Prvních 200 řádků.
গানটি বন্ধ করতে পারবে?
পদকটি কীসের জন্য, স্যার?
স্যার, পদকটি আপনি পেয়েছেন?
এই, সোজা তাকিয়ে গাড়ি চালাও।
তাহলে স্যার এওয়ার্ডটি পাননি?
এটা আমার নয়।
আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর।
কোথায় তিনি?
জাল নোট চোরাচালানের সময় অভিযানে আবিদ হাসান ধরা পড়ে।
সর্বশেষ পাওয়া খবর...
থোদুপুড়াতে বৃদ্ধ দম্পতীকে অপহত অবস্থায় তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়।
মৃত দুজন হলেন ভাড়ুথালা পালায়ক্কাল কুড়িয়াকস আর তাঁর স্ত্রী ইলিয়াম্মা।
এই বৃদ্ধ দম্পতির নৃশংস হত্যার ব্যাপারটি আজ সকালে জানা যায়।
বাড়িতে তখন কেউ ছিল না।
জ্বী, স্যার।
সংবাদ দেখোনি?
দেখেছি, স্যার।
চলে এসো।
আসছি।
- তাড়াতাড়ি। - জ্বী।
স্যার।
তদন্ত শুরু করব?
বলব।
তদন্ত না করে কার অপেক্ষা করছেন?
তাড়াহুড়ো করে বাড়ি থেকে সকালে বেরিয়েছিলাম।
শালার, ঠিকঠাকভাবে মলত্যাগও করতে পারিনি।
কিছুদিন আগে অবসর নেওয়া জোসেফকে চেনেন না?
উনার জন্যই অপেক্ষা করছেন।
প্লিজ, সরুন।
সরুন! সরুন!
সরুন।
অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছেন।
স্যার কোথায়?
ওখানে।
তাড়াতাড়ি ঘেটে দেখো তো।
ইতোমধ্যে দেরি হয়ে গেছে।
- আচ্ছা। - আমাদেরকে তদন্ত করতে হবে।
এখানে কী করছ?
এমনি আরকি।
কিছু খুঁজে পেয়েছেন?
বাল্বটি এখানে পড়া ছিল।
একটা ছাপ খুঁজে পেয়েছি।
মনে হয় এই দিকে উঠেছিল।
মই পেতে পারি?
একটু অপেক্ষা করুন।
বডি বের করা না অবধি মিডিয়াকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিও না।
ঠিক আছে, স্যার।
স্যার, লোকটি চুরি করার উদ্দেশ্যে নিয়ে এসেছিল।
কিন্তু সে আসামি বা বাঙালি নয়।
কেউ একজন তাদেরকে খুব ভালোভাবেই চেনে,
আর সে খুব সুস্থসবল লোক।
সে দরজাটি ভেঙে খুলেনি।
এটা কীভাবে সম্ভব?
কেবল দরজা ভেঙে খুলেনি বলে সে তাদের পরিচিত হওয়া লাগবে না।
রাতে দরজায় ঠুকা দেওয়া শুনে ওরা দরজা খুলেছে, অমনও হতে পারে না?
এমনও তো সম্ভব, তাই না?
অমন হলে দরজার পাশেই পড়ে থাকত বডি।
সোফাতেই বসে লোকটি সকল পরিকল্পনা করেছিল।
- মানে? - তুমি তদন্ত করে বডিগুলো তাড়াতাড়ি পোস্টমর্টেমে পাঠাও।
স্যার!
গিয়ে এ্যাম্বুলেন্সকে ডাকো।
স্যার!
তাদের আত্মীয়রা?
তাদের দুই মেয়ে আছে।
উনারা তাদের স্বামী।
অপরাধপটটি কে প্রথম দেখেছিলেন?
আমার ছেলে, স্যার।
দুধ দিতে গিয়ে দেখেছিল।
উনারা তার চাচা আর চাচী।
তুমি চালিয়ে যাও।
কখন দেখেছিলে?
প্রায় ৫-৫:৩০ এর কাছাকাছি, স্যার।
আমিই পুলিশ স্টেশনে জানাই।
রাত ৮-১০ টার মধ্যে কোনো আওয়াজ শুনেছিলে?
আমি সিনেমা দেখতে চলে গিয়েছিলাম, স্যার বাসায় কেবল মা ছিলেন।
আপনি?
না স্যার, আমি সিরিয়াল দেখছিলাম।
- আপনারা থাকেন কোথায়? - কোল্লাম।
থ্রিসুর।
কী করেন?
ব্যবসা।
কী ব্যবসা?
ফিন্যান্স।
গতকাল কোথায় ছিলেন?
পাত্তানামথিত্তাতে এক বন্ধুর বাসায়।
গালফে ছিলাম।
সদ্য কেরালা থেকে এসেছি, গতকাল ইরনাকুলামে ছিলাম।
- ঠিকঠাকভাবে এসেছেন? - জ্বী।
একটা কলম আর কাগজ দাও।
সবার নাম আর ফোন নাম্বার...
- লিখে আমাকে দিয়ে দিও। - আচ্ছা, স্যার।
নাও।
উনাদের ভেতরে নিয়ে যান।
অনেক ধুয়েছিস, সর!
এই!
সাথে মাল আছে, সুগুনান?
কীভাবে থাকবে, স্যার?
আপনি টাকা দিলে কাউকে পাঠিয়ে কিনে আনাতে পারি।
এটা কী?
কেবল দুই পেগ মারব।
- টাকা দিবেন না? - স্যার।
ভাই, দুটো গ্লাস পাওয়া যাবে?
- বাসা থেকে নিয়ে আসছি। - লাগবে না।
- ওখানেই যাই চলো। - ঠিক আছে।
এই, স্যার আর আমার কিছু জরুরি আলোচনা করতে হবে।
- এখানেই থাকিস, আসছি। - ঠিক আছে।
- সকল নাম্বারের লোকেশন চেক করো। - কিছুই বাদ দিবেন না।
- এসো। - আমার বাড়ির জন্য দুই কিলো মাংস কিনিস।
আচ্ছা, কিনব।
ভাই...
বড় জামাইয়ের চিট ফান্ড কোম্পানি এখন কেমন চলছে?
তাকে নিয়ে সামান্য সন্দেহ আছে।
- সত্যিই তো। - এসব কিছু জানি না, স্যার।
উনি মাঝেমাঝে ভাগ চাওয়া নিয়ে বেশ অস্বাভাবিক আচরণ করতেন।
কিন্তু চাচা আর চাচী বলেছিলেন উনাদের মৃত্যুর পরে তা দিয়ে দিবেন।
- খুব ভালো। - এরচেয়ে বেশি কিছু জানি না, স্যার।
স্যার, ভেতরে বসতে পারেন।
না ভাই, কেবল দুটো গ্লাস দাও।
সাধারণ মাল নাকি?
দারুণ মাল, স্যার।
কিন্তু এটা লোকাল।
খোলো।
ভালো না?
কীভাবে এটা পান করো?
জলদি খেয়ে নিন, স্যার।
ধরো।
নিন, স্যার।
পেগ বানাব?
ভাই, পেপসি বা অন্যকিছু মেশানোর জন্য নিয়ে আসতে পারবে?
- আচ্ছা। - আমরা অপেক্ষা করব।
- দেরি হবে? - হবে না।
দেশি খেতে এসব লাগে!
- আমার লাগে। - আচ্ছা।
- এই! - স্যার।
কী, স্যার?
জোসেফ কোথায় চলে গেল?
বডি নিতে যে লোক এসেছিল তার সাথে মদ খেতে গিয়েছেন।
হ্যালো, বলো।
উনি কোথায় গেলেন, স্যার?
সে আড্ডা দেয়ার মতো মানুষ নয়।
- ভেতরে বসতে পারি? - আচ্ছা।
এসো।
এই হচ্ছে স্যার, অপরাধী।
আমি নই, স্যার।
আমি নই, স্যার।
আমি নই, স্যার।
আমি নই, স্যার।
- আমি নই, স্যার। - ভাই...
আমি নই, স্যার।
বাল্বটি খুলে আঙুলের ছাপ রেখে এসেছিলে,
আর এখন গ্লাস দিতে গিয়ে যে আঙুলের চাপ দিলে, দুটোই একই ছাপ।
আর চাপাতিটা এখান থেকে নিয়েছিলে...
যতই পরিষ্কার করো না কেন, ফরেনসিক বিভাগ সেটা খুঁজে পাবে।
মোড়াতে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করেছিলে।
- এখান থেকে নিয়েছিলে না? - আমি নই স্যার, আমি জানি না, স্যার।
- স্যার... - এসব যথেষ্ট না?
আমি আসি, স্যার?
স্যার...
- ওকে জিপে নিয়ে তোলো। - সরুন।
- স্যার, প্লিজ। - বাঁকা হয়ে যাস না।
- স্যার... - হাতকড়া পরাও।
জোসেফ!
- চল... - প্লিজ, স্যার।
ও যে কারবারি বুঝলে কীভাবে?
স্যার, কারবারটি পেশাদারিভাবে করা হয়নি সেটা বুঝতে পারলাম।
সে বাল্বটি না ভেঙে ওখানেই ফেলে আসে।
সানসেডে ঝোলাঝুলি করে ছাদের,
ওপাশে যাওয়ার স্বচ্ছ চিহ্ন রয়েছে তার।
কেবল সুস্থসবল ব্যক্তি এই কাজটি করতে পারে।
উপর তলার দরজার মাঝের চাটু খোলার চেষ্টা করেছিল।
কোনো পেশাদারিও ওটা করতে যাবে না।
তারা সবসময় দরজার একটি কোণা ভেঙে খোলার চেষ্টা করবে।
সদর দরজায় ধস্তাধস্তির কোনো নিশানাই নেই।
তাই নিশ্চয়ই ভেতরের কেউ একজন দরজাটি খুলে ছিল।
অমন হলে,
যে এসেছিল সে তাদের পরিচিত।
ওর সোফায় বসাতেই সমস্ত নিশানা রয়েছিল।
ম্যাগাজিনের সিনেমার পাতাটি মেঝেতে পড়ে ছিল খোলা অবস্থায়।
ম্যাগাজিনের পাতাটি আর তার সোফায় বসার অঙ্গভঙ্গি,
এতেই নিশানা করে যে সে একজন তরুণ যুবক ছিল।
চুলার উপরে চায়ের পাত্রটি একদম পুড়ে গিয়েছিল।
অতিথির জন্য চা বানাতে গিয়ে এই অপরাধটি ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে আমি নিশ্চিত হই যে,
সুস্বাস্থ্যবান যুবকটি এই এলাকারই ছিল,
যে তাদেরকে খুন করেছে, সে তাদের পরিচিত।
আমি যখন আত্মীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিলাম,
তখন মানুর দিকে আমার নজর ছিল, হাত ভাঁজ করে সে দূরে দাঁড়িয়েছিল।
বডি ল্যাংগুয়েজ এর ভাষ্যমতে, কেউ হাত ভাঁজ করে দাঁড়ানো মানে,
সে কিছু গোপন করছে।
আর তার চোখের অস্থির নড়াচড়ায় ছিল এর ব্যাখ্যা,
তখনই বুঝতে পারলাম সে মিথ্যে বলছে।
রাতে মুভি দেখার জন্য গিয়েছে সেটা মিথ্যে কথা বলেছিল,
আসলে সেই টাওয়ারে অবস্থান প্রায় ৯.৩০ অবধি ছিল।
সাইবার সেল এটা নিশ্চিত করে।
- হায় হায়, আমার ছেলে! - আমি তাহলে আসি, স্যার?
ঠিক আছে, ভালো থেকো।
আমার ছেলেকে কিছু করবেন না।
আমার ছেলে!
- মানু! - সরুন!
বাবা!
No comments yet. Be the first to leave one.