أول 200 سطر.
SAMARITAN GIRL
অনুবাদকঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আজ দেখা করবে?
তুমি কি সুন্দর?
অন্নেক।
তোমার চেহারা দেখতে পারি?
অবশ্যই।
পছন্দ হয়েছে?
হ্যাঁ, হয়েছে। রেট কত?
তুমি সাধারণত কত নাও?
এবারই আমার প্রথম...
২ লাখ উয়ন হলে কেমন হয়?
দারুণ।
আমরা কোনো জায়গায় গিয়ে ঠিক করব।
তুমি পুলিশ তো না, তাই না?
যদি তুমি না হও, তবে আমরাও নই।
ভারতে ভাসুমিত্রা নামে এক পতিতা ছিল।
ভাসুমিত্রা? কি সুন্দর নাম!
লোকে বলে ওর সাথে যে-ই বিছানায় যায়,
অনুগত বৌদ্ধ হয়ে ওঠে।
সে করেটা কী?
পতিতা হিসেবে খুব মজা দেয় বোধহয়।
সেক্সের সাথে বৌদ্ধ হওয়ার কী সম্পর্ক?
হয়তো এতে ভেতরের মাতৃপ্রেম জেগে ওঠে।
জানিস তো, ছেলেরা সেক্স করার সময় বাচ্চাদের মতো হয়ে যায়।
ইয়েও-জিন, এখন থেকে আমাকে ভাসুমিত্রা বলে ডাকবি।
মুখ বন্ধ কর।
বোঝা গেছে? আজ থেকে আমি ভাসুমিত্রা।
এটাই না?
নজর রাখিস।
- ইয়েও-জিন! কী করে হাসতে পারিস এখন? - কারণ মজা লাগছে।
এই দাঁড়াও!
আমাদের পেছন ছেড়েছে।
শুকরের পা ভাজা খাবি?
শুকরের পা ভাজা?
টাকা?
আমাদের কাছে এখন কত আছে?
একজনের প্লেনের টিকেটের চেয়ে একটু বেশি হবে।
আমাকে বোধহয় আরও দশজনের সাথে দেখা করতে হবে।
ছিঃ নোংরা।
ইস, আমি খাচ্ছিলাম তো।
লোকটা... কী কাজ করে জানিস?
কী যায় আছে?
সেন্সরের ব্যাপারে শুনেছিস?
সেন্সর?
ঐ কাচের দরজাগুলো দেখেছিস তো যেগুলোর সামনে গেলেই খুলে যায়।
সব সেন্সর লাগানো।
ও সেই সেন্সরের একটা দোকান চালায়।
বলছিল সেন্সরের আরও একটা কাজ আছে।
কী যেন ছিল?
ফালতু বকা বন্ধ কর।
ঐ জানোয়ারগুলো কী করে তোর জেনে লাভ কী?
বল!
রাগিস কেন?
ব্যস কৌতুহল হচ্ছে।
যদিও কিছুক্ষণের জন্য, কিন্তু আমরা কিছু শেয়ার তো করছি।
শুধু সেক্স করলে মজা থাকবে না।
ওরে মাথামোটা ভাসুমিত্রা।
আয়।
আমার গায়ে ময়লা নেই।
অনেক ময়লা আছে।
ঐ লোকগুলোর ব্যাপারে কিছুই জানিস না।
স্যরি রে, তোকেও এসবে টেনে এনেছি।
এবার থামা যাক।
আমার ভয় করে যে এটা আমাকে চিরকাল তাড়া করবে।
আরে খুন তো করছি না।
আমার জন্য অত কঠিনও না।
এতে মজাও তো আছে।
আর ইউরোপের দুইটা টিকেট কাটার জন্য আমাদের আরও টাকা লাগবে।
ব্যস কয়েকটা দিন ধৈর্য ধর।
মনে হচ্ছে তুই মজা পাচ্ছিস।
ইয়েও-জিন, স্কুলে যাবার আগে খেয়ে যেও।
আজ তোমার পরীক্ষা আছে।
পরীক্ষা দিতে ইচ্ছা করছে না।
দিব না।
তাহলে খাওয়া শুরু করো।
জানো তো আজ তোমার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী?
সাসপেক্টটাকে পেয়েছ?
এখনো তদন্ত করছি।
ফ্রান্সের আভিগননের নটোর ডেম ক্যাথেড্রালে...
যিশু খ্রীষ্টের একটা কাঠের মূর্তি ছিল।
কাঠটা এতই পুরানো আর ক্ষয় হয়ে গেছে যে,
দেখলে মুখ চিনতে পারবে না।
এমনকি একটা হাতও নেই।
শুনছ?
হ্যাঁ।
তারপর হঠাৎ একদিন
কাঠটায় একটা মুকুল গজায়।
কিন্তু সেটায় কোনো শিকড় ছিল না...
ব্যাপারটা রহস্যজনক, তাই না?
মিসারির খাদে?
দুইটায়?
আচ্ছা।
দেখা হচ্ছে তাহলে।
- সব ঠিক করেছিস? - হ্যাঁ।
- মিসারিতে দুইটায়। - চল।
ওরা বলে না তোর কণ্ঠ একটু আলাদা?
না।
অদ্ভুত লাগছে।
এমন না যে কাজটা আমি করছি,
কিন্তু ফোন আর টাকা তো সামলাই।
শুরুতে আমার ব্যস তোর মেকআপ করার কথা ছিল।
আমাকে দিয়ে কেন সব করাচ্ছিস?
স্যরি রে।
তোকে ছাড়া আমি কিছুই করতে পারি না।
না, কষ্টটা তো তুই ভোগ করছিস।
আর এখন থেকে ওদের কাজ জিজ্ঞেস করবি না।
আচ্ছা।
ইয়েও-জিন, গাড়িতে ওঠ।
উনি আমাদের ডিনার করাবেন।
আজ আমার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী।
তোমার মা নেই?
কাজ হয়ে গেলে, যান এখন। বের হ!
এক্ষুনি বেরিয়ে আয়!
ইয়েও-জিন, কী হয়েছে?
এক্ষুনি বের হ!
কী সমস্যা?
আমাকে তোমার খারাপ লাগে?
কাজ হলে যেতে বলেছি।
আমাকে তোমার খারাপ মনে হয়। তাই না?
আমি কি খারাপ?
কী দেখছেন? আমাকেও চান?
শয়তান কোথাকার।
ইয়েও-জিন, কী হয়েছে?
আরে লোক ভালো। উনি গায়ক।
কী হয়েছে তোর?
ও আমাদের ডিনার করালে সমস্যা কী?
ও তোর সাথে যা করেছে তার পরেও ওর সাথে কীভাবে খেতে পারিস?
কী করেছে আমার সাথে?
সবগুলো শয়তান!
এভাবে বলিস না।
ওর সাথে আমি ছিলাম।
ও অনেক ভালো মানুষ।
আমার জন্য গানও গেয়েছে।
সেক্সের চেয়েও বেশিকিছু হয়েছে।
চুপ কর।
স্যরি। স্যরি।
নিশ্চয়ই আবার ভুল কিছু করেছি।
ও ব্যস চাচ্ছিল আমার যেন অস্বস্তিকর না লাগে। এই যা।
স্যরি।
তোকে আর কষ্ট দিব না।
ওরা কী কাজ করে তাও জিজ্ঞেস করব না।
আমি ব্যস...
আমি ব্যস...
সেক্স করব।
স্যরি।
যে কেউ এই সুন্দর জিনিসে হাত দেয়, আমার ভালো লাগে না।
ও "যে কেউ" না।
ঐ ছেলেকে তোর ভালো লাগে?
সত্যি বলবি।
তোর চোখ দেখেই বলতে পারি।
ঘন্টাখানেকের মধ্যে তোর মনে ঐসব অনুভূতি কীভাবে জাগে?
সময়টা গুরুত্বপূর্ণ না।
ওকে পছন্দ করা বন্ধ করে দিব, ঠিক আছে?
কেমন সাজে তুলবি?
ভারতীয়?
ছবি তোলার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলে...
- "ওকে" বোতামে চাপ দিন। - ওকে।
ভাসুমিত্রা।
ভাসুমিত্রা।
ভাসুমিত্রা।
এক, দুই, তিন...
কী দেখছ?
কী দেখার আছে, পুঁচকি?
জানো তুমি দেখছিলে।
আর এখনও দেখছ!
তোমার গায়ে তো কাপড় আছে,
কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
এই, কী মনে হয় কোথায় দেখছি আমি।
যাও এখান থেকে।
যাও!
আজব তো!
জ্যে-ইয়ং!
দাঁড়াও।
নেমে এসো।
ওখানে থাকা বিপজ্জনক। এই মেয়ে, নিচে নামো!
জ্যে-ইয়ং, না!
আমাদের ভয় পেও না।
না, জ্যে-ইয়ং!
ভেতরে আসো।
জ্যে-ইয়ং, না!
জ্যে-ইয়ং!
জ্যে-ইয়ং, না!
পড়ে যাবে! নিচে নামো!
আসো!
আমরা তোমার কিছু করব না। এবার আসো!
জ্যে-ইয়ং, না!
জ্যে-ইয়ং, না!
জ্যে-ইয়ং, না!
জ্যে-ইয়ং!
জ্যে-ইয়ং।
আমাকে ওঠা।
আমাকে ওঠা।
ওর বাবা-মা কোথায়?
তাদের নাম্বার নেই আমার কাছে।
দুই ঘন্টার মধ্যে ওর জ্ঞান ফিরবে।
তাদের নাম্বার খুঁজো তাহলে, ঠিক আছে?
জ্যে-ইয়ং।
জ্যে-ইয়ং।
জ্যে-ইয়ং। জ্যে-ইয়ং।
No comments yet. Be the first to leave one.