De første 200 linjer.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদে - Flamy Tuhin
- সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
"Dairy Of June"
এই সপ্তাহে, সমুদ্রতীরে অবস্থিত মৌসুমী বায়ু
স্থলাভিমুখী হবে,
আর শুরু হবে বর্ষাকাল।
আজ আমাদের ছুটির দিন, একটু বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে না?
মনে করো এটা কোনো গোপন মিশন।
হতে পারে একটা কুখ্যাত অপরাধীকে ধরে ফেললে আর তোমার প্রমোশন হয়ে গেল।
বলেছিলাম তো, আমি ছুটির দিনে অপরাধীদের পিছনে ধাওয়া করি না।
তুমি তাহলে বসে বসে মাছি তাড়াও আর আমি অপরাধী ধরি।
ভুল জায়গা বেছেছ।
এখানে চুনোপুঁটি ছাড়া কিচ্ছু পাবে না।
মাছের পোনারা প্রথমে চুনোপুঁটিই হয়। পরে হাঙরে রূপ নেয়।
বোধহয় আজকেই সেই বিশেষ দিন...
তোমার চোঁচটা একটুও বন্ধ রাখতে পারো না, তাই না?
একজন জুনিয়র হিসেবে, আমার সিনিয়র অফিসারের প্রেমিকাকে বাসা বদলাতে সাহায্য করছি।
ব্যাপারটা সহজভাবে নাও।
এর চেয়ে বরং আমি অন্য কারো সাহায্য করব। ব্যাপারটা খুব বিব্রতকর।
আর মিথ্যে বলেছ কেন?
বলেছ আমি নাকি মেয়েদের সাথে প্রেমের জোয়ারে ভেসে যাই!
চারপাশে তাকিয়ে দেখো। সব মহিলা।
হ্যালো, আপুরা!
আমার কাছে আপনাদের সবার জন্য একটা দারুণ খবর আছে।
আশা করি এই লাইনটা আপনারা আগেও শুনেছেন?
প্রত্যেক মেয়েই নিজের ত্বককে সুন্দর ও মসৃণ রাখতে চায়...
চোর! দাঁড়া, চোর!
প্লিজ সাহায্য করুন, চোর!
কী করছ?
আমার অফ ডিউটি।
গিয়ে জলদি ধরো!
কাছে আসবি না!
একমিনিট আগে, তুই চোর ছিলি।
আর এখন অপহরণকারী।
এতে দ্বিগুণ শাস্তি, তোকে আরো পাঁচ বছর বেশি শাস্তি ভোগ করতে হবে।
মেয়েটার গলা চিড়ে দেবো!
আমার পথ থেকে সরে যা!
ছুরিটা ফেলে দে, ব্রো।
মেরে ফেলব!
কাছে আসবি না!
মাদার*দ, ছুটির দিনেও কি একটু শান্তিতে থাকতে পারব না?
চু জা-ইয়ং বলছি।
হাতকড়াটা... ব্যথা করছে।
চুপ কর, মাদার*দ!
আপু, এরিয়াটা সংরক্ষিত।
আপু?
এখানে নতুন? দেখতে তো ভারি মিষ্টি। - কি?
এই, ডং-উক।
আপু, আপনি কি আমাকে চেনেন?
ওকে গ্রেফতার করো।
এই, ব্যাটা!
বললাম তো, এরিয়াটা সংরক্ষিত।
তোকে জানে মেরে ফেলব! আর তোকেও দেখে নিব।
আপু ভেতরে যাবেন না, দাঁড়ান।
কিছু খুঁজে পেলে?
তেমন কিছু না।
বাকিরা ছাদে পায়ের ছাপ চেক করতে গেছে। হয়ত ওখান থেকে কিছু পাওয়া যাবে।
মনে হয় এটা ওর ব্যাগ।
তাই নাকি?
তো সে এটা নিয়েই লাফ দিয়েছে।
না।
হতচ্ছাড়া ব্যাগ! তোকে উপরে ছুঁড়লাম!
ব্যাটায় তারপর লাফ দেয়।
কোনো সুইসাইড নোট পেয়েছ?
না।
আমি বলেছিলাম, রেজাল্টের কারণে আত্মহত্যা করেছে।
এই অভিভাবকগুলোই হলো গিয়ে আসল সমস্যা।
রাত, দিন খালি পড়া, পড়া পড়া...
বাচ্চারা কীভাবে এত চাপ নিবে?
কিন্তু তার ইউনিফর্মের এখানে...
এই, সং ইন-য়ুর ফাইলটা নিয়ে আয়।
- সং ইন-য়ুর ফাইল! - জ্বি।
একই শ্রেণী, একই স্কুল....
একটা খুন, একটা আত্মহত্যা।
হতে পারে দুজনেই খুন হয়েছে।
ওরা বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল।
ওরা দুজন ক্লাসের ফাস্ট আর সেকেন্ড বয় ছিল, কিন্তু দুজনে একসাথে ঘোরাফেরা করত।
তো রেজাল্ট খারাপ হওয়াটা কাং-ট্যা'র আত্মহত্যার কারণ ছিল না।
জ্বি, না।
অন্য কোনো ছাত্র ইন-য়ু আর কাং-ট্যা'কে জ্বালাতন করত?
না।
তাহলে কি ওরা কাউকে জ্বালাতন করত? - কি?
ওরা কি অন্যদের সাথে মারামারি করেছিল?
আপনাদের থেকে এমন প্রশ্ন আশা করিনি।
স্কুলে ওরা দুজনেই সবার আদর্শ ও বেশ জনপ্রিয় ছাত্র ছিল।
তেমন কিছুই হয়নি।
ওদের নিজেদের মধ্যে কখনো ঝগড়া বাধেনি?
মাসখানেক আগে... ওদের মধ্যে একটা ঝগড়া হয়েছিল।
ওরা একে অন্যকে ঘুষি মারতে লাগল। ব্যাপারটা একদম অদ্ভুত।
সেজন্যই ঘটনাটা আমার মনে আছে।
এটা কী?
ওর পাকস্থলী থেকে বের করেছেন?
প্রথমে আমি এটাকে সাধারণ আত্মহত্যা মনে করেছিলাম।
যাইহোক, এটা খুলে দেখুন।
১৩ই জুন, সোমবার।
কী হলো? আর কী লেখা আছে?
আমি ইন-য়ুকে ফুটপাতে খুন করেছি।
এই ছেলেটা আসলেই পাগল, তাই না?
দেখেছ, তোমাকে বলেছিলাম।
এই ছেলে কোনো সাধারণ সাইকো না।
সে সবকিছু পরিকল্পনা করে রেখেছিল।
অপহরণ করা, ভিক্টিমকে ছেড়ে দেওয়া, ওকে খুন করা...
আর শেষে নিজেকে শেষ করে দেওয়া।
ছেলেটার মধ্যে জনসাধারণের সম্মুখে খুন করার মতো যথেষ্ট সাহস ছিল।
তাহলে কেন আত্মহত্যা করল? আমার মাথায় ঢুকছে না।
মাথায় ঢুকছে না? আমার তো মনে হয়, তোমার মাথাতেই সমস্যা।
জা-ইয়ং! ফোর্সে কত দিন ধরে আছ?
এখনো বুঝতে পারো না কোনটা সুস্পষ্ট কেস?
ছাদে প্রতিরোধের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি,
আর সে উপর থেকে পড়ে মারা গেছে।
তার উপর, সে ডায়েরিতে খুনের কথা স্বীকার করেছে।
এটুকুতেই কি কেসটা ক্লোজ হয়ে যায় না?
যদি আত্মহত্যা হয়, তাহলে কেন সে
মরার আগে একটা চিরকুট লিখে সেটা গিলে ফেললো?
সবার নজরে আসতে চেয়েছিল ব্যস।
সে সবসময় ক্লাসের সেরা ছাত্রের ঔজ্জ্বল্যের সামনে ঢাকা পড়ত।
এই দেশে, দ্বিতীয় ব্যক্তিকে কে মনে রাখে?
দৃষ্টি আকর্ষণের খিদে ছাড়া
খুনের আর কী কারণ হতে পারে?
তো সে ছেলেটার গলায় ও
ধড়ের ডানপাশে তিনবার ছুরি মেরেছে?
আর যদি আত্মহত্যাই করে, তাহলে কেন চিরকুটটা গিলে ফেললো?
সুইসাইড নোট কি সবার পড়া উচিত না?
চুপ করো! তোমার সমস্যা কী? আজই কি সেই দিন...
কি?
তুমিই সব ঝামেলা লাগাচ্ছ।
চিফ ইয়াং! এটা গুটাও,
আর চুরি হওয়া দামী গাড়ির কেসটার প্রতি নজর দাও।
আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সব ক্ষেপে আছে!
স্যার, আমরা কখন এমন কেস
হাতে নিব?
গাধার দল, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় তোদের ঘর চলে।
তাহলে ওদের কাজ করার বদলে অন্যের পা চাটিস কেন? বাই**দ।
কী বললে? বাই**দ? তোকে তো...
প্লিজ শান্ত হোন, স্যার। এই জা-ইয়ং!
তিন দিনের মধ্যে কেসটা শেষ করো, আর ইউনিটে যোগ দাও।
ওদের আরো গুটিকয়েক কেস দিয়ে দাও!
যদি এই কেস শেষ না করো তবে তোমাকে ট্রাফিক পুলিশে কাজ করতে হবে।
অকর্মাটা প্রায়ই এখানে চলে আসে কেন?
এই জা-ইয়ং, মুখটা একটু বন্ধ রাখতে পারো না?
তোমার জন্য আমিও বিপদে পড়ব।
আমরা সবসময় ঘড়িধরা কাজ করতে পারব না।
ব্যাপারটা কি একটু সহজভাবে নিতে পারি না?
আবার শুরু করলে?
একজন ছেলে কীভাবে এত সংবেদনশীল হতে পারে?
শুধু তুমিই সংবেদনশীল না।
ডিটেকটিভ হলে কেন?
এমন বস্তাপচা প্রশ্ন কি চাকরির ইন্টার্ভিউতে বেশি মানায় না?
তোমাকে প্রথম দেখাতে,
আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে, তুমি একজন ডিটেকটিভ।
এটা বেসামরিক চাকরি।
একটা স্থায়ী পেশা।
অপরাধ দমনে নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা?
আমি সবসময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করা পছন্দ করতাম।
নিরাপদ, কিন্তু একই সঙ্গে বিপদও ওৎ পেতে থাকে...
পাশাপাশি, কাজটা অনেক জোশ। পুলিশের দায়রায় থেকে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া।
বা পুলিশের সাইরেন বাজিয়ে গাড়ি চালানো, নিজেকে যেন ফর্মুলা ওয়ানের রেসার মনে হয়।
তোমার কারণটা কী?
জানি না। এতদিন হয়েছে যে ভুলেই গেছি।
এটা কিন্তু ঠিক না। আমি আমারটা বলেছি।
এই, এক মিনিট গাড়িটা থামাও।
এই, যা ভাগ।
ইস্, ছেড়ে দাও!
কোথায় যাচ্ছিস?
মাগো, ছেড়ে দাও!
চল!
ছাড়ো, ব্যথা পাচ্ছি!
আরেকবার যদি স্কুল ফাঁকি দিতে দেখি, মেরে পিঠের ছাল তুলে নিব!
আমার ব্যাগটা দাও!
ব্যাগটা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তুমি এমন করতে পারো না!
শোকর কর আমার কাছে ওয়ারেন্ট নেই।
ভেতরে যা। জানিস তোর দুজন সহপাঠী মারা গেছে?
স্কুল শেষ হবার পর সোজা বাসায় চলে আসবি।
পরে দেখা হবে, জুন-হা।
এই নিন কাং-ট্যা'র ডায়েরি, যেমনটা আপনারা চেয়েছিলেন।
ধন্যবাদ।
যদি এটা ওর হাতের লেখা না হয়,
তাহলে কার হাতের লেখাটা গিলেছিল?
তো, সন্ধ্যে ৭ টায় বাড়ি যাওয়াটা কি তোমার কাছে অযাচিত প্রশ্ন?
তুমি কি পার্ট টাইম চাকরি করো? সময়মতো যাবে?
সময়মতো? এখন রাত ১টা বাজে।
ডেটিংয়ের ব্যাপারে আমার ভুলে যাওয়াটাই ভালো।
তুমি আমাকে ডেটিংয়ে নিয়ে যেতে পারো।
তারচেয়ে বরং আমার সিঙ্গেল থাকাই উত্তম।
তুমিও আমার টাইপের না, জানো কি?
কতবার বলেছি, আমার মাথায় মারবে না।
ঠিক আছে, মাথায় মারব না।
থামো! বেহায়া মেয়ে কোথাকার!
এর মানে কেউ ইন-য়ু আর কাং-ট্যা দুজনকেই খুন করেছে।
সিরিয়াল কিলারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
বিকৃতি!
দেখতে সাধারণ মানুষের মতো।
ওটা না।
নৃশংসতা... অশ্চর্যজনকভাবে, ওরা সবার চেয়ে সেরা হয়।
আমি কীভাবে জানবো?
ওদের নিজস্ব একটা প্যাটার্ন থাকে?
কাং-ট্যা'র জীবনের সত্যিটা অবশ্যই ইন-য়ুর জীবনেরও সত্যি।
তোমাদের জন্য আমার চাকরি বাজি রাখছি।
No comments yet. Be the first to leave one.