Prvních 200 řádků.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
কে কাকে প্রথম প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল?
উমম, সেটা...
স্বাভাবিকই ছিল।
আমাদের দু'জনের অজান্তে ধীরে ধীরে হয়েছিল।
সেটা কি বলতেই হবে?
হ্যাঁ, সেরকমই।
নিজেদের কাপল বলা পর্যন্ত,
কিস আর হাত ধরলেও, সেটাকে টাইমপাস বলা হয়।
কিস করলেও?
হ্যাঁ।
- বাচ্চাদের কাছ থেকে শুনেছি? - কী একটা অবস্থা।
- তুমি এসবও বলো? - বাচ্চাদের বলতে শুনেছি।
খোদা...
আমাদের প্রথম কিস?
তিন গোনার পর দু'জনে একসাথে বলবো?
- টিভি বেশি দেখবে না। - এভাবেই কিছু প্রকাশ করা হয়।
এখন উত্তর দেবো?
তিন পর্যন্ত গুনবো, তারপর একসাথে বলবো।
গুনছি। এক, দুই, তিন।
- ১৯৯৪। - ১৯৮৯!
ওহ, ১৯৯৪... ১৯৯৪ তে।
তাই না?
১৯৯৪ তে বেইজিংয়ে, তাই না?
আমাকে একটু রেস্টরুমে যেতে হবে।
একটু আসছি।
টফু আছে।
টফু!
ভাবলাম এবার বুঝি তোমার কাজ কমবে, কিন্তু সেই একই আছে।
- তোমার বিশ্বস্ত কাউকে দিয়ে করাও। - আরে,
আমি আমাদের ব্যাংকের সবচেয়ে বয়স্ক ডিরেক্টর।
আমার উপর, ভাইস চিফ, ডেপুটি চিফ, আর ডিরেক্টর আছে।
অনেকে আছে।
আমার মতো হাইস্কুল-পাশ লোক পরিশ্রম না করলে...
এক বুড়ো ম্যানেজারকে কে চাকরিতে রাখবে?
তাই, আমি নিজের কাজ নিজে করবো।
চিন্তা করো না।
আর,
সেদিন স্বেচ্ছাকৃত অবসরের কথা বলেছিলাম...
কারণ আমাকে প্রচুর কাজ করতে হচ্ছে।
ও নিয়ে ভেবো না, বুঝলে?
আরে বাহ্! একদম ঠিকঠাক হয়েছে।
আমার বউ পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো সয়াবিন স্ট্যু বানায়।
তুমি চ্যাম্পিয়ন।
তোমরা আবার ঘুমাতে যাও। এখনো অনেক ভোর।
তোর ফ্লাইট সন্ধ্যায়?
তাহলে আজকে জাপান যাবে আর কালকে চায়না?
জানতামই না এত যে গো-গেম ম্যাচ থাকতে পারে।
- বছরের শেষে ম্যাচ বেশি। - ওহ।
এখানে একটু বিশ্রাম নিয়ে পরে যা না?
ওহ, আগামী সপ্তাহ আমাদের বেইজিংয়ে পড়েছে।
মনে হচ্ছে আমাদের সিনিয়র আপুর বয়ফ্রেন্ডের দেখা পাবো।
গো ম্যাচ বেইজিংয়ে না?
শুনেছি তুমি ছই তেক ৯-দানের বন্ধু।
তোমরা প্রেম করছো না কেন?
কী?
সিনিয়র আপু বলেছে তোমরা অসম্ভব ক্লোজ।
তাহলে, প্রেম করছো না কেন?
আমরা জাস্ট ফ্রেন্ড, ছোট্টবেলা থেকে।
২০ বছর ধরে ওকে চিনি।
ওয়াও, তাহলে তো সত্যিই ক্লোজ।
তাহলে, প্রেম করছো না কেন?
কী?
এই, ছেলে আর মেয়ের মধ্যে বন্ধুত্ব বলতে কিছু নেই।
বন্ধু? হাস্যকর।
হ্যাঁ, ওরা ঠিক বলছে।
আমার স্বামী খুব ক্লান্ত।
সালাদম্যান খুব ক্লান্ত।
- স্যালারিম্যান। - ওই একই কথা।
আজকাল আমার মনে হয় দং-গুন ভাইয়া খুব সেক্সি।
ও আপনার চেয়ে ১০ বছরে ছোট। তাহলে ভাইয়া হয় কীভাবে?
ও এটা শুনলে ঘুম থেকে লাফ দিয়ে উঠবে।
আরে।
সুন্দর দেখতে সব ছেলে ভাইয়া না?
তাহলে, তোমার স্বামীকে ভাইয়া ডাকো?
ও দেখতে সুন্দর।
সুন-ইউং,
একটা জিনিস আমি এখনো বুঝি না।
কী?
এমন পাশবিক চেহারার উনি কীভাবে তেকের মতো ছেলের জন্ম দিলেন?
- কী? - সত্যি, বুঝতে পারি না।
তেকের মতো ছেলেকে কীভাবে জন্ম দিয়েছেন?
কী?
আপনারা জানেন না কী বলছেন।
ওর বয়স কম থাকতে ওকে দেখেননি?
একদম তেকের মতো দেখতে ছিল।
তেকের এখনকার চেহারা ওর বাবার যুবক বয়সের চেহারা সাথে মিলালে,
বুঝতেই পারবেন কোনটা কে।
ওরা একদম একই দেখতে।
- সুন-ইউং? - হ্যাঁ।
তোমার পাগলামো মাত্রাহীন।
তুমি এখনো হানিমুন পর্বে পড়ে আছো?
উনি যুবক থাকতে কেমন ছিলেন আমরা জানি না?
যুবক বয়সেই তো এখানে এসেছিলেন।
দেখতে একই ছিল।
তাই?
আপনারা একসাথে খুব ভালো আছেন।
আরও আগে কেন একত্র হলেন না ভেবেছি।
বাহ্, দং-রিওং এর মা রসিকতা করতে জানেন দেখছি!
মিসেস ছো, আজকাল বাসায় থাকতে দম বন্ধ হয়ে আসে, তাই না?
নিশ্চয়ই দম বন্ধ হয়ে আসে।
সারাজীবন চাকরি করেছেন।
বাসায় নাতি-নাতনিদের দেখে রাখতে নিশ্চয়ই খুব দম বন্ধ হয়ে আসে।
না...
আমি ঠিক আছি।
খোদা,
বাচ্চারা নিশ্চয়ই উঠে গেছে।
আমি যাই।
- মিষ্টি আলুর জন্য ধন্যবাদ। - আচ্ছা।
- যান। - যান।
বাপরে।
উনি এক মহিলা।
চাকরি করায় খুব ভালো ছিল, ঘরও ভালো সামলায়।
একদম।
যাইহোক...
এই, ছই তেক!
কী রে?
শালা পাগল।
এতদূরে এখানে কেন এসেছিস, শালা?
তোর সাথে দেখা করতে।
ওয়াও, তোকে অস্থির লাগছে।
সিদ্ধান্ত নিয়েছিস?
বলতে পারিস। সমস্যা নেই।
আমার কিছু শর্ত আছে... তিনটা।
কী শর্ত?
শর্তগুলোয় তোমার সমস্যা না থাকলে,
আমরা আবার প্রেম শুরু করতে পারি।
খোদা...
না চাইলে মানতে হবে না।
আচ্ছা, বল।
প্রথম শর্ত...
সম্মান দিয়ে কথা বলবো না।
আমরা আবার প্রেম করলে,
সম্মান দিয়ে কথা বলবো না।
তোমাকে আপু ডাকবো না।
ওকে, তারপর।
দ্বিতীয় শর্ত...
তোমার জীবনে সবার আগে কী?
- আমি। - এখন, আমি।
আমাকে যত্নআত্তি করতে বলছি না।
আমি তোমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চাই।
কঠিন সময়ে ছুঁড়ে ফেলার মতো কিছু না।
আমি তোমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হতে চাই।
খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।
বেশ, আর শেষটা?
শেষ শর্ত কী?
শেষ শর্ত...
আপু, আমি স্বাভাবিক ছেলে।
এখন প্রেম করলে,
আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভাববো।
সেটা নিয়ে ভাবছি।
এতে তুমি ভয় পেলে, শুরু করো না।
আমাকে ভাবার সময় দে।
স্যার!
এখানকার কিমচি স্ট্যু দারুণ। খা।
আমার বেসে কী মনে করে? তুই তো খেলা নিয়ে ব্যস্ত।
জুং-হোয়ান।
তোকে কিছু বলার আছে।
মনে আছে?
জিজ্ঞেস করেছিলি তোর মানিব্যাগ খুলেছিলাম কিনা?
সত্যি বলতে, আমি...
ধুর, গাধা।
এখনো ওই কথা বলছিস?
সবার কষ্টের কারণ না হয়ে দক-সুনের সাথে থাক।
গাধা। তুই খুব বিরক্তিকর।
সে ব্যাপারে কথা বলতে আসিনি।
কে বলেছে সেজন্য এসেছি?
তাই?
বাদ দে ওসব।
খাওয়া যাক।
খা না।
এখানকার খাবার খুব ভালো।
আসলেই ভালো।
ভালো।
আমার মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে।
কয়েকমাস কোনো খবর পাইনি।
হ্যাঁ।
আমরা এখন সেই বয়সে, নাকি?
খোদা, এটা মজার কথা না।
খুব খারাপ লাগতে পারে।
খারাপ লাগবে কেন?
৩০ বছরের বেশি ওটার কারণে বিরক্ত হয়েছি।
এখন তো ভালোই হলো।
সরাসরি মোকাবেলা করবো।
ভালো দেখে একটা আছে?
এটা পছন্দ হয়েছে।
তাই, এখন থেকে তোমাদের সাবধান থাকতে হবে।
হঠাৎ আমার জ্বর আসবে।
বাসা ছেড়ে চলে যেতে পারি।
আমার সারা শরীরে ধরা-ব্যথা হবে।
অনেকের মনও খারাপ হয়।
খাবার বানাবো, তবে ধোয়া-মোছা করবো না।
ঝাড়পোঁছ করবো, তবে কাপড়-চোপড় ধোবো না।
- চিন্তা নেই। আমি সব করবো। - আমি সব করবো, মা।
হ্যাঁ, তাই মাকে বেশি-বেশি কল দিবি।
ঠিক আছে।
আমাদের মা'র বোধহয় সেই বয়স হয়ে গেছে।
ওকে, ভাইয়া। বেশি-বেশি কল দেবো।
আচ্ছা ওর জন্য কিছু করা যায় না?
এই সময় মেয়েরা কাজের। আমি কিছু বলতে পারবোও না।
No comments yet. Be the first to leave one.