De første 200 linjer.
Arus Ariyan Presents.
মালায়ালাম ফিল্ম ইণ্ডাষ্ট্রি সম্পর্কিত যেকোন তথ্য এবং সিনেমার আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে: মালায়ালাম সিনেখোর
হ্যালো... হ্যালো, ডাক্তার...
প্লিজ স্পেশাল ICU-তে জলদি আসুন।
একজন রোগীর জ্ঞান ফিরেছে।
একদম চিন্তা করবেন না।
চিন্তার কিছু নেই?
- আপনার নাম কী? - জীবন মাধব।
- বাড়ি কোথায়? - এনার্কুলাম।
এখন কোথায় আছেন জানেন?
ব্যাঙ্গালোর না?
কত সাল?
২০০৭।
২০০৭!
মেনিনজাইটিসের কারণে আপনি এক সপ্তাহ কোমায় ছিলেন।
আজ জ্ঞান ফিরেছে।
আপনার দৃষ্টি শক্তি আপাতত খুবই সীমিত।
কিছুটা ঝাপসা দেখবেন।
শীঘ্রই ঠিক হয়ে যাবে।
- আপনার নাম? - নয়না।
আমার ডিউটি শেষ।
আগামীকাল দেখা হবে।
ওই মেয়েটা কোথায়, সিস্টার?
- আপনার আগে যে ছিল। - ইংরেজি বা কন্নড়?
নাম?
কীর্তি।
ডাক্তার...
এই! বলুন?
আমার বন্ধুদের সাথে দেখা করতে চাই।
দুঃখিত, এটা স্পেশাল ICU। এখানে ভিজিটর অ্যালাউ না।
জেনারেলে শিফট করার পর সবার সাথে দেখা করতে পারবেন।
প্লিজ, ডাক্তার। কখন শিফট করবেন?
ঐ ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন?
স্পষ্ট নয়, ডাক্তার।
ঐ ছবিটা যখন স্পষ্ট দেখতে পাবেন তখন জেনারেলে শিফট করা হবে।
আপাতত এখানে বিশ্রাম করুন।
ঠিক আছে? আরাম করুন।
রিডিং কম-বেশি হলে জানাবে।
ঠিক আছে, ডাক্তার।
রিডিং চেক করে ডাক্তারকে জানাবে।
ঠিক আছে, বাই।
বাই।
নয়না...
আহ!
এখন কেমন লাগছে?
বাইরে আপনার মা আর বন্ধুদের সাথে দেখা হলো।
ডাক্তার কী বললেন?
ঐ ছবিতে কী আছে?
ওহ, এখনো স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন না, তাই না?
জাকির হোসেন তবলা বাজাচ্ছেন। কেন, কী হয়েছে?
কিছু না।
বিশ্রাম নিন।
ডাক্তার...
হ্যাঁ বলুন?
এখন ছবিটা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি।
ছবিতে কী আছে?
জাকির হোসেন তবলা বাজাচ্ছে না?
এখন জেনারেলে শিফট করবেন?
কিভাবে সম্ভব?
ডাক্তার, আমি বলেছি।
আমি তো এটা জানতাম না।
বাটপার!
আচ্ছা, ঐ ছবিটা স্পষ্ট দেখতে পেলে তারপর জেনারেলে শিফট করা হবে।
ঐ ছবিতে কী আছে জিজ্ঞেস করলে বোলো না, অন্যদেরও মানা করে দিও।
বুঝেছ?
বাটপার!
দুঃখিত...
নয়না...
হ্যালো!
মাইকেল জ্যাকসন?
মাইকেল জ্যাকসন!
নয়না...
- হ্যাঁ... বলুন? - কিছু না।
টার্মিনেটরে আর্নল্ড?
নয়না...
হ্যাঁ?
নয়না...
হ্যাঁ বলুন?
আপনি ছাড়া কার সাথে কথা বলব?
আমার কথা বলার ইচ্ছে নেই।
এই যে...
হ্যালো...
বন্ধুদের সম্পর্কে কিছু বলবেন?
ওসব বুঝবেন না।
আপনারা একসাথে থাকতেন?
হ্যাঁ।
ব্যাঙ্গালোরে কোথায়?
- ব্যাঙ্গালোর শহরে! আর কোথায়? - ওহ!
আমাকে বলবেন না?
বলবেন না?
ব্যাঙ্গালোর...
ব্যাঙ্গালোরের একপাশে...
আমরা সাতজন...
মুকেশ আর নিরুপ চাকরির ইন্টারভিউয়ে টিকে এখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের অপেক্ষায় আছে।
সোমন...
আমাদের মধ্যে বিজনেস মেগনেট।
কারিকুত্তান...
পেট্রোল পাম্পে পার-টাইম কাজ করে।
রিভিন...
আমাদের একমাত্র বন্ধু যার চাকরি আর প্রেমিকা দুটোই আছে...
...সহজ সরল, সৎ এবং ধার্মিক।
শিজাপ্পান...
ওর স্বপ্ন ড্যান্সার হওয়ার।
বেচারা!
বঙ্গানুবাদ : •আরুশ আরিয়ান •সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক
R O M A N C H A M :::রোমাঞ্চাম (গোসবাম্পস):::
এই!
রুমে গিয়া ঘুমা যা!
সকালে বেলা শান্তিতে হাগু করতেও দিবে না।
সব শালা শূকর?
আমার খুব মন খারাপ হয়েছিল জানো তুমি কেন গতকাল চুমু না দিয়েই ফোনটা রেখে দিলে?
- এই, নিরুপ ডাকছে। - ঠিক আছে।
তারাতাড়ি আয় জরুরি কথা আছে।
সোনা, কিছুক্ষণ পর ফোন করছি।
কী হয়েছে?
শোন...
এভাবে সম্ভব না।
প্রতিদিন একজনই কাজ করবে নাকি?
বাড়ির সব কাজ ভাগাভাগি করে করতে হবে।
কেন? এখানে কী এমন কাজ আছে?
কাজ না করলে বুঝবি কিকরে!
তাই ভাগ করে দিচ্ছি।
রান্নাবান্নার দায়িত্ব আমার, আমি রান্না করে খাওয়াবো।
হরিকুত্তান আমাকে সাহায্য করবে।
ঠিক আছে।
তুই ময়লা পরিষ্কার করবি।
তোরা দুজন।
বিড়িটা ধর।
আমাদের অন্য কাজ দে।
রিভিন বাজার করবি।
আর কারোর অনুপস্থিতে তোকে কাজ করতে হবে।
ঠিক আছে, আমি তাহলে যাই? চার্চে যেতে হবে।
দাড়া।
তুই, সোমান বাথরুম পরিস্কার করবি।
বাথরুম? আমি?
- হ্যাঁ। - ঠিক আছে।
কী ঠিক আছে?
- আমি বাজারের দায়িত্ব চাই। - কেন প্রতিদিন তামাক কিনতে?
- এই, আমি তামাক খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। - আরেকটা কথা।
আগামী এক মাস মদ-গাঁজা সব বন্ধ।
এই নিরুপ! 'বাপের মতো কথা বলবি না।
মুকেশ মাল খেতে পারবি না... মুকেশ এটা করতে পারবি না...
অন্ততপক্ষে জাঙ্গিয়াটা কি পরতে পারবো? নাকি তাও নিষিদ্ধ?
বেশি বকছিস কিন্তু।
একবার সতর্ক করেছি।
- যদি এসব উপেক্ষা করিস... - করলে?
এমন জায়গায় মারবো জীবনে কখনো বাবা হতে পারবি না।
আর হ্যাঁ, মুদি অনুপ বিয়ে করছে।
উপহার কিনতে হবে সবাই কিছু টাকা দিস।
আগে ওকে বল আমাদের থেকে মেরে খাওয়া টাকাগুলো ফেরত দিতে।
আমার কাছে টাকা নেই। আমি টাকা দিতে পারব না।
উপহার কিনতে হচ্ছে কেন?
- এখানেই অনেক আইটেম আছে না? - কিসের আইটেম?
ঐটা।
কমোদ!
এখানে থুতু ফেলছিস কেন?
বল, বাথরুমে আকাম করে আসবো?
ভাই মাল আছে।
কি!
বিড়িটা দে।
মুড নষ্ট করিস না, চালিয়ে যা।
দরজা লক করে হাগু করতে পারিস না?
পরিস্কার করতে ভুলিস না।
- পাঠায়নি? - না।
তাহলে তারা বললো কেন আমরা সিলেক্ট হয়েছি।
আমাদের পারফর্মেন্সও ভালো ছিল।
দেখ লজ্জাবতী লজ্জা পাচ্ছে।
"মাথা উচু করে চল এগিয়ে"
"টাইম-পাসের নয় অভ্যাস আমাদের"
"সময় চলে আমাদের ইশারায়"
"মাতাল অবস্থায় দৌড়ে বেরাই সংঘর্ষ এড়াতে"
অন্য কিছু খেলা যায় না?
আয় ক্যারাম খেলি। প্লিজ কেউ আয় ভাই।
পা ভাঙবে।
এটা কিভাবে খেলা লাগে তাও জানিস না।
মাঠে আয় খেলি।
ওহো।
ওই, হ্যালো...
হ্যালো... তোর ফোন।
রিভিন!
এই রিভিন...
জিবি, সে না আসা পর্যন্ত তুই খেল।
- আমার কাজ আছে। - আয়, ভাই!
আমার ক্ষুধা লেগেছে তোরা খেল, জমিয়ে খেল।
শালা নিশ্চয় মাথির কাছে যাবে।
হ্যাঁ।
হ্যালো...
- লাইট বন্ধ কেন? - চুপ কর।
- এখানে কী হচ্ছে? - উইজা বোর্ডের নাম শুনিস নি...
- স্পিরিট বোর্ড? - আরে না!
প্রেতাত্মা আসুন।
ডিজে সব ব্যাবস্থা করেছে।
আগে নাকি খেলত।
ঐ গ্লাসটা দেখছিস না?
ওটা নড়লে বুঝবি প্রেতাত্মা এসে গেছে।
সত্যিই?
এসেছে?
এখনও আসেনি।
কিন্তু সুযোগ আছে।
হে প্রেতাত্মা... উফ!
No comments yet. Be the first to leave one.