De første 200 linjer.
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
- তো, তুমি আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো? - এটা একটা চমক।
চমক? কেমন চমক এটা?
- তোমার জন্য কিছু নিয়ে এসেছি। - বলো না?
নাহ, বললে সেটা আর চমক থাকল কীভাবে?
তুমি অনেক, অনেক দুষ্টু একটা ছেলে!
এখানে দাঁড়াও আর চোখ দুটো বন্ধ করো।
এবার খোলো।
ডেইজি ফুল নিয়ে এসেছ? গোলাপ কেন আনলে না?
- গোলাপ তো সবাই দেয়! - ডেইজি ফুল বেশ স্বস্তা দরের!
আমি তো তারপরও তোমাকে চুমু খেতে পারি, তাই না?
ফুলটা কোথায় গেল?
- কী? - ডেইজি ফুলটা!
- তুমি তো ফুলটা চাওনি? - ধুর!
- এখন ফুলগুলো থেকে দুর্গন্ধ আসবে! - তুমি আমাদের উপর গোয়েন্দাগিরী করছিলে, তাই না?
অবশ্যই, দেখো ওকে! আজ পর্যন্ত কেউ ওকে চুমুও খায়নি!
ওতো ঠিকমত দাঁড়াতেও পারে না!
কোথায় যাচ্ছিস, শয়তান মেয়ে? আয়, আমরা তোকে শিক্ষা দিব!
আমাকে ছেড়ে দাও! থামো!
শুনেছি, তোর বাবা নাকি তোকে শুয়োরের সাথে ঘুমোতে বাধ্য করেছে!
- থামো! - তোর নিজ পরিবারও তোকে চায় না!
- কে তুমি? - কী... এসব কী?
আমি কি মারা গিয়েছি?
এখানে কীভাবে আসলাম?
মনে হচ্ছে তোমার দেহ স্থানান্তর হয়েছে!
আমার কী?
স্থানান্তর হয়েছে।
যেখানে ছিলে, সেখান থেকে এখানে চলে এসেছ।
এটা গুলের টাওয়ার।
আর্তুজা।
ওহ, তুমি কুমারী!
আমি দুঃখিত!
আমি দু..দুঃখিত!
তোমার উল্টো হাত তোমার জাদুর চেয়েও প্রভাবশালী।
আমার কী?
আমাদের এখান থেকে বের হওয়ার কথা ছিল না!
কী হয়েছে?
যদি তুমি জাদুর মাধ্যমে এখানে স্থানান্তরিত হয়ে চলে আসো, সেও তোমার পিছু পিছু আসবে।
সে? কে সে?
তুমি কী করছ?
এটা কী করছ?
এটা একটা আলাদা ধরনের প্রবেশের দুয়ার!
যেটার খোঁজ কেউ পাবে না!
তুমি যে দরজা দিয়ে এসেছ সেটা ইতোমধ্যেই নিশানা করেছে কেউ!
কিন্তু, এটা তোমাকে তোমার ঘরে পৌঁছে দেবে।
দেখো, তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারো।
কী নাম তোমার?
ইস্ট্রেড!
দাঁড়াও! তোমার নাম...
এখান থেকে বের হও, মেয়ে!
আমি... আমি কাজটা পারবো করতে!
একটা শুয়োরের মূল্য কত?
এগুলো কাল বাজারেই পাওয়া যাবে।
ভাল, তবে আজ আমি উপস্থিত এখানে।
১০ মার্ক।
আর, ওই জানোয়ারটার দাম কত?
- ছয়। - চার।
- তুমি কী করছ? - বেঁচে দিলাম। চার মার্ক।
- পাগল হয়ে গেছ? ওকে ওদের হাতে তুলে দিতে পারো না। - শোনোনি তুমি? বেঁচে দিয়েছি। চার মার্ক।
ওই মহিলা একজন ডাইনি। জানো সে কী করতে পারে?
- ও আমাদের মেয়ে। - ও আমার মেয়ে নয়।
মা, দয়া করে আমাকে সাহায্য করো!
দারুণ! যাত্রা শুরু করা যাক।
আমাকে নিয়ে যেতে পারবেন না!
আমি যাবো না।
দরজা খোলো!
আমাকে বের হতে দাও!
চার মার্ক!
রাজকুমারী!
রাজকুমারী সিরিলা!
রাজকুমারী সিরিলা!
রাজকুমারী! বেরিয়ে আসুন!
তুমি, ওখানে গিয়ে খুঁজো!
- রাজকুমারী? - আপনি কোথায়, রাজকুমারী?
রাজকুমারী সিরিলা!
পেছনে রাস্তা দিয়ে চলো!
তুমি, চোখ কান খোলা রাখো!
রাজকুমারী সিরিলা!
কে ওখানে?
ওখানেই থামো!
এগুলো বিষাক্ত বলতে চাচ্ছ?
ওহ, না...ধন্যবাদ তোমাকে!
আমি ইঁদুর খাই না।
দাঁড়াও!
তুমি সিন্ত্রার কোথায় থাকতে?
তোমার বাবা মা কোথায়?
তুমি কথা বলছ না কেন?
গত ৩ দিন ধরে কারো সাথে কথা হয়নি।
হয়তো...
আমি এখন দৌড়ের উপর আছি!
আমার কোন একজনের নিকট যাওয়ার কথা!
বদলে, এখানে সেখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছি!
উনার মাথায়...
একটা বড় পাখি বসে ছিল।
জানি না, সে কী চায় আমার কাছ থেকে।
আমাদের উচিৎ আগুন নিভিয়ে দেয়া।
কেউ যেন আমাকে পাকড়াও না করতে পারে!
আমার ধরা পরা চলবে না।
দেখো, এটা তো সিন্ত্রার পতাকা! চলো, আমরা বেঁচে গেছি!
ইদুরখেকো ছেলে?
- পালা এখান থেকে! - আরে, আরে!
- কানটা ঝালাপালা করে দিল! - বেরিয়ে যা!
তোমাদের সবাইকে খানিকটা সঙ্গ দেবার চেষ্টা করছিলাম!
- চুপচাপ বসে যাও! - অবিশ্বাস্য!
কোণায় চুপচাপ বসে আছো দেখে চমৎকার লাগছে!
- এখানে আমি একাকী পান করতে এসেছি। - হ্যাঁ, ঠিক আছে!
আমার দেওয়া বিনোদনকে ঘিরে মন্তব্য করতে কেউই পিছপা হয়নি, ব্যতিক্রম...
শুধু তুমি! আচ্ছা, বলো তো!
তুমি পকেটে রুটি থাকা কাউকে অপেক্ষা করিয়ে রাখতে নিশ্চয়ই পছন্দ করবে না!
আমার ব্যাপারে মতামত দেওয়া উচিৎ তোমার। তিনটি শব্দে অথবা এরও কমে।
ওরা নেই।
কারা নেই?
তোমার গানে দানবগুলোর কথা নেই।
আর, তুমি সেটা কীভাবে জানলে?
ওহ, মজা করছিলাম! সাদা চুলো!
একলা বসে আছেন! দু'টো বড়...
বড় ভয়ানক দেখতে তরবারি সাথে নিয়ে!
আমি জানি, আপনি কে।
তুমি একজন উইচার, রিভিয়ার গেরাল্ট।
সত্যি বলেছি তো?
একটা কাজ আছে তোমার জন্য! মিনতি করছি!
একটা শয়তান, আমাদের সব ধান চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে!
অগ্রিম তোমার কাজের মূল্য দিয়ে দিব! একশত ডুকেট!
১৫০ নেব।
তোমার উপর আমার পুরো ভরসা আছে।
তুমি কোন বন্দীকে সাথে নিয়ে যাও না, শুনেছি।
সাহায্য লাগবে? আমার দু'টো হাত আছে!
শয়তানের দুটো শিং এই দুই হাত দিয়ে ধরতে পারবো!
চলে যাও।
যাবো না, পেছনে চুপচাপ তোমাকে অনুসরণ করব!
দেখো, তোমার কথা বুঝেছি। তুমি ঠিকই বলেছ।
হয়তো আসল অভিযান আরো ভাল কাহিনী তৈরীতে সাহায্য করবে।
আর, তোমার কাছে তো সেসব কাহিনীর ভান্ডার রয়েছে!
এছাড়াও আরো অনেক কিছু রয়েছে, মানে, কী আছে? পেঁয়াজ আছে?
যাই থাকুক, ব্যাপার না। তোমার কাছ থেকে মৃত্যু আর নিয়তির গন্ধ পাওয়া যায়।
বাহাদুরি আর ভেঙে যাওয়া হৃদয়!
এটা পেঁয়াজের গন্ধ।
হ্যাঁ, ঠিক বলেছ!
আমি তোমার মুখপাত্র হতে পারি।
সবাইকে রিভিয়ার গেরাল্টের গল্প বলব...
গল্পের নাম হবে, "ব্লাভিক্যানের কসাই!"
- কাছে আসো। - জি?
চলো, রোচ।
তোমার মৃত্যুতে কেউই মাতম করবে না, জানো?
তোমাকে বেঁচে থাকতে হবে।
কে আপনি?
টিসিয়া ডে ভ্রিস।
আর্তুজার শাসক।
আমাকে মরতে দিলেই ভালো হত! অন্তত, ওটার উপর আমার নিয়ন্ত্রন ছিল।
খুবই উন্নত চিন্তাভাবনা, শুয়োর কন্যা!
কোন কিছুর উপরেই তোমার নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং, নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছিলে।
গ্রিনহাউসে ২০ মিনিটের মধ্যে উপস্থিত থাকবে।
তুমি ভীত, বুঝতে পারছি।
ভয় পাওয়াটাই বরং স্বাভাবিক।
অরাজকতা এই দুনিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর জিনিস!
ওটা আমাদের চারপাশেই বিদ্যমান!
পরিবর্তনশীল এবং শক্তিশালী।
তবে, তোমরা প্রত্যেকে...
একে নিয়ন্ত্রণ করার যোগ্যতা দেখিয়েছ।
তোমাদের ওই শক্তি অরাজকতার ভুবনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
যেটা আর্তুজায়, আমার কাছে পৌঁছেছে।
অ্যানিকা, তুমি একটা ডুবন্ত ছেলেকে তোমার মনের শক্তি দিয়ে বাঁচিয়েছ।
ফ্রিঞ্জিলা একটা বিড়ালকে বরফে জমিয়ে দিয়েছ।
দুর্ঘটনাবশত!
সাবরিনা, তার মাকে মোটা বানিয়ে ফেলেছে।
কিন্তু, তোমরা সবাই অরাজকতার মাধ্যম বলে...
ভেবো না তোমরা জাদুবিদ্যায় সক্ষম।
আমি বাড়িতে ফিরে যেতে চাই।
এটাই তোমার বাড়ি।
ভালো করে শোনো, তোমাদের টিকে থাকা নির্ভর করছে এর উপরেই।
জাদু হচ্ছে অরাজকতার শৃঙ্খলিত রূপ।
যতক্ষণ সমুদ্রের রহস্য বলবত থাকবে...
আমাদের দুটো জিনিসের প্রয়োজন পড়বে।
ভারসাম্য এবং নিয়ন্ত্রণ।
এগুলো না থাকলে অরাজকতা তোমাদেরকে মেরে ফেলবে।
এটা সামান্য একটা পরীক্ষা যে...
তোমরা পুনর্জাগরনের জন্য উপযুক্ত কিনা।
তোমাদের সামনে যে ফুল এবং পাথর রয়েছে তারই মাঝে ভারসাম্য রয়েছে।
কোন রকম স্পর্শ না করে পাথরটা তুলো।
মন্ত্র উচ্চারণ করো।
- আমি পারছি এটা করতে! - তোমার হাত!
এটাই সেই ভারসাম্য।
খুবই উত্তম উদাহরণ। ধন্যবাদ তোমাকে, ফ্রিঞ্জিলা।
শূন্য থেকে কখনো জাদু হতে পারে না।
এখানে আদান এবং প্রদান রয়েছে।
তোমার অনেক রক্তপাত হয়েছে, শুয়োরমুখো।
কখনো কখনো ফুল শুধুমাত্র ফুলই হয়ে থাকে...
আর, দরকার পড়লে এটা আমাদের জন্য তার জীবনও দিতে পারে।
ইস্ট্রেড।
তুমিই ঠিক ছিলে। সে আমাকে খুঁজে বের করেছে।
আর, তুমি আমাকে।
আমার নাম...
ইয়েনেফার।
তোমার সাথে আবারও দেখা হয়ে ভালো লাগল।
ইয়েনেফার।
এই, মাঝে ঢুকবে না!
আমাকে স্পর্শ করবেন না! এই খাবার আপনাদেরকে রাণী সরবরাহ করেছে!
সে যেন নরকের আগুনে পুড়ে মরে!
তোমার আলখেল্লা...
আমার বাবা এটা বানিয়েছে।
No comments yet. Be the first to leave one.