Prvních 169 řádků.
Arus Ariyan Presents.
নে।
খরচ কেমন হলো?
প্রায় দেড় লাখ।
চলে না?!
দেখ, তোর লোক!
জানিস এখন সে মন্ত্রী?
শ্রুতি তোকে ফোন করে?
হ্যাঁ, গতকাল যখন বাসে উঠি তখন একবার ফোন করেছিল।
নাম।
এইটা কী করছিস তুই?
বাইক তো ঠিকই আছে।
সমস্যা তো হয়নি।
এটা তো সত্যিই চমৎকার!
তাই!
- ফোন দিস, ঠিক আছে? - ঠিক আছে।
আহ! আমি...
আমি তাকে দেখেছিলাম।
- কাকে? - নিম্মি।
এই কথা আগে বলিসনি কেন?
আগে বললে কী হতো?
তাহলে এখন বলছিস কেন?
আরে রাগ করিস না ভাই! সে এখন অনেক মোটা হয়ে গেছে...
আর সে স্বামীর সাথে এসেছিল।
- ঠিক আছে, বাই। - আমার তরফ থেকে আন্টিকে 'হাই' বলিস।
মা?
- তোমার আজ পরীক্ষা আছে? - এহ?
তোমার কী আজ পরীক্ষা আছে?
আমার? কি-সের পরীক্ষা?
তুমি বেশ ব্যস্ত মনে হচ্ছে, আমি এখানে পৌঁছানোর পর থেকে তুমি আমাকে এরিয়ে যাচ্ছ।
কতদিন আছিস?
দুই সপ্তাহ।
আমার যেতে হবে?
আগে জানলে তো আমি ছুটি নিয়ে আসতাম না।
ঠিক আছে। মেরিন আর আমি চলে যাবো।
সেও এখানে আসছে, তাই না?
তোমার ধান্ধামি বন্ধ করে আমার বাড়ি থেকে বের হও!
যাচ্ছি... যাচ্ছি! এখানে আমি থাকতে আসিনি।
উফ!
সে টাকা তুলতে বেরিয়েছে!
তোর মা অসুস্থ, তাই না?
শুধুমাত্র তার কারণে যখনই প্রয়োজন পড়েছে আমি টাকা দিয়েছি।
টাকা যেভাবে দিয়েছি সেভাবে আমি নিতেও জানি!
হ্যাঁ ঠিক আছে! জানি... জানি, কার দৌড় কতদূর!
আমার থেকে কে টাকা নেয় দেখা যাবে!
অবাক হওয়ার কিছু নেই সবাই জানে তোমার স্বামী মারা গেছে,
দ্বিতীয় ছেলের জন্ম হওয়ার আগেই।
জঘন্য!
- সে টাকা নিতে এসেছে! - আয়।
আমাদের শান্তিতে থাকতে দিবে না!
আর আমাকে জিজ্ঞাসা করল, "বাবা, তোমার নাম কী?"
মেরিন! যথেষ্ট হয়েছে, ভাই! কেউ এলে আমরা কেস খাবো।
এখানে এসে দাঁড়া।
তোর বয়স কত?
হেই সিদ্ধার্থ! আমি তোকে বলছি!
উনিশ।
উনিশ বছর!
যদি ঠিককরে পড়াশোনা করতি তবে তুই...
এখন কলেজে থাকতিস!
তোর ভাই তোর দুই বছর পর এই স্কুলে ভর্তি হয়েছে, তাই না?
এখন, তোরা একসাথে!
সে পাশ করে ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার হলেও,
তুই এখানেই থাকবি।
স্যার?
সবাই অপেক্ষা করছে। আপনি এলেই মিটিং শুরু হবে।
তাদের বলো আমি আসছি।
আমি তোর বাবা-মা'কে না জানানোর কারণ হলো,
আমি তাদের বিরক্ত করতে চাই না।
তোরা যদি আর কখনও স্কুলে বিড়ি বা সিগারেট নিয়ে আছিস,
আমি তোদেরকে পুলিশে দিবো!
বের হ্।
_____অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ_____ © আরুশ আরিয়ান।
তুই আজ স্কুলে যাবি না? আট-টা বেজে গেছে।
আট-টা বাজে?!
খাবার-টা শেষ করে যা।
না, মা। আমার হয়েছে।
সন্ধ্যায় ফিরে এসে খাবো।
উফ! সবসময় প্রতিদিন সকাল সকাল ইডলি!
আচ্ছা, আমি প্রতিদিন ভোরে উঠবো?
ময়দা চটকিয়ে তোর জন্য চাপাতি বানাবো?
যা আছে খেয়ে ফেল!
- আমার খিদে নেই। - ঠিক আছে, তুই খাবি না তো।
এটা তোর নয়, এটা নে।
এখনে কি!
কী?
হাহ?
কিন্তু তুই তো আজ ডিম খাবি না, তাই না?
তুমি কী আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলে, মা?
তুমি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলে আমি আজ ডিম খাবো কিনা?
আচ্ছা! এটা আমার কাজ।
আমি প্রতিদিন সকালে তোকে জিজ্ঞাসা করব, আজ কী খাবি?
আজ ডিম খাবি কিনা?!
ঠিক আছে?
স্যারের টিফিন না নেওয়ার জন্য শুধু একটা অজুহাত হলেই হলো!
শোন! তুই কাল থেকে, নিজের খাবার নিজেই রান্না করিস!
আমি কাল থেকে তোর জন্য রান্না করব না!
কী হয়েছে মা?
শয়তান!
আহ?
বকবক বন্ধ করে ক্লাসে যা!
সিদ্ধু কোথায়?
ভেতরে আছে।
সিদ্ধু!
টিফিন খাবি?
যা তারাতাড়ি নিয়ে আয়, অনেক খিদে পেয়েছে!
আয়।
তুই শুধু-শুধু কষ্ট করলি কেন?
তুই টিফিন বাড়িতে রেখে এসেছিলি। তাই, মা আমাকে আনতে বলেছে।
তারাতাড়ি আয়!
আমি দুপুরে মেরিনের টিফিন খেয়েছি!
ফাস্ট বল!
অনেক ওভার বাকি আছে, শুধু সিঙ্গেলের জন্য শট খেল।
দৌড়া, ভাই! তুই কি দেখছিস!
সাবধানে খেল! আউট হবি না।
বেশি রান লাগে না, দেখে দেখে খেল।
আর মাত্র কয়েক রান।
ওহ না! আমি তোকে বলেছি...
আহ, বাদ দে! আয়!
আমি বললাম না...
তুই সাবধানে খালবি না?
- ওরই ভুল ছিল। - এখন আর কে বাকি আছে?
- দেখে দেখে খেলবি, ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
ছোট ব্যাট-টা নে।
তুই বড় ব্যাট নিচ্ছিস কেন?
সমস্যা নেই, আমি এটা দিয়েই খেলি।
- ধিরে ধিরে খেলিস। - আমি ঝাকানাকা বারি দিব!
শুধু সিঙ্গেল নিবি, এখনও অনেক ওভার বাকি আছে।
তোর বামে!
- উফ! - ওয়াইড, ওয়াইড!
আস্তে বল কর, ভাই। সে তো বাচ্চা।
তুই ফোন রিসিভ করছিস না কেন?
আজ না রবিবার আর তুই বাইরে!
ডবল হবে!
কী? তুই কোথায় যাচ্ছিস?
আমি বললাম, না? আজ ওর জন্মদিন।
আহ, আমি ভুলে গিয়েছিলাম!
তোর ফোন কোথায়?
হ্যাঁ!
তোর ফোন কোথায়, ভাই?
আমার ফোন চার্জে, চার্জ ছিল না, বাড়িতে রেখে এসেছি।
হ্যাঁ! চার রান!
চমৎকার!
তুই যাবি?
হ্যাঁ, ঠিক আছে! যেন আমি তোদের পাহারা দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে আছি।
আর তোরা দুইজন চুম্মা-চাতি করবি! যা ভাগ, গান্ডু!
তিন বল, তাই না?
আহ, ঠিক আছে।
শ্রুতি আসবে?
সে যদি আসে তো?
তাহলে, আমিও যাবো।
না, আসবে না! তুই এই বাচ্চাদের সাথে খেল!
বল, সে আসবে?
যা ভাগ!
দাঁড়া, ভাই!
আমি বাড়িতে গিয়ে আসছি। তোরা খেল।
- এখনও সময় হয়নি? - সে আসবে?
আমার আজ একটা টুর্নামেন্ট আছে।
মা?
তাহলে আমার কী করা উচিত?
গিয়ে বল মারবো?
আমার... দুইশ টাকা লাগবে।
আমি পরে ফিরিয়ে দিব!
দিবে?
মা?
আমার চোখের সামনে থেকে সর তো তুই!
এই মাসের চিট ফান্ডের কিস্তি কিভাবে দিব বুঝতে পারছি না!
তুই টুর্নামেন্ট নিয়ে পড়ে আছিস!
আহ-ওহ!
আহা!
No comments yet. Be the first to leave one.