Prvních 200 řádků.
আমার বয়স ১৬।
স্কুলে যাওয়া হয়নি কখনো।
বেশিরভাগ সময় বই পড়ে,
নয়তো কম্পিউটারে লেখালিখি করে কাটাই।
কয়েকদিন হলো বাবা-মাকে নিয়ে লেখা শুরু করেছি।
" ওরা দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে,
নিঃসংকোচে চুমু খায়। "
মাত্র ১৭ বছর বয়সে মা-বাবা আমাকে জন্ম দেয়।
MY
MY BRILLIANT
MY BRILLIANT LIFE
বাহ্, চমৎকার।
ব্যাপারটা লজ্জারও না আবার গর্ব করার মতোও না।
মাত্র ১৭ হয়েও?
২৭ তো আর নয়, ওরা ছোট ছিল।
রোমিও-জুলিয়েটও সেই বয়সে প্রেমে পড়েছিল।
প্রেমে তারুণ্য, হিংসে হয় আমার।
বসন্তে প্রেম, এ যেন জীবনের সূচনা।
আজকালকার ছেলে-মেয়েদের জন্য দুঃখ হয়।
তার উপর আবার, ওসবও করে।
আমি নিশ্চিত তোমার বাবার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল।
বাচ্চাটা তো... রাখবে না?
জানি না।
জানো না? পাগল হলে?
- মিরা! - কী?
আমার বয়স মাত্র ১৭!
আমাদের দুজনেরই একই বয়স।
কী গর্দভটাই না আমি!
আমার পরিবার গরিব, কোনো ভবিষ্যতও নেই।
ও হ্যাঁ!
আমার মাও নেই যে বাচ্চাটা মানুষ করতে সাহায্য করবে।
কথাটা জানাজানি হলে, আমরা হাইস্কুল ড্রপআউট হবো!
বাচ্চা মানুষ করি কীভাবে?!
আমার মাও ড্রপআউট, তবুও তো বেশ আছে।
একে বেশ বলো?!
তুমি বাচ্চাটা নিলে...
মানুষ জেনে যাবে আমরা যে ওসব করেছি।
তোমার সমস্যা হবে না?
- দেসু। - হ্যাঁ?
একটা পোকা আছে বাঁচার জন্য পাখির পায়খানার রূপ নেয়।
তো?
তুমি ওই পোকাটার মতোই করছো।
ছই মিরা, আমার মা।
৬ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট, ভাইয়ের সংখ্যা ৫।
আর তাকে প্রেগন্যান্ট বানিয়েছে আমার বাবা।
- দাঁড়া বলছি! - এত জোরে দৌড়ায় কীভাবে?!
মাদারচোদ!
মেরে পাছা লাল করে দেবো!
মারা খাও! অতো বলদ না আমি!
তুই আজকে শেষ!
এদিকে আয় হতচ্ছাড়ি!
তোকে স্কুলে পাঠিয়েছি পড়তে!
আর তুই প্রেগন্যান্ট হয়ে এলি?! ছাড়ো তো!
এদিকে আয়!
আয় বলছি!
- থামো তুমি! - সরে যাও!
আহ্!
বাল!
ছোট থাকতে মায়ের ডাকনাম ছিল 'বালকুমারী'।
সবটা আমার মামাদের বাল্যশিক্ষার ফল।
বাল!
১৭ বছর বয়সে তোমারও তো প্রেমিক ছিল!
কিন্তু সেটা তো...
বাচ্চার বাবা কে?! বল জলদি!
কী বললেন?!
ফার্স্ট ওয়ার্নিং!
বাউন্ডারির বাইরে তো ছিল ও, আমাকে কেন ওয়ার্নিং দিচ্ছেন?!
আবারও ঘুষ নিয়েছেন?!
চুপ কর, হারামজাদা!
ব্লু, আউট!
কী?! কানাচোদা কী বলে!
দেসু, থাম!
ছাড়ো!
আমার বাবা, হান দেসু।
সাবেক তায়কোয়ান্দো এথলেট...
প্রিন্সিপালকে সুইং কিক মেরে শহরে কুখ্যাত বনে গিয়েছিল।
কুত্তার বাচ্চা!
এজন্য আমি তোকে,
সুইং কিক শেখাইনি!
হারামজাদা!
কী? "প্রেগন্যান্ট"?
ছেড়ে দিলাম!
স্কুলও, তোমাকেও! কিচ্ছু লাগবে না!
কী বললি?
ওই!
যাস না!
আর কখনো ফিরবো না, বাল!
সেদিন বাড়ি ছেড়েছিল বাবা,
আর কখনো ফিরে যায়নি।
আরূম!
মা, নক!
হ্যাঁ, আসো।
হয়েছে?
বাসায় টুপি পরো না।
থাক।
- ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খেয়েছো? - হ্যাঁ।
- বাতের ওষুধ? - খেয়েছি।
পেটের ওষুধ?
মা, আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। নিজের খেয়াল রাখতে পারি।
ইনসুলিন আছে?
২ দিন চলবে।
আরও কয়েকটা কিনে আনতে হবে।
এসে পড়ো, বাবা আইস স্লারি এনেছে।
আইস স্লারি? দারুণ!
আইস স্লারি এত পছন্দ?
- জলদি আসো। - আচ্ছা।
তে-ইয়নও সুন্দরী হয়ে গেছে।
স-হিউন বড় হয়ে গেছে...
দাঁতে ব্যথা করলে খেও না। রাইস কেক দিচ্ছি।
সমস্যা নেই।
- আরূম? - হ্যাঁ?
কেমন মিউজিক পছন্দ তোমার?
কেন?
আমার ছেলেটা কী পছন্দ করে জানতে চাচ্ছি আরকি।
সুন্দরী মেয়েদের গাওয়া যেকোনো গান।
তাই?!
বাপ-বেটার মিউজিক টেস্টও একই।
কিন্তু আমার বয়স হলে, স্যাড মিউজিক শুনবো।
ড্রিংকের সাথে যাওয়া গানটাই পৃথিবীর সবচেয়ে স্যাড সং।
তাই যখন তোমার বয়স হবে...
বয়স অনুসারে...
ড্রিংক করতে করতে স্যাড সং শুনবে, কেমন?
আচ্ছা।
ওয়াও...
মেয়ের গায়ে তো কিছু নেই...
সোনা, সময় হয়ে গেছে।
হ্যাঁ...
চ্যানেল পাল্টাও!
লাগে তো!
দেখো, শুরু হয়েছে!
" হ্যাপিনেস "
" শেয়ারিং "
" আমাদের প্রতিবেশীদের মনে আশা জোগায় "
১৭ বছর বয়সে বাবা-মা হওয়াটা কি ঠিক?
মাত্র ১৭ বছর বাঁচাটা কি ঠিক?
গল্পটা দুটি মানুষের যারা ১৭ বছর বয়সে বাবা-মা হয়,
আর তাদের ছেলের যে ১৭ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করবে।
আমি কখনো স্কুলে যাইনি।
তাই স্কুলে পড়তে কেমন লাগে তা নিয়ে আমার কৌতূহল হয়।
আমি সুস্থ হলে, স্কুলে যাবো।
" ৮০ বছর বয়সী ছেলে, আরূম "
রোগটা দেখা দিলে, আরূম বুছনে চলে আসে,
নিতে শুরু করে সাপ্তাহিক চিকিৎসা।
একটা দিন আরূমের কাছে একটা বছরের মতো।
সে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছে, সেই সাথে হার্টের রোগেও।
এছাড়াও হারাচ্ছে দৃষ্টিশক্তি,
হাসপাতালে ভর্তি করাতে সক্ষম নয় তারা।
ওর বয়স মাত্র ১৬,
কিন্তু শারীরিকভাবে, প্রায় ৮০।
সাধারণ মানুষের চেয়ে প্রোজেরিয়া রোগীর বয়স ১০ গুণ দ্রুত বাড়ে।
ড. লি সূং-তে (৪৭)
শুধু চামড়ারই নয়, হাড় আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গেরও।
কারণটা অজানা...
ওনাকে সামনাসামনি ভালো দেখায়।
এটা খুবই বিরল একটি রোগ, যা ৩০ মিলিয়নে ১ জনের হয়।
বয়স বাড়াকে সামান্য ব্যাহত করা যেতে পারে,
কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের সাহায্যেও, এর প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থা নেই।
আব্বা।
আব্বা!
বাবা, বাবা!
কী?
আরূমকে টিভিতে দেখাচ্ছে।
আরূম?
কে?
আরে, পাশের বাসার বুড়ো ছেলেটা আরকি।
তোমার ছেলেকেও এক্ষুণি টিভিতে দেখাবে।
বাবা, এদিকে তাকাও।
দুপুরে কী খেয়েছো?
ময়দার ডামপ্লিং।
সাবাস! বাবা, আমি কে?
হারামজাদা! তুই জাং!
আমার স্মৃতিশক্তি হয়তো কমেছে, তাই বলে নিজের ছেলেকে ভুলে যাবো না।
তাহলে তুমি কে?
আমি?
আমি কে?
তার বাবা একটা ক্যাব চালায়, আর মা লন্ড্রিতে কাজ করে।
তারা বেশ পরিশ্রম করলেও মেডিকেল খরচ বহনের জন্য তা যথেষ্ট না।
এতটা খারাপ জানতাম না।
একবার...
আরূম তখন ICU তে...
ছই মিরা (৩৩) মা
মায়ের কাছ থেকে কল পেয়ে জানলাম, বাবা মৃত্যুশয্যায়।
কিন্তু...
বাবাকে দেখার জন্য ছুটে যাবার পরিবর্তে,
ভাবলাম, 'বাবা তো অনেকদিন বেঁচেছে,
আরূমের বদলে সে কি মারা যেতে পারে না?'
জঘন্য মানুষ আমি।
তখন জেনেছিলাম,
বুঝতে পেরেছিলাম বাবা-মা হওয়াটা কতটা ভয়ের...
আরূম মাঝেমধ্যে বাবার ক্যাবে চড়তে ভালোবাসে।
স্বপ্ন দেখার চেয়ে,
" তোমার স্বপ্ন কী? "
মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাতে চাই।
সন্তানের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠাতেই মা-বাবার আনন্দ।
কিন্তু সেটা আমার ক্ষেত্রে সম্ভব না।
আমার পরিবর্তে বাবার একটা সুস্থ ছেলে থাকলে,
যেতে পারতো ক্যাম্পিংয়ে, কিংবা ক্যাচ খেলতে...
তাই ভাবলাম,
'অন্তত তাদের মুখে হাসি ফোটাই!'
" আগামী সপ্তাহে দেখবেন,
No comments yet. Be the first to leave one.