De første 200 linjer.
এই বিশ্বে আক্রোশ জন্মায় উদারতা থেকে।
আর উদারতাও জন্মায় আক্রোশ থেকে।
দিনশেষে লুলুচের নেয়া পদক্ষেপকে মানুষ কিভাবে দেখবে?
এই বিশ্বে বিচার সাধন করা অনিবার্য?
গিয়াস।
যে ব্যক্তি এ অমানবিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ...
সে মনের গভীরে নিঃসঙ্গতা অনুভব করবে, ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত,
যেন সে উদারতা ও আক্রোশের মধ্যবর্তী অতল গহ্বরে হাবুডুবু খাচ্ছে।
তবে, যদি এমন কেউ থাকে যে সেখান থেকে উঠে আসতে পারে ...
হ্যাঁ, সেই ব্যক্তি অবশ্যই কিং হওয়ার বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
পরিবেশনায় ANIME FREAKS
অনুবাদক মো. ফরহাদ হোসাইন
হ্যাঁ, গুরেন এম কে টু এর উপর পুনর্বিন্যাস অনুসারে ট্রেনিং সেশন সিডিউল অনুযায়ী চলছে।
কিয়োতো ইন্ডিয়ান আর্মির সাথে যোগাযোগ করেছে।
কেবল ডেভলপমেন্ট টিম ও রাকশাতার এসে পৌঁছার অপেক্ষা করতে হবে।
ওই।
আমাদের অপাশেন সেল এর 92 পার্সেন্ট পুনর্গঠন সম্পন্ন হয়েছে।
সদস্যদেরকে 1-14টি স্তরে বিভক্ত করা হয়েছে।
জেরো, তোমার নির্দশনা অনুযায়ী ব্রিটানিয়ার মালিকানাধীন সকল গুদামে আমাদের সমর্থকদেরকে ঢুকিয়ে দিয়েছি।
কানতো ব্লক, আমাদের লোক ও সরঞ্জামকে 564টির অঞ্চলের সবকটিতেই বিভক্ত করে দিয়েছি।
আমাদের 32টি ঘাটি ফাঁস হয়ে গেছে।
তন্মধ্যে 11টি নকল ছিলো।
47 জন সদস্য গ্রেফতার হয়েছে।
তবে 8 থেকে উপরের স্তর সম্পর্কে তথ্য গোপন আছে।
তাই ব্রিটানিয়া সেটা খুঁজে বের করতে পারবে না।
কিয়োতোর সহায়তায়,
আর্মি অথবা পুলিশের কাছে জনগণের করা কেসের অধিকাংশকে এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
ব্রিটানিয়ার মধ্যকার সমর্থকদের নামের লিস্ট?
হ্যাঁ, এটা ... জেরো। এটা সেই গ্রুপ যেটা তুমি চেয়েছিলে।
আরেকটা কথা, আমরা এখনো তোদো এবং শিসিইকেন কে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছি।
ঠিক আছে।
কাজ চালিয়ে যাও।
আমি বার্তাবাহক হলে সমস্যা নেই তো?
তুমি বিনীত আচরণ করলে তারা তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তোমায় দেখবে।
চায়নিজ লোকেরা এমনই।
আমি আস্থা পাচ্ছি না।
আমি বিনয়ী, ঠিক তোমার উল্টো।
ওভাবেই থাকো।
তোমার পাসপোর্টের কী খবর?
ভালোভাবেই বানানো হয়েছে।
সমস্যা হওয়ার কথা না।
আমাদের কে অন্য কারো ঘরে হস্তান্তর করা হবে?
এটা কুরুরুগীর আরেকটা বাসস্থান।
এবার আসলটায় যাবো।
সুজাকু, হাটতে থাকো।
কিন্তু ...
হাঁটতে থাকো।
কী হচ্ছে? অদ্ভুত গন্ধ নাকে আসছে।
কারণ কাছেই একটা ময়লার ডাস্টবিন আছে।
সুজাকু, তাই না?
সুজাকু সান, কী হয়েছে?
আমি ... আমি ...
নানালি ...
কান্নার সময় কারো উষ্ণতা পেলে অশ্রু চলে যায়। এটা মা আমায় শিখিয়েছিলো।
আমি ... আমি এটা কাটিয়ে উঠবো।
হেই, লুলুচ!
উম্ম?
শুভ সকাল।
অনেকদিন পর দেখা।
তুমি মাঝেমধ্যে না এলে ফেল করবে।
সেটা তোমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না?
আমারটা আমার কাজের কারণে।
ব্লাক নাইট আকাম কুকাম শুরু করেছে বিধায়।
তুমি না টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টে ছিলে?
হাঁ ... আমাদের লোক সংকট রয়েছে সব ডিপার্টেমেন্টে।
ওহ?
যাই হোক, মাঝে মধ্যে আমার মেহমান হতে আপত্তি আছে?
নানালি খুব নিঃসঙ্গ।
আজ কোনো কাজ আছে?
না, আজ সমস্যা নেই।
আমি আসলে সমস্যা হবে না তো? আমার কারণে কোনো সমস্যা ...
ওই, লুলুচ!!!
কী হয়েছে?
তুই কি প্রেসিডেন্টের বিবাহের ইন্টারভিউ এর কথা জানতিস?
হ্যাঁ, সেটা আজ হওয়ার কথা।
আজ?
তুই সেটা জেনেও আমাকে বলিসনি কেন?
কারণ তোকে বললে তুই কেঁদে বুক ভাসাতি?
আমি তোকে হেসে দেখাবো।
ঠিক আছে। আমিও সেটা জানতাম না।
এমন একটা সময়ে ইয়ারহেড এর মতো উত্তর দিয়ো না!
ইয়ারহেড?
তুমি যেভাবে উত্তর দিলে আমরা সেটাকে বলি “ইয়ারহেড (আবাল) হওয়া”
রাতের দাওয়াতের ব্যাপারে নানালিকে বলে দেবো।
ঠিক আছে।
আর, ক্লাস?
জানি, আমি কেবল তাকে বলতে যাচ্ছি।
তুমি আমার সমস্যা অগ্রাহ্য করছো?
সায়োকো সান, আজ দ্বিতীয় পিরিয়ডের ক্লাস হয়নি?
কী চমকে গেলে?
পাত্র/পাত্রী দেখার পর্বটা সাধারণত হোটেলে বা রেস্টুরেন্টে হয়ে থাকে, তাই না?
না সমস্যা নেই, আর্ল লয়েড, শুনেছি আপনি খুবই ইউনিক (অনুপম) ব্যক্তিত্ব।
ইউনিক! কী সুন্দর বর্ণনা!
ঠিক তাই, আপনি অ্যাশফোর্ড পরিবারের একটি মেয়ে কে গ্রহণ করতে রাজি আছেন, যে পরিবার নিজেদের অবস্থান হারিয়েছে।
আহ, পদমর্যাদা, সামাজিক অবস্থান এসব ঠুনকো জিনিস, তাই না?
দুঃখিত।
আপনাকে সমস্যায় ফেলায় দুঃখিত।
চালিয়ে যাও, সময় নাও ...
সেটার দরকার নেই।
কেবল সময় নষ্ট।
চলো বিয়ে করি।
এ্যা?
এত তাড়াতাড়ি!
তাইলে অপেক্ষা করি?
নানালি, সুজাকু ...
জি?
ভাইয়া!
নানালি! তুমি এখন কোথায়?
জানি না।
আমাকে শুধু নড়াচড়া করতে নিষেধ করেছে ...
নানালি!
লুলু, আমি বলছি।
এ হতে পারে না ...
লুলুচ, তুমি অসতর্ক ছিলে।
তুমি ভেবেছিলে, আমি মরে গেছি?
দাঁড়া, মাও।
সি. সি. এ মুহূর্তে এখানে নেই।
সেকারণেই তো আমি এসেছি।
যে আমার গিয়াস দ্বারা প্রভাবিত হয় না, সে সত্যিই একটা উপদ্রব।
আমি তাকে পরে দেখে নিবো।
তুমি সেদিন যে উপহার আমায় দিলে, সত্যিই সেটা গ্রহণ করতে পারিনি।
তুমি নিশ্চয় আমার থেকে 500 মিটারের দূরত্বের ভেতরে আছো, তাই না?
ঠিক বলেছো।
আমাকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা করবে?
সময় 5 ঘণ্টা।
তাছাড়া, যেহেতু এটা তোমার ও আমার মধ্যকার একটা খেলা,
তাই পুলিশকে দাবারগুটি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না।
আমি সেসময়ের মতো গুলি খেতে চাই না।
তবে, ব্রিটানিয়ার চিকিৎসা বিদ্যা সত্যিই অসাধারণ।
এসব তার কল্যাণে।
ওই লুলু।
‘গুলি করো’আদেশ দেয়াটা ঠিক হয়নি তোমার। তোমার উচিত ছিলো ‘মেরে ফেলো’বলা।
তুমি খুবই সরল, ঠিক সেকারণে তোমার বোন ... এমন একটা পরিস্থিতিতে পড়লো।
সে এখন বিপদে আছে।
সে এ মুহূর্তে মাইনকা চিপায়।
দাঁড়াও!
নানালির এর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই!
খেলাটা একটু বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ না?
হুম্ম?
তোমাকে ক্ষমা করবো না ... যদি তুমি ভাইয়া কে কষ্ট দিতে চাও!
তোমরা উভয়েই অসাধারণ।
সকলে, এখন দুপুর!
তোমরা খাবার খেয়েছো?
মন কষাকষি?
শার্লি আর লুলুচ?
ঠিক তাই। আমাদেরকে তাদের ‘অপরিচিত’থাকার খেলায় সঙ্গ দিতে হবে। এটাই প্রেসিডেন্টের আদেশ ...
ভাবছি, বিবাহের ইন্টারভিউটা পর্ব কেমন চলছে ...
এরচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, শার্লি ও লুলুচের বিষয়টা ...
তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দাও।
তারা সবসময় প্রেমিক যুগলের মতো ঝগড়া করে।
ওহ? আর তুমি ...
খোদা, তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।
সে এখনো সেই লাইনটা পাড়ি দেয়নি, তাই না?
লাইন?
যেমন ধরো, লুলুচ ভালো মানের তাত্ত্বিক, কিন্তু সেটা প্রয়োগে দুর্বল।
প্রয়োগ ...?
তার বেশি অভিজ্ঞতাও নেই অবশ্য।
অভিজ্ঞতা ...?
খাবার যথেষ্ট নয়?
আর্থার, তুমি কেন সবসময় ...?
ওই, লুলুচ।
শার্লির সাথে কেমন চলছে?
এহ? উম্ম ...
তাকে গিফট দিচ্ছিস না কেন?
আরও বড় কথা, ক্লাস করছিস না কেন?
বিকালের ক্লাসে না এলে ...
দুঃখিত।
আহ, আমি তোর সাথে রাতে কথা বলবো নে।
ভাবছি, সে আবারো জুয়া খেলতে চলেছে নাকি।
লুলু, তুমি যেখানেই তালাশ করো, আমায় খুঁজে বের করতে পারবে না বিধায়,
আমি আরও এক ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে দিলাম।
শালার, সে কি টের পেয়েছে যে, আমি উদ্বিগ্ন?
কিন্তু আমার কী করা উচিত ...?
আমার চিন্তা ভাবনা পড়তে হলে তাকে আমার 500 মিটারের ভেতরে থাকতে হবে ...
লুলুচ।
এটা ...?
নানালির সত্যিই কিছু একটা হয়েছে।
স্বাগতম।
আমি বাড়ি চলে এসেছি।
খাবার শীঘ্রই প্রস্তুত হয়ে যাবে।
খাবার? তুমি বাইরে গিয়েছিলে?
না, যা খুঁজে পেয়েছি তা দিয়ে কাজ চালাচ্ছি।
বাইরো মানুষ এখনো ব্রিটানিয়ানদের ভয় পায়।
তোমার কিছু মনে পড়েছে?
দুঃখিত, কিছু মনে পড়ছে না।
ঠিক আছে, তাড়াহুড়ার কিছু নেই।
তুমি আহতও।
স্মরণ করতে সময় লাগলে সমস্যার কিছু নেই।
এই যে হয়ে গেছে।
জানি না, তোমার পছন্দ হবে কি না।
কে নানালি কে কিডন্যাপ করেছে?
ব্রিটানিয়ার রাজ পরিবারের কেউ?
না, আমাদের পরিচয়ের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
এটা এক কাপুরুষের কাজ যে মেয়েদেরকে উৎপীড়ন করতে পছন্দ করে।
তোকে হুমকি দেয়া হয়েছে?
হা।
এটা তদন্ত হলে আমাদের পরিচয় ফাঁস হয়ে যেতে পারে।
সে কারণে আমি পুলিশ বা আর্মির দ্বারস্থ হতে পারছি না ...
এতে কাজের কাজ কিছুই হবে না।
আমাদের নিজেদেরই একটা উপায় বের করতে হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.