Prvních 200 řádků.
অনুবাদঃ তানাজ্যুম প্রিয়া এপিসোড ১
কাজের সময় ফোন ব্যবহার করার অনুমতি নেই।
এমনকি ফোন সাথে নিয়ে আসারও অনুমতি নেই।
এখুনি ফোনটা নিজের লকারে রেখে আসুন প্লিজ।
এখানে এত ধুলো কেন?
মনে হয় তুমি ফ্রিজ কে একটু বেশি বিশ্বাস করো?
উপকরণ ফ্রিজে হিমায়িত করে রাখলেও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
প্লিজ মেয়াদোত্তীর্ণ সব উপকরণ ফেলে দাও।
জি , ম্যাডাম।
আবার মুছো এটা এবং সব সাজিয়ে রাখো।
যেখানে যেখানে নোট রেখেছি সব পরিষ্কার করো।
আমি নিজেও একজন মেয়ে তাই আমি জানি...
হিল জুতো পড়ে নিজেকে আরো লম্বা ও চিকন দেখাতে চাও।
কিন্তু হিল জুতো বিপদজনক হতে পারে কারণ মেঝে অনেক পিচ্ছিল।
তাই উচু জুতো পড়ে কাজে আসবেনা।
তোমার ভালোর জন্যেই বলছি, বুঝেছো?
বয়ফ্রেন্ড
আজকে দেখা করতে পারবে? তোমার সাথে কিছু জরুরী কথা আছে।
জিইয়ং-স্যেওন , তুই কি আমার মনের কথা জানিস না অন্য কিছু?
আমি তোকেই কল দিতে যাচ্ছিলাম।
কেন? আমাকে মিস করছিলি নাকি?
গ্যিউ-মিন আজ আমার সাথে দেখা করতে চেয়েছে।
কি রকম মনে হচ্ছে ওর আচরণ? খারাপ কিছু হবে মনে হচ্ছে নাকি?
হতে পারে।
একদম চিন্তা করিস না ,ঠিক আছে?
আমি কি বলতে চাইছিবুঝতে পারছিস তো, তাই না ?
অবশ্যই।
-এগুলো আমার বাসায় পাঠিয়ে দিতে পারবেন? -অবশ্যই।
সাথে একজোড়া মোজা পাঠিয়ে দিবেন।
ঠিক আছে। পেমেন্ট কি ক্যাশে করবেন নাকি কার্ডে?
-বিল কত এসেছে? -তিন লাখ ২৭ হাজার
তাহলে কার্ডে পেমেন্ট করবো।
তিন মাসের কিস্তিতে এটা পরিশোধ করবো। ঠিক আছে?
আর এই জায়গাটাও।
ওখানে যত খুশি তত সাশিমি খেতে পারবে। কিন্তু আমি শুনেছি ওখানকার মাছ গুলো অনেক তাজা।
সরাসরি সমুদ্র থেকে নিজেরাই ঝিনুক নিয়ে আসে। এজন্যই মৌসুমের সময় স্বাদ এত দারুণ থাকে।
দেখো! দারুণ না?
তুমি ঝিনুক খেতে ভালবাসো।
এখানে গেলে আমাদের পয়সা উসুল হয়ে যাবে,তাই না?
এই ভালবাসা দিবসে আমাদের পরিচয়ের এক বছর পূর্ণ হবে।
চলো সেদিন নামহি-কাউন্টিতে বেড়াতে যাই!
ওখানে সুইমিং পুল সহ দারুণ একটা রিসোর্ট আছে,
আর রিসোর্টটা আমার পরিচিত একজন ক্লায়েন্টের আত্মীয়এর ।
একমাস আগে থেকে বুকিং দিয়ে রাখতে হয়, কিন্তু তারা আমার জন্য ব্যবস্থা করে দিবে।
দেখো!
জায়গাটা সুন্দর না? অনেক বিলাসবহুল।
তুমি আমাকে আর ভালোবাসোনা কেনো?
- তা না। - তাহলে ব্রেকআপ কেনো?
ব্রেকাপ করার জন্য আজ দেখা করতে চেয়েছো, তাইনা?
লি গিউ-মিন...
তুমি কি অন্য কারো সাথে প্রেম করছো?
তা না হলে কি?
কারণ তো অবশ্যই আছে।
কি কারণ?
আমি কি আর আগের মত হট নাই? নাকি আমার ফ্যাশন সেন্স নেই সে জন্য?
নাকি আমাদের দুজনের ব্যাক্তিত্ব আলাদা এজন্য?
না আমার বাবা বড়লোক না এজন্য?
আর কি হতে পারে? আমার বয়স ৩০ এর বেশি হয়ে গেছে এজন্য?
যেটাই হোক, কারণ তো অবশ্যই আছে।
যদি এগুলো না হয়ে থাকে.....
স্পষ্ট করে বলছি...
কারণ বিয়ের আগেই আমাদের মাঝে সব হয়ে গেছে এজন্য?
-ইয়ুন জি-না... -তাহলে কি বলো?
আমাকে একটা কারণ দেখাও যাতে আমি মেনে নিতে পারি এটা।
আমাদের রিলেশনে...
আগের মতো আনন্দ নেই।
তুমি হয়তো বুঝতে পারছো না আমি কি বুঝিয়েছি।
ঠিক, বুঝিনি আমি।
অন্যভাবে বললে...
মানে...
কনজাক এর মত হয়ে গেছে বিষয়টা।
কনযাক?
তো...
মূলত তুমি বলতে চাচ্ছো...
যে তুমি আমার থেকে আর কিছু আশা করো না।
আমি আমাদের কথা বলেছি। তুমি বেশি বেশি করছো।
আমি তোমার কথা বলি নি। আমি আমাদের সম্পর্কের কথা বলেছি।
এতো ঘুরিয়ে পেচিয়ে কথা বলছো
যাতে মনে হয় তুমি অন্য পুরুষদের মত নও। তাই না?
যথেষ্ট হয়েছে। তোমার সাথে আমি পেরে উঠবো না।
চলো তোমাকে বাসায় পৌছে দিয়ে আসি।
যাবেনা? আচ্ছা ঠিক আছে।
ভালো থেকো।
ইয়ুন জি-না...
গাড়ির পার্কিং এর জন্য টাকা দিতে হবে। কিন্তু এখন আমার কাছে কোনো ক্যাশ নেই।
কিছু টাকা দাও তো...
দাড়াও,বাকি টাকা ফেরত দিচ্ছি।
লাগবে না।
এখন আমি আমার তোমার সাথে নেই, এখন নিজের সাথে ক্যাশ টাকা রাখার অভ্যাস করো।
বাসায় ফিরেই আমাকে ফোন করবি।
তা না হলে
হারামীর বাচ্চা!
আমি তোকে আগেই বলেছিলাম ওকে বেশি বিশ্বাস করিস না।
কি জন্য নতুন জামা কিনেছিস?
টাকা কি গাছে ধরে?
বকাঝকা বন্ধ কর।
ও আমাকে কনইয়্যাক বলেছে। তাই খেয়ে দেখি এটা কেমন?
এটা খেয়ে দেখার কি আছে?
এটা কেউই খেতে পছন্দ করেনা।
কোনো স্বাদ নেই। একদম বিস্বাদ একটা খাবার।
আমার সাথেই কেনো বারবার এমন হয়?
সবাই আমাকে ছেড়ে যায় কেনো?
আমি সিঙ্গেল থাকতেই শান্তিতে ছিলাম।
জানিস?
আমার ফার্স্ট বয়ফ্রেন্ড জিনু আমাকে কল দিয়ে বলছে সে নাকি আমাকে মিস করে!
আবার সেই একই প্যাচাল!
তোর মনে নাই দোস্ত?
-কী? -ওইযে একটা কলেজে পড়া ছেলের কথা বলেছিলাম...
এসব পুরানো কথা তুলছিস কেনো আবার?
সে আমার নাম্বারের জন্য আমার বাড়ির সামনে দাড়িয়ে থাকতো।
আমার বয়স তখন ৩১ ছিল।
ওসব এখন অতীত।
বর্তমানে ফিরে আয়।
পুরানো কথা ভেবে লাভ কী?
তুই কখনো কারো সাথে ব্রেকাপ করিসনি। ওরাই সব তোকে ছেড়ে গেছে।
আর তুই চুপচাপ সব সয়ে গেছিস?
আজ তোর জায়গায় আমি থাকলে ওই কনইয়াকের গালে একটা থাপ্পড় মারতাম।
হুম্ম...
আজ সব পুরানো কথা মনে পড়ছে।
সত্যি করে বল...
আমি কি এতোই খারাপ?
আমার মাঝে কি আকর্ষণীয় কিছুই নেই?
তুই তো সবার থেকে আলাদা।
একদম কনইয়্যাকের মত আলাদা তুই।
তুইও এই কথা বললি?
আরে শোন আমার কথা...
সব পুরুষই একরকম।
ওরা সবাই...
নিত্যনতুন কচি মেয়ে চায়।
তাছাড়া এটা তোর প্রথম ব্রেকাপ না।
আমার কথা মন দিয়ে শোন,
এরপর থেকে প্রেম করার সময়...
ভেবেচিন্তে প্রেম করবি।
আমি ত্যেওকবোকি খাবো।
আমিও খাবো।
-আমি ক্লাবে যাবো। -আমিও যাবো।
ওখানে আমি গলা ছেড়ে গান গাবো।
-আরেকটু থাকি। -না, এখন বাসায় চল।
এক্ষুনি বাসায় চল।
আরেহ ব্যাথা পাসনি তো?
আরেকটু থাকি এখানে প্লিজ!
-ছাড়! -বাসায় চল।
ওঠ।
-এখানে থাকলে কী সে ফিরে আসবে? -আরেকটু থাকি!
যদি ফিরে আসে তাহলে এবার তুই ব্রেকাপ করবি।
আমি বাসায় যেয়ে...
কী করবো একা একা?
আমার কিচ্ছু ভালো লাগছেনা।
ওই গানটা তোর মনে আছে?
যখন বেদনা সবকিছু নীল করে তোলে
তখন এই গান গাও
তোমার হৃদয়ে এখনো আগুন জ্বলে।
শেষ পর্যন্ত লড়াই করো।
সব কষ্ট ভাসিয়ে দাও...
আকাশের নীলে।
ও বন্ধু!
উঠে দাঁড়াও।
দিশেহারা জীবন...
তোমাকে মানায় না
মাথা উঁচু করে বাঁচো বন্ধু।
নতুন করে বাঁচতে শেখো।
সব কষ্ট ভাসিয়ে দাও আকাশের নীলে।
আমি ভুল করেছি।
স্যরি।
উফফ।
এতো ঘনঘন আসাযাওয়া করিস কেনো?
তোর মত মদ খেয়ে রাত করে বাসায় আসিনি।
তোর মত খারাপ না আমি।
এই বয়সে এতো মদ খাওয়া ঠিক না।
মারবো কিন্তু।
-মার দেখি? -কী শুরু করলি তোরা?
ছোট ভাইয়ের সাথে কেউ এভাবে কথা বলে?
জুসটা নিয়ে যা।
অনেক মিস্টি।
সময়মত খেয়ে নিস। বেশি দেরী করিস না।
কোনো সমস্যা হলে আমাকে কল দিবি।
তুই কল দিলেই আমি দ্যে-জেওনে চলে আসবো।
তোর বাবা হাতমুখ ধুচ্ছে।
এই শোনো, স্যিউং-হো রওনা দিচ্ছে। তুই রওনা দে। দেরী করিস না।
স্যিউং-হো, সাবধানে গাড়ি চালাবি। ওখানে পৌছে আমাকে ফোন করবি।
-আর যেকোনো সমস্যা হলে... -তোমাকে ফোন দিবো।
স্যিউং-হো, সাবধানে গাড়ি চালাবি বাবা। -আচ্ছা।
সময়মত খাওয়াদাওয়া করিস।
ফোন করিস।
রাতে মদ খেয়ে ফিরেছিস কেনো?
আর কখনো এসব করবিনা।
গিউ-মিনের সাথে ঝগড়া করেছিস নাকি?
আমরা তো ওর সাথে ভালো ব্যবহার করি। তাহলে সমস্যা কী?
ওকে এই সপ্তাহে বাসায় আসতে বল।
আমি বুঝিয়ে বলবো ওকে।
চুপ করে আছিস কেনো?
হুম্ম।
তোদের জন্য নাস্তা বানাতে বানাতে আমার জীবন গেলো।
-আয় খেয়ে নে। -খাবোনা। আমার দেরী হয়ে যচ্ছে।
খাবি না মানে! কার জন্যে বানিয়েছি এসব?
নাস্তা খেতে বসো।
কে?
অনেক দেরী হয়ে গেছে?
হ্যাঁ, বাবা। এখনি বের হবো।
নাহলে সময়মত পৌছাতে পারবো না।
No comments yet. Be the first to leave one.