Prvních 200 řádků.
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
"র্যাডক্লিফ" (র্যাডক্লিফ হচ্ছে সেই সীমানা যা ভারত এবং পাকিস্তানকে আলাদা করেছে। ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্ব ও পশ্চিমে অমানবিক এই দাগের দুই প্রান্তে রক্তের পাশবিক খেলা চলেছে দীর্ঘদিন ধরে।)
- হ্যালো নাজ? - হ্যাঁ, আব্বা।
- কেমন আছিস? - আমরা সবাই ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?
আলহামদুলিল্লাহ। ভালো আছি।
আম্মা কোথায়?
এখানেই আছে।
উনি কেমন আছেন?
বেশী ভালো না, আব্বু।
উনার স্মৃতিশক্তি দিনদিন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।
মাঝেমধ্যে কী সব বলে!
- কী বলে? - এক মিনিট!
আব্বা!
আমার আব্বু!
আপনার ছেলে, দাদী!
আম্মা!
শাহিদ?
আরে বাহ! আমাকে চিনতে পেরেছেন?
তুই আমাকে স্বর্ণ মন্দিরে ঘুরতে নিয়ে যাবি কবে?
দেখলে আব্বু?
আম্মা, আমি বলেছি তোমাকে।
সবার সামনে এসব বলতে না।
তুই কথা দিয়েছিলি আমাকে নিয়ে যাবি!
যাবো।
আমি সবকিছুর ব্যবস্থা করছি।
সত্যি?
সত্যি, আম্মা।
আমি তোমার একমাত্র ছেলে।
তোমার সাথে দেখা করি বা না করি...
স্বর্ণ মন্দিরে তুমি যাবেই।
আমার জন্য শুধু...
...আল্লাহর কাছে দোয়া করবে।
সন্ধ্যার সংবাদ, লক্ষেরও বেশী পুরুষ, নারী আর শিশু...
রেডক্লিফ লাইনে অবস্থান করছে, যেটা ভারত এবং পাকিস্তানের সীমানাকে আলাদা করেছে।
- জলদি কর, বাবা। - এই তো আব্বা, হয়ে গেছে।
- একটু আলো দাও তো। - এই যে!
শেঠি, বন্ধ কর ওটা।
আম্মা।
শুনলে শব্দটা?
বলেছি না, শেরু আমাদের পিছু নিয়েছে।
- ও শেরু নয়! - শেরু!
শেরু!
নানভীত, মাথা খারাপ হয়ে গেছ?
- চুপ করে ভেতরে বসো। - কিন্তু শেরু?
১৫ মাইল দূরে চলে এসেছি। শেরু আমাদের এত দূর পর্যন্ত অনুসরণ করতে পারবে না।
নানভীত, শেরুর কিছুই হবে না।
ও হিন্দু মুসলমান কোনোটাই না।
- ভেতরে চুপচাপ বসে থাক। - ওকে কেনো ওখানে রেখে আসলে?
নানভীত।
শান্ত হ!
ওর ঘেউ ঘেউ শুনতে পাচ্ছি আমি!
- নানভীত! - শেরু!
নানভীত!
শেরু! শেরু!
- তুমি ভেতরে থাকো। - শেরু!
- শেরু! - থাম!
নানভীত!
ছাড়ুন আমাকে!
ছেড়ে দিন!
- মেয়েটাকে ছেড়ে দিন! - পিছিয়ে যান!
- আব্বা! - পিছিয়ে যান!
ছেড়ে দিন!
- ছেড়ে দিন আমাকে - ভেতরে ঢোক!
- আব্বা! - ভেতরে ঢোক!
আব্বা!
স্বর্ণ মন্দির!
হারামির বাচ্চা! বল, শাহিদ খান কোথায়?
তোর মুখ তো খুলিয়েই ছাড়বো, মাদারচোত।
- বোমা কোথায়? - এখনও জানা যায়নি।
- কখন জানা যাবে? - রেইড দিচ্ছি আমরা।
- তারপর? - একজনকে গ্রেফতার করেছি।
জোসেফ, আপনার দলের অদক্ষ কাজকর্ম আর বরদাশত করতে পারছি না আমি।
যখনই জিজ্ঞেস করি, বলেন "তদন্ত চলছে!"
ফলাফল দেখান, ফলাফল!
- নয়তো বরখাস্তের জন্য প্রস্তুত হন। - যাকে খুশি তাকে বরখাস্ত করুন, ম্যাম।
ধমকি দেয়ার সময় এটা না।
ভুল করেছি, এক সপ্তাহ আগেই কেসটা সেন্টারে দিয়ে দেয়া উচিত ছিল।
কী ভেবেছেন? তারা জাদু দিয়ে কেস সল্ভ করে ফেলবে?
আপনাদের মতো হাত গুটিয়ে অন্তত বসে থাকতো না।
ম্যাম, আমি কথা দিচ্ছি।
কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার টিম এই শহর ছেড়ে যাবে না।
এটা আমাদের ওয়াদা, একই সাথে দায়িত্ব।
স্যার, একটা ক্লু পেয়েছি।
স্যার, একটা প্রশ্ন! একটা প্রশ্ন করবো!
মাত্রই খবর পেলাম, মুম্বাইতে সুনামি ধেয়ে আসার সংবাদটা গুজব!
নিউক্লিয়ার অ্যাটাকের খবর ধামাচাপা দেয়ার জন্য? কিছু বলুন এই ব্যাপারে!
প্রভু গণেশ আমাদের রক্ষা করবেন।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
- স্যার! - স্যার!
স্যার, আপনারা নিউক্লিয়ার অ্যাটাকের খবরটা উড়িয়েও দেননি!
সংসদে জনগণ আপনাদের কিসের জন্য ভোট দিয়ে পাঠিয়েছে তাহলে?
কী বললি?
ছুবেন না বলছি।
পিছু হটুন, পিছু হটুন সবাই।
আপনারা সবাই একটা সম্প্রদায়কে বাঁচানোর জন্য এত পেরেশান হয়েছিলেন বলেই...
সেই সম্প্রদায় আজ শহরের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিরপেক্ষ, নিরপেক্ষ করতে থাকেন সবসময়!
নিউক্লিয়ার অ্যাটাকের ব্যাপারে মূখ্যমন্ত্রীকে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন!
আর ডিসিপি পারুলকারকে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন কেনো হিজবুদ্দিনের টিকিটির নাগালও তারা পাননি।
জয় হিন্দ, জয় মহারাষ্ট্র!
যে পরমাণু বোমার উড়ো খবর আমরা শুনেছি সেটার সত্যতা নিশ্চিত করে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুম্বাইকে ভয়াবহ একটা শক দিয়েছেন।
যদি খবরটা সত্য হয়...
ভারতের ৭০ বছরের ইতিহাসে এটাই হবে সবচেয়ে বড় হুমকি।
আমরা খবর পেয়েছি..
কেন্দ্রীয় সরকার সকল নিরাপত্তা সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছে জনমনের ভয় এবং আসন্ন হুমকিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
কিন্তু, মনে হচ্ছে...
সামান্য হলেও...
দেরী হয়ে গেছে।
আহম ব্রহ্মাস্থি
আহম ব্রহ্মাস্থি
আহম ব্রহ্মাস্থি
আহম ব্রহ্মাস্থি
আহম ব্রহ্মাস্থি
চল! জলদি কর! প্যান্ট খোল!
এইতো।
ঠিক আছে?
তোমরা চাইলে আন্ডু খুলেও দেখাতে পারি!
দরকার পরলে গাইতোন্ডে খুলবে আন্ডু, চিন্তা করিস না।
সিনেমায় কাজ করতে চাওয়া হিরোইনদের মতো লাগছে তোকে।
প্যান্ট পর!
পাপী!
চল!
থাম এখানে।
এসব কী?
এসব কী?
আমাদের দুনিয়া।
এটাই বানাতে চেয়েছিলিস না? উপভোগ কর।
এসব কেনো করলি, গণেশ?
আমরা গুরুজির হত্যা ভুলে যাবো।
ভুলেও গেছি।
শুধু ওই কাল গ্রন্থটা আমাদের দিয়ে দাও।
বের কর।
খাওয়ার জন্য কিছু আছে?
- এসেছে। - হুম।
ম্যাথু নিয়ে এসেছে ওকে।
ফোন রাখ।
আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা ছোট করে চিন্তা করি...
গুরুজি কি সে ব্যাপারে আমাদের শিক্ষা দেয়নি?
তোকে বলার জন্য না, শোনার জন্য এখানে এনেছি। বুঝেছিস?
ম্যালকমকে বল আমার পিছু না নিতে।
হয়ে যাবে।
আর বানচোদ, যে বোমা লাগানোর কথা ভাবছিস সেটা ক্যান্সেল কর।
শুনেছিস?
শুনেছিস?
এমন কিছু করিস না যেটা তুই পারিস না, মাদারচোত!
চুতিয়া!
ছাড়! ছাড় আমাকে!
মাদারচোত, কথা বলা আর ছুড়ি মারার মধ্যে তফাৎ আছে।
যেটা পারিস না সেটা করার চেষ্টা করিস না।
তোর কী করার হেডাম আছে, গাইতোন্ডে?
এই গান্ডু!
আমি কে জানিস না তুই?
- কে তুই? - গাইতোন্ডে!
কোন গাইতোন্ডে?
অশ্বত্থামা।
কে বানিয়েছে তোকে অশ্বত্থামা?
- হুম? - তুই বানিয়েছিস?
আমি বানাইনি, তোর বাপ বানিয়েছে।
- তুই বানিয়েছিস আমাকে? - না!
কুত্তার বাচ্চা, তুই আমাকে অশ্বত্থামা বানিয়েছিস?
তোকে বাঁচানো থেকে শুরু করে কাপড়, খাবার, নিরাপত্তা সবকিছু দিয়েছি তোকে।
তুই তো রাস্তার কুকুর ছিলি!
তোকে তুলে এনে আদর যত্ন করেছি...
তোকে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছি!
সুভদ্রাকে কে মেরেছে?
- ইসা মেরেছে! - ইসা ছিল?
ওসব লাঙ্ঘুর, ঘাস্লে, আব্দুল সবগুলোকে বান্টি মেরেছে।
উনার চেহারা স্মরণ কর। চেষ্টা কর, চেষ্টা কর!
গুরুজির আশ্রমে উনার সাথে তোর সাক্ষাৎ হয়েছে।
লোহানের কথা স্মরণ কর যে তোকে পানি খাইয়েছে!
তোর জীবনে আসা সকল মানুষকে আমরা পাঠিয়েছি।
জামিলাকে তোর কাছে কে পাঠিয়েছিল?
- বান্টি! - না, আমি পাঠিয়েছিলাম।
আরে, তুই তো জেলে পচে মরছিলি।
জামিলা তোকে আবারও বোকা বানিয়েছে।
তোকে জেল থেকে কে বের করেছে? কে বল?
ও মিথ্যা বলছে, গণেশ।
তুই মিথ্যা বলছিস।
আমি বের করেছি।
তুই কোনো অশ্বত্থামা নস, কোনো সম্রাটও নস।
গুরুজির নতুন দুনিয়ার শ্রমিক তুই!
গুরুজির চাকর ছিলিস তুই! আর কিছুই না!
- চাকর! - গুরুজির চাকর ছিলিস তুই!
- মাদারচোত! - গুরুজির চাকর ছিলিস তুই!
বেজন্মার বাচ্চা!
গুরুজির চাকর ছিলিস তুই!
মাদারচোত, আমি অশ্বত্থামা!
কুত্তার বাচ্চা!
আমি অশ্বত্থামা!
মাদারচোত!
গান্ডু!
আমিই অশ্বত্থামা, মাদারচোত!
ভাই, উনার নাম্বার লিখুন।
+ 971
কে?
সুভদ্রাকে তুই মারিসনি?
গাইতোন্ডে।
সুভদ্রাকে তুই মারিসনি।
মেয়েদের মারি না আমি।
যেটা জিজ্ঞেস করেছি সেটা বল, গান্ডু।
No comments yet. Be the first to leave one.