Prvních 200 řádků.
কোন পাগলে তাকে সহ্য করবে?
স্পর্শ করেই সবার স্মৃতি বের করে ফেলে সে।
ডিটেকটিভ, আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে।
তার স্মৃতি পড়ার সময় এটা অনুভব করেছি।
মেয়ের জন্য তার ভালোবাসা।
মনে হয় না সে ব্যস হাওয়া হয়ে গেছে।
এটা সিরিয়াল খুন প্রমাণ আছে?
দুইজনের মাথাতেই ক্ষতচিহ্ন ছিল।
মনে হচ্ছে তাদেরকে বেধে ৪ ইঞ্চি প্রশস্ত একটা হাতিয়ার দিয়ে একাধিকবার মারা হয়েছে।
তারমানে, সে একটা বদ্ধ উন্মাদ।
সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশ এজেন্সিকে প্রস্তুত করো।
আজ সকালে তৃতীয় ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে ওরা।
- সে তখনও বেচে ছিল। - সে এখনও বেচে আছে।
- কিছু দেখেছ? - প্রথমে, একটা লাল শূকর।
আর অন্যটা ছিল একটা হাতুড়ি। একহাতে ধরা যায় এমন হাতুড়ি।
হাতুড়ি দিয়ে মারা খুনিটা এই কেসের সাথে সম্পৃক্ত নাও হতে পারে।
তুমি নিশ্চিত? মানে, লাল শূকরটার ব্যাপারে।
ভুল হলে আমিও খুশি হতাম। কিন্তু এই মনের কু ডাকটা...
পরীক্ষায় পাশ করতে না পারলে, তুমি মরবে।
তোমার আগের মেয়েটা ফেল করায় মরেছিল।
ফোন আলাদা। এটা অন্য মডেলের।
দ্বিতীয় ফোনটা খুঁজে বের করো।
ফোনটা বের করেছি।
এরা হাইস্কুলের বাচ্চা।
রাস্তায় ফোনটা কুড়িয়ে পেয়েছিল।
ওনাদেরকে বলতে পারি বো ইয়নকে খুজতে।
ওইখানে বো ইয়নকে খুজতে গিয়েছিলে, তাই না?
না, না।
ওইখানেই ওদের হারিয়ে ফেলেছিলাম। তিন রাস্তার মোড়ে।
এই মুহূর্ত হতে, সকল সক্রিয় অফিসার ওনহা-রিতে তল্লাশি কাজে সাহায্য করবে।
মেট্রো সকল অফিসারকে এই জায়গায় তল্লাশি চালাতে পাঠিয়েছে।
তিন রাস্তার মোড়ে ওদের হারিয়ে ফেলেছিল।
মেট্রো ওনহা-রির ভিলাগুলো দিয়ে শুরু করবে তল্লাশি।
মুরুব্বি, আপনি যান।
আমাকে এক জায়গায় যেতে হবে।
যেখানে আলো চকিতে উধাও হয়।
উপরে কিভাবে উঠলে?
আমি বের হয়ে পুলিশ ডাকবো।
আমাকে নিয়ে যাও! প্লিজ!
প্লিজ আমাকে নিয়ে যাও!
শুধু একটা জায়গা মিলে যাচ্ছে।
প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে।
ওইখানেই ওদের হারিয়ে ফেলেছিলাম। তিন রাস্তার মোড়ে।
প্লিজ আমার মেয়েকে সাহায্য করো।
প্লিজ আমার মেয়েকে বাচাও।
আরে। জলদি করো।
সর্বোচ্চ চেষ্টাই করছি।
- টায়ারে লাত্থি মারছেন কেন? - তাহলে তোমাকে লাত্থি মারবো?
মারবো নাকি লাত্থি?
অবশ্যই, না।
লাল শূকরটাকে খুজে পেয়েছি।
- না, দাড়ান। - ধর ওকে।
- মার শালাকে। - ধর!
- সরো। - থামুন।
এখন এইসবের সময় না...
শক মারো।
গাড়িতে তোলো ওকে। তোলো!
আমি তো ভেবেছিলাম টেলিপ্যাথিকে সহজে কাবু করতে পারবো না।
গেট থেকে রোড পর্যন্ত,
এখানে যেই আসবে ক্যামেরায় ধরা পড়বে।
ভিতরে ঢুকতে ও বের হতে গেলে ক্যামেরায় ধরা পড়বে।
গেটগুলো উচু বেষ্টনীর মতো।
আশেপাশে কেউ নেই কেন?
এই সাইজের খামার তো দিনেরবেলা কর্মীতে ঠাসা থাকার কথা।
চোখে ধুলা দেবার জন্য?
অন্যকোন অপারেশন ধামাচাপা দিতে এই খামার বানানো হয়ে থাকতে পারে?
মাথা খাটাতে হবে।
এবার, সামনে আয়।
নড়বে না।
ওই শালা!
কথা বলা যাবে?
সে তোমার নামে রিপোর্ট করেছিল।
- কী? - চুপ।
সেই তোমার নামে ইন্টারনাল এফেয়ার্সে রিপোর্ট করেছিল।
কী বাজে বকছিস?
- ওই। - ও তোমার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেছিল।
আমি করিনি!
পান্থশালার মালিক তদন্ত থামাতে তোমাকে ঘুষ দিয়েছিল।
মাত্র ৩০,০০০ টাকার জন্য সহকর্মীকে ধরিয়ে দিয়েছিলে তুমি?
- শালাকে চুপ করাও। - আমি করিনি!
তার কিছু ঘটনাও দেখেছি।
সহকর্মীদের সাথে প্রতারণা করাই তোমাদের অফিসের চল নাকি?
চুপ করাও!
- তুই শেষ। - সত্যিই আমি করিনি।
সে একাধিক মেয়ের সাথে টাংকি মারছে তা জানতে?
- চুপ করা! - তবু, একটু বিবেক রাখা উচিত।
তোমাদের সবচেয়ে জুনিয়র সহকর্মীর গার্লফ্রেন্ডের পিছে লাগো কিভাবে?
এই গাধা, রাস্তার দিকে তাকা!
সম্প্রতি তোমার গার্লফ্রেন্ড একটা ডিজাইনার ব্যাগ কিনেছে না?
এই ব্যাটা তাকে উপহার দিয়েছে ওটা।
- হারামজাদা! - এটা কি সত্যি?
রাস্তায় তাকা!
- শক মারো! - জ্বী, স্যার।
কী? ওকে না!
ওই শালা!
তাকে ভুলেও মেরো না।
শালাকে ধরে যতোটা সম্ভব স্মৃতি পড়ে নিতে হবে।
ঠিক আছো?
শালার...
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
- আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন। - হাটু গেড়ে বসো।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
আশির্বাদ ধন্য অনন্ত জীবন।
শালার...
জায়গাটা এতো জটিল কেন?
কোন জায়গা এটা?
ওই যে হারামজাদা। ধরো!
ওই। এইদিকে আয়। আয়।
নড়বি না। নড়বি না!
হারামজাদা।
[ আমার খুকুমণি, ডিনারের টাকা টেবিলে রেখে দিয়েছি। ভালোবাসি, মা ]
[ ভবিষ্যৎ ইচ্ছা: মায়ের সাথে বিদেশে ঘুরতে যাওয়া, একা ঘুরতে যাওয়া ]
- ধন্যবাদ। - সমস্যা নেই।
আমার মেয়েকে দেখতে দাও।
ম্যাম।
- আমরা ময়নাতদন্তের জন্য অপেক্ষা করছি। - ও কতোক্ষণ...
আমার জন্য অপেক্ষা করেছে চিন্তা করো।
আর অপেক্ষা করাতে পারবো না।
ম্যাম।
এখন ওকে দেখা ঠিক হবে না...
আমি এসেছি বলে ওকে শান্ত করাতে হবে।
আমার বেচারি মেয়েটা।
নিশ্চয় খুব ভয় পেয়েছিল।
সত্যি করেই বলি।
ইয়ে রিমের অবস্থা এখন খুবই খারাপ।
ওর আগের চেহারাই মনে রাখা উচিত আপনার...
আমাকে শেষবার ওকে দেখতে হবে!
সরো। সরো সামনে থেকে।
আমার মেয়ে। আমাকে আমার মেয়েকে দেখতে হবে, সরো!
প্লিজ শান্ত হোন।
আমার বাচ্চাটা!
ম্যাম।
- ম্যাম। - এই।
- ম্যাম। - তোলো ওনাকে।
- ম্যাম! - আমার পিঠে তুলে দাও।
আত্মহত্যা করা ৩০ বছর বয়সী হান মান পিয়ং,
মেয়েদের অপহরণ করে তার খামারে আটকে রেখে খুন করতো বলে জানা গেছে।
মাটির নিচের সুরঙ্গটি জাপানি শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সন্দেহভাজন হান সুরঙ্গটিকে আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করতো বলে...
- জানা গেছে। - হ্যাঁ।
তার বাবা-মার মৃত্যুর পর ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে।
- বুঝেছি। - আরো ভিকটিম থাকার সম্ভাবনা আছে।
আমরা কমপক্ষে চারজন খুন হবার কথা নিশ্চিত করেছি।
উদ্ধার হওয়া একমাত্র কিশোরীটিকে...
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং তার চিকিৎসা চলছে।
সৌভাগ্যবশত, সে গুরুতর আহত হয়নি।
তাই, তার জীবনের শঙ্কা নেই।
এদিকে, পুলিশ ও NFS...
অনেক বড় একটি ফরেনসিক দলকে নিয়ে এসেছে...
খুনি আরো কোনো অপরাধ করেছে কিনা তা চেক করার জন্য।
পুলিশের ভাষ্যমতে, কোন সহযোগী ছিল কিনা তা চেক করা...
তদন্ত প্রক্রিয়ারই একটি অংশ...
এবং তারা সেইরকম কোনো প্রমাণ এখনও পায়নি।
তবে, কেসটির গুরুতর প্রকৃতির কারণে,
বহু লোক এই ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে।
হ্যালো, স্যার।
সবাই এখানে কেন?
- অপেক্ষা করছি... - ঠিক কেন অপেক্ষা করছো?
আসলে...
কোন সহযোগি ছিল কিনা তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বের করাই...
- আমাদের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত। - উদ্ধারকৃত মেয়েটা কী বলেছে?
জ্বী, উদ্ধারকৃত মেয়েটা এখনও শকে আছে।
তার মতে, সে কোনো সহচর দেখেনি।
একটা উপকার চাইতে...
আপনার অপেক্ষায় ছিলাম।
- উপকার? - সহযোগীটি...
আসলে, সেই লোকটিই মূলহোতা হতে পারে।
মূলহোতা?
প্রথমে যা ভেবেছিলে সেটার উপরেই অবিচল থাকছো?
অপরাধী সম্ভবত উচ্চবিত্ত সেই ধারণাতেই?
হান মান পিয়ং লাশ দেখিয়ে বেড়ানোর মতো লোক নয়।
আমি নিশ্চিত মূলহোতা অন্যকেউ।
তোমাকে একটা পরামর্শ দেই। ওটা তোমার ভ্রান্ত ধারণা ছিল।
- জেদ না করে ফলাফল মেনে নাও। - সেইজন্যই আমি আন্তরিকভাবে উপকারটি চাইছি।
কোনো সহযোগী ছিল কিনা তা জানতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করুন প্লিজ।
আর কিছু চাইবো না আপনার কাছে।
আমি সাহায্য করতে পারবো না।
কাজটা তোমাকেই করতে হবে।
কিন্তু আমাকে তো সরিয়ে দিয়েছে।
সুপারিন্টেন্ডেন্ট হানকে বিশেষ তদন্ত বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হলো।
তাকে স্টার বানিয়ে দাও।
জোর প্রচারণা চালাও যে সেই অপরাধীকে প্রথমে বের করেছে।
দং ব্যেকের আগেও খুজে পেয়েছে।
তুমি সংবাদ ব্রিফিংয়ের দায়িত্বেও থাকবে।
অপরাধীকে ধরা ব্যক্তি হিসেবে এটাও তোমার কাজের অংশ।
চলো।
ভিতরে চলো।
স্যার, ওকে জেরা করবো না?
কাল সকালে, তাকে সিউল পশ্চিমজেলা প্রসিকিউটর অফিসে পাঠানো হবে।
কিন্তু তাকে ধরতে তো সেই পরিশ্রম করেছি।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝা বা মুখ কিভাবে বন্ধ রাখতে হয় এটুকু অন্তত শেখা উচিত তোর।
অপরাধী ধরা পড়ায় খুশি হয়েছি।
No comments yet. Be the first to leave one.