Prvních 200 řádků.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
ও এখনো বেঁচে থাকতে পারে।
না।
সরো।
তোমার কারণে ও মরেছে।
আরেকটু আগে যদি বের হতাম…
তোমার দোষ।
তুমি ওকে মেরেছো।
মূল গল্প: SWEET HOME লেখক: CARNBY KIM এবং YOUNGCHAN HWANG
SWEET HOME
ঘোষণাটা বিশ্বাস করা যাবে না।
তোমরা সত্যিই ঠিক থাকবে?
শুধু আপনার উপর নির্ভর করতে পারি না। কিছু করা উচিত।
খাবার আর এটার জন্য ধন্যবাদ।
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুক।
আমি বৌদ্ধ।
ফার্স্ট ফ্লোর নিরাপদ হলে, আমরা আপনাদের নিতে আসবো।
যে কথা রাখতে পারবে না সে কথা দিয়ো না।
মনে হচ্ছে
আমার এখন বিদায় জানানো উচিত।
কেউ একজন একবার বলেছিল সবচেয়ে ঘোর অন্ধকারও
ক্ষীণ আলোয় হারিয়ে যায়।
সেই লোকটা এখনো বেঁচে আছে?
নিশ্চিত নই।
আমি…
আপনাদের সাথে যেতে পারি?
দুইজনের চেয়ে তিনজন বোধহয় ভালো হবে। তাই না?
অবশ্যই।
ঠিক আছে।
যাও।
যাও। সবাই যাও।
ভাইয়া, তোমাকে আসতে হবে, কেমন?
আচ্ছা।
আমাদের বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ।
তো, যাবো আমরা?
ধন্যবাদ।
হঠাৎ করে,
নিজেকে কোনো কিন্ডারগার্টেনের হেড মনে হচ্ছে।
# ১৮ই আগস্ট, ২০২০ বন্দিদশার ৪র্থ দিন #
# অ্যাপার্টমেন্টের পিএ এনাউন্সমেন্ট শুনে কখনো এতটা খুশি হইনি #
# শোনামাত্রই যেতে ইচ্ছে হলো #
# ফার্স্ট ফ্লোরে যাওয়ার প্রেরণা যোগাও আমাদের #
# ইউ-রি'র স্বার্থে নিচে যাওয়া উচিত বোধহয় #
যাওয়ার সময় হয়েছে বোধহয়।
এখনো না, স্যার।
আপনার দীর্ঘায়ুর জন্য কত প্রার্থনা করছি।
না, পৃথিবী থেকে বলিনি।
এখান থেকে। এই জঘন্যরকম ছোটো,
নোংরা পুরনো রুমটা থেকে।
কিন্তু জায়গাটার বয়স আপনার চেয়ে কম না, স্যার?
কতদিন হলো এখানে থাকছেন?
দেখি তো।
দাঁড়াও।
স্বাধীনতার পর থেকে
না-কি কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে?
এইমাত্র আপনার আয়ু বাড়লো।
তোমার কারণে শীঘ্রই যেকোনো মুহূর্তে মরবো না বোধহয়।
কী করছেন?
ঘোষণা শোনোনি? সাহায্য করতে ফার্স্ট ফ্লোরে যাওয়া উচিত আমার।
কোনো কাজে আসবেন আপনি?
সাবধানে।
উনি নিশ্চয়ই বিধ্বস্ত।
আমার বম মারা গেলে,
আমিও বোধহয় বিধ্বস্ত হবো।
এটা বোধহয় একটু ভিন্ন।
না, ভিন্ন না।
বম আমার কাছে পরিবার।
তবুও,
নিজের সন্তান হারানোর মতো একই হতে পারে না সেটা।
আপনারও তো বাচ্চা নেই।
জানবেন না সেটা কীরকম।
- হ্যাঁ। - যাইহোক, মিস. ছা
আর দমকলকর্মী মেয়েটার জন্য খুব খারাপ লাগছে।
ওর আবার কী হয়েছে?
ওর ফিয়ন্সে এখানে থাকতো।
সে মারা গেছে।
দুই দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
কী হয়েছিল তার?
জানি না আমি।
কী হয়েছিল গো?
ওকে খুব স্বাভাবিক মনে হলো। জানতামই না।
কিন্তু এতক্ষণ লাগছে কেন ওর?
কিছু হলো না তো?
ওপ্পা।
এমনিতেও সেলফোনে সার্ভিস নেই।
সেটাই।
কিন্তু ওনার মেয়ে যে আসছে কীভাবে জানতেন?
সেটা এক রহস্য।
ওনাকে ভূতে পেয়েছে না-কি?
ভূতে পেয়েছে? না, পাগল একটা।
ওনার জন্য খারাপ লাগছে।
যাইহোক, উন-হিয়ক থেকে সাবধান।
লোকটা একদম হৃদয়হীন।
যত ফালতু কথা। ও তোর জান বাঁচিয়েছে।
কী বলছেন?
ও তোকে না থামালে,
সৈনিকটার মতো মারা পড়তি।
আরে, ভাইজান।
আপনাকে লিডার হিসেবে পাওয়াটা খুব ভরসার।
লিডার না বাল। লাগবে না ওই কাজ।
কিন্তু চার চোখওয়ালাকে লিডার হতে দেওয়া যাবে না।
যাক, ঠিক আছেন।
ওখানে যে একটা দানব ছিল
তুমি জানতে, তাই না?
ই-কিউং।
আপনার জন্য চিন্তায় ছিলাম।
ঠিক আছেন?
এটা কোনো মহড়া না।
এটা কোনো মহড়া না।
১৭ই আগস্ট ২০২০, রাত ১২টা থেকে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৭, ধারা ১
এবং মার্শাল ল আইনের অনুচ্ছেদ ২, ধারা ২ অনুযায়ী
কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে মার্শাল ল জারি করা হচ্ছে।
সামরিক বাহিনী সকল প্রকার নিরাপত্তা এবং বেসামরিক কর্মকাণ্ডের দায়িত্বে থাকবে।
সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে একটি অনির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ
কিছু অজ্ঞাত প্রাণীতে পরিণত হচ্ছে।
সঠিক কারণ এখনো অজানা,
তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি মানব আকাঙ্ক্ষার সাথে সম্পর্কিত।
এটা কোনো শ্বাসযন্ত্রের কিংবা রক্তবাহিত সংক্রমণ নয়।
যাদের হাইপোথারমিয়ার লক্ষণ, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, অজ্ঞান হওয়া,
এবং শ্রবণ কিংবা দৃষ্টির ভ্রম দেখা দিচ্ছে তাদের কোয়ারান্টাইনে রাখুন।
প্রাণীগুলোর অসাধারণ সহনশীলতা এবং পুনরুজ্জীবনমূলক ক্ষমতা রয়েছে।
ব্যক্তিবিশেষে পরিবর্তনের আগে একটি সময় পর্যন্ত তারা
গুরুতর কাটা কিংবা ক্ষতি থেকে সেরে উঠতে পারে না।
একমাত্র সেই সময় প্রাণীগুলোকে মারা সম্ভব।
তাই আমরা এটাকে বলছি “সুবর্ণ সময়।”
আটককৃত সকল প্রাণীকে
পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
এই মুহূর্তে, একমাত্র এই কাজটাই জনসাধারণ করতে পারে।
সামরিক বাহিনী বর্তমান পরিস্থিতির সুরাহা করতে পারবে ও করবে।
বেঁচে থাকুন।
শুভকামনা।
দেখলে? আমরা ঠিক আছি।
আমরা টিকে থাকলে মিলিটারি এসে উদ্ধার করবে।
আমি জানতাম।
মাত্রই বললো নিজে নিজে বাঁচতে।
এটাই বলেছে?
আকাঙ্ক্ষা দানব বানিয়ে দেয়?
- এটাও সম্ভব? - দেখলেই তো ওরা বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
আমাদের বাঁচতে বলেছে।
- এটাই বলেছে, তাই না? - কী?
একদম!
- কিন্তু প্রেসিডেন্ট মারা গেছে। - সত্যিই এটা বলেছে?
- হ্যাঁ, অবশ্যই। - টিকে থাকা মানে?
- কী? - কথাটা সত্যিই বিশ্বাস করেন?
- আমরা সবাই দেখেছি। - আমার পাওনা দে!
সিরিয়াসলি?
এভাবে নিচ তলায় যাওয়াটা ঠিক হচ্ছে?
কাজের কিছু নেওয়া উচিত না?
সবচেয়ে কাজের জিনিস আমাদের জীবন।
মানুষ।
লাশ দেখে স্বস্তি পেলাম।
এখনো গরম।
মারা যাবার বেশিক্ষণ হয়নি।
ওহ, ঈশ্বর।
না চাইলে রেখে দাও।
- আপনি খারাপ। - হ্যাঁ, আমি খারাপ।
বাঁচার জন্য আরও খারাপ কাজও করতে পারবো।
তুমিও এখন শাগরেদ।
চলুন।
মরো না। কেন মরেছো?
আমাকে একদম একা ফেলে যেতে পারো না।
মরো না, প্লিজ। হাতজোড় করছি।
- ও মারা গেছে? - না।
মারা যায়নি।
ভাবলাম মারা যাবে।
- ওকে চেনো? - না।
ওর কাছে যেয়ো না।
- সংক্রমিত কাউকে এখানে রাখা যাবে না। - দানবটাকে বের করো।
বাবা…
সত্যিই পড়ে গিয়েছিলে।
এখানে মরতে বারণ করার সময়, পুরো বিল্ডিংই বুঝিয়েছিলাম।
আমি কোথায়?
এখানে সবাই একত্রিত হয়, মরার অপেক্ষায়।
বাকি দু'জন কোথায়?
নিরাপদ।
যতটা খারাপ ভেবেছিলাম ততটাও খারাপ নও বোধহয়।
নিজের চিন্তা করো, ওদের নয়।
হ্যাঁ?
উন-ইউ।
ঠিক আছো দেখছি।
৯ তলা থেকে পড়ে ৩ ঘন্টায় জ্ঞান ফিরে পেয়েছো।
সুবর্ণ সময় বাঁচিয়ে দিয়েছে হয়তো।
বিদ্রূপাত্মক না?
সুবর্ণ সময় দ্বারা কাউকে বাঁচানোর শেষ সময় বুঝাতো।
এখন বুঝায় কাউকে শেষ করার একমাত্র সম্ভাব্য সময়।
কেমন লাগছে?
ঠিক আছি বোধহয়।
ভালো।
এখন থেকে কঠিন সময় শুরু।
কী ব্যাপার?
ও আমাদের ডেকেছে কেন?
- কী হলো? - যাও তো।
মাথা ঠিক নেই তোর।
একটা দানব শালাকে ধরে এনেছিস।
ভুলেও দানব হবি না।
বুঝেছিস? শালা দানব।
বড়ো কেউ কথা বললে উত্তর দিবি।
বুঝেছি।
- কী? - আমরা সেটা পারবো না।
সুবর্ণ সময় হাতছাড়া করার ইচ্ছা নেই আমার।
No comments yet. Be the first to leave one.