Prvních 200 řádků.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় তাওহীদুল ইসলাম সুমন
আচ্ছা, দেখা যাক আমরা কি করতে পারি।
এটা চলবে না, এটাও না।
ওতো মোটেই না, সামনে যাই।
আচ্ছা চলে এলাম, আমরা এটা ধরে শুরু করতে পারি।
যদিও আমি জানি যে এটা একটু কঠিন, কিন্তু দম রাখো, এটা ইন্টারনেটের যুগ।
আমাদের প্রচুর প্রচুর প্রচুর ভিজিটর লাগবে, বুঝতে পেরেছ?
- ওকে নিলে কেমন হয়? - অসাধারণ।
ইমিগ্রেশন রিফর্ম এর জন্য তাকে একদম উপযুক্ত মনে হচ্ছে না?
হ্যাঁ, হ্যাঁ লাগছে, তাই না?
কি যত্তসব আবালের মত কথা বার্তা বলছ, এটা কোন পর্ন সাইট না।
কাজ পেলে বড় বড় মাই ওয়ালিদের খুঁজছি?
চল, খুঁজতে থাকো।
শিট! হ্যালো?
হেই বেবি! কোথায় তুমি? এখনো কাজে নাকি?
না! ধারে কাছে ও নেই।
দশ মিনিটের মধ্যে মুভি শুরু হচ্ছে।
- হ্যাঁ! আমি জানি তো। তোমার প্যান্ট দাও। - কি?
- কাল তোমাকে আমি লাঞ্চ করাবো, দাও । - না।
আমি তোমার বস। তোমার প্যান্ট দিতে বলছি।
প্লিজ দয়া করে দেরি করোনা। আমি প্রথম থেকে দেখতে চাই।
আমি জানি। আমি জানি।
তাড়াতাড়ি প্যান্ট দাও। আমি আসছি, বেবি।
এই তো প্রায় চলে এলাম।
- কত দূরে আছো? - আমার তো মনে হয় আমি তোমাকে দেখছি।
- তুমি কোথায়? আমি দাঁড়িয়ে আছি। - আমি।
অনেক মানুষ। তুমি কি পরেছ?
থিয়েটারের বাইরে কাপড় পরা একমাত্র মানবী আমি,
কারণ, থিয়েটারের বাইরে একমাত্র আমি আছি!।
এর বাইরের সজ্জা টা আমার দারুণ লাগে। তোমাকে ওখানে আরো সেক্সি দেখাচ্ছে।
তুমি জানো, আমি এই মুভি টা খুব পছন্দ করি।
একজন বেশ্যা আর একজন স্বার্থপর বিজনেস ম্যান প্রেমে পড়লে ...
যা হয় আর কি।
আমি জানি এর মানে তোমার কাছে অনেক কিছু, মানে, এর মানে আমার কাছে অনেক কিছু।
একদম ভুয়া কথা।
আমি তোমাকে এখন দেখছি, আমি তোমাকে দেখতে পাচ্ছি!
জেমি!
হেই!
অবশেষে এলে তুমি।
হ্যাঁ, এলাম।
- দুঃখিত, দেরি হয়ে গেলো। - সমস্যা নেই। তোমার জন্য স্যান্ডউইচ নিয়ে এলাম।
চিকেন টার্কি স্যান্ডউইচ, এক্সট্রা প্রোটিন মুক্ত।
তুমি নিশ্চিত এক্সট্রা প্রোটিন মুক্ত?
হ্যাঁ, আমি তোমার এলার্জির ব্যাপারে শত ভাগ সতর্ক।
হেই, চলে এলাম। আমি দুঃখিত।
আমি আমার প্রিয় গান মিস করেছি।
বেশ ভালো একটা গান, তাই না?
আমি আমার প্রিয় গান মিস করেছি! বুঝতে পেরেছ।
আচ্ছা আরো অনেক ভালো গান আছে তার।
পরের বার থেকে দেরি না করে সরাসরি বলে দিবে।
তাহলে অন্তত আমার আর এখানে বসে গাধার মত বসে থাকতে হবেনা।
আচ্ছা, এখন আমাদের ভেতরে যাওয়া উচিত।
জুলিয়া রবার্ট তার লম্বা জুতা জোড়া পড়ে ফেলল।
আমাদের কথা বলা দরকার।
আমার মনে হয় আমাদের একটু বিরতি নেয়া উচিত।
আমার মনে হয়,আমাদের একে অপরকে আরো সময় দেয়া উচিত, কি বল?
- তুমি সেটাই করছ না? - তুমি আমার সাথে ব্রেক আপ করতে চাচ্ছ?
তুমি বলেছিলে আমি তোমার জীবন-সাথী।
আমি বলেছি? কখন?
যখন আমরা বিছানায় ছিলাম আর সেক্স করছিলাম।
- কিন্তু এটা তো... - এটা তো কি?
কথার কথা।
আমি কাজে ব্যস্ত ছিলাম। সে জন্য দুঃখিত।
হয়ত তোমার কাজের থেকে যার সাথে তুমি দেখা করবে...
তার দিকে বেশি মনোযোগ দেয়া উচিত ছিলো।
কারণ, আমার যদ্দুর মনে হয়, কিছুদিন আগেও তুমি হাত ব্যবহার করেছিলে...
আর সেখান থেকে আমি ফিরিয়েছি, তোমার কাজ নয়।
আমি কখনো তোমাকে বলিনি, চু*বো, ঠিক আছে?
আমি বলেছিলাম, আমরা রোমান্স করব...
বুঝতে পেরেছ? তোমার আর বুঝতে ও হবেনা।
এই জন্যই কি তুমি দেরি করলে?
তুমি শুধু বায়না খুঁজছ, যে কিভাবে আমার সাথে ব্রেক আপ করবে, না?
ওহ, না, না। আমি শুধু কি পরব সেটা নিয়ে বিভ্রান্ত ছিলাম।
- তো, অবশেষে তুমি ক্যাডস আর হুডি পরেছ, - হ্যাঁ।
কি, তুমি কি এর পরে SATS এ যাচ্ছ?
এত উত্তেজিত হয়ো না, ঠিক আছে?
- তুমি এর থেকে অনেক বেশি কিছু। - মোটেও না।
আমি ভাবছি আমাদের এখন যার যার রাস্তায় যাওয়া উচিত।
হ্যাঁ, তুমি এখন জন মেয়র এর কনসার্ট এ যাচ্ছ আর আমি না।
কনসার্ট এর আগে সম্পর্কের দফারফা করার জন্য ধন্যবাদ।
উত্তম ব্রেকআপ।
সে আমাদের জেনারেশন এর জন্য শেরিল ক্রো!
আমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর দাও ।
আর হ্যাঁ, ব্রেক আপ এর জন্য আমার কোন দুঃখ নেই।
সত্যি করে বল, কেন করছ?
- দাঁড়াও, এটা কি কোন ট্রিক্স নাকি? - না।
শুধুই একটা নির্ভেজাল গবেষণা ।
আচ্ছা, যখন তুমি কাউকে তোমার দিকে আকৃষ্ট করাতে চাও,
কিন্তু, তুমি তার থেকে বেশি নিজের স্বার্থের প্রতি আকৃষ্ট...
হয়ে যাও যে সত্যি তোমাকে ভালোবাসে।
তুমি ভাব এমন দেখাও যেন তুমি অনেক আবেগী।
কিন্তু আসলে তুমি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত।
আর তাছাড়া, তোমার ডিমের মত চোখ, মাঝে মাঝে আমি ভয় পেয়ে যাই...
ধন্যবাদ। এটুকু ই যথেষ্ট।
তুমি আসলে একদমই তোমার মধ্যে নেই।
অবশ্যই আমি আমার মত আছি, তুমি এমন বলতে পারো না। ব্রেক-আপ তুমি ই করছ!
না নেই। হ্যাঁ আমি। তোমাকে আমার আর ভালো লাগছে না।
এটা আমার ভুল। তুমি আমার থেকে ভালো কারো যোগ্যতা রাখো।
তুমি একজন ভালো মানুষ।
যদিও সম্পর্কের ব্যাপারে খামখেয়ালীপনা রয়েছে, বলতে গেলে।
এমনটা নই।
আমি বন্ধু হিসেবে তোমার সাথে থাকতে চাই।
- চল, বন্ধু হিসেবে থাকি। - অবশ্যই।
একদম।
জন মেয়র।
আরে আমার জন মেয়র!
কাছে আসো।
তোমার এখন কঠিন মুহূর্ত যাচ্ছে।
সম্পর্ক গুলো সবসময় এতো আশা নিয়ে শুরু হয় আর শেষে কেন এমন ত্যানা পাটা হয়ে যায়?
আমি আজ থেকে হলিউড এর এইসব বালচাল রোমান্টিক মুভি দেখা বন্ধ করে দিচ্ছি।
চুপ কর ক্যাথ্রিন হাইগল! তুই একটা মিথ্যাবাদী!
আমি আর কখনো এইসব চোদনার প্রেম করবো না।
আমি এখন থেকে আমার সব আবেগ মাটি চাপা দিয়ে ফেলবো।
জাহান্নামে যা শালা।
হ্যালো।
সিট সোজা করুন, স্যার।
এটা কি হুডসন নদী?
না এটা প্রাচীন নদী।
ও তার মানে আমরা এখানে ল্যান্ড করছি না, ওই পাইলট এর মতো...
যাকে এর জন্য পদক দেয়া হয়েছিলো?
ওই পাইলট সবাইকে বাঁচিয়াছিল।
আবাল।
বিমান টা আসলে অনেক ধকল পেয়েছিল।
আমার মনে হয় আমি এই চাকুরীর জন্য যোগ্য কাউকে পেয়ে গেছি।
না সে খুব দ্রুত পৌঁছুচ্ছে। আমি তো শিহরিত।
না, এখনো চাকরী নিশ্চিত করেনি, কিন্তু আমি করিয়ে নিবো।
এখন একটা গাড়ি নিয়ে যাচ্ছি ওকে আনার জন্য।
সে লস এঞ্জেলস থেকে আসছে। আমার মনে হয় সে এখানে অনভ্যস্ত।
এই জনাব। ওই লম্বা বিল্ডিং টা কি?
এম্পায়ার এস্টেট বিল্ডিং।
না, না, না। পাশের টা।
ওই যে সবচাইতে লম্বা টা, যার উপরে এন্টেনা আছে ওটা।
হ্যাঁ ওটাই এম্পায়ার এস্টেট বিল্ডিং।
ও আচ্ছা আচ্ছা ঠিক বলছেন। কিং কং।
হেই...
হেই! আপনার কি এটার কাজ শেষ? মানে দেখা হয়ে গেছে?
আচ্ছা। নিউ ইয়র্কে স্বাগতম মিস্টার পান্ডেরগাস্ট।
হ্যাঁ।
আরে যা। একটু দেখি।
আচ্ছা।
- আমার ব্যাগ টা দিতে পারবেন? - অবশ্যই, কোনটা?
- ওই যে স্ট্রেপ এর টা। - আচ্ছা।
ওটা।
আচ্ছা।
- নিউ ইয়র্কে স্বাগতম স্যার। - ধন্যবাদ।
একটু দেখি।
- ওটা আমি। - কোনটা, নীল না হলুদ?
না। লিপস্টিক দিয়ে যেটা লেখা আছে, ওটা আমি।
- তুমি ডিলেন হারপার। - হ্যাঁ, আমি।
আমি জেমি রেলিস।
- তুমি আমাকে এয়ারপোর্ট থেকে নিতে এসেছো? - হ্যাঁ।
তুমি সবাইকে এইভাবে নিয়ে যাও?
হ্যাঁ, আমি মজাদার কাজ গুলো করতেই বেশি পছন্দ করি।
- নিউ ইয়র্কে স্বাগতম। - ধন্যবাদ।
তোমাকে দেখে আমার কোন "এজেন্ট" এর মত লাগছে।
হ্যাঁ, "কার্যনির্বাহী নিয়োগকারী" বলাটাই পছন্দ করি "এজেন্ট" অদ্ভুত শোনায়।
তুমি আমাকে বিগত ছয় মাস যাবত পুষলাচ্ছো। অদ্ভুত তো বটে ই।
দাও, দাও আমি নিচ্ছি।
তুমি সত্যি আমার ব্যাগ নিবে? তুমি কি সেই মেয়ে?
না, আমি তোমার জীবন বদলে দেবো। আমি ওই মেয়ে।
আমার জীবন এমনিতেই সুন্দর।
ওহ তাই? তোমার জীবন সুন্দর হলে তুমি এখানে আসতে ই না।
নিউ ইয়র্কে ফ্রী ভ্রমণ। কোন বোকাই এই সুযোগ হাতছাড়া করবেনা।
আচ্ছা, তার মানে বিগত ছয় মাস যাবত তুমি বোকা ছিলে।
আচ্ছা, অনেকে তো এর থেকে বেশি কিছু ও বলে।
অনেক বড় একটা সুযোগ, ডিলেন।
জি-কিউ ম্যাগাজিন এর আর্ট ডিরেক্টর । এটা অনেক বড় একটা সংগঠন।
তোমার ইন্টারনেট ব্লগ এর ব্যাপারে আমার কোন অভিযোগ নেই।
সেটা ছয় মিলিয়ন হিট করেছিলো গত মাসে।
আমি যদি আমার মাই এর উপর ক্রিম মেখে ভিডিও বানাই...
সেটা আট মিলিয়ন হিট করবে।
সত্যি?
যাই হোক, তোমার ট্যালেন্টের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।
কিন্তু এটা জি-কিউ।
নিউ ইয়র্কে অনেক ভীড়।
চারদিকে দেখ। আমি লস এঞ্জেলস থেকে এসেছি ঠিক আছে?
- আমি আমার খোলা জায়গা পছন্দ করি। - তুমি কি খরগোস নাকি?
আচ্ছা বল, এখানে আসলে তোমার সমস্যা কোথায়?
জানিনা, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে আমি এই চাকরির যোগ্য না...
কোন গড়বড় হয়ে গেলে বদনাম হয়ে যাবে।
তাহলে গড়বড় করবেনা। বদনাম হওয়া তো পরের কথা।
নিজের কাজ দিয়ে খ্যাতি অর্জন কর।
শোন, আমি ইন্টারভিউ তে যাওয়ার আগে কফি খেতে খেতে সব বুঝিয়ে দেবো।
দুঃখিত কফি না, গ্রীন টী, সয়া অর্গানিক হ্যাম্প যা মন চায়।
নিউ ইয়র্কে অনেক গরম।
লস এঞ্জেলসে কি গরম নেই?
হ্যাঁ, গরম আছে কিন্তু ওখানে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি।
লস এঞ্জেলসে যদি 90 ডিগ্রী গরম ও পড়ে, তবু সেটা সহনীয় ই মনে হবে...
- আচ্ছা। - কিন্তু সেই গরম যদি এখানে পড়ে,
ওই 90 ডিগ্রী এখানে 100,000 ডিগ্রী মনে হবে।
আচ্ছা আবহাওয়ার কথোপকথন টা অসাধারণ ছিলো...
কিন্তু যাই হোক, আমরা চলে এসেছি।
তো, শুভ কামনা।
যা হওয়ার হবে। আমি তোমাকে বলেছিলাম, আমার এই চাকরির দরকার নেই।
আমার জন্য অন্তত? যাতে আমার কষ্ট টা বিফলে না যায়?
- আচ্ছা সেটা না হয় হলো। - তাহলে যাও।
এটা খুব সুস্বাদু কিন্তু।
সাবধানে!
- হেই! - তুমি এখনো এখানে?
হ্যাঁ। এটাই আমার কাজ।
No comments yet. Be the first to leave one.