ã‚ã®æ—¥è¦‹ãŸèбã®åå‰ã‚’僕é”ã¯ã¾ã 知らãªã„。
أول 182 سطر.
এই যে! এদিকে!
কোনোকিছু না জানিয়েই হুট করে ডাকার জন্য আমি দুঃখিত।
আমি ভাবতেও পারিনি মেনমার বাবা এসবে জড়িয়ে পড়বে।
আর এ কারণেই আবার সেখানে যেতে হচ্ছে।
আমি মেনমার মাকে সাইডে নিয়ে গিয়ে কথা বলতে পারবো।
তার মা নিশ্চই আমাদের পক্ষ নিবে।
ঠিক বলেছো।
যেভাবে সেদিন ডায়েরি দিলো মনে হলো, তিনি মেনমার জন্য যেকোনো কিছু করতে পারবেন।
মেনমা।
যদি সে জানতে পারে, তাকে না জানিয়ে আবার তার বাসায় এসেছি...
নিশ্চয়ই খুবই রাগ করবে।
পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা শেষ হয়ে গেলো, তারপরও শেষ হলো না আমাদের অনুভূতি প্রকাশ।
আমাদের সব আবেগ ঝেড়ে ফেলে, এখন আমরা নতুন করে লিখবো সব।
আমি জানি না কিভাবে শেষ করবো এই পৃষ্ঠা।
ডায়েরিতে চিহ্ন করে রেখে,
তুমি আমি বাইকে ঘুরবো সারাদিন।
চলো যাই আমাদের গোপন আস্তানায়,
যেখানের প্রতি ইটের ভাঁজে ভাঁজে আমাদের স্মৃতি লুকায়িত আছে।
চলো সেই পাহাড়ে যেখান থেকে মেঘ স্পর্শ করা যায়,
যেখান থেকে আকাশ ছুঁতে পারবো আমরা মেঘের উপরে ভেসে ভেসে।
এক হাতে থাকবে আমার আপেলের সুরা, অন্য হাতে খুঁজে ফিরব আমি তোমাকে।
বাসায় যাওয়ার সময় যখন আমাকে খুঁজতে,
যখন আমার কাছে আরো বেশি কিছু চাইতে,
যখন রাতে আমার পাশে শুতে।
এখনও কেন আমার তোমাদেরকে দেখার ইচ্ছা করে?
হয়তো আমার কিছু একটা হয়েছে।
স্বাগতম!
ওয়াও, এবার সুরুমি আর শিরিকোও এসেছে দেখছি৷ তোমাদেরকে দেখে খুব ভালো লাগছে।
ভিতরে আসো।
ধন্যবাদ
মনে হচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক মতোই হবে।
ধন্যবাদ
হুম।
ধন্যবাদ।
তাহলে এটা কি সেই আতশবাজির ব্যাপারে?
জ্বি, ঐ বিষয়েই...
প্রথমবার যখন তোমাদের আঙ্কেল আমাকে বললো, আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।
কিন্তু আমার মনে হয় এটা ভালোই হবে।
সব বন্ধুরা আবার একসাথে হবে।
সবাই মিলে অনেক মজা করবে।
যখন ছোট ছিলে ঠিক তখনকার মতো।
হুম্র। যখন আমরা ছোট ছিলাম, মেনমার সাথে একসাথে মিলে আতশবাজি বানাতে চেয়েছিলাম।
ওহ, মেইকোও ছিলো তাহলে...
হুমম...
আমরা যদি আতশবাজি করি, তাহলে মনে হয় মেনমা খুবই খুশি হবে।
এ কারণেই আমরা আঙ্কেলের সাথে কথা বলতে এসেছি...
তোমরা সবাই তার খুব কাছের মানুষ ছিলে, তাই না?
আসলে, বেশি কাছের না। কিন্তু ...
মেইকোও হয়তো খুশি হবে।
কিন্তু সে তো আর এখানে নেই।
তোমরা বলছো যে, মেইকোও খুশি হবে। কিন্তু কিভাবে? সে তো আর এখানে নেই।
তোমরা শুধু মেইকোর নাম ব্যবহার করছো।
আ-ন্টি...
নাহ্, আমরা আসলে...
মেইকো আর বেঁচে নেই।
কিন্তু তোমাদের দেখে তো মনে হচ্ছে সবকিছু স্বাভাবিকই আছে ...
আসলে...
কেন?
তোমরা কি ওইদিন মেইকোর সাথে খেলছিলে না?
সুরুমি।
তুমি তার ডায়েরি পড়েছো, পড়োনি?
মনে হচ্ছে সময় আটকে গেছে।
সেই একমাত্র আগের মতোই আছে।
কিন্তু তোমরা কেন বড় হলে?
শুধু মেইকোই কেন একা... মেইকো।
শুধু সে...
আমি এসেছি।
কী হচ্ছে এখানে?
এখন আমাদের যাওয়া উচিত।
হুম।
তোমার হাত কি ঠিক আছে, সুরুমি?
তেমন সাংঘাতিক কিছু না।
মেনমার মা খুবই ভয়ানক ছিলো।
হুম। তিনি আমাদের পুরো ধুয়েই দিলেন।
জীবনে এই প্রথম কেউ আমার সাথে এত খারাপ ব্যবহার করলো।
যেহেতু তিনি অভিভাবক ।
হুম। একজন মা!
চলো এসব ছেড়ে দেই।
মেনমার ইচ্ছা পূরণের এসব বোকামি কাজকারবার ছেড়ে দেই।
কি বললে? যদি আমরা এটা ছেড়ে দেই তাহলে মেনমার কেমন লাগবে জানো না?...
তোমার বন্ধ চোখ খুলে ফেলো।
সবাই তোমার সাথে খেলছে।
ইয়ুকিয়াতসু।
আমারও নিজস্ব কিছু মতামত আছে, কিন্তু চাইলেই তো আমি তা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে পারি না।
কিন্তু তুমি, আমি তো আবার ব্যথা অন্যদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছি না।
আমার নিজের ব্যথা...
যা বলছি সেরকমই কি নয়?
তুমি এখনো অতীতেই পড়ে আছো, একদম মেনমার বাবা-মার মতো...
এখানের সবাই ব্যথায় আছে।
সে তো শুধু তার নিজের কথাই বলেছে, তাই না?
যে ব্যথায় আছে সে হলো ইয়ুকিয়াতসু।
তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে জিনতান। নিশ্চই মেনমা আমাদের আশেপাশেই আছে।
জিনতান।
আচ্ছা সমস্যা নেই।
আমি একাই এটা করবো।
জিনতান।
কিন্তু তুমিই তো বলেছিলে আমরা সবাই একসাথে করলে...
তুমি তো জানোই...
আমি ভেবেছিলাম সবাই বদলে গেছে।
হুম?
কিন্তু সবার সাথে কথা বলে বুঝলাম কেউ খুব বেশি বদলায়নি।
কিন্তু যেটুকুই বদলাই না কেন, মূল বিষয় হলো আমরা আর আগের মতো একসাথে নেই।
শুরু থেকেই ছিলাম না।
কারণ মেনমা আর নেই।
জিনতান।
যেহেতু আমরা কেউ আর একসাথে নেই, আমি একাই মেনমার ইচ্ছা পূরণ করবো।
দাঁড়াও জিনতান! আমিতো শুরু থেকেই তোমার সাথে ছিলাম। তুমিতো জানোই...
বাসায় স্বাগতম!
এটা খুবই বিপজ্জনক।
আমি জুতা খুলছিলাম।
আমি একাই এটা করতে পারবো।
আমি একাই।
কি? তুমি আরো কয়েকঘন্টা বেশি কাজ করবে?
হুম, ওখানে ভালোই টাকা পাওয়া যায়।
তোমাকে বিবর্ণ দেখাচ্ছে কেন?
কারণ আমি ঘুমাইনি।
কিহ...
সারা জীবন তো শুধু খেলাম আর ঘুমালাম।
জীবনটা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শেষ করতে চাই না।
কিভাবে?
সে কিভাবে এত এনার্জি পায়?
সে কি মেনমাকে নিয়ে এতটাই ভাবে?
হেই... আহ্.. জিনতান?
কিছুটা পানি নাও।
ধন্যবাদ।
আর এই ভিটামিন ট্যাবলেটগুলোও নাও।
পানি খাও।
এখন কিছুটা ভালো লাগছে।
ভালো।
জিনতান।
হুম?
চলো সবকিছু বাদ দেই।
তুমিও খুব কষ্টে আছো জানি।
এসব বাদ দেই চলো।
'এসব' বলতে কি বোঝাচ্ছো?
কিহ?
আমার অনেক কাজ বাকি আছে।
যেয়ো না।
কিহ?
যেয়ো না।
আমি চাই না তুমি আবার তখনকার মতো চলে যাও।
তখনকার মতো?
আমি তোমাকে আমার একটা ভয়ংকর সত্য কথা বলবো।
কিহ?
সেসময়, আমার খুবই প্রশান্তি লেগেছিলো।
তুমি বলেছিলে যে, তুমি মেনমাকে পছন্দ করো না।
যেটা খুবই ভয়ংকর ছিলো, কিন্তু মনে মনে আমি খুশি হয়েছিলাম।
কিন্তু...
যখন তুমি ওভাবে চলে গেলে...
মনে হচ্ছিলো, মন থেকে তুমি তাকে ভালোবাসো।
তখন আমার খুব খারাপ লেগেছিলো।
আমি নিজেকে কখনো ক্ষমা করতে পারবো না সেসময় খুশি হওয়ার জন্য।
আর মেনমাকে কষ্ট দেয়ার জন্যেও, এবং যেভাবে এসব শেষ হলো।
আর আমি... নিজেকেও মাফ করতে পারবো না তোমাকে ভালোবাসার জন্য।
কিন্তু মনে হচ্ছে যে আমি... আমি আসলেই...
তারপরও তুমি যাচ্ছো?
এমন অদ্ভুত আচরণ কেন করছো?
বলে দিলেই তো হয় যে মেনমা তোমার বাড়িতে আছে, যদি তার ইচ্ছা পূরণ করো তাহলে সে যাবে!
সে চলে গেলে কি তোমার ভালো লাগবে? যেহেতু তুমি তাকে পছন্দ করো?
স্বাগতম!
জিনতান তুমি একটা...
গাধা!
আমিও অনেক বড় গাধা।
বাসায় এসেছি!
সে কি আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো?
তোমার নখগুলো নোংরা হয়ে গিয়েছে!
আমি পরিষ্কার করে দিচ্ছি!
তোমাকে করতে হবে না!
আমিই করবো!
আমি জানি, যদি তার ইচ্ছা পূরণ করি তাহলে মেনমা...
আউচ...
দুঃখিত, আর অল্প কিছুক্ষণ সহ্য করো।
কিন্তু মেনমা যদি এটাই চায়...
যদি এটাই একমাত্র রাস্তা হয়, আমি করবোই...
জিনতান?
কি হলো? খুব লেগেছে কি?
না আমি... আমার ফ্লানডারের কুকুরের কথা মনে পড়লো।
কিহ্?
আমি পাট্রাসচের কথা ভাবছিলাম।
পাট্রাসচে?
তারা কিছুক্ষণ আগে টিভিতে দেখাচ্ছিলো ফ্লানডারের কুকুরটা...
আমি কি বলছি? মিথ্যাও ঠিকমতো বলতে পারি না।
No comments yet. Be the first to leave one.