Prvních 200 řádků.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
কোরিয়ার শীর্ষ ওয়েবটুন সিরিজ W।
প্রধান চরিত্র খাং ছুল...
সুন্দর লাগছে।
...বাস্তবের এক মেয়ে ওহ ইয়ন-জুর দেখা পায়,
আর সুখী জীবনের স্বপ্ন দেখে।
দশ বছর আগে ছুলের গোটা পরিবারকে খুন করা খুনি সামনে আসে।
ওর কপাল ফুটো করে দেবো।
সে ইয়ন-জুকে মারার হুমকি দেয় ছুলকে।
W এর চরিত্রদের উদ্দেশ্য চলে যাওয়ার সাথে সাথে,
চরিত্ররাও চলে যেতে শুরু করে।
তাই লেখক সং-মুর সাথে ছুল হাত মিলিয়ে
W পৃথিবী আর ইয়ন-জুকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।
তারা ছুলের পরিবারের খুনিকে ধরার পরিকল্পনা করে,
কিন্তু সেটা করার আগেই,
সং-মুর চেহারা নিয়ে খুনি হাজির হয়ে
ছুলের পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়।
সে ছুলের বাবা তুল্য হিয়ন-সককে খুন করে
ছুলকে ফাঁসিয়ে দেয়।
গাড়ি থামাও। আমি চালাচ্ছি।
ছুল পালানোর সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে।
তাকে ইয়ন-জু বাঁচায়, সে তাকে বাঁচাতে বাস্তব জগতে যায়।
গ্রোসারি শপিং।
কেক।
একটু খেয়ে দেখি।
শপিংয়ে যাওয়া।
এটা কেমন? ৫,০০০ উয়ন দাম।
কমই আছে।
এটা নিয়ে চারটা করলাম?
আরও দুইটা করলে আজকের হোমওয়ার্ক শেষ।
বেকন বেশি দেবো?
- একটু আগে কী বললে? - কী বললাম?
হোমওয়ার্ক নিয়ে কিছু বললে।
দিনে ১০টি মিষ্টি কাজ করার হোমওয়ার্ক।
তোমার হাজবেন্ড নাকি মাত্র চারটা করে চলে গেছে।
ভাবলাম ওনার হয়ে সেগুলো আমি করি,
যেহেতু আমার জীবন বাঁচিয়েছো।
বলেছিলে তোমার হাজবেন্ড আমার মতো দেখতে।
সেজন্যই না
আমাকে ফলো করছো?
তুমি কীভাবে জানো?
হোমওয়ার্কের ব্যাপারে আমি তো কিছু বলিনি।
পড়ে জেনেছি।
কোত্থেকে?
এটা থেকে।
ওয়েবটুনটা তো চেনো?
তোমার চেহারা বলছে খুব ভালো চেনো।
এটায় পড়ে জেনেছি।
চারটা মিষ্টি কাজ করে তোমার হাজবেন্ড চলে গেছে।
খারাপ লোক।
ওয়াইফের সাথে কীভাবে এরকম করতে পারে?
তোমার দেখা নেই, আর আমারও কাজ ছিল না,
তাই এটা বারবার পড়েছি।
স্টোরিটা মজার ও ইন্টারেস্টিং ছিল।
খাং ছুলের জন্য খারাপ লাগলেও, সেও আমার মতো
বোকা।
সেজন্যই ধরা দিইনি।
যাতে তোমার দেখা পাই।
এরপর কী হবে তোমার কাছে জানার আছে।
সেটা না জেনে জেলে যাওয়া যায় না।
এর পরের বইটা পড়েছো?
এরপর কী হয়েছে...
ছুল আর ইয়ন-জুর?
তো?
ছুল কি ইয়ন-জুকে ভুলে গেছে?
বলো।
হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া তোমার স্বামীটা কি...
আমি?
উত্তর দিতে কষ্ট হয়?
তাহলে একসাথে গিয়ে জানা যাক।
এটা তোমার বাবার স্টুডিও, তাই না?
আমি...
জানতাম না বইটা সাথে নিয়ে গেছি।
তোমাকে জানাতে চাইনি।
গোপন রাখতে চেয়েছিলাম।
আমি শুধু
তোমার জন্য হ্যাপি এন্ডিং চেয়েছিলাম।
সক-বম, দাঁড়ান।
সক-বম, যাবেন না।
ছাড়ুন।
খুব ভয় করছে।
আর আমি আপনাকে ভয় পাচ্ছি। নিজে নিজে হাসেন।
হাসপাতালে ফিরে যাচ্ছি।
অন্তত ইয়ন-জু ফেরা পর্যন্ত আমার সাথে থাকুন।
ও কখন ফিরবে?
কোথায় গেছে সেটাও তো জানেন না।
তোমার বাবা কোথায়?
কেন?
দেখা করবো।
ভেবো না, গুলি করবো না।
একই ভুল দ্বিতীয়বার করবো না।
কোথায় উনি?
বাবা আঁকেনি ওসব।
বাবা তোমাকে ফাঁসায়নি।
ভুল বুঝো না।
দরজা লক কেন?
দেখতেই পাবে।
মি. ওহ?
এটা ওহ সং-মু?
হ্যাঁ।
কী হয়েছে ওনার?
আমিও জানি না।
কয়েক ঘন্টা ধরে এমন, যদিও তোমার সময়ে এক মাস কেটে গেছে।
মাথা ঘুরছে।
আমার...
ডা. খাং। ডা. খাং!
কিছুক্ষণ থাকলেই হবে।
বেশি সময় লাগবে না। না।
রামেন খান একটু। আমি বানিয়ে দিচ্ছি।
রামেন সাধবেন না। আর আমাকে এত ধরছেন কেন?
দরজাটা বন্ধ ছিল না?
কী হলো?
কে... উনি কে?
খাং... খাং...
খাং কী?
একটু হেল্প করবেন? ও অজ্ঞান হয়ে গেছে।
ইয়ন-জু।
ইয়ন-জু।
কী হলো? শরীর খারাপ করছে?
ভীষণ ক্লান্তি লাগছে।
ক্লান্তি?
এক মাস সময় স্কিপ করেছি।
সেবারও এরকম হয়েছিল।
তাহলে রেস্ট নিলেই হবে?
হ্যাঁ, তাতেই হবে।
ভালো।
আপনি হাসপাতালে যাচ্ছেন?
হ্যাঁ।
মিস. কিম, আমরা আসছি। একটা রুমের ব্যবস্থা করতে পারেন?
কিছু বেসিক টেস্ট আর বুকের এক্স-রে করতে হবে।
কোথায় যাচ্ছো?
যেও না।
আমার একটু কাজ আছে। শীঘ্রই চলে আসবো।
মনে পড়েছে?
আমাকে
মনে পড়েছে?
সব এখন মনে পড়েছে?
না।
শুধু ভাবছি
কমিকের খাং ছুলের কেমন লাগতো।
যেহেতু তুমি বদলাওনি, শীঘ্রই জানতে পারবো
তোমার অদ্ভুত সৌন্দর্যটা কী।
একটু পরই আসছি। ওর খেয়াল রাখবেন।
ওটা খাং ছুল।
খাং ছুলই। ও-ই। কিন্তু এখানে কী করছে?
খাং ছুল। খাং ছুল এখানে...
আমি...
ভেতরে আসতে পারি?
হ্যাঁ। আসুন।
আপনার নাম?
পার্ক সু-বং।
স্যরি, আপনার জুতা ধার নিতে পারি?
জুতা আনা হয়নি।
হ্যাঁ। অবশ্যই।
ধন্যবাদ।
শুনুন।
আমাদের আগেও একবার দেখা হয়েছে।
তাই নাকি?
উঠানে।
- স্যরি। - স্যরিতে হবে না বোধহয়।
স্যরি। বইয়ে নেই এমন সিন আমার জানা নেই আসলে।
আচ্ছা।
স্ক্রু-ড্রাইভার আছে?
স্ক্রু-ড্রাইভার? ফ্ল্যাট নাকি ফিলিপস?
দুইটাই?
দৌড়
এইযে।
নিন।
দুইটাই এনেছি,
যদি লাগে।
কী করবেন?
ব্যাপারটা বিপজ্জনক হওয়ায় এর পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া যাবে না।
এটা খুলে ফেললে খুনি আর আসবে না।
ও।
খুললে তো আবার লাগাতে পারবেন না।
এটা আবার লাগলে তখন?
ও, হ্যাঁ। আপনি তো কম্পিউটার সাইন্স পড়েছেন।
- ওহ সং-মুর কি হয়েছে? - আসলে,
নাস্তা কিনে ফিরে দেখি
ওনার চেহারা অদৃশ্য হয়ে গেছে।
আর খুনির কথামতো আঁকছিলেন,
বন্দুক আর ভয়েস রেকর্ডিং।
শুধু ওখানেই গড়বড় হয়নি।
এখানকার অবস্থাও করুণ ছিল।
ইয়ন-জু হঠাৎ উধাও হয়ে যায়
স্যারের চেহারা অদৃশ্য হবার পর।
ভয়ে কাঁপছিলাম আমি।
আর তখন আপনি আসলেন।
যাইহোক, ছুল সাহেব,
হ্যান্ডশেক করতে পারি?
অনেকদিন যাবত আপনার ফ্যান আমি।
পরিস্থিতির কারণে সেদিন কথা বলতে পারিনি,
তাই...
খোদা।
পেন্টহাউজ আর সম্প্রচার কেন্দ্র আমি এঁকেছিলাম।
আমিই এঁকেছিলাম।
তিন বছর ধরে ব্যাকগ্রাউন্ড আঁকছি।
তাই নাকি?
দারুণ।
বিয়ার খাবেন? আপনার পছন্দের ড্রিংক। সবধরনের বিয়ার আছে আমার কাছে।
No comments yet. Be the first to leave one.