أول 200 سطر.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
• • • এটি আমার ❝৯৬তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল • • •
কয়েদী নম্বর ৩২৫, তোমাকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে।
এখানে আর কখনো ফিরে আসবে না।
আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
পৃথিবীর বাইরেটা...
百万円と苦虫女 . : : ONE MILLION YEN GIRL : : .
এগুলোই?
বেশ, আমি মেন্যুটা নিয়ে যাচ্ছি।
মাফ করবেন।
প্রায় ২০,০০০ ইয়েন।
সত্যি?
সুজুকো, তুমি বাড়িতে থাকার জন্য টাকা দাও?
তারা এতটা কঠোর?
আসলে,
তারা আমাকে কলেজে পাঠিয়েছিলো, এমনকি তার জন্য লোন ও নিয়েছিলো,
কিন্তু শেষমেষ আমাকে পাট-টাইম কাজ করতে হচ্ছে।
অন্তত সংসারে কিছু টাকা না দিয়ে বাবা-মায়ের সাথে থাকাটা একটু বিব্রতকর।
বাহ, প্রশংসনীয় কাজ বটে।
আরে, না, না।
তাহলে, তুমি কখনও নিজের মতো বেঁচে থাকার কথা ভেবেছো?
হ্যাঁ, ভেবেছি তবে...
এই পার্ট-টাইম জবের বেতন দিয়ে টিকে থাকা কষ্টকর হবে।
তা সত্য।
তাহলে আমরা রুম শেয়ার করে থাকলে কেমন হয়?
ভাড়া ভাগাভাগি করে নেব।
এটার দাম কম আছে।
ঠিক বলেছো!
এটা দেখা যাক।
ওই দিকে।
তুমি মানচিত্রটাকে উল্টো দেখছো।
আমি খুশি কারণ আমরা একটা দারুণ বাসা খুঁজে পেয়েছি।
হ্যাঁ! ওটা তুলনামূলকভাবে ট্রেন স্টেশনের কাছেও।
তাকেশি?
আমি বাসা খুঁজে পেয়েছি।
তাই?
দুটো বেডরুম আছে, আমরা কমিয়ে ভাড়া মাসে ৯০,০০০ ইয়েনে এনেছি।
- দারুন হয়েছে না? - চমৎকার।
আমরা তিনজনের প্রত্যেকের ভাগে ৩০,০০০ ইয়েন করে পড়বে।
তুমি দিতে পারবে, তাই না?
আমি তোমার আগে অ্যাপার্টমেন্টে চলে যাচ্ছি।
বেশ, আমিও শীঘ্রই ওখানে যাবো।
আচ্ছা, বাই।
বাই।
"আমরা তিনজন"?
আমি কি তোমাকে বলতে ভুলে গেছি যে তাকেশি আমাদের সাথে থাকবে?
রুম শেয়ার...
হ্যাঁ, তাকেশিসহ আমরা তিনজন।
তুমি চাইলে একটা রুম নিজের একার জন্য নিতে পারো।
কী, তুমি তাকেশির সাথে থাকতে চাও না?
তার সাথে আমার একবারই দেখা হয়েছে...
চিন্তা কোরো না!
আমি নিশ্চিত তুমি ওর সাথে মিশতে পারবে।
আচ্ছা, ও তোমাকে হাই বলেছে।
ও আগেই বাসায় উঠতে চায়, তাই আমি গিয়ে ওকে চাবি দিয়ে আসছি।
যেদিন তুমি উঠবে, সেদিনই আমি উঠবো,
তাই ও আগে থেকেই ওখানে থাকবে, তবে চিন্তা কোরো না।
ভয় পেয়ে গেলাম তো। কী হয়েছে?
কী করছিস?
আমার নতুন বাসার জন্য একটি পর্দা তৈরি করছি।
- একটা কিনে নে না! - দাম যে অনেক!
তুই সত্যিই চলে যাবি?
হুম।
কী, আমার কথা মনে পড়বে?
সত্যিই তুই নিজের খরচ একা চালাতে পারবি?
কোনো ফুল-টাইম জব ও তো খুঁজলিনা।
যাক, অবশেষে বাড়ির শান্ত পরিবেশে আমার বাড়ির কাজ করতে পারবো।
যাই হোক, শুভকামনা রইলো।
দুষ্টু ছেলে!
চুলা কাজ করছে।
বেশ, আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সবকিছু আছে।
রিকো দেরী করছে...ভাবছি কোথাও হারিয়ে গেলো না তো।
ও আসবে না।
কী?
আমরা ব্রেকআপ করে ফেলেছি।
কী, তাহলে এই অ্যাপার্টমেন্টের কী করবো?
আমি একা ভাড়া দিতে পারব না।
কিছুদিন আমার সাথে থাকো।
যাইহোক, আমি তোমার প্রতি আকৃষ্ট নই।
বাসা শেয়ার করছি শুধু।
কী? দাঁড়াও!
কাউকে খোঁজা যাক যে তোমাকে কাল নিয়ে যাবে।
হ্যাঁ...নিশ্চয়ই তোমার ক্ষুধা লেগেছে।
আমি গিয়ে খাবার কিনে আনছি।
আমার কম্পিউটার কিংবা প্রিন্টার নেই...
বোধহয় হাতে করে করতে হবে।
ফিরে এসেছি।
ওহ, তুমি ফিরেছো?
কী সমস্যা তোমার?
রিকো আমাকে ছেড়ে চলে গেছে বলে আমি হতাশ আর তুমি প্রফুল্লিত হয়ে আছো।
বাদ দাও, আমি বিরক্ত হয়ে আছি।
বিড়ালটা কোথায়?
ফেলে দিয়েছি।
সাতৌ, এক সেকেন্ড শোনো।
আপনিই মিস. সাতৌ সুজুকো?
হ্যাঁ।
মি. হামাদা তাকেশির মামলার ব্যাপারে আমাদের সাথে থানায় আসতে পারেন?
মোট কথা, আপনি এটা করেছেন কারণ সে বিড়ালটিকে...
রাস্তায় ফেলে দেওয়ায় আপনি কষ্ট পেয়েছিলেন।
আপনি যে ব্যাগটি ফেলে দিয়েছিলেন তাতে কি এক মিলিয়ন ইয়েন ছিল?
এক মিলিয়ন ইয়েন?
আমি এর কিছুই জানি না।
আচ্ছা...কিন্তু হামাদা তাকেশি নামের একজন লোক...
বলছেন যে ওতে এক মিলিয়ন ইয়েন ছিলো।
একটা কালো ব্যাগে।
মিথ্যে বলছে ও।
আমি কোনো ভুল কিছু করিনি।
তার কি কোনো কালো ব্যাগ ছিলো?
একটা... বোধহয় ছিলো।
তো যাই হোক...
আপনি ওটা করেছেন?
আমি ভুল কিছু করিনি।
না, আপনি ওটা করেছেন?
বললাম তো, আমি ভুল কিছু করিনি।
আমি যা বলতে চাইছি...
তার সাথে কি ওটা করেছেন? সেক্স?
না।
একটুও না?
একটুও না মানে?
আমি করিনি।
আপনাকে দেখে মনে হয় না আপনি কোনো খারাপ কিছু করবেন।
যদি তার সাথে একবারও সেক্স করে থাকেন....
আমরা দুই প্রেমিকের মধ্যে দ্বন্দ্ব হিসাবে এটার নিষ্পত্তি করতে পারবো...
এটা একটা দেওয়ানি মামলা হবে।
আপনি করেননি সেক্স?
না।
আচ্ছা, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তাহলে এটা একটা ফৌজদারি মামলা।
এটা এরকমই?
এরকমই।
করা উচিত ছিলো।
আসামী ভিক্টিমের অনুমতি ব্যতিরেকে তার অধিকৃত বস্তু এবং অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছে।
এটি সেকশন ২৬১ এর অধীনে ফৌজদারী আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন, "সম্পদের ক্ষতি"।
ভিক্টিমের তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে সাম্প্রতিক ব্রেকআপের প্রেক্ষিতে,
নিন্টেন্ডো ডিএস লাইট সহ তার গুরুত্বপুর্ণ সম্পদের ক্ষতি করার দোষে দোষী৷
তাছাড়া, আসামীর বয়স ২১ বছর,
এবং তার সাক্ষ্য অনুযায়ী সে তার কর্মের জন্য অনুতপ্ত।
শাস্তি: দুই লাখ ইয়েন জরিমানা।
দেখো! এটা সুজুকো কেক!
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
বিষয়টা নিয়ে আগামীকাল আপনাকে আবার কল করব।
- বাড়িতে স্বাগত। - ধন্যবাদ, গুডবাই।
তোমাকে এক গ্লাস বিয়ার ঢেলে দিচ্ছি।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
- তোমারটাতে ঢেলে দিবো? - আমি নিচ্ছি।
বেশ, গ্লাস তোলা যাক।
- চিয়ার্স। - চিয়ার্স।
এবার খাওয়া যাক।
সব তোর পছন্দের খাবার তৈরি করেছি।
আমি নিশ্চিত তুই কোনো ভালো খাবার খেতে পাসনি...
...ওপস।
যাই হোক, চল খাই। অনেক দিন পর আমরা সবাই এভাবে একসাথে খেতে বসেছি।
নাও।
তুই ফিরে এলি কেন?!
তাকুইয়া...
না ফিরে এলেই পারতি।
আমরা খাবার খাওয়ার মাঝে আছি।
এতে আমার ভর্তি পরীক্ষায় প্রভাব পড়বে!
তাকুইয়া! এমন কথা বলে না।
জরিমানাটাও তো ও নিজে দিয়েছে!
পরিবারে অপরাধী আছে এমন ছাত্রকে কোন স্কুল ভর্তি নেবে?
চিন্তা করিস না! এটা ছোট্ট একটা অপরাধ।
হেই!
সব দোষ তোর!
এবার থাম, তাকুইয়া।
- হ্যালো? - এখন ফোনটা রিসিভ করতে হবে না!
দুঃখিত, আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো।
সে তোমাদের কথা শুনতে পাবে!
পাবে না।
রিসিভ করতে গেছো কেন, দোষ তোমার।
আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো।
চেঁচামেচি কোরো না...
কী বলছিস?
হ্যাঁ, কী বলছো?
বলেছি আমি চলে যাবো।
ভেবেছো আমি এ ব্যাপারে জানি না?
কবে?
আমাকে কীসের দোষ দিচ্ছো?
যখন আমার যথেষ্ট সঞ্চয় হবে...
তুমি টেনিস স্কুলের একজন যুবকের জন্য অর্থ ব্যয় করছো।
কত?
তুমি কী করেছো?
কত...
কী?
আসলেই তুই সিরিয়াস এ ব্যাপারে?
তোমার কোম্পানির ওই যুবতী মেয়েটার জন্য কত খরচ করেছো?
এক... এক মিলিয়ন ইয়েন!
কী বলছো এসব?!
বোকা না কি তুই? এক মিলিয়ন ইয়েন কেন?
ভেবেছো কি আমি কিছুই জানি না?
হয়তো আমি এক মিলিয়ন ইয়েনে সব খরচ চালাতে পারবো।
এখন এটা আলোচনা করার সময় নয়।
ওই "হয়তো" দিয়ে কী বোঝাতে চাইছিস? স্পষ্টভাবে বল!
এখনি স্পষ্ট করে বলো!
আমার ১ মিলিয়ন ইয়েন সঞ্চয় করা হয়ে গেলে আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো।
তোদের আর জ্বালাবো না।
এখন থেকে আমি নিজের মত করে বাঁচব, কারো উপর নির্ভর করব না।
খাবারের জন্য ধন্যবাদ।
হেই, তুমি সাতৌ পরিবারের সুজুকোকে চেনো?
ভাবছিলাম ওকে অনেকদিন ধরে দেখিনি... ও না কি জেলে ছিলো!
জেলে?!
No comments yet. Be the first to leave one.