Prvních 200 řádků.
" বাংলা সাবটাইটেলটি কোরিয়ান ভাষা এবং সাবের সমন্বয়ে অনুবাদ করা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভাবানুবাদ করা হয়েছে। "
" মুভির জাপানিজ এবং রাশিয়ান ডায়লগগুলো ম্যানুয়ালি যুক্ত করা হয়েছে। "
" HARBIN "
" ১৯০৫ সালে জাপান জোরপূর্বক কোরিয়ান সাম্রাজ্যকে ইসলা চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে এবং কোরিয়ার কূটনৈতিক অধিকার হরণ করে! "
" এই চুক্তির ফলে কোরিয়ান সাম্রাজ্য নামমাত্র জাপানের অধীনস্থ একটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়, কিন্তু বাস্তবে কোরিয়া তার সার্বভৌমত্ব হারিয়ে জাপানের উপনিবেশে পরিণত হয়। "
" ক্রোধ সংবরণ করতে না পেরে অনেকে আত্মাহুতির মাধ্যমে চুক্তির প্রতিবাদ করেন, আবার অনেকে সক্রিয় এবং গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। "
এক মাসেরও বেশি হয়ে গেছে।
কমান্ডার লি ছাং-সেওপ, আপনার কী মনে হয়?
এখনও ফিরে না আসার মানে,
আমাদের ধরে নিতে হবে সে মারা গেছে।
আমি নিশ্চিত, সে জীবিত ফিরে আসবে।
জীবিত ফিরে আসার মানে,
জাপানিদের হাতে ধরা পড়ে গুপ্তচরে পরিণত হয়েছে।
হেই! লি ছাং-সেওপ!
ভিত্তিহীন সন্দেহের বশে তাকে অপবাদ দিবে না।
কার কারণে আমাদের সহযোদ্ধারা মারা গেছে,
ভুলে গেছ?
ওটা অবশ্যম্ভাবী অভিপ্রায় ছিল।
ওটা অদূরদর্শী এক অবিবেচক সিদ্ধান্ত ছিল!
কমান্ডার লি ঠিক বলেছেন।
কারণ যা-ই হোক না কেন,
আন জুং-গেউনের পক্ষে সাফাই গাওয়াটা আমি মানতে পারছি না।
আপনি ঠিক আছেন?
আপনি কী সত্যি শত্রুপক্ষের জেনারেলকে ছেড়ে দিয়েছেন?
আর কোনো কমান্ডার কী জীবিত ফিরে এসেছে?
সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।
কমরেড আন,
আপনি বেঁচে আছেন!
জানতাম আপনি জীবিত ফিরে আসবেন।
হুহ?
কিন্তু আপনার শরীরের এই হাল কেন?
আপনার কী হয়েছে?
কী?
আপনি ঠিক আছেন?
তোমাকে জীবিত দেখে ভালো লাগছে।
এখানে বসুন।
কোনো সাহসে এখানে এসেছ?
কমরেড, নিজেকে সংযত করো!
সে যা-ই বলুক না কেন,
আমি কখনই তাকে ক্ষমা করব না।
আমি ক্ষমা চাইতে আসিনি।
আমি এসেছি কারণ আমার এখনও অনেক কাজ বাকি আছে।
৪০দিন পূর্বে, গ্যেওংহ্যেউং, উত্তর হামগ্যেওং প্রদেশ
পরিস্থিতি কেমন?
মনে হচ্ছে অগ্রগামী দল ১৫০জন সৈন্য নিয়ে,
ক্যাম্প নির্মাণ করতে এসেছে।
তারা আমাদের থেকে ৭০জন বেশি!
আমরা বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আছি।
যুদ্ধ সংখ্যা দিয়ে নয় মনোবল দিয়ে লড়তে হয়!
আমরা ২-১ রণকৌশলে লড়বো।
কৌশলটা খারাপ না তবে,
আমরা প্রতিকূল অবস্থায় আছি।
তাদের অস্ত্র আমাদের থেকে উন্নততর,
ফাঁড়িগুলোর অবস্থা কেমন?
উত্তর ও দক্ষিণে দুইটা করে ফাঁড়ি আছে।
আমি লেফট-উইংস সৈন্যদলের নেতৃত্ব দিয়ে,
দক্ষিণের আক্রমণ করব।
কমরেড কিম এবং আমি উত্তরের ফাঁড়িগুলোতে আক্রমণ করব।
সেক্ষেত্রে,
আমি প্রথমে ফাঁড়িতে আক্রমণ করব।
জাপানিজরা যখন আমাকে ধাওয়া করবে,
তখন উভয় বাহিনী একসাথে আকস্মিক হামলা শুরু করবে।
ছাং-সেওপ,
আমার ইশারার জন্য অপেক্ষা করবে।
ঠিক আছে।
এখন!
দৌড়াও!
দৌড়াও!
" বঙ্গানুবাদ ও সম্পাদনায় " মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
সুজুকি, কান্নাকাটি বন্ধ করো।
সৈনিকের মতো মৃত্যু বরণ করো।
কে সে?
পরিচয় দাও!
আমি ইম্পেরিয়াল জাপানিজ আর্মির মেজর তাতসুও মোরি!
তোমার নাম?
আমি রাইটিয়াস আর্মি লেফটেন্যান্ট,
জেনারেল আন জুং-গেউন।
শেষবারের মতো কিছু বলার আছে?
একজন সৈনিক হিসাবে আদেশ অনুযায়ী আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি।
এতে আমি লজ্জিত নই।
তবে,
জাপান সাম্রাজ্যের একজন সৈনিক হিসাবে আমি সম্মানের সহিত মৃত্যু বরণ করতে চাই।
আমি স্বেচ্ছায় আত্মাহুতির অনুমতি চাচ্ছি।
অনুশোচনাহীন মানুষ,
পশুর চেয়েও অধম হয়!
তুই পশুর চেয়েও অধম!
নিরীহ কোরিয়ানদের,
নির্বিচারে হত্যা করার পরেও তোর মুখ দিয়ে এখনও কথা বের হচ্ছে?
হ্যহ?
শালা বাইঞ্চোদ!
কমরেড উ!
ছাড়ো আমাকে, ওদের সবগুলোকে আমি কচুকাটা করবো।
তোমার পরিবার কে কে আছে?
স্ত্রী আর দুই ছেলে।
আমি তোমাকে যুদ্ধবন্দী হিসাবে মুক্তি দিবো।
যাও, আহতদের নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাও।
আপনি কী করছেন?
কমরেড আন!
আমি কমান্ডারের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছি।
আমাকে সম্মানের সহিত মরতে দাও।
মেজর মোরি!
তোমার সন্তানদের এতিম করো না।
জীবিত ফিরে যাও।
কমরেড আন!
আপনি কী করছেন?
হ্যহ?
আপনি কী এর পরিণতি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন না?
ওদের মুক্তি দিলে,
ওরা পুনরায় শক্তিবৃদ্ধি করে এসে আক্রমণ করবে।
আমরা চলে যাবার আগে ওদের নিরস্ত্র করব,
এরপরই ওদের মুক্তি দিবে।
শত্রুদের এভাবে ছেড়ে দিলে অভ্যন্তরীণ কলহ দেখা দিতে পারে।
নিস্তেজ হয়ে পড়া থাকা আমাদের সহযোদ্ধাদের দেখুন।
হ্যহ?
ভাবছনে অন্যরা চুপ করে বসে থাকবে?
তোমাদের ক্রোধের কারণ বুঝতে পারছি,
কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী,
আমরা নিজেদের ইচ্ছামতো বন্দীদের,
মৃত্যুদণ্ড দিতে পারি না।
এটা নির্মম বর্বরতা!
লি ছাং-সেওপ! থামো!
কামানের গোলার শক্তির সামনে আন্তর্জাতিক আইনের শক্তি ভঙ্গুর!
এসব ছল-চাতুরী নীতির সামনে আপনি কী,
আপনার সহযোদ্ধার আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দিবেন?
৪ কোটি জাপানিজকে হত্যা করাই কী তোমার লক্ষ্য?
আমার লক্ষ্য কোরিয়ার সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করা।
যদি প্রত্যেক জাপানিকে হত্যা করে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে হয়,
তাও আমি নির্দ্বিধায় করব।
এ ধরনের গণহত্যা আমাদের সবাইকে ধ্বংস করে দিবে!
তুমি কী সেটা জানো না?
এর সমস্ত দায়-ভার,
আপনার উপর বর্তাবে।
তুমিও কী মনে করো আমি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছি?
লি ছাং-সেওপ লেফট-উইং বাহিনী নিয়ে চলে গেছে,
আমাদের বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতিও কম না।
তুমান নদী পার হয়ে ইয়ানছুতে ফিরে যাওয়া,
সহজ হবে না।
কমরেড উ,
তুমি কী এখনও আমার উপর রেগে আছ?
রাগ করে থাকার কি আছে?
আমি গ্রামের গিয়ে দিকে যাচ্ছি,
আমাদের জন্য কিছু খাবার খুঁজে পাই কিনা দেখি।
আমিও আসছি।
তুমি আহত, আরাম করো।
আমি দ্রুতই চলে আসব।
সাথে করে কিছু মদ নিয়ে আসিয়েন।
আমাদের নিহত সহযোদ্ধাদের বিদায় জানানো উচিত না?
অবশ্যই।
কামান প্রস্তুত করো।
জ্বি।
সস্তা আবেগের বশে শত্রুপক্ষের,
একজন বন্দি জেনারেলকে মুক্তি দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা আছে?
আমরা যদি আবারও সেই জেনারেলকে বন্দী করি,
তুমি কী আবারও,
একই সিদ্ধান্ত নিবে?
আন জুং-গেউন!
জবাব দাও।
কোরিয়ান রাইটিয়াস আর্মিকে ধ্বংস করার জন্য তোমাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।
দায়ভার নাও।
ঠিক বলেছেন। তাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।
কিছু বলো, হারামজাদা!
সে যে কোনো গুপ্তচর না তার কোনো প্রমাণ আছে?
চুপ করো সবাই!
কোরিয়ান রাইটিয়াস আর্মির কমরেডগণ,
আনের জবাবদিহিতা,
আমরা পরে নিতে পারব।
মাস্টার ছোই জ্যে-হিউং!
আপনি কেন তাকে রক্ষা করছেন?
কমরেড লি,
আমি কী ভুল বলেছি?
কমরেড আন,
তুমি কেন সরাসরি ইয়ানছুতে ফিরে আসোনি?
জবাব দাও।
হোয়েরিওং-এ পালিয়ে যাওয়ার পর নদী পার হওয়ার অনেক চেষ্টা করি,
কিন্তু পার হতে পারিনি।
তুমান নদী পার হয়ে ইয়ানছুতে ফিরে আসার অনেক চেষ্টা করি,
কিন্তু বেঁচে থাকার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম।
মৃত্যুপথযাত্রী সহযোদ্ধাদের আর্তনাদ,
আর তাদের ছিন্নভিন্ন দেহ,
আমাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল।
আমি পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ি।
আমার দৃঢ় বিশ্বাসের কারণে অনেক কমরেড তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে।
আমি বেঁচে থাকার লক্ষ্য হারিয়ে ফেলি।
সবকিছু ছেড়ে ছুঁড়ে মরার চেষ্টা করি,
আর তখনই উপলব্ধি করতে পারি,
আমার এই জীবন,
আত্মোৎসর্গকারী কমরেডদের উপর অর্পিত!
তাদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্যই,
আমি এখনও বেঁচে আছি।
তখনই,
আমি আমার সত্যিকারের উদ্দেশ্য খুঁজে পাই।
কোরিয়ান সাম্রাজ্যকে পদদলিত করা,
জাপানিজ নেকড়েদের সর্দার,
ওই ধূর্ত নেকড়েকে,
আমাদের হত্যা করতে হবে।
জাপান ও কোরিয়ার মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে বিবেচনা নিয়ে,
উভয় দেশের পারস্পরিক সুখ সমৃদ্ধি এবং,
পূর্ব এশিয়ার চিরস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্য,
কোরিয়াকে জাপান সাম্রাজ্যের সাথে একীভূত করা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়,
এর ফলে দুই দেশ একীভূতকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে সম্মত হয়।
No comments yet. Be the first to leave one.