Prvních 200 řádků.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
এটা কোনো রোগ না।
বরং অভিশাপ।
নাক দিয়ে রক্ত বের হয় আর অদ্ভুত সব শব্দ শোনা যায়।
হঠাৎ একদিন শুরু হয়
আর কখনোই বন্ধ হয় না।
আর মানুষ রূপ নেয় এক ভয়ানক দানবে।
মারো!
আমরা কখনোই ওদের সাথে পেরে উঠব না।
প্লিজ, আমাদের সাহায্য করো!
আমিও এর শিকার হয়েছি।
ওদের কি বাঁচাতে চাও?
তুমি ঠিক আছ?
গোল্ডেন আওয়ারের কারণে বেঁচে গেছ।
সরকার ঘোষণা দেওয়ার আগে থেকে
একজন এই ব্যাপারে জানতো।
যে সকল সংক্রমিতরা ১৫ দিন পার করে ফেলে,
তারা স্টেবল ফেজে প্রবেশ করে যায়।
এদেরকে আমরা
না মানুষ বলতে পারব না দানব বলতে পারব।
এদের... "স্পেশাল ইনফেক্টি" বলা যেতে পারে।
হিউন-সু আমাদের জন্য বিপজ্জনক।
কিন্তু ওকে আমাদের দরকার।
ও ব্যস তোমাকে ব্যবহার করছে।
তোমার কি মনে হয় আমি দানবে রূপ নিয়ে তোমাদের মেরে ফেলব?
দানব তো দানবই হয়।
মানুষ ব্যর্থ হয়েছে।
তোমাকে মানতে হবে।
সংক্রমিতকে আমাদের হাতে তুলে দাও।
বাকিদের সেফটি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হবে।
সেফটি ক্যাম্পের নামে নাটক শুরু করেছে।
কে কখন দানবে রূপ নিবে জানে না যখন
নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কীভাবে?
আমি ফিরব।
না। উন-হিউক! উন-হিউক!
তুমি ফিরবে কথা দিয়েছিলে!
উন-হিউক! উন-হিউক!
তোমার বাগদত্তা।
জানি ও কোথায় আছে আর কেমন আছে।
আমরা আর মানুষ একসাথে থাকতে পারি না।
আমাদের মতোদের আমি খুঁজে বের করব।
আমার সাথে চলো।
ছা হিউন-সু।
অনেকদিন পর দেখা হচ্ছে।
[বামসম ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট ব্যুরো]
ওর কন্ডিশন বদলেছে?
মনে তো হয় না।
তাহলে ও আর আমাদের কোনো কাজের না।
ওকে এভাবে রেখে লাভ কী?
কিন্তু, এখনো বেঁচে আছে।
তোমার বন্ধু বলে মায়া হচ্ছে?
ওর এই হাল আমার কারণে। ভুলে গেছেন সেটা?
নতুন কিছু জানা গেছে?
[বামসম ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট ব্যুরো]
আমার একটা থিওরি আছে।
আমাদের পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছিল ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে,
আর আমরা, হোমো স্যপিয়েন্সরা, এসেছি ২ লাখ বছর আগে।
তাই সেই হিসেবে,
পৃথিবীর বয়স ১ দিন হলে আমাদের বয়স হবে ০.০৫ সেকেন্ড।
বলতে কী চাচ্ছ?
এটাই বলতে চাচ্ছি, পৃথিবীর সামনে আমরা
অতি নগন্য।
কিন্তু তারপরও মানুষ নিজেদের অনেক বড় ভাবে।
লোভের বশে তাদের পথে আসা সব প্রজাতিকে
ধ্বংস করে দেয়।
পৃথিবী মানুষের এসব কর্মকাণ্ডে বিরক্ত।
এবার সময় হয়েছে মানবজাতির
বিলুপ্ত হবার।
তো এটাই আমার থিওরি।
মানবজাতি একটা ভাইরাস।
আর দানব তার ভ্যাক্সিন।
SWEET HOME
সেন্ট্রাল কমান্ড থেকে বলছি।
স্পেশাল ইনফেক্টি যে গাড়িতে ছিল সেটা হাইজ্যাক হয়ে গেছে।
পারস্যুট টিম, তোমাদের লোকেশন বলো। বাকিরা ওদের সাহায্য করো।
ব্ল্যাক কাইট থ্রি, মিশনটা তোমাকে দেওয়া হয়েছে।
জলদি ফিরে আসো।
লোকটা খুবই ডেঞ্জারাস।
সারেন্ডার করলে, আমি তোমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।
আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে?
কার সাথে কথা বলছ তুমি?
কে তুমি? কী চাও?
আমি...
কিছু চাই না।
আমি কেউ না।
খানকির পোলা, তোকে শেষ করে ফেলব!
আগে ধরো আমাকে।
তুই কে বল তো?
কীসের কথা বলছিস?
ছা হিউন-সু।
ছা হিউন-সু।
অনেক দিন পর দেখা হলো।
জং উই-মেয়ং?
ভাইরে, এত সহজে ধরে ফেললে?
লোক তো তুমি কড়া!
ব্ল্যাক কাইট নাইন বলছি।
টার্গেট ইছন থেকে হানামের দিকে যাচ্ছে।
টার্গেট এখন বানপো ব্রিজের দিকে যাচ্ছে।
ব্যাকআপ পাঠান।
ওকে কেন মারলে?
তোমার কারণে।
দানব হয়ে,
মানুষের সাহায্য করেছ তাই।
মর!
এ আমার কারণে বেঁচে আছে।
ধন্যবাদ দেওয়া উচিত তোমার।
উল্টো কথা শুনাচ্ছ!
অভদ্র ছা হিউন-সু।
টার্গেট সামনে আছে।
সবাই জোকের মতো লেগে থাকো।
ওদের ব্রিজ পার হতে দেওয়া যাবে না।
গাড়ির ভেতর বোধহয় মারামারি হচ্ছে।
স্পেশাল ইনফেক্টির স্ট্যাটাস কী?
স্পেশাল ইনফেক্টি বেঁচে আছে।
তোকে শেষ করে ফেলব।
না।
আমাকে মারতে পারবি না।
নাইট আউল বলছি। এখন ব্রিজে হামলা করব।
ফায়ার!
গাড়ি থামার নাম নিচ্ছে না!
টার্গেট পালিয়েছে।
বানপোর দিকে যাচ্ছে।
ডিরেক্ট ফায়ারের অনুমতি চাই।
দেওয়া যাবে না। টার্গেটকে জ্যান্ত ধরা লাগবে।
স্পেশাল ইনফেক্টিদের মধ্যে ওই বেঁচে আছে।
ব্রিজে হামলা করো।
নাইট আউল বলছি। টার্গেট হাত ছাড়া হয়ে গেছে।
ওদের দেখতে পাচ্ছি না।
সব রুটে চেক করো। প্রতিটা আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ো।
পুরো এরিয়া ব্লক করে দাও পালাতে যেন না পারে।
সেন্ট্রাল কমান্ডের কাছে না অনেকগুলো দানব আছে? তাহলে আবার কেন...
কারণ ও স্পেশাল। অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক দানব।
- প্রতিষেধক বানাতে ওকে লাগবে। - আচ্ছা।
তো ওরা সফল হয়েছে?
জানি না।
সেন্ট্রাল কমান্ডের দানবগুলো এখন আর কোনো কাজের না।
জলদিই ওদের খতম করে ফেলবে।
তাই ওকে ধরাই লাগবে।
মিলিটারির কারণে এই যাত্রায় বেঁচে গেলাম।
তো আমরা এখন নিরাপদ?
বেশ, এখন পর্যন্ত তো একটা দানবও সামনে পড়েনি।
মানুষও পড়েনি।
বেশ, উম...
সৈনিকেরা হয়তো ইতোমধ্যে...
ব্লকেড ফাইভ।
মিলিটারির গাড়ি জীবিতদের নিয়ে আসছে।
আমরা গাড়ি চেক করব।
দেখলে? কী বলেছিলাম?
এখানে সবাইকে সুস্থ মনে হচ্ছে। যেতে দাও।
ঠিক আছে।
ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করতে কতক্ষণ লাগেব?
কমপক্ষে দুই তিন ঘন্টা।
আমরা আরও কিছু লোক পাঠাচ্ছি।
ওহ।
দাঁড়ান। ও...
ও... সংক্রমিত না!
ওর লিউকেমিয়া আছে।
চাইলে ডাক্তারের থেকে নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন।
ঠিক আছে। আমরা চেক করব তাহলে।
ত্যে-ইউনের কিছু হবে না, ঠিক আছে?
ও মরে গেছে, স্যার। তার মানে দানব ছিল না।
ভালো খবর। সরিয়ে ফেলো লাশ।
- কী হচ্ছে এসব? - পিছনে সরো।
- নাক দিয়ে রক্ত পড়া দানবের লক্ষণ। - খানকির পোলা!
তোর মায়েরে চুদি...
না...
চুদির ভাই!
মাদারচোদ!
বেটিচোদ!
সোনা!
ওহ!
থেমে যাও এবার!
থেমে যাও এবার।
তোমাদের কি কোনো মায়া দয়া নেই...
এমনটা কীভাবে করতে পারো?
আমার সোনা রে!
খুব মজাতে আছ? গান গাচ্ছ যে!
কী ভুল-ভাল বকছ?
তো তুমি না?
আওয়াজ কোত্থেকে আসছে?
শুনতে পাচ্ছ?
- হচ্ছেটা কী? - সরো!
এই! কোথায় যাচ্ছিস?
আমি...
ওখানে কিছু আওয়াজ শুনতে পেয়েছি...
- স্ক্যান করো ওকে। - কিছু নেই, স্যার।
নাটক করিস না।
কাজ কর গিয়ে!
ঘুর!
যা ওখানে!
যা বলছি! যা!
চল জলদি।
পালাও!
পালাও!
উপরে দেখো!
মারো ওকে!
পালাও।
পালাও সবাই! পালাও!
এই, এখানে আসো!
এখানে!
No comments yet. Be the first to leave one.