معلومات الإصدار

উমা মহেশ্বরা উগ্র রূপস্য (২০২০) বিসাব বাই অনিক কুমার নাথ
উমা মহেশ্বরা উগ্র রূপস্য (২০২০) ৪৮০পি বিসাব বাই অনিক কুমার নাথ
উমা মহেশ্বরা উগ্র রূপস্য (২০২০) ৭২০পি বিসাব বাই অনিক কুমার নাথ
উমা মহেশ্বরা উগ্র রূপস্য (২০২০) ১০৮০পি বিসাব বাই অনিক কুমার নাথ
Uma Maheswara Ugra Roopasya (2020) Bsub By Anik Kumar Nath
Uma Maheswara Ugra Roopasya (2020) 480p Bsub By Anik Kumar Nath
Uma Maheswara Ugra Roopasya (2020) 720p Bsub By Anik Kumar Nath
Uma Maheswara Ugra Roopasya (2020) 1080p Bsub By Anik Kumar Nath
تعليق من Anik_Kumar_Nath1
এটি আমার করা অষ্টম একক বাংলা সাবটাইটেল। রানটাইমঃ ০২ঃ১৬ঃ৫৫... আশা করি আপনাদের একটি মানসম্মত সাব উপহার দিতে পেরেছি। অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সাবটি ভালো লেগে থাকলে ভালো রেটিং ও ফিডব্যাক জানাতে ভুলবেন না যেন। ধন্যবাদ।। মুভি লিংকঃ http

الوسوم

720p
720
480p
480
1080
نشرت في: 2020-08-07
تنزيلات: 24
ضعاف السمع: No

معاينة ترجمة Bengali

أول 200 سطر.

অনুবাদ

অনুবাদ ও

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার নাথ

'উমা মহেশ্বর উগ্র রূপসী'

এটি আমার করা অষ্টম একক বাংলা সাবটাইটেল। চেষ্টা করেছি আপনাদের একটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও সাবলীল বাংলা সাবটাইটেল উপহার দেয়ার।

সাবটাইটেলটি ভালো লেগে থাকলে ভালো রেটিং ও ফিডব্যাক জানাতে ভুলবেন না যেন।।

বাহ! কামরাঙ্গা!

বাবা, এই যে গরম পানি। স্নানটা সেরে নাও।

'কোমালি ফটো স্টুডিও'

'ফ্রী হেলথ সার্ভিস'

তুমি ছুটিতে বাড়ি আসছো তো, তাই না?

নার্সরা অতো ছুটি পায় না। বলতে পারছি না।

- তাই? - হ্যাঁ!

ধুর! আমার তোমাকে দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে।

ঠিক আছে। খাবার খেয়েছো?

হ্যাঁ, খেয়ে নিয়েছি।

আমি কি বাবাকে নিয়ে তোমার বাবা-মা'র সাথে আমাদের ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলবো?

না, তুমি ওসব নিয়ে চিন্তা করো না। আমি যখন পারি কথা বলে নিবো।

তাহলে তাড়াতাড়ি বাড়ি এসো।

আমারও বাড়ি আসতে খুব ইচ্ছে করছে, মহেশ। কিন্তু আমাকে তো আগে ছুটি পেতে হবে।

আচ্ছা, আমি তাহলে পরে কথা বলছি। কিছু কাজ আছে এখন।

এই!

কি?

একটা চুমো দাও!

আচ্ছা, ভালো থেকো। বাই!

আহা, আমার ভালবাসা!

বাবা!

বাবা, এসো! খেয়ে নিই।

বাবা?

বাবা?

বাবা?

নড়ো না!

রোহিত শেষবার যখন ব্যাটিং করছিলো তখন তুমি নড়েছিলে।

আর ও আউট হয়ে গেছে।

- হ্যালো! - বাবজি, বাবাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

- পাওয়া যাচ্ছে না? - হ্যাঁ, আমি...

- তুই পুরো বাড়িতে খুঁজে দেখেছিস? - হ্যাঁ, উনি তো এখানেই ছিলেন।

ধ্যাঁত! আউট হয়ে গেল। আমি বলেছিলাম তোমাকে না নড়তে।

চুপ থাক।

আমি ওখানে আসছি।

আত্মীয়দের কাছে খবর নিয়েছেন?

আমি গ্রামের সবাইকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেছি।

কেউ উনাকে দেখেননি।

মনে হয় উনি শহরের বাইরে গেছেন কারো সাথে দেখা করতে।

আমাদের এই গ্রামের বাইরে আর কোনো আত্মীয় নেই, স্যার!

এটা তো অসম্ভব! এরকম কিভাবে হতে পারে?

এটা সত্যি, স্যার! ওর বাবা-মায়ের লাভ ম্যারেজ ছিল।

পরিবার থেকে বিয়েটা না মেনে নেওয়ায় তার বাবা সবাইকে ছেড়ে এখানে চলে আসেন।

উনি আর কখনো ফিরে যাননি।

- উনি কি এর আগে এভাবে কখনো হারিয়ে গিয়েছিলেন? - না, এবারই প্রথমবার!

আপনি আশেপাশের জলাশয় বা হ্রদের দিকে খোঁজ করেছেন?

মা দুর্গা, আমার বাবাকে ফিরিয়ে দাও। আমি প্রতিদান হিসেবে আগুনের উপর হেঁটে যাবো।

মহেশ, শান্ত হ।

স্যার, আমার মনে উড়িষ্যা পুলিশের সাথে একবার কথা...

বাবজি, একটু দাঁড়াও।

স্যার, আমার মনে হয় মনোহর বাবু মানসিকভাবে অসুস্থ।

এবার আপনার চাল, মশাই!

এই পৃথিবীটা অনেক সুন্দর!

কি? মাথা টাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি?

বাবজি, তুমিও খুব সুন্দর!

ঠিক আছে! আমি ভাবলাম তুমি মজা করছো।

আয় রে, জোকার!

ধ্যাঁত!

স্যার, আমার কিছু বলার আছে।

কি?

আমাদের উড়িষ্যা পুলিশের সাথে জরুরিভিত্তিতে কথা বলা উচিত।

কিসের জন্য?

একবার মনোহর বাবু আর আমি আমার দোকানে বসে ছিলাম।

তুমি কি দেয়ালে তোমার ছবি ঝুলানোর জন্য খালি জায়গা খুঁজছো?

বাবজি, আমরা দুইজনই চুচুকোন্ডার ওই রানচি নৃত্যে প্রায়ই অংশগ্রহণ করতাম।

মনে পড়ে?

কিভাবে ওটা ভুলতে পারি? ওসব এখনো সবসময় চোখে লেগো থাকে।

আমার ওটা আরেকবার দেখার ইচ্ছা আছে। যাবে নাকি?

তারা চুচুকোন্ডায় ওটা করা বন্ধ করে দিয়েছে।

আমরা যদি উড়িষ্যার জেইপুরে যাই, তাহলে দেখবো ওরা নতুন মেয়ে নিয়ে অনুষ্ঠান করছে।

পাদোয়া থেকে গাড়িও আছে।

আমারও ওখানে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।

ভ্রমণের জন্য তাহলে আমরা একটা প্ল্যান করি?

আমার দিকে ওভাবে দেখিস না।

আমাদের কখনো পুলিশ আর ডাক্তারের কাছে মিথ্যা বলা উচিত না।

এরকম গোপন কথা আমাদেরকে কোনো সাহায্য করবে না। আমাকে বলতেই হতো।

ঠিক আছে। আমি তদন্ত করে জানাবো।

এই অসময়ে জ্বালাতন করবেন না। এখন যান।

ধন্যবাদ, অফিসার!

স্যার, দয়া করে ভালো করে খুঁজবেন।

স্যার, যদি উনাকে না পান তাহলে দয়া করে উড়িষ্যা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করবেন।

বাবা?

বাবা!

- এখানে কি করছো তুমি? - কি হয়েছে?

আমি খুঁজে পাচ্ছিলাম তোমাকে। চিন্তায় পড়ে গেছিলাম।

বোকা! এখানে চিন্তার কিছু নেই।

মহেশ, কোথায় তুই?

এই তো... আমি এখানে!

সবাই ভাবছে তুমি মনে হয় পাগল হয়ে গেছো, বাবা!

তুমি ওই ঝোঁপের দিকে কি করছিলে?

আমি পাখি খুঁজছিলাম।

এবার ঘুমাও, বাবা!

একটু জায়গা দাও, বাবা!

কে তুমি?

আমার নাম সুহাস! আমি এখানে বাবজি'র সাথে দেখা করতে এসেছি।

বাবা স্নান করছে। ভিতরে এসো।

- আমি এখানে জুতা খুলে রাখতে পারবো? - হ্যাঁ, ওখানেই রাখো।

তুমি এনটিআরের ফ্যান?

না, আমি মহেশ বাবুকে পছন্দ করি।

আমি এনটিআরের ফ্যান।

মহেশ বাবু তার শত্রুদের পা না নাড়িয়েই মারে। বেশ অলস!

কিন্তু এনটিআর মারে অভিনব কায়দায়। পুরাই মাথানষ্ট!!!

এই, উনাকে অলস বলো না। মহেশ হলো ক্লাসিক ম্যান!

আমার নায়ক হলো এ্যাকশনের দিক দিয়ে সেরা। দেখো কিভাবে ওই শয়তান মারছে।

এইতো মামা!

যখন সে আসে ভিলেনরা ভয়ে কাঁপতে থাকে।

- কে এসেছে? - বাবজি!

বাবা, শার্ট পড়ে এসো। খালি গায়ে এসো না এখানে।

নমস্কার, স্যার!

- তুমি কোররা ভুজাইয়ার ছেলে? - হ্যাঁ!

এসো!

তোমার বাবা আমাকে সব বলেছে।

তুমি এর আগে কি করতে?

আমি আগে বোররা গুহার কাছে বেম্বো চিকেন বিক্রি করতাম।

- তাহলে ওটা বন্ধ করে দিলে কেন? - ওটা একটা স্পেশাল খাবার হয়ে যাওয়ার পর থেকে...

গ্রামের সব বেকার ছেলেরা ওটা বিক্রি করা শুরু করে দিচ্ছে।

আমি যাই করি না কেন, আমি সেটাতেই ভালো কিছু করতে চাই।

আমি আপনার কাছ থেকে ঐতিহাসিক হাড় বসানোর কায়দা শিখে নিজে একদিন বড় গুরু হতে চাই।

তোমার এই পাশের চুলগুলো তো বন্য টিকটিকির মতো লাগছে।

ওই পাশে কি হয়েছে?

ছোটবেলায় ওইপাশে উকুনের কামড় খেয়েছিলাম। এরপর থেকেই ওইপাশে চুল কম উঠে।

ওবাপ! হে ভগবান!

তুমি দেখছো না যে আমি ব্যাথায় মরছি?

অসুস্থ মানুষটার জন্য তোমার কি কোনো সমবেদনা নেই?

আমি যদি সমবেদনা দেখাই তাহলে আমি হাঁড় বসাবো কিভাবে, স্যার?

কাল আমার সাথে ক্লিনিকে দেখা করো।

- আচ্ছা! - শুনো!

আমি শহরের দিকে যাচ্ছি। আমি তোমাকে নামিয়ে দিবো।

হে ভগবান! এই মানুষটা পুরোই পাগলা!

কি খবর, ভেঙ্কাট রাও? কাঁঠাল পারছো?

না, ডিম পারছি। লাগবে কিছু?

না, ধন্যবাদ! তুমিই রেখে দাও।

এই ৮০ বছরের বুড়োও ঘাউরামি ছাড়লো না।

মনে হয় পুবের হাওয়া উনার মাথায় প্রভাব ফেলছে।

পাগলের মতো এদিক সেদিক না ঘুরে...

তুই আমার কলা বাগানটার দেখাশুনা তো করতে পারিস।

আচ্ছা, ঠিক আছে।

আরে করুণা! কেমন আছো?

- আমি ভালো আছি। তুমি? - বিন্দাস!

মহেশ, আমার পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগবে।

চলো, কিছু দুর্দান্ত ছবি তোলা যাক!

আমি শুনলাম তুমি নাকি ভারতে চলে আসছো!

আমি এখানে চলে আসতে চাই।

কিন্তু এখন নই।

আমি ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে একটা জমি কিনেছি।

ওগুলো শোধ না করা পর্যন্ত আমাকে ওখানেই কাজ করতে হবে।

ওহ!

তোমার কি খবর? বিয়ে করছো কবে?

- আমি হয়তো এই বছর বিয়ে করবো। - দেরী করো না!

মানুষ হয়তো এটা নিয়ে কথা বলা শুরু করবে। তোমার বয়স এখনই ৩০!

তুই তো ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করে দুই সন্তানের বাবাও হলি।

আমরা অন্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজেদের জীবন চালাতে গেলে সব শেষ হবে।

- আমাদের কোট আছে। - লাগবে না। তুমি চালিয়ে যাও।

বসো!

বসো!

এদিকে দেখ।

চান্দ্রু, এটা পাসপোর্ট সাইজ ছবি। এদিকে এসো।

এসো!

চিবুক নামাও, অল্প একটু!

এটাই তুমি!

আমি তোমাকে আরেকটু ফর্সা করে দিয়েছি।

তোমাকে হ্যান্ডসাম লাগছে।

চল যাই!

বাই!

বাবজি, খাবে না এখন?

রোগী এসেছে, প্রায় শেষের দিকে।

মনে রেখো, এই ব্যান্ডেজ অন্তত ৩০ দিন রাখতে হবে।

- যদি এটা ব্যাথা করে, তাহলে কল করো আমাকে। - আচ্ছা!

অথবা এখানেই চলে এসো।

- কি রান্না করেছিস তুই? - শাক ভাজা!

- আরেকটু দে আমাকে। - হ্যাঁ, নাও!

যখন তুই তোর বাবাকে ওখানে পেলি তখন উনি ঝোঁপের ওদিকে কি করছিলো?

পাখি খুঁজছিলো...

- আমার কোনো ধারণাই নেই। - চিন্তা করিস না।

এমনটা হচ্ছে উনার বয়সের কারণে। তোর উনার উপর নজর রাখা উচিত।

ভেঙ্কাট রাও অসাধারণ!

সে তোর বাবার চেয়েও বেশি বৃদ্ধ!

সে এখনো গাছে উঠে কাঁঠাল পাড়ে।

সে আশি বছর বয়সেও এখনো শক্তিশালী।

কিন্তু সে ভয়ানক ব্যাঙ্গাত্মক মানুষ!

আমি আশা করি সে একদিন গাছ থেকে পড়ে পা ভাঙ্গবে।

আর আমার কাছেই চিকিৎসার জন্য আসবে।

এই ভেঙ্কাট রাও কে?

আমার সাথে মজা করছিস?

সে তোর গার্লফ্রেন্ডের জ্যাঠা! ভেঙ্কাট রাও!

মহেশ! এই মহেশ!

কি হয়েছে?

তোর বান্ধবীর জ্যাঠা, ভেঙ্কটা রাও... উনি একটা গাছ থেকে পড়ে গেছে।

উনি কি পা ভেঙেছেন?

না, উনার মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে।

উনি কখনো ছবি তুলতে চাইতেন না।

এখন তার বাড়িতে তার কোনো ছবি নেই।

Uma Maheswara Ugra Roopasya subtitles in other languages

التعليقات

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left