Prvních 200 řádků.
___অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ___ © আরুশ আরিয়ান।
বলছি, তোদের গরু আছে?
ছিল কিন্তু পরে বেঁচে দিয়েছে।
তুই গরুর দুধ দোয়াতে জানিস?
দেখেছি কয়েকবার।
তাহলে মনে কর এটা একটা গাভী। কিভাবে দুধ দোয়াতে হয়, আমাদের দেখা।
- এইটা? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ।
তুই দুলছিস কেন?
কী? গাঁজা খাস নাকি?
আগে হাতটা ধুয়ে নিবি না, মামনি।
- আচ্ছা? - এইতো আমি জানি তুই পারবি।
কিরে সাউন্ড ইফেক্ট কী আমাদের দিতে হবে, রে?
ওটা কোন সিনেমা জানি যেটায় গ্লাভস দিয়ে দুধ দোয়াতো?
- জানি না। - তুই এতো বিখ্যাত সিনেমার নাম জানিস না?
- থেঙ্কসিপত্তনম নাকি? - না।
- স্যরি, দিদি। আমি জানি না। - তুই আগে কোনও স্কুলে ছিলি?
এনএসএস, কোলেনগোড।
আমি দুবাইতে পড়াশোনা করেছি। তবু কী আমি একবারও ইংরেজিতে কথা বলেছি?
- সাউন্ড ইফেক্টকে ইংরেজিতে কী বলে? - এই!
এখন তুই কী আমাদের সাথে ইংরেজি-তে কথা বলবি?
- স্যরি। - আবার?
তুই দুধ দোয়া, মামনি।
- হয়ে গেছে। - তাই, এই গাভী ২৫ লিটার করে দুধ দেয়।
কই তাতো হলো না।
এরপর দুইখান মহিষ আছে,
আর একটা ক্যাঙ্গারু। তারাতাড়ি কর।
'আপনার কখনও অনুভব হয়েছে স্বাধীন হতে পৃথিবী আপনাকে ডাকছে?'
'সত্যিই কী পৃথিবীতে এমন কেউ ছিল বা এখনও আছে।'
'সেটা কী পাঁচালী নাকি সীতা? নাকি অন্য কোনও নারী?'
'প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে আমি ভাবি আজ কাঁদবো না কিন্তু দেখুন আমাকে...'
'আপনি আমার সাথে থাকলে বুঝতেন।'
'জীবন আসলে সাগরের মতো।'
'আমরা যেমনটা ভাবি তেমন না, তাই না?'
'ভেবেছিলাম হোস্টেলে থাকব না আর তাই করা ঠিক ছিল।'
°°°°°সুপার শারাণ্যা°°°°° বাংলা সাবটাইটেল বাই আরুশ আরিয়ান।
এই! তোকে কতবার বলব?
বুঝলি?
- পাগল! - সর!
হ্যাঁ, ফোন রাখ।
গুমরা-মুখো হয়ে পড়ে আছিস কেন?
- সিনিয়ররা ভরেছে। - ভরেছে?
র্যাগ করেছে।
আহা সোনা গো আমার, আমি তোকে না করেছিলাম না,
যখন তুই জানিসই না তাহলে মালায়লাম ভাষায় বল।
চুপ কর, পাগল।
ওহ! আমি মিথ্যা বলছি না। ওর দিকে তাকালে মনে হচ্ছে,
পৃথিবীর সকল কষ্ট আজ ওর।
বারান্দায় গিয়েছিল।
তোকে সেখানে যেতে বললো কে?
আমি কী জানতাম এরজন্যও র্যাগিং হয়?!
সর।
ওরা তোকে দিয়ে কী কী করালো?
গরুর দুধ দোয়িছে।
আমাকে দিয়ে কী করিয়েছিল, জানিস?
চেটিনাদ চিকেন কারি।
- কী জানিস? - না।
তারপরও রান্না করেছি?
তাও এক কিলোমিটারের বেশি মুরগির পিছু-পিছু তাড়া করার পর।
এটা তো কিছুই না, মামনি।
ভুল করে একটা ইংরেজি শব্দ বলে ফেলেছিলাম। এ কারণে ওরা এতো ক্ষিপ্ত হলো।
- আমি কী গিয়ে বলব? - যা, তারাতাড়ি যা।
তুই গেলে সাথে এক বোতল পানি নিয়ে যা।
এই শোন, ঘরে ভিতর নখ্ কাটলে...
তোর কিন্তু খবর আছে।
চুপ কর! মূর্খ!
- তো মহারানী কি ভিতরে ছিল। - কেন, তোর জ্বলছে?
এই! তুই নভ্যাকে দেখতে যাবি না? চল, উঠ।
যা।
এটা এখানে রাখলি কেন? আমি ওই দিকে রেখেছিলাম না।
- ওহ! চমৎকার! - আমি বাড়ি যেতে চাই।
শারাণ্যা।
অজিত মেনন সাসপেনশন শেষ করে আবার কলেজে ফিরছে।
তুই দেখা করতে যাবি না।
আমি কেন ওকে দেখতে যাব?
যদি সে বলে তাহলে তোর অবশ্যই যাওয়া উচিত।
গুন্ডামি নাকি?
এই শোন, অজিত মেনন কে জানিস?
ফুটবল চ্যাম্পিয়ন। বিশ্ববিদ্যালয় টপার।
কলমণ্ডলম।
কালথিলকম। গজল গায়ক।
কিন্তু অহংকারের মাত্রা শূন্য।
আমার কথা শোন।
সে-ই একমাত্র ছেলে যে তেরোটা মেয়ের প্রেম-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
- কেন? - ঝলক পায়নি, সেজন্য।
সে নিজেই তোকে ডেকেছে, তোর তো কপাল খুলে গেছে রে...
- তোর মন চায়লে, তুমি গিয়ে দেখা কর। - তারজন্য তো আমাকে ডাকতে হবে, তাই না?
আমি আগামীকাল ছুটি নিয়েছি।
আমার এক্স-রে করতে হাসপাতালে যেতে হবে।
শোন, কাল ল্যাবরেটরি সেশন আছে। ছুটি নিস না।
কি চান কপাল আমার!
- বালতি কোথায়? - তোর সমনেই আছে।
- সঙ্গীত। - প্রেজেন্ট।
- সানোভার। - প্রেজেন্ট।
শারাণ্যা।
অজিত মেননের ভয়ে বাড়ি চলে গেছে।
- শারাণ্যা। - অনুপস্থিত।
- কী? - স্টপ রেখে চলে এসেছি।
যেখানে নামবেন বললেই পারতেন।
ওস্তাদ, নামার লোক আছে। বাস থামান।
ওস্তাদ, বাস থামান। নামার লোক আছে।
এদিকে-ওদিক না তাকিয়ে, নামুন।
তারাতাড়ি নামুন। আসুন।
ওস্তাদ টানেন। চলেন... চলেন...
যদি পড়াশোনা করতে চাস তাহলে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
তারপরও এমন ভাব দেখাচ্ছিস?
সুযোগ পাইনি তাই এখানে বসে সবজি কাটছি।
আমি কী বলেছি পড়াশোনা করব না? মা, তোমাকে কতবার বলতে হবে?
সেখানে আমার ভালো লাগে না, তাই এসে পড়েছি।
আগামীকালের ক্লাস মিস হবে না? ভালো।
অন্যদের তো সমস্যা হয় না।
ওরা কী মানুষ না?
তোর কামানো টাকা,
আমি এই নিজের হাতে রাখতে চাই। অন্তত একবার, আমার মৃত্যুর আগে।
তোমাকেই দিবো, মা। অন্য কাউকেই দিব না।
- তুই কখন এলি? - একটু আগে।
- পোস্ট অফিসের দিকে নেমেছিলি? - হ্যাঁ।
রঘু বলেছিল সে তোকে ব্যাগ নিয়ে আসতে দেখেছে।
স্টপ মিস করে সেখানে নেমেছি।
সবসময় স্বপ্নের মধ্যে থাকলে দিন-দুনিয়ার খবর থকে কিকরে।
এসে ওখানে বসলি কেন? জামা পালটা।
তুমি তো গতকালও এই একই সবজি এনেছিলে।
রেখে দাও নষ্ট তো হচ্ছে না, তাই না?
এই সময় দরজায় বসে থাকবি না।
কী? এতক্ষন বসেছিলাম।
এই সময় বসে থাকলে আর বিশেষ কী হবে? বাড়ির মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভালো জায়গা বসার জন্য।
মা, তুমি ওই পাগলির সাথে কী কথা বলো?
তোমার সমস্যা কী?
দাঁড়াও, আগে তুমি আমার কথা শোনো।
এখন আাবার তোমাকে নতুন করে জন্ম দেওয়ার তো কোনও উপায় নেই,
১৯৭০ এর আগে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তির জন্মসনদ।
মা! এই গাছটা শুকিয়ে গেছে।
শায়লা ফোন করেছিল।
তোর চুড়িদার আর জামার সেলাই হয়ে গেছে, যা গিয়ে নিয়ে আয়।
- আমি? - তাহলে ওই বুড়িকে পাঠাবো?
- এটা ভালো সিদ্ধান্ত। - এই, ভুগলামি করবি না।
আমি যেতে পারব না।
মাঠে ছেলেরা থাকে।
তোকে যেন ওরা জীবন্ত খেয়ে ফেলবে!
আমি মাঠের মাঝখান দিয়ে যেতে পারব না।
আমি কী সেখান দিয়ে যাই না?
আমি তোমার মতো নই, মা। আমি দেখতে তোমার থেকে অনেক সুন্দরী।
শারু, না গেলে আগামীকাল আমাদের সাথে বিয়েতে যেতে পারবি না।
তোমার কী একটু থামবে?
বেশ কিছুদিন থেকেই একই কাহিনী চলছে।
কিছু না ভাই। পরিবারের সাথে কথা বলছিলাম।
'তোমাকে না।'
'যা বলেছি, বুঝলে?'
- মার। - প্রস্তুত হ্।
আউট হওয়ার জন্য প্রস্তুত হ্।
ওহ, তাই?
আউট!
শারাণ্যা না?
- ওই! সাবধানে! - শারাণ্যা!
শারাণ্যা, তুমি ড্রাইভিং পারো?
শায়লার সাথে দেখা করতে যাচ্ছ?
- কে রে? - তুই চিনিস না?
আমাদের পঞ্চায়েত ভাসুর মেয়ে। সুপার শারাণ্যা।
সে সুপার কিনা সেই সিদ্ধান্ত নিলো কে?
- বল মার। - এটা এক বিশাল গল্প। আমি তোকে পরে সময় করে বলবো।
মারব।
- দিদি। - হ্যাঁ।
হ্যাঁ, শেষ করব। কোনও সমস্যা নেই।
নাও, দিদি।
তোমার মা'কে বলো, আমি ৫০ টাকা বেশি নিয়েছি, ঠিক আছে?
শেষ হবে, তবে সোমবার হবে না।
যদি তুমি পারো তাহলে রাখো, ঠিক আছে?
চাচা।
আমাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য মাঠ ছাড়া অন্য কোনও রাস্তা আছে?
যদি অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে চাও,
তাহলে তোমার দ্রুত গতিতে স্কুটি চালাতে হবে, পারবে?
থাক, দরকার নেই।
এই!
- হ্যাঁ! - আমি আউট না।
মামনি, সাবধানে।
শারাণ্যা... সুপার... ওই!
আস্তে যাও।
সাবধানে! স্কুটি স্লিপ করবে।
- ওহ খোদা। - ওই দেখ?
সবাই আয়।
- ব্যাথা পেয়েছ? - কী?
- কী হয়েছে? - হাতে ব্যাথা পেয়েছে।
হাসপাতালে নিয়ে যাবো? তুমি স্কুটি চালাতে পারবে?
বলো, কিছু বলো। কথা বলতে পারো না?
এই! মেয়েটা ভয় মরছে বেচারি।
যা জল নিয়ে আয়। যা!
- স্কুটিটা ওই পাশে নিয়ে যা। - তোমার বাবাকে ফোন করব?
- শারাণ্যা, ধরো। - স্টার্ট করো।
হাসপাতালে নিয়ে যাব? তোমার কী অক্সিজেন প্রয়োজন?
- তোমার বাবা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছ না কেন? - কিক দিব!
জল খেয়ে যাও।
শারাণ্যা, আমি কিক দিচ্ছি।
দেখো।
কী হয়েছে, মামনি?
এরমধ্যে চুল পেয়েছি।
তাই তো সময়মতো আসতে বলি, নাহয় এসবই খুঁজে পাবে, স্বাভাবিক।
এটা তোমারই চুল হবে। আমার তো টুপি পরা আছে।
খাবে না?
- সিদ্ধান্ত নেই নি। - তারাতাড়ি করো।
সমীকরণের অঙ্ক বেশ কঠিন।
No comments yet. Be the first to leave one.