Prvních 200 řádků.
স্মৃতিগুলো আমার মনে ভাসছে,
সমুদ্রের বুকে যেভাবে দ্বীপগুলো ছড়িয়ে আছে।
এখন আমি, একে একে দ্বীপগুলো ঘুরে আসবো।
সিনেমাটি আমার বন্ধু এবং তাদের পরিবারকে উৎসর্গ করলাম।
FRIEND
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদে - আরমান আল মাহমুদ সোহেল রানা
- অনুবাদে - এফ আর সজীব রাকিব হোসেইন
- অনুবাদে - প্রমিত সরকার ধ্রুব তৌহিদুল ইসলাম সুমন
- অনুবাদে - রহস্যময় পরিব্রাজক আল মাকসুদ
- সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
জুন-সুক!
জুন-সুক!
আগে খেয়ে নাও।
জুন-সুক আমার দেখা সেরা ফাইটার ছিল।
একবার গোটা এক ফুটবল টিমকে পিটিয়েছিল।
গতকাল আমার মা, জাপান থেকে একটা টিভি রেকর্ডার এনেছে।
টিভি রেকর্ডার? সেটা কী?
ওটা দিয়ে ক্যাসেট প্লেয়ারের মতো টিভি রেকর্ড করা যায়।
মিথ্যা বলিস না ব্যাটা! এরকম কিছু নেই!
না রে, সত্যি বলছি!
ওটা সত্যিই টিভি রেকর্ডার।
এটা সত্যি হলে তো টিভি স্টেশন ইতিহাস হয়ে যাবে।
টিভির সবকিছু সবাই রেকর্ড করে ফেলবে।
হ্যাঁ।
না, সত্যি বলছি রে! বাজি লাগাবি?
- ঠিক আছে। - ব্যাটা, তুই নাছোড়বান্দা।
দেখলি তো?
সাং-ত্যেক তোর টিউব এখন আমার।
এটা চলে কিনা দেখে তবেই বিশ্বাস করবো।
মহিলাদের ওটাকে ভদ্রভাষায় কী বলে জানিস?
ভালভা!
ধুর গাধা! এরকম কোনো শব্দ নেই।
মাসিক বলে।
মাসিক? সেটা কী?
আমার আন্টির ম্যাগাজিন পড়েছিলাম,
সেটা শুধু মাসিক নিয়েই লেখা।
তাহলে যোনিকেও মাসিক বলে?
হ্যাঁ, বড়রা যোনির বদলে মাসিক বলে।
আরেকটা দেখবি?
জুং-হো'র মা ব্যবসার কাজে প্রায়ই জাপানে যেতো।
তাই ওর বাড়িতে দারুণ সব জিনিস থাকতো।
ও আবার ব্রুস লির বিগ ফ্যান ছিল।
মাসিকের ছবি? সেটা কী?
কোনটা নিবি? একটা নে।
- এটা নিবি? - ওররে!
- এটা কত? - এটার দাম বেশি।
এটা সবচেয়ে বড়, তাই দাম পড়বে ২,০০০ উয়ন।
- ২,০০০ উয়ন? - বাদ দে তাহলে।
না, টাকা নিয়ে আসছি।
ওই, এদিকে আয়।
- কাউকে বলবি না, কেমন? - আচ্ছা।
জুন-সুক
অস্থির তো।
দে দেখি।
ওররে! অস্থির!
থার্ড গ্রেডে আমরা ডং-সু'র বন্ধু হয়ে যাই।
তবে সেটা ছিল ওর বাবা যে সৎকার ব্যবসায়ী
সেটা জানার দুই বছর আগে।
তাহলে ওদের সাথে আমরা এখন যুদ্ধ শুরু করছি না কেন?
টিভিতে পরিসংখ্যান দেখিসনি?
আমরা সংখ্যায় কম হলেও,
আমাদের অস্ত্রশস্ত্র অনেক আধুনিক।
ধুর গাধা!
প্রেসিডেন্ট পার্ক চায় আমরা যেন এটাই ভাবি।
উত্তর কোরিয়ার কমান্ডোরা কেমন মারপিট পারে জানিস?
আর রাশিয়া ওদেরকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র দেয়।
হ্যাঁ, তবে আমেরিকাও আমাদের অনেক দেয়।
কে বলেছে?
জুন-সুক!
- কোথায় যাচ্ছ? - নুড়ি বীচে।
- গাড়িতে যাবে? - না।
তাই? পরে দেখা হবে তাহলে।
ও হ্যাঁ, হিউং-ডো!
ও বড় বসের ছেলে জুন-সুক
- জুন-সুক, কোন গ্রেডে পড়ো? - সিক্সথ গ্রেড।
দেখা হবে!
চলো।
কে রে?
তোর বাবার লোক না?
ওয়াও! অস্থির!
গ্যাংস্টার!
অতো দ্রুতগতির না হলে গোল্ড মেডেল কীভাবে জিতেছে?
কারণ মানুষের সাথে রেসে নেমেছিল,
আর মানুষ পানির উপর সাঁতার কাটে।
পানির নিচে মানুষ শ্বাস নিতে পারে না।
তাই ওকে পানির উপর সাঁতরাতে হয়।
একারণেই তো হারবে।
কেন? কেন হারবে?
যাকগে, কে বেশি দ্রুতগতির সেটা বড় কথা নয়।
জুন-সুক! তোর কাকে বেশি দ্রুত মনে হয়?
কী?
যদি গোল্ড মেডালিস্ট ছো ওহ-র্যুন
আর সমুদ্রের কচ্ছপ পানিতে রেসে নামে?
জানি না।
তাহলে বাজি লাগাবি?
পারিস তো শুধু বাজি লাগাতে।
মনে পড়ছে না কেন
ওরা এত রেস নিয়ে পড়েছিল।
কারণ ও বকেই যাচ্ছে, গাধা!
পরে, মাধ্যমিকে আমরা আলাদা স্কুলে পড়ি।
তবে পরে আমাদের শরীরে চুল গজানো শুরু হলে
আবার একসাথে চলাফেরা শুরু করি।
ভাইরে, আমাকে একটা মস্তবড় আবালের মতো লাগছিল।
তাই দাঁতমুখ খিঁচিয়ে
হারামীদের জিজ্ঞেস করলাম ক্যালানি খেতে চায় কিনা।
কিন্তু ওরা ভয় পেয়ে ক্ষমা চেয়ে নিলো।
সর ব্যাটা!
এই, হারামীগুলো ছুংহাক স্কুলের না?
শালাদের কাণ্ড দেখ।
কানের নিচে দিয়ে আসবো নাকি?
আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি নামহাং হাই স্কুলের
২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে।
- আমাদের অনুষ্ঠানে আসার জন্য ধন্যবাদ - আশাকরি আপনারা উপভোগ করবেন।
এখন সময় আজকের হাইলাইট ইভেন্ট
সাত-মেয়ের ব্যান্ড রেইনবোর গান শোনার।
আশাকরি আপনাদের ভালো সময় কাটবে।
এখন আপনাদের সামনে আসছে
রেইনবো!
কীবোর্ডের সুন্দরীকে দেখছিস?
ও আমার।
ভাইয়া! খেতে আয়।
মা, ভালো কিছু হয়েছে নাকি?
আমাদের এখন নিজ বাড়ি আছে।
আজকে লীজে সাইন করেছি।
তাই নাকি?
উঠার আগে কয়েকমাস অপেক্ষা করতে হবে।
- কোথায়? - বসু-দং -এ।
বসু-দং।
আমার স্কুল থেকে অনেক দূরে।
তোর ভাইকে কলেজ পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করতে হবে।
তবুও!
আচ্ছা, শেষ অধ্যায় থেকে
কেউ প্যাসিভ ফর্মের একটা ইনফিনিটিভের
উদাহরণ দিতে পারবে?
জু-বুন!
একটা উদাহরণ দে।
আমি পারি না।
তুই পারিস না?
তাহলে যেটা পারিস সেটা বল।
- আমি কিছুই পারি না। - এটা নিয়ে গর্ব করিস?
বেঞ্চের উপরে উঠে দাঁড়া! পরের সারি!
আমিও পারি না।
তুইও দাঁড়া! পিছনের জন!
না, না।
তুই না। ওর পিছনের জন।
পিছনের ঐ শয়তানটা।
পিছনে বসে প্রচুর পরিশ্রম করেছ, তাই না? আগে তোর মোজা খোল!
নিজেকে ছাত্র দাবী করিস কী করে?
পিছনে যা! পরের জন আয়!
তোর বাবা কী করে?
- একজন ব্যবসায়ী। - ব্যবসায়ী?
তুই তো গোবর গণেশ!
যেখানে তোর বাপ নিজের বসের গালমন্দ শুনছে
তোকে স্কুলে পড়ানোর জন্য
আর তুই কিনা ত্রিশটা প্রশ্নের ঠিকঠাক উত্তর করতে পারিস না?
এদিকে আয়!
জলদি আয়!
যা!
পরের জন!
তোর বাবা কী করে? কী করে তোর বাবা?
- সৎকার ব্যবসায়ী। - সৎকার ব্যবসায়ী?
Your father grooms corpses
to put you through school
তোর লেখাপড়ার এ অবস্থা কেন, হাহ?
যা!
এদিকে আয়।
পরের জন!
তোর বাবা কী করে?
বল! কী করে?
গ্যাংস্টার।
বিশ্বাস হচ্ছে না।
মাদারচোদ!
এদিকে আয়
ভালো তো!
তোর বাবা গ্যাংস্টার, তাই না?
ভালো তো!
তোর বাপকে গিয়ে বলিস না কেন?
এত ভালোর কী হলো?
ডং-সু! চল যাই!
ওর বাবা কি আসলেই গ্যাংস্টার?
হ্যাঁ, স্যার!
ও কেমন? নিজেও কি গ্যাংস্টার?
- ও আমাদের স্কুলের বস। - বস?
মারামারিতে ওস্তাদ।
পরেরটা কি ওর মাস্তুতো ভাই?
- না, ও হলো স্কুলের সেকেন্ড বস। - সেকেন্ড বস?
হ্যাঁ, স্যার।
মনে হচ্ছে আপনি ভুল করে ফেলেছেন।
যাইহোক, আমি ভুল করেছি সেটা বলার তুই কে?
হারামজাদা!
হাত নিচে নামা!
তুই তাকিয়ে দেখছিস কী?
ওস্তাদ ক্লিয়ার!
এটা কি? ব্যাগে রাখ।
- রবিবার কী করবি? - কেন?
জুন-সুকের বাসায় যাবি?
গত সপ্তাহে ক্লাসের পর, জুন-সুক...
ডোরুকো জুন-সুকের বন্ধু।
যদিও আমাদের থেকে বড়।
No comments yet. Be the first to leave one.