Prvních 200 řádků.
মুভির নামঃ দ্য রক (১৯৯৬) অনুবাদকঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)
উৎসর্গঃ আমার ক্লাসমেট সুমিত কুমার রায় (সৈকত) কে, যাকে আগামী দিনের জয়নুল আবেদীন, বা পাবলো পিকাসোও বলা যেতে পারে। আমার ছবি স্কেচ করে দিয়েছিল! বিনিময়ে আমিও তাকে সামান্য কিছু দিলাম!
আমরা বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে পারবো না, স্যার।
জেনারেল হ্যামেল, আমাদেরকে এখনি এখান থেকে বের করতে হবে!
আমি তোমাকে হতাশ করবো না। আমি তোমাকে হতাশ করবো না, ছেলে।
অনেক হয়েছে, স্যার! আমাদেরকে আর কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে? আমি ইতিমধ্যে ১৫ জন লোক হারিয়েছি!
স্যার, তারা আমাদেরকে খুব নিষ্ঠুরভাবে পুড়িয়ে ফেলছে!
আমি জেনারেল হ্যামেল বলছি। আপনাকে আমার লোকদের এখান থেকে বের করতেই হবে!
আমাদের শত্রুপক্ষের সীমানায় যাওয়ার ক্লিয়ারেন্স নেই, স্যার।
তারা আমাদের জন্য আসবে না, তাই না, স্যার?
কংগ্রেসম্যান উয়েভার এবং স্পেশাল আর্মড সার্ভিস কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ,
আমি এখানে অনেক বড় অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।
লক্ষ্য!
এসব থামাতে হবে।
আমি তোমাকে অনেক মিস করি।
আমাকে কিছু একটা করতে হবে, বার্ব।
এমন কিছু যেটা তুমি থাকা অবস্থায় আমি করতে পারেনি।
আমি চেষ্টা করেছিলাম। তুমি জানো আমি অনেক চেষ্টা করেছিলাম।
কিন্তু আমি এখনো তাদের মনোযোগ আকৃষ্ট করতে পারেনি।
আশা করি তাদের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আসবে।
কিন্তু যাই হোক না কেন,
প্লিজ আমাকে ভুলে যেও না।
মেরিন! সিও গ্যারিসনকে খবর দাও যে...
জেনারেল হ্যামেল বোর্ড এবং সিকিউরিটি ইন্সপেকশন টিমের সঙ্গে এসেছে।
- জ্বি, স্যার। - স্যার, আপনি আসাতে আমরা সম্মানিত বোধ করছি, স্যার।
জানি, অন্তত আমরা কিছুতো করতে পারবো...
- অনেকদিন আগে গার্ডদের মিটিং হয়েছিল, তাই না? - হ্যাঁ, আমি সেটাই বলছি।
আমি অ্যাক্সেস কার্ড পেয়েছি। ৩০ মিনিটের মধ্যে সবার জ্ঞান ফিরে আসবে।
চলো!
অ্যাক্সেস কার্ড, স্যার।
চলো শুরু করা যাক।
দুই হাজার চারশো ম্যাগাজিন পরীক্ষা করছি।
- বৃষ্টিতে ভিজে গেছি। - এটা পরীক্ষা করে দেখবে?
ক্লিয়ার!
- আমি ১৬ টা চাই, মেজর। - জলদি কর!
- ইভাক! দরজা বন্ধ করে দাও!
- না! চলো! - না! বন্ধ করো!
- না! বন্ধ করো! - বাঁচাও!
আমাকে এখান থেকে বের করো! ওহ, খোদা! আমাকে এখান থেকে বের করো! ওহ, খোদা!
আমাকে এখান থেকে বের করো! আমাকে এখান থেকে বের করো!
সরে যাও। এখান থেকে বের হও!
সরি।
এখান থেকে জলদি বের হও।
আরো দুই সিসি(cc) বর্ণহীন হাইড্রোকার্বন গ্যাস ক্লোরাইড দাও।
- পাঁচ ডলার বের কর, ইশারউড। - তুমি জিতেছ।
তোমরা অনেক সময় নষ্ট করো।
এইতো! সে এসে গেছে! ওটা এখনি আমার কাছে নিয়ে এসো। ধন্যবাদ, ফিল!
কী এটা? তুমি এটা এখানে নিয়ে আসলে কেন?
কার্লা সমর্থন করে না। সে ভাবে এল,পি(L.P) তে $৬০০ ডলার খরচ করা মানে টাকা নষ্ট করা।
কার্লা ঠিক বলেছে। তুমি শুধুমাত্র সিডি(CD) তে $১৩ ডলার খরচ করছো না কেন, বন্ধু?
প্রথম কথা হলো, এটার কারণ হচ্ছে আমি একজন বিটেল ম্যানিয়াক।
আর দ্বিতীয় কথা হলো, এগুলোর কোয়ালিটি অনেক ভালো।
খুব সিরিয়াস হতে পারে। সারিন গ্যাস হতে পারে।
জি,এফ,কে (JFK-জন এফ কেনেডি) এয়ারপোর্টের বাইরে একটা অনুসন্ধান কুকুর এই প্যাকেজে কিছু একটা রহস্যজনক গন্ধ খুঁজে পেয়েছে...
কিন্তু এটাতে তো পোষ্টমার্ক বসনিয়ান শরণার্থী শিবির দেওয়া আছে।
এটা ডিটারজেন্ট হতে পারে, অথবা সারিন গ্যাসও হতে পারে।
বসনিয়ান শরণার্থী শিবির?
আধা মিলিয়ন সার্বিয়ান আমেরিকাতে বসবাস করে, মারভিন। সার্বিয়ানরা বসনিয়ানদের পছন্দ করে না।
তোমরা স্যুট পড়তে পারবে?
- তেলাপোকা এনেছ? - এনেছি।
আমরা এয়ারলক করে দিয়েছি, স্ট্যানলি। তোমরা কাজ শুরু করে দিতে পারো।
১ অক্টোবর, সকাল ৯টা।
এজেন্ট স্ট্যানলি গুডস্পিড, এজেন্ট ট্রেইনি মারভিন ইশারউড...
কাঠের বাক্সটা পরীক্ষা শুরু করছি।
আমরা সন্দেহ করছি ভিতরে সারিন গ্যাস আছে।
- মারভিন, সারিন গ্যাস হচ্ছে... - জি,বি এরোসল।
উত্তর সঠিক হয়েছে।
এখন, চলো দেখা যাক। আমাদের কাছে কিছু অশ্লীল ম্যাগাজিন আছে।
প্রস্তর যুগের গুহার মেয়েরা দেখতে কেমন হতো। অদ্ভুত।
আর, উহ... এটা ভালো চিহ্ন নয়।
হ্যালো, ছোট্ট বেবি ডল।
দেখো, স্ট্যান।
- সাবধানে, মারভিন! স্ট্যানলি। - মারভিন, করো না!
- হাই, স্ট্যান। - ধুর! পিছনে সরো! পিছনে সরো!
- নিষ্কাশন শুরু করে দাও। - একটু অপেক্ষা করো।
৫০ সেকেন্ডের মধ্যে আমাদের এই রুম খালি করতে হবে! সব ঠিক হয়ে যাবে।
খোদা!
ঠিক আছে, আমার কাছে একটা খারাপ খবর আছে আর একটা সত্যিই খারাপ খবর আছে।
খারাপ খবরটা হচ্ছে যে এই গ্যাস ক্ষতিকারক আর এটা আমাদের স্যুটকে খেয়ে ফেলছে।
- এটা আমার গোটা হাতেই ছড়িয়ে পড়েছে! - তার থেকেও খারাপ খবর হচ্ছে যে...
এখানে এতো পরিমাণে সি-ফোর (C-4) বিস্ফোরক এবং বিষাক্ত গ্যাস আছে যে পুরো চেম্বার উড়ে যেতে পারে...
এবং এই বিল্ডিং এ থাকা সবাই মরে যেতে পারে।
- খুব বড় বিস্ফারণ হতে পারে। - সবাই রুম বের হয়ে যাও, এখনি!
আমাদেরকে বাহির থেকে আটকে দাও।
- স্প্রিংকলার কোথায়, লোনার? - এসিড আমার স্যুটকে খেয়ে ফেলছে...
এটা আমার স্যুটকে খেয়ে ফেলছে! ঠিক আছে? ধুর!
- এখনি আমাদের উপর পানি স্প্রে করো! - স্প্রিংকলার চালু হয়নি কেন?
আমরা চেষ্টা করছি। পানি আসছে। পানি প্রবাহে সমস্যা হচ্ছে।
আচ্ছা, তোমার সামনে আরো বড় সমস্যা আছে, লোনার। এটা এখনি ঠিক করো!
- আমরা চেষ্টা করছি! ডেটোনেটরে কতটুকু সময় বাকি আছে? - এক মিনিট দশ সেকেন্ড।
- এটার দিকে তাকাও! - আমাদেরকে রুম খালি করতে হবে।
- তাদেরকে এখনি অ্যাট্রপিন নিতে বলো! - অ্যাট্রপিন নাও, ইশারউড।
- কি? - পানি কোথায়, লোনার? এক মিনিট বাকি!
- মারভিন, এখনি অ্যাট্রোপিন নাও! - স্যুট গলে যাওয়ার আগেই তোমার হার্টে ইনজেকশন নাও।
ধুর!
ওকেও একটা ডোজ নিতে হবে।
- পানি কোথায়? - এটা আমার কাছ থেকে দূরে রাখো!
জলদি করো, ফিল, খোদার দোহাই লাগে এটা ঠিক করো!
- খোদার দোহাই লাগে, এখনি অ্যাট্রোপিন নাও, স্ট্যান! - আমরা শেষ।
বিষ মিক্স হচ্ছে।
তুমি কিসের জন্য অপেক্ষা করছো, স্ট্যানলি? এখনি ঐ ইনজেকশন নাও!
- বা**! ধুর! ওহ, বা**, ধুর! - চল্লিশ সেকেন্ড!
যদি স্যুট গলে যায়... যদি তুমি মারা যাও, আমরা সবাই মারা যাবো!
তোমার হার্টে ইনজেকশন নাও আর তারপর বোমা ডিফিউজ করো!
- চলো, জলদি করো, স্ট্যান! - ধুর! যদি আমার হার্টে ইনজেকশন নিতে গিয়ে ফসকে যায়? আমি তো এই জিনিসের দিকে তাকাতেও পারছি না!
- এখনি ইনজেকশন নাও! - দেখো এটা কত বড়! তুমি চাও আমি এটা আমার হার্টে ঢুকাই?
- তোমরা কি পাগল হয়ে গেছো,? - স্প্রিংকলার চালু হয়েছে! পানি আসছে!
ঠিক আছে, এইতো চালু করে দিলাম!
স্প্রিংকলার চালু হয়ে গেছে।
আর কতটুকু সময় বাকি আছে?
বিশ সেকেন্ড!
আমরা সময়মত করতে পারবো না।
পনের মিনিট।
ওহ, হয়ে যা।
হয়ে গেছে!
আমাকে এখনি এই গ্যাস চেম্বার থেকে বের করো!
একটুর জন্য এই জিনিস আমি নিজের হার্টে ঢুকাতে যাচ্ছিলাম।
প্লিজ কাছে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরো,
- স্ট্যান? - হেই, সোনা।
হাই, বেবি।
যেখানে আমার একাকীত্বের মাঝে আমি লুকিয়ে আছি,
আজ আমার সত্যি দিনটা মজার কেটেছে।
হ্যাঁ, আমার দিনটাও আজ সত্যি মজার কেটেছে।
ওহ, ঠিক আছে, তাহলে তুমি প্রথমে বলো।
ওহ, কিছু সন্ত্রাসী একটা ছোট প্যাকেজ পাঠিয়েছিল, বাক্সের ভিতরে কিছু জিনিসপত্র ছিল,
আর অফিসে বিস্ফোরণ হওয়ার আগেই সেটা প্রতিরোধ করতে হয়েছিল।
তাই আমি বাকি দিনটা ছুটি নিলাম।
গ্লাসভর্তি ওয়াইন নিলাম, গিটার নিলাম। আর শুধু আরাম করছি।
- ওয়াও! - সত্যি বলতে, সোনা। ফেড-এক্স এই পৃথিবীটাকে নরকের ঠেলাগাড়িতে পরিণত করছে।
আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে, যে কেউ এই পৃথিবীতে বাচ্চা আনার কথা ভাবছে...
সে সত্যিই ঠান্ডা মাথায় নিষ্ঠুরতা করছে।
জানি, আমি বকবক করছি, অভিযোগ করছি। তাই আমি দুঃখিত।
- তোমার কী খবর, সোনা? - আমি প্রেগন্যান্ট।
কি বললে?
আমি প্রেগন্যান্ট।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
- ওয়াও! - তুমি কি শুধু এটাই বলবে " ওয়াও"?
- তুমি প্রেগন্যান্ট? - তিন সপ্তাহ।
তুমি কীভাবে জানো? মানে, তুমি কীভাবে জানলে?
নীল! এটা নীল হয়েছিল তাই আমি ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম।
- আচ্ছা, তুমি এখনি যেটা বললে, সেটার তো মানে নেই, তাই না? - কখন?
উহ, তুমি ঠিক কিছুক্ষণ আগে বলছিলে, এই পৃথিবীতে বাচ্চা আনার কথা যে ভাবছে...
সে সত্যিই ঠান্ডা মাথায় নিষ্ঠুরতা করছে।
আমি তো সেটা সেসময় বলেছিলাম।
স্ট্যানলি, সেসময় বলেছিলে? তুমি সেটা সাড়ে সাত সেকেন্ড আগে বলেছিলে।
আচ্ছা, ঠিক আছে!
তখন থেকে অনেক কিছু ঘটে গেছে। দেখো, আমরা এখন পর্যন্ত বিয়েও করেনি।
- আমি জানি। এটা হাস্যকর যে তুমিই বলে দিয়েছ। - হাস্যকর?
- তুমি কি আমাকে ভালবাসো? - অবশ্যই আমি তোমাকে ভালোবাসি।
ভালো।
- তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? - থামো! থামো! হেই, বিয়ের ঘটক, দাঁড়াও!
বলো, স্ট্যানলি। আমি তোমাকে এখন বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছি।
"রক" কে সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সবচেয়ে ভয়ংকর জেল হিসেবে ধরা হতো।
এটা কি সত্যি যে এখান থেকে কেউ কখনো পালিয়ে যেতে পারেনি?
হ্যাঁ, এটা সত্য। ১৯৩৬ সাল থেকে ১৯৬৩ সাল নাগাদ, এই জেল বন্ধ হওয়া পর্যন্ত,
চৌদ্দবার চেষ্টা করা হয়েছিল।
কিন্তু কেউ কখনো তীরের কাছে যেতে পারেনি, অন্তত জীবিত নয়।
না, উহ, হেই, হেই, বন্ধুরা। আমি দুঃখিত, কিন্তু পর্যটকদের এখানে আসার অনুমতি দেওয়া হয়না।
- আমার তাতে কোন যাই আসেনা! তোর কোন যাই আসে? - না।
- এদিকে আয়, মফিজ। - চল!
- হেই, মেয়েরা? হাই। তোমরা কি মজা পাচ্ছ? - হ্যাঁ।
তোমরা কি আমার জন্য একটা কাজ করবে? এটা সত্যিই, সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আমি চাই তোমরা তোমাদের শিক্ষককে বলো যে তোমরা এখনি বোটে করে বাড়ি যেতে চাও।
লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান, ব্রডওয়েতে স্বাগতম!
এইসব সেল ব্লক হাউজগুলোতে...
আমেরিকার সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধীরা থাকতো।
লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান, আমি, রেঞ্জার বব,
আপনাদেরকে আন্তরিকভাবে আলকাট্র্যাজের কয়েদী হওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, অবশ্যই সাময়িকভাবে।
ভিতরে যান!
খুব আঁটসাঁট জায়গা, তাই না, হাহ?
ঠিক খাঁচায় বন্দী কোন প্রাণীর মত।
এখানে কয়েক বছর কাটিয়ে তো নিন...
- কী ব্যাপার, বন্ধুরা? এই ট্যুরে কোন সমস্যা হয়েছে? - ট্যুর শেষ, বব।
বুঝতে পারছি না এখানে কি ধরণের ট্যুর হচ্ছে?
জেনারেল হ্যামেল, ক্যাপ্টেন ফ্রাই এবং ড্যারো রিপোর্টিং, স্যার।
রকে স্বাগতম, জেন্টলম্যান।
হেলিকপ্টারকে পিছনে ল্যান্ড করুন এবং প্ল্যান মোতাবেক কাজ শুরু করুন।
- জ্বি, স্যার। - জ্বি, স্যার। চলো শুরু কর!
আমার বন্দুক বহন করার অনুমতি নেই।
ওহ, তোমার বন্দুক বহন করার অনুমতি নেই? কিন্তু আমার একটা বন্দুক আছে।
আমি যদি জানতাম এরকম কোন কিছু ঘটতে চলেছে, তাহলে বন্দুকটা সঙ্গে নিয়েই আসতাম। বাঁচাও!
ঠিক আছে, জেন্টলম্যান, এটাই হবে আমাদের নতুন বাড়ি। টম, আমি চাই আমার কমান্ড সেন্টার এখানেই হোক।
- কম্পিউটার এখানে সেট করো। - রজার দ্যাট, স্যার।
স্যাটেলাইটটা ওখানে রাখো। ৪টার মধ্যে সেট হয়ে যাওয়া চাই।
চলো জলদি করো।
- সিস্টেম প্রস্তুত। - সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ পয়েন্ট ঝরনা রুম থেকে হবে।
- আমরা অ্যান্টি-ইনট্রুশন ডিভাইস সেট করছি। - ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার খুব পছন্দের, স্যার।
এটা একটা অ্যান্টি-মোশন ট্রেম্বলার ডিভাইস। এটা কাস্টম মেড।
কেউ এটার সম্পর্কে জানে না আর আগে থেকে অনুমানও করতে পারে না।
- এটা করে কী? - লেজার বিম দিয়ে আমাদেরকে বোকা বানিয়ে দেয়।
আর তারপর যদি তারা এখানে কোন প্রকার গোলমাল করে দেয়, তাহলে কেল্লাফতে।
লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান, আপনাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আপনাদেরকে এখানে আটকে রাখা হচ্ছে।
সে জন্য, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
আপনাদের কোনো ধরণের ক্ষতি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।
আমাদের মিশন সফল করা জন্য...
আপনাদেরকে প্রয়োজনের এক মিনিটের বেশিও আটকে রাখা হবে না।
সবাই এ্যাটেনশন!
সবাই আরামে দাঁডাও।
এই বিষয়টা কখনো ভুলে যাবেন না, জেন্টলম্যান, আমরা এখন সবচেয়ে ভয়াবহ কাজ করতে চলেছি।
মেজর ব্যাক্সটার আর আমার জন্য এটা আমাদের ক্যারিয়ারের শেষ মিশন, যার শুরুটা ১৯৬৮ সালে হয়েছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.