Prvních 200 řádků.
এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডেভিড বেকহ্যামের পায়ে আবারও বল
বল তাদের দখলে থাকার প্রতিটি মুহূর্তই তিনি দায়িত্ব নিয়ে খেলছেন
এবং এটি ইংল্যান্ডের হয়ে তার খেলা এবং নেতৃত্বদানের এক জ্বলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত
খেলোয়াড় হিসেবে তিনি আরো বেশি পরিপক্ব হয়ে উঠেছেন এবং এখানে তারই দাপট চলছে,
কিন্তু... ডানের টাচলাইনে বল পায়ে নিয়ে
তিনি প্রত্যাশা করছেন আরেকটু সাহায্যের
বেকহ্যামের আধিপত্যের সাথে মানিয়ে নিচ্ছে ওল্ড ট্রাফোর্ড
কিন্তু ইউনাইটেডের বিপক্ষে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন থেকেই যায়
কেননা অ্যান্ডারলেখট-কে হারানোর জন্য দরকারি
- গোলটি আসবে কোত্থেকে? - ইউনাইটেড!
শোলস? নাকি রায়ান গিগস?
নাকি ঢুকে পড়বেন বেকহ্যাম নিজেই?
অ্যান্ডারলেখট খুবই নিয়ন্ত্রিতভাবে খেলছে
তাদের র্যাডজিনস্কি পরীক্ষা করে দেখছে ইউনাইটেডের রক্ষণ,
পেছনে বামে আছেন সিলভেস্টার,
সম্ভবত সুযোগ এসেছে সামনে ঢুকে পড়ার
আর এই হচ্ছে বেকহ্যামের প্রয়োজনীয় বল
কেউ পড়ে যেতে পারেন, কিন্তু তিনি ডিফেন্ডারকে সরিয়ে দিয়েছেন
বল বেকহ্যামের পায়েই, মাঝমাঠে
দূরে লাথি মারলেন, এবং সেখানে আছেন ভামরা
সুন্দর হেড,
এবং গোল!
গোল করলেন জেস ভামরা!
অসাধারণ হেড, ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে
গোলকিপারের বাম হাত ছাপিয়ে বল চলে গেল জালে
জেস ভামরা ওল্ড ট্রাফোর্ডে
নিজের নাম চেনালেন!
আমরা কি নতুন এক তারকার সন্ধান পেয়েছি, গ্যারি লিনেকার?
ঠিক বলেছ, জন । জেস ভামরা কি ইংল্যান্ডের নতুন তারকা? অ্যালান?
তার প্রতিভা অস্বীকার করার উপায় নেই
ক্ষিপ্র চিন্তা, বল পায়ে স্বচ্ছন্দ,
সাবধানতা, লক্ষ্য- অসাধারণ
ও যদি স্কটল্যান্ডের হয়ে খেলত!
জন, ইংল্যান্ড কি '৬৬-র বিশ্বকাপের স্বাদ আরেকবার পেতে যাচ্ছে?
অবশ্যই, গ্যারি । আমরা সমাধান পেয়ে গেছি
আর সবচেয়ে দারুণ দিক হল, সে এখনও তার চূড়ায় পৌঁছেনি
ঠিক আছে । ধন্যবাদ, জন
আজ স্টুডিওতে আমাদের সাথে আছেন জেসের মা, মিসেস ভামরা
মিসেস ভামরা, মেয়েকে নিয়ে নিশ্চয়ই আপনার অনেক গর্ব?
মোটেই না!
ওর তো ছেলেদের সাথে দৌড়ে বেরিয়ে
৭০ হাজার মানুষের সামনে নাঙ্গা পা দেখানো উচিত না!
ও পরিবারের কলঙ্ক । আর আপনাদের তিনজনের উচিত না ওকে প্রশ্রয় দেওয়া!
জেসমিন্দর, এই মুহূর্তে বাসায় এসো!
জেসমিন্দর, আমার কথা কানে যাচ্ছে?
জেসমিন্দর, তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে?
- মা! - ফুটবল, শুটবল!
তোমার বোনের এঙ্গেজমেন্ট হচ্ছে আর তুমি দেখছ এই টাক ছেলেকে!
মা, এটা বেকহ্যামের কর্নার!
নিচে যাও । তোমার বোন পাগল হয়ে যাচ্ছে
মা, আমি সারাদিন লটকে থাকতে পারব না!
আমার যেতে হবে!
মা, আমার চাবি কোথায়? কোথাও পাচ্ছি না!
বিয়ে শুরুই হয়নি আর এর মাঝেই মেজাজ চড়ে গেছে
মা, একটু তাড়াতাড়ি করবে?!
ও সব নষ্ট করবে!
মেয়েটা এক নম্বরের বদমাশ!
পিংকি, তোমার তো আরো অনেক আছে!
হ্যাঁ, কিন্তু সব তো ঠিক করা ছিল । এখন আরেকটা কিনতে হবে!
- দয়া করে বেরোবে?! - কী হচ্ছে এসব?
এটা ধরো তো?
টিটুর বোন বলছে ও নাকি এখন হালকা গোলাপি পরবে
বেয়াদব মেয়ে । আমি ম্যাচিং করে জিনিস কিনেছিলাম!
মা, আমার আবার কেনাকাটায় বেরোতে হবে?
আমার মা আমার যৌতুকের ২১টা জামা নিজে কিনেছিল
আমি একবারও কিছু বলিনি
আদরে আদরে মাথায় উঠেছ তোমরা!
আমার ধনিয়া আনতে ভুলো না । এক পাউন্ডে চার আঁটি
আর আরো গাজর এনো । আমি আচার বানাচ্ছি
মা, আচার বানিও না সাথে!
আমি কি তোমাদের দুজনকে বলছি নাকি বানাতে?!
- হাই, পিংকি! - কী খবর?
এখানে কী করছিস?
সব আবার শেষ মুহূর্তের জন্য ফেলে রাখিসনি তো?
আর একদিন বাকি স্বাধীনতার!
- লেন্স কিনেচ্ছিস কোত্থেকে রে? - পছন্দ হয়েছে?
মনে হল চুলের সাথে যাবে, তাই কিনলাম
আমার ওনার আবার চুলে রং করা পছন্দ না
এখানে থেকে সারাদিন আড্ডা মারতে পারব না । ঈলিংয়ে যেতে হবে ফেসিয়াল করাতে । বিদায়!
- বিদায়, পিংক - দেখা হবে
অসভ্য মেয়ে!
নীল লেন্স পরতে ওকে কে বলেছে? এখন আমি আমারটা পরতে পারব না
তোমার মাথা নষ্ট । আমি মরলেও ওটা পরব না!
এগুলোরই তো এখন দিন চলছে, মামণি
এটা ফোলাতে হয়
দেখো, এই পাম্পটা ফ্রি দিচ্ছে সাথে
এই ভাল্বে ঢোকাও,
পাম্প করো, ফুলতে থাকবে
তারপর... এটা এখানে রাখো...
... বুম বুম!
এই তো
আর এগুলো এখন আরো ভাল যখন তুমি আরো বাড়ছ
- কারণ এইখানটা উঁচু হয়ে যাবে - মা!
- তোমাকে নিয়ে মানুষের সামনে মুখ দেখানোর মত না! - তোমার যা আছে সেটাই আরো বড় লাগবে
তোমার সব আন্টিরা কিনেছে তাদের মেয়েদের জন্য
আর... এটা দেখো, ফুলের নকশার । এটা তো সুন্দর । না?
আর এই যে জেল ব্রা । এটা আরো ভাল
পাম্প করা লাগে না । আগে থেকেই করা আছে
না রে, মা । স্পোর্টস ব্রা না
অতিরিক্ত সাদামাটা । কিছুই বোঝা যায় না
তাকাবে কে ওটার দিকে?
না, কেমন দেখায় সেটা ব্যাপার না । ব্যাপার হচ্ছে পরলে কেমন অনুভূতি হয় । না?
লেসের ওটা আমার খুব ভাল লেগেছে । দেখো, ওই যে তোমার জানের দোস্ত আসছে
বেশিক্ষণ দাঁড়াব না, ঠিক আছে?
ওর মা যেন তার তিনখান পেটের ওপর কিছু একটা পরে আসে কালকে!
- থামো তো, ওনার বয়স হয়েছে - তো?
কী খবর, জেস? হাই, পিংকি
তোমরা অনেক দিন বেঁচে থাকো, মা!
- কালকের জন্য সব ঠিকঠাক হচ্ছে তো? - জ্বি, মাসিজি । মা সমুচা বানাচ্ছে
খোদা তোমাকে আর তোমার স্বামীকে অনন্ত সুখে রাখুক!
আর আমার জন্য দোয়া কোরো,
আমি যেন আমার টনির জন্য তোমার মত সুন্দর বউ পাই
মা!
ধন্যবাদ, মাসিজি! ঠিক আছে, যাই তাহলে?
- বায়োলজি কেমন গেল? - জেনেটিক্সটা করেছ?
মেয়েটার জিন হচ্ছে বাহক । আর বিয়ের পর সে-ই
খারাপ জিনটা তার ছেলেকে দিয়েছে
হ্যাঁ, আমিও সেটাই পেয়েছি । আশা করি ভার্সিটির জন্য আমি দুটো A আর একটা B পাব
চলো, জেস
- পরে পার্কে আসছ তো? - দেখি
মা!
পেয়েছি!
এসো, জেস
মাফ করবেন, ওই জামাটা...
- জোরে দৌড়া - এদিক
এই তো! এদিকে!
ফালতু যত্তসব! এদিকে!
তুই একটা গাধা!
- জেস! পাঁচ মিনিট একটু খেলে যাবে? - পারব না । মা বসে আছে বাসায়
- আর বাবার হিথ্রোতে আগে আগে কাজ পড়েছে - আসো না, তোমাকে আমাদের দরকার
আসো না!
ও নিজেকে কী মনে করে? বেকহ্যাম নাকি?
ওর মত বুক দিয়ে বল নামাতে পারব আমরা?
- একটু বাউন্সও হবে! - বুক দিয়ে নামাও দেখি জেস! বুক দিয়ে!
ব্যথা লেগেছে নাকি, সুন্দরী বানু?
আমি পঁচিশ গজ থেকে প্রায় গোল করে ফেলেছিলাম । বাঁকিয়েছিলামও
পারলে তো সারারাতই খেলি
এসব ঠিক না, ছেলেরা তো কখনো বাসার কাজে সাহায্য করে না
আমাকে যদি পরিবার থেকে বিয়ে দেয়,
তাহলে কি আমি এমন কাউকে পাব যে আমাকে ইচ্ছামত খেলতে দেবে?
- কার সাথে কথা বলছিলে? - কারো সাথে না, বাবা
শোনো, বিজি আর তার নাতি আসছে বিয়ের জন্য
তুমি এই টাক ছেলের জায়গায় কয়েকটা
- সুন্দর সুন্দর ছবি টানিয়ে রেখো, কেমন? - বাবা!
আমি কাপড়টা বদলে আসছি । বাইরে এসে আমাকে সাহায্য কোরো, আচ্ছা?
ঠিক আছে
আমি অল্প একটু নেব
তোমার দিনও এসে যাচ্ছে, না গো?
তোমার বোনের মত ক্লিন শেভ করা ছেলে চাও,
নাকি দাঁড়ি-পাগড়িওয়ালা শিখ ছেলে চাও?
শুধু আমাদের ছেলেদেরই কিন্তু বড় ইঞ্জিন আর ফুল মোটর আছে, বুঝলে?
আরে না, অল্টারনেটরটা গেছে মার্সিডিজে!
নিসানটায় কার্বুরেটরটা লাগাও না । আমি বলেছি আমাকে না জ্বালাতে!
আমার এঙ্গেজমেন্ট চলছে এখন!
- দুঃখিত - ব্যাপার না, ব্যাপার না
ফোনটা বন্ধ করে রাখো । ধন্যবাদ
- ফাটায় ফেল! - ইয়েস!
ওহ, ও কী জোস!
নারে, নারে? আমি জানি!
দেখ! ও গেঞ্জি খুলছে
বাপরে । এমন ছেলের R রেটিং থাকা উচিত!
- আর সারাজীবনের গ্যারান্টি - হ্যাঁ রে । জেসকে ডাক দে
- জেসকে ডাক! - এই! জেস
জেস, তোমার ওই জোস বডির দোস্তটা কে?
সিক্স প্যাক ওয়ালা
- ও আমার দিকে তাকালে আমি অজ্ঞান হয়ে যাব - কে? তাজ?
- তাজ - ওর নাম তাজ?
লাত্থিটা দেখ!
- কী চরম! - মারাত্মক
জোশিলা পুরা
- তোর গার্লফ্রেন্ডকে ডাক! - জেস!
- যাও, জেস । মজনু ডাকছে - চুপ করো
ও আমার বন্ধু । সবাই তোমাদের মত ছ্যাঁচড়া না!
আরেব্বাহ!
কুত্তি কোথাকার! কুমারী দেখে ও মনে করে ও আমাদের চাইতে ভাল । না রে?
হ্যাঁ, কিন্তু হাউন্সলো টিমের অর্ধেক তো ও-ই নাচাচ্ছে, তোরা না
এই, ওই সাদা মেয়েটা কে, ওর দিকে তাকানো?
- যাও, জেস - জোরে
আরো যাও, পারবে!
কী করছ তুমি?
- হাই - হাই
দারুণ খেলো তুমি । কোনো দলে আছ?
যেমন? সাউথহল ইউনাইটেড শাড়ি স্কোয়াড?
আমি হাউন্সলো হ্যারিয়ারসের মেয়েদের দলে খেলি
এখন কোনো খেলা নেই, তবে গ্রীষ্মের একটা টুর্নামেন্ট আসছে
- তুমি যাও, ট্রায়াল দিয়ে দেখো - ট্রায়াল দেবো? আমি ভাল খেলি?
হ্যাঁ, আমি তোমাকে দেখেছি কয়েকবার । তুমি ফাটাফাটি খেলো
সিদ্ধান্ত আমাদের কোচের, কিন্তু নতুন মুখ পেলে আমাদের খুব ভাল হয়
- জেস, দারুণ সুযোগ! - হ্যাঁ, দারুণ সুযোগ, জেস
ম্যাচ শেষে কি তোমরা জার্সি বদলাবদলি করো?
- আর একসাথে গোসল করো? - সাবান কোথায় রাখো?
জোস, না?
চল খেলি
- আমি জুলস - জেস
হাই
ইয়েস!
দুটো দল করো, তিনজন করে একেক দলে । জলদি
কীভাবে জানো ও সিরিয়াস? আমার মাছি মারার সময় নেই
- ওর ইচ্ছা আছে, জো । একবার দেখো - হাই
- তুমি এমনিতে কোথায় খেলো? - পার্কে
No comments yet. Be the first to leave one.