুক্তি।

অযৌক্তিক গল্প।

তোমাকে দেখলাম, একটা সিগালের সাথে চেঁচামেচি করছিলে।

তাদেরকে তাদের মত থাকতে দেয়াটাই মঙ্গল।

সামুদ্রিক পাখির অনিষ্ট করলে, তা দুর্ভাগ্য বয়ে আনে।

এটা তো আরো গাঁজাখুরি গল্প।

পাখি মারলে দুর্ভাগ্য আসবে!

তুমি আমার কথা কানেই নিচ্ছ না, ছোকরা।

একটাও না।

কফির ব্যবস্থা করো।

পুরো রাত পরে আছে।

কফি খেলে কিছুটা আরাম পাওয়া যাবে।

তুমি দায়িত্বে অবহেলা করছো, ছোকরা!

একদম অস্বীকার করবে না!

এটাকে তুমি কী বলবে?

- স্যার? - কী?

আমি দুইবার করে ঘষে ঘষে মুছেছি, স্যার।

মিথ্যুক কুত্তা কোথাকার!

- আমি এগুলো মুছে গিয়েছি। - তুমি ফাঁকি দিয়ে আরাম করছো।

এসব না ধুয়ে মুছেই।

আপনার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে, যে এমন বাজে ব্যবহার করছেন?

কী বললে?

আমি একবার বলেছি....

আমার সাথে তর্ক করিস, কুত্তা কোথাকার!

এবার আপনি শুনুন,

এই চাকুরী করতে আমার

গৃহিণী কিংবা ক্রীতদাস, কোনটাই হবার ইচ্ছে ছিল না।

এটা ঠিক না!

এই জায়গা তো এমন বাজে,

যা কোন কুঁড়েঘরের চেয়েও জীর্ণ।

আমি যতটা গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করেছি

ইংল্যান্ডের রাণীর দাসীও তেমনটা পারবে না,

কারন, আমি একবারই বলেছি

জায়গাটা আমি দু দু বার পরিষ্কার করেছি, স্যার...

আর আমি বলছি, তুমি কিছুই করোনি।

তুমি এটা আবার পরিষ্কার করবে,

আর এবার ঠিকমত পরিষ্কার করবে,

এরপরেও তুমি দশবার এটা পরিষ্কার করবে।

আর আমি যদি বলি, তাহলে

ঘরের প্রত্যেকটা তক্তার আগাগোড়া তোমাকে পরিষ্কার করতে হবে।

এমনকি শরীর দিয়ে ঘষে হলেও পরিষ্কার করবে,

আঙ্গুল ছিঁড়ে রক্ত ঝরলেও করতে হবে!

যদি বলি, দেয়ালে গাঁথা প্রত্যেকটা লোহার পেরেক

টেনে টেনে তুলতে হবে,

আর সব লোহার মরিচা চেটে পরিষ্কার করতে হবে,

যতক্ষন না প্রত্যেকটা খিল তিমির ঠোঁটের মত মসৃন না হয়,

পুরো বাতিঘরের খুঁটিনাটি ঠিকঠাক করতে হবে,

আগাগোড়া সব করতে হবে,

এমনকি যতবার বলবো, তোমাকে ততবারই করতে হবে!

খোদার দোহাই দিয়েও পার পাবে না,

তুমি হাসিমুখে সব করবে, কারন এ কাজটাই তুমি ভালবাসবে।

তুমি কাজটা ভালবাসবে, কারন আমি তোমাকে বলেছি, তাই!

আর কোনদিন তর্ক করলে, তোমার বেতন কেটে রাখবো।

আমার কথা কানে গেছে তো, ছোকরা?

জো হুকুম।

আহ।

অপদার্থ কুত্তা কোথাকার।

অপদার্থ!

শক্ত করে ধরে রেখো, ছোকরা।

জো হুকুম।

চুনকাম যেন সুন্দর হয়।

উজ্জ্বল, ঝকঝকে!

বেশ্যালয়ের চকচকে টোকেনের মত।

দিনের বেলায় নাবিকরা যেন সহজে দেখতে পায়।

ঝড়ের সময় তারা এটা ঠিকভাবে দেখতে পারবে না!

মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখো, ছোকরা।

এটাই তোমার জন্য ভাল।

আমার লগবুকে এখন তোমার সম্পর্কে ভাল মন্তব্য উঠছে।

অকাট্য সত্য!

তোমাকে কিছুটা নিচে নামাচ্ছি।

সাবধানে!

আমার হাতে তুমি শতভাগ সুরক্ষিত আছো।

সাবধানে!

নড়াচড়া বন্ধ করো, ছোকরা।

- আমি নড়ছি না। - তুমি নড়ছো!

- স্থির থাকো! - আমি তা'ই আছি!

গাধা! একটা গাধা কোথাকার!

Comentarios

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left