Prvních 200 řádků.
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
"বিকর্ণ" (মহাভারত মহাকাব্যের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র এই বিকর্ণ। ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারীর একশ পুত্রের মাঝে তৃতীয় পুত্র ছিলেন বিকর্ণ। মহাভারত অনুযায়ী তিনিই একমাত্র কৌরব যে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধেরও আগে থেকে পাণ্ডবদের প্রতি কোন বিরূপ মনোভাব কখনও প্রকাশ করেননি)
আসসালামু আলাইকুম ভাই, আলাম বলছি!
আচ্ছা।
আসসালামু আলাইকুম ভাই, আলাম বলছি!
আচ্ছা।
আসসালামু আলাইকুম ভাই, আলাম বলছি।
আসসালামু আলাইকুম।
ভাই, আলাম বলছি।
হুম।
ভাই, মাল কোথায় নিয়ে আসবো?
মিলিটারি।
কত কি.গ্রা.?
ফোন কেটে দিয়েছে।
ভাই...
ভাই, মাল কোথায় নিয়ে আসবো?
মিলিটারি।
কত কি.গ্রা.?
মিলিটারি মানে মিলিটারি ক্যাফে।
বাকি কথা সময় হলেই বলবে।
বাহ, সুন্দর হয়েছে।
একদম তাজমহল বানিয়েছ দেখছি!
এই নাও।
আরোও লাগলে বলবে।
বাড়িতে পাঠিয়ে দেবো।
বলা হয়ে থাকে, শাহজাহান তাজমহলের সামনে আরেকটি তাজমহল বানাতে চেয়েছিলেন।
কালো মার্বেল পাথর ব্যবহার করে।
কিন্তু, শেষ পর্যন্ত বানাতে পারেনি...
কারণ, কারিগরদের হাত কেটে দেয়া হয়েছিল।
কাটতেই হতো।
ভালো।
কোথা থেকে এসেছ?
হিমাচল থেকে এসেছি।
ঠিক আছে।
এবার যাও।
পরে ফোন দেবো তোমাকে।
এখনও একই জীবনযাপন করছিস।
এর আগে বোরকা পরে জেলে গিয়েছিলি...
আবারও বোরকা পরেই এখানে আসলি।
ম্যাম, আমাকে বাঁচান।
ম্যাম?
তোর মুখে এসব শুনতে একদমই ভালো লাগছে না।
জোজো...
...গাইতোন্ডে আমাকে মেরে ফেলবে।
ডানা মেলে আকাশে উড়ার আগে চিন্তা করা উচিত ছিল যে...
উড়তে উড়তে সূর্যের কাছেও চলে যেতে পারিস।
সূর্যের তাপে ডানা পুড়েও যেতে পারে।
আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।
সে তোকে হিরোইন বানিয়েছিল।
আজ নামকরা তারকা তুই।
কেনো ওর সাথে বেইমানী করলি?
সে নিজেকে ভগবান মনে করে।
ও আমাকে হিরোইন বানিয়েছে বলে আমাকে পুতুলের মতো ব্যবহার করতো।
যখনই ডাকবে, তার কাছে যেতে হবে।
- আমার একটা মর্যাদা তো আছে? - আরে, কিসের মর্যাদা?
ওর এক ফোন কলেই তোর ভবলীলা সাঙ্ঘ হয়ে যাবে।
আমাকে সাহায্য করবেন?
কেনো? ওরা তোকে সাহায্য করছে না?
যাকে তুই সাহায্য করেছিলিস...
সে গাইতোন্ডেকে মারার চেষ্টা করেছে।
ওকে মারেনি।
কী ধরনের সাহায্য চাস?
নিন।
এগুলো কী?
জামিলার পাসপোর্ট।
সব কাগজপত্র।
আমার পুরনো জীবনের চিহ্ন।
তোর অতীতের জীবনের কথা মনে আছে?
কখনো মনে করার প্রয়োজন পরেনি।
আপনিও তো ভুলতে পারেননি...
আপনার পুরনো জীবনের কথা।
এখনও মেরির ফটো ঝুলিয়ে রেখেছেন।
ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রিতে...
অনেক ধরনের কথাবার্তা চাউর হয়।
ম্যাগাজিনে...
রঙচঙে নিউজ।
কিন্তু, ভেতরে ভেতরে সবাই জানে...
লঞ্চ পার্টি।
ম্যারি...
ওর ফিল্ম...
ফিল্ম রিলিজের পূর্বে ছাদ থেকে লাফ দেয়া!
জামিলা!
তোর আজকে মিটিং ছিল মানু গাবার সাথে?
হয়েছিল।
- কী অবস্থা? - সেই!
আমাকে ফিল্মে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছে।
যদি আমার কাপড় খুলি।
যেদিন আমরা বড় স্টার হবো রে...
সব হারামীর কাপড় খুলে ফেলবো আমরা।
যদি সেরকম তারকা না হই তো?
তুই তো হবিই।
তুই দেখতে অনেক আবেদনময়ী!
- সত্যি? - সত্যি।
আর, আমার চুল?
সুপার লেভেলের সেক্সি!
আপনার এই তারিফের জন্য ম্যারির পক্ষ থেকে রইলো স্পেশাল নুডলস!
আমার প্রিয় মেরি, সারপ্রাইজ!
- এটা কী? - দেখতে চাস?
এটা তো ওই ব্রেসলেট যেটা অভিনেত্রীরা পরে!
থ্যাংক ইউ!
যা, বেরিয়ে যা।
মেরিকে ধোঁকা দিয়েছ...
আমার সাথে এমনটা করো না।
বান্টি?
তিনটা মেয়ে পাঠাতে হয়েছে ওর কাছে।
তারপর সে আমাকে তোর নাম্বার দিল।
বলেছে, তুই কোনো এক আশ্রমে আছিস।
সন্ন্যাসব্রত পালন করছিস নাকি?
তোর কন্ঠ শোনার জন্য কত যে উদ্গ্রীব হয়ে ছিলাম!
কিন্তু, তুই তো এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।
কী করবো আমি?
আসতে বললে আসবি?
হিন্দুস্তানে আমাকে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সন্ন্যাস জীবনযাপন করা ছাড়া আমার হাতে আর উপায় নেই।
জামিলাকে ছেড়ে দে।
ওর জানা ছিল না ও কিসের সাথে খেলছে!
ছেড়ে দিলাম!
এত সহজে?
তুই বলেছিস, এটাই যথেষ্ট।
হঠাত করে জামিলার ওকালতি করছিস কেনো?
হিসাব চোকাচ্ছি...
ধোঁকা দিয়েছিলাম একজনকে।
কে?
তোর এত জেনে লাভ কী?
সাধু হয়ে গেছিস না? ওখানেই মনোযোগ দে। রাখি।
শোন, শোন...
হুম?
শেষবারের মতো একটা গালি দে না?
গান্ডু বল না?
শেষবারের মতো কেনো?
সত্যি সত্যিই মারা যাচ্ছিস নাকি?
সন্ন্যাস জীবন কবে শেষ হবে কে জানে।
তোর সাথে আবার কথা বলার সুযোগ পাবো কিনা...
...জানি না।
শালা কত ড্রামা করিস রে!
মুম্বাইতে আয়! তোকে হিরো বানিয়ে দেই!
কেনো কথা হবে না? তোর নাম্বার আছে, ফোন দেবো!
ধরবো না...
- তোর কল। - সত্যি?
তোর বাপে ফোন ধরবে দরকার হলে। রাখছি এখন, বাই।
গান্ডু!
আমি পালানোর পর মিস যাদব তোকে কিছু বলেনি?
তুই পালানোর সাথে সাথে আমিও পালিয়েছি।
উনার সাথে প্রথম কবে দেখা হয়েছিল তোর?
সে তার দেশকে ভীষণ ভালোবাসে।
তো...
দেশের দোহাই দিয়ে...
আমাকে খাটাতে লাগলো।
দেশকে তুই ভালোবাসি না?
অবশ্যই বাসি!
তবে, উনার দেশপ্রেম আর আমার দেশপ্রেম আলাদা।
উনার কাছে দেশের মানে হচ্ছে...
যা আজকে আছে...
এবং আগামীতে যা হবে।
আর, আমাদের কাছে দেশ হচ্ছে...
আগে যেরকম ছিল।
যেরকমটা হতে পারত...
যেরকমটা হওয়া উচিত।
কেমন হওয়া উচিত?
সত্য যুগ।
বৈদিক কাল।
সব আশ্রমই ঘুরেফিরে এই সত্য যুগের সময়টার সাথে সংযুক্ত ছিল।
আর, সত্য যুগে প্রবেশের জন্য বলি দান দিতে হয়।
বলিদান হচ্ছে কষ্ট, ব্যাথা, ক্ষুধার সমষ্টি।
শীতকালেও মাদারচোত একটা চাদরও দিতো না।
খাবার অনেক ছিল, কিন্তু মুখে দেয়ার মতো ছিল না।
তারপরও সবাই খুশি থাকতো...
কারণ হাত বাড়ালেই তারা পেত...
ফ্রি গোচি...দুনিয়ার সবচেয়ে সেরা মাদক।
আস্তে আস্তে গুরুজির কথা বুঝতে শুরু করলাম।
গুরুজী সত্য যুগের উপর ভিত্তি করে একটা বই লিখছিলেন...
আর, সময় হলে সবাইকে জানাবেন বলেছিলেন।
সত্য যুগে প্রবেশ করতে হলে সবাইকে পবিত্র হতে হবে।
আর সেটা পরীক্ষার জন্য গুরুজির নিজের উদ্ভাবিত খেলা খেলতে হতো।
চার।
পবিত্র প্রমাণের জন্য চাকতিটিকে চার শো করাতে হতো।
যেটা কখনোই পাইনি আমি।
দুই।
এখনও রাজসিক অবস্থানেই আছে ও।
নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণের অনেকগুলো পদ্ধতি ছিল।
ব্যাথাকে দাঁত কামড়ে সহ্য করো।
ভেতরের রাগকে চিৎকারের মাধ্যমে বের করো।
নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো।
সেক্সকে আমরা ক্ষিধে হিসেবে গণ্য করি।
এর প্রয়োজন আছে।
দরকার আছে।
সেরকম প্রয়োজন রয়েছে শ্বাস নেওয়ার।
তবে, সেক্স কখনোই জোরপূর্বক করা যাবে না।
সেক্সকে অক্সিজেনের মতো অনুভব করতে হলে...
আত্মার সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ো।
সেক্স আসলে কিছুই না।
শক্তি স্থানান্তরের একটা রাস্তা মাত্র।
এটা নিয়মিত অনুশীলন করো...
তোমায় শুদ্ধতা দানে এটা সাহায্য করবে।
এই চোদাচুদির খেলায় প্রথমবারের মতো বাটিয়াকে ভালোভাবে দেখলাম।
সে গুরুজির বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল।
আমি ওর জায়গাটা নিতে চাচ্ছিলাম।
গাইতোন্ডে...
আমাদের ড্রাগসের রুট সম্পর্কে কেউ জানে?
কেউই জানে না।
No comments yet. Be the first to leave one.