De første 200 linjer.
স্কাইলার, আমি খুবই...
মারি। ওহ, খোদা, মারি। কেমন...?
ওহ, গড। ওহ, থ্যাঙ্ক গড।
সুন্দর হয়েছে?
হ্যাঁ, আমি... আমি ৪০ নম্বরে লালবাতির দিকে তাকিয়ে আছি।
সামনে কোন অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে।
খোদা! এতোদিন থাকতে আজকেই, হাহ?
না, না, না। ওকে বিশ্রাম নিতে দাও। আমি যত দ্রুত পারি ওখানে চলে আসবো। মারি...
ধন্যবাদ।
এক্সকিউজ মি। স্কাইলার হোয়াইট?
- ৩০৭ । - ধন্যবাদ।
স্কাইলার, আমি খুবই দুঃখিত। আমি শুধু...
তুমি ঠিক আছো?
মেয়ের সাথে পরিচিত হও।
হাই, মামুনি। হাই, হলি।
অভিনন্দন, ওয়াল্ট।
ওহ, টেড, দু:খিত। তো.. তোমাকে দেখতে পাইনি।
ওহ, টেড.. টেডই আমাকে নিয়ে এসেছে। থ্যাঙ্ক গড।
মানে, আমাদের ছোট্ট সোনামণি তো রীতিমতো খাদের কিনারায় এসে পড়েছিলো।
মানে, অর্ধেক রাস্তায় এসে তো ভাবছিলাম হয়তো গাড়ি থামিয়ে...
ওকেই ডেলেভারি করাতে হবে।
ওয়েল, এটা... খুশি হলাম যে তেমন কিছু হয়নি।
হ্যাঁ। ধন্যবাদ, টেড।
কোন ব্যাপার না।
ওউ, আমি বরং ভাগি যাতে তোমরা দু'জন...
তোমরা তিনজন একা থাকতে পারো, ওকে?
শোনো, বিশ্রাম নাও, স্কাই।
- তোমাকে সত্যিই ধন্যবাদ দেয়ার ভাষা নেই। - ওসব একদমই ভেবো না।
সাহায্যে এসে খুশি হয়েছি। আবারো অভিনন্দন।
- ধন্যবাদ। - ও সুন্দর হয়েছে।
আচ্ছা। শীঘ্রই কথা হবে।
আচ্ছা। যত্ন নিও।
বাই।
তুমি ঠিক আছো?
- সবকিছু ঠিক আছে? - সব ঠিক আছে।
শুধু... শুধু চাইছিলাম যদি তুমি পাশে থাকতে।
- আর সবাই কোথায়? - নীচতলায়।
হ্যাংক আর মারি জুনিয়রকে ডিনারে নিয়ে গেছে।
বেচারা প্রচুর খেটেছে। এমনকি ওর প্রথম ডায়পারও পরিবর্তন করে দিয়েছে।
- না। - হ্যাঁ।
তাই?
ডার্লিং, তোমার জন্য কি কিছু করতে পারি?
- যেকোন কিছু? - আসলে, হ্যাঁ।
আমি সকালে রাত কাটানোর ব্যাগটা বাসায় ফেলে এসেছি।
মনে হয় মাথায় সিজারের ভুতটা চেপে বসেছিলো, বুঝেছো?
তবে আমি খুব খুশি, যেভাবে সবকিছু সম্পন্ন হলো।
স্বাভাবিক প্রসব করতে পেরে।
এরচেয়ে ভালো কিছু আর হতে পারতো না।
ভালো।
তোমার জিনিসগুলো নিয়ে আসতে দাও।
সাথে আমার জিনিসগুলোও, ওকে?
- রাতে এখানেই থাকবো। - আচ্ছা।
অনুবাদে: メ AsadujJaman メ
বাবা?
আমি গোসলে ছিলাম, হেই।
বেশি ঘুমিয়েছি।
দেরি হয়ে গেছে, কিন্তু চলে আসবো।
হ্যাঁ।
বেবি, আমাকে যেতে হবে।
আচ্ছা।
ঘরে কেউ ঢুকেছিলো।
আচ্ছা।
ওহ, না। না, না, না!
কাম অন।
ধ্যাত।
ওহ, গড!
ওহ, খোদা।
এই সপ্তাহটা কঠিন ছিলো।
সবচেয়ে কঠিন।
কেন জানো? আমি জানতাম এই দিনটা আসছে।
- আমার জন্মদিন। - তোমার পুনর্জন্মের?
হ্যাঁ। যতো কাছে আসছিলো, ততো খারাপ হচ্ছিলো।
রীতিমতো আতঙ্কে ছিলাম যে আমি পারবো না।
সত্যিই ভাবিনি যে পারবো।
অসুস্থ বলে টানা তিনদিন কাজে যাইনি।
জানি বস ক্ষেপে গিয়েছিলো।
মনে হয় না সেটার পরোয়া করেছি। আমি শুধু কাউকে দেখতে চাইনি।
তোমরা তো জানোই কাহিনী কি।
শুধু একটা ওরকম বন্ধু হলেই হলো...
আবার সেই ঢোল পেটানো শুরু করবো।
কিন্তু আমি পেরেছি। আমি সত্যিই পেরেছি।
আমি আজ একবছর যাবত পরিষ্কার আছি।
তোমাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে। চোখও কিছুটা লাল হয়ে আছে।
- ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে তো? - আসলে, না। আমি...
খুব জটিল একটা নতুন ট্যাটু নিয়ে কাজ করছি।
- তাই? - এক লোক তার পুরো পিঠ আঁকাতে চায়।
সে তার বাইকে বসে আছে, আর, চারপাশে আগুন ঝরছে।
আমি তাকে বারবার ডিজাইন দেখাচ্ছি, সে বারবারই পাল্টাতে বলছে, যেমন:
"আরো বেশি পেশি দাও। আরো বেশি আগুন দাও।"
আর আমি বলি, "এক: এটা কোন গীর্জা না।
আর দুই: আপনার চামড়ার ওপর কাজ করতেই যথেষ্ট বিপদে আছি।"
আমি সত্যিই চাই তুমি যেনো ওখানে আর কাজ না করো।
- জানো তো, তোমার উচিত ওই ধরনের লোকদের এড়ানো। - জানি আর চলিও।
বেশিরভাগ কলেজের ছেলেপেলে আর কার্টল্যান্ডের বৈমানিকরা আসে।
জায়গাটা আসলে বেশ কর্পোরেট।
ধন্যবাদ।
তো তোমার কাজ কেমন চলছে?
ওহ, জানোই তো। ঘুরেফিরে সেই এক কাজ।
ছুটির দিনেও ব্যাকআপ ট্রেনিং করাচ্ছি।
গড, আজকাল যাকে তাকে নিয়োগ দিচ্ছে। মানে, কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই। ভয়াবহ ব্যাপার।
কারো সাথে ডেট করছো?
না।
তুমি?
আর ওই পাশের বাসার ছেলেটা?
তার মানে কি?
ওয়েল, দেখে মনে হলো সে প্রত্যাশা করছিলো তুমি আমার সাথে তার পরিচয় করিয়ে দেবে।
সে জানে তুমি বাড়ির মালিক।
তো?
বাবা, সে আমাদের ভাড়াটিয়া।
কাহিনী শেষ।
আমি একজন ভাড়াটিয়ার সাথে কেন জড়াবো?
আচ্ছা।
এই নিন।
ওহ, হ্যাঁ।
ওহ, খুব সুন্দর হয়েছে না?
আমার তো মনে হয় ওই হচ্ছে সবচাইতে সুন্দর বাচ্চা।
হ্যাঁ। কেন হবে না?
ভালো বংশ।
আমি ধরছি।
হ্যাঁ। হ্যাঁ।
হ্যালো। হ্যালো?
কেউ কথা বলছে না।
ওহ, আচ্ছা।
আগে ধরেছি।
- হ্যালো। - হেই, ম্যান।
ওহ, হাই, কারমেন।
শুধু কারমেন।
- কাম অন। জলদি করেন। - তাহলে শুনেছো, হাহ? হ্যাঁ, হ্যাঁ।
সুখবর। ওহ, দেখতে ভীষণ সুন্দর হয়েছে।
ওয়েল, হলি।
সাত পাউন্ড, ৩ আউন্স।
সবাই... সবাই সুস্থ স্বাভাবিক আছে।
নির্বোধ গাঞ্জাখোর। এই নম্বরে ফোন দিয়েছো কোন দু:খে?
সেটাই বলার চেষ্টা করছি, ম্যান।
গতরাতে, কেউ আমার বাসায় ঢুকেছিলো, ইয়ো।
- ডাকাতির শিকার হয়েছি। - কি?
হ্যাঁ। কেউ আমাদের সব মাল নিয়ে গেছে। ওকে?
সবটুকু।
বুঝতে পেরেছেন, মি: হোয়াইট?
নীল মালগুলো। পুরা ভুতুড়ে কাহিনী।
তারা জানতো ঠিক কোথায় খুঁজতে হবে।
মানে, কিছু একটা বলেন, ভাই, ঠিক আছে? ঝাড়ি-টাড়ি মারেন! কাম অন!
মি: হোয়াইট?
খোদা!
ওহ, না।
ওকে। ওকে। ওকে।
হ্যাংক, কাম অন। লোকজন এখানে সব না খেয়ে মরছে।
ঠিক আছে। একটু বিয়ার আনতে গিয়েছিলাম।
অবশেষে।
ঠিক আছে, ভাইসব। এই নাও।
ছোট, বড় সব আছে আর সবই গরম গরম।
রানগুলো কিন্তু আমার।
- লস পোলোস হারমানোস? - ওহ, হ্যাঁ, সিরিয়াসলি। তোমার চেখে দেখা উচিত।
আমার তো মনে হয় এরা KFC'রও দান মেরে ছাড়বে।
বাবুর ক্ষুধা পেয়েছে।
দে তো বাবুকে।
ওহ, সোনা, হ্যাঁ।
সাথে কি কোন সালাদ আছে?
ওহ, না, না, না। কাম অন। আজব, স্কাই!
- খাবার টেবিলে না। আমরা খাচ্ছি। - হ্যাংক, এটা সামান্য একটা স্তন।
- আমার জা'য়ের স্তন! - ওহ, তুমি আসলেই অসভ্য।
হ্যাংক, সেদিনের কথা মনে আছে...
যেদিন তুমি বাচ্চার নিরাপত্তার কথা বলছিলে?
হ্যাঁ।
হ্যাঁ, হ্যাঁ। কোনটা ভাবছো? বেষ্টনী নাকি আবরণ?
হ্যাঁ। না, আসলে, আমি ভাবছিলাম একটা অ্যালার্ম সিস্টেমের কথা।
ওরা নাকি নতুন এক সিস্টেম এনেছে যেটাকে তরঙ্গ সিস্টেম বলে। যেটাতে...
কোনকিছু পড়লেই, অ্যালার্ম বেজে ওঠে।
ওহ, জোশ।
- ওয়াও, শুনে দামী মনে হচ্ছে। - ওয়েল, হ্যাঁ।
- কিন্তু বাচ্চার জন্যে, মানে... - বেশ, কেন...
হেই, ব্যাপারটা আমার আর মারির ওপর কেন ছেড়ে দিচ্ছো না?
- ঠিক তাই। - না, না। ধন্যবাদ।
না, না, প্লীজ। আমি জলদি কাজে ফিরবো।
আমরাই সামলে নেবো।
"জলদি কাজে ফিরবে"?
যেহেতু মানে, সামনেই তোমার অপারেশন...
ভাবলাম কিছু টাকার বন্দোবস্ত করে রাখাই হয়তো বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ওয়েল, স্কাইলার, আমাদের বাচ্চার ভালোটাও তো ভাবতে হবে।
আর আমার মনে হয় অন্তত প্রথম কয়েক বছর ওর মাকে পাশে পাওয়াটা...
আর্থিক দিকটা, ব্যবস্থা হয়ে যাবে। আমি কথা দিচ্ছি।
কি? গ্যারেজে ৫০ টাকার নোট ছাপানোর প্রিন্টিং মেশিন বসাচ্ছো নাকি?
তাহলে তো হতোই।
মম তো এমনকি আমাকেও জব করার কথা বলছে।
ঠিক তাই। সবাইকেই লাগতে হবে।
আমরা কখনো চাইনিজ আনি না কেন?
আমি দেখছি।
আমি দেখছি।
হ্যাঁ। লক্ষ্মী মামুনি।
এইতো লক্ষ্মী মামুনি।
আমার ছোট্ট মামুনি, হাহ?
হেই, একটা জিনিস দেখবে?
এসো।
ওহ, জানি, জানি।
হ্যাঁ।
হেই।
দেখতে চাও বাবা তোমার জন্য কি করেছে?
দাঁড়াও দেখাচ্ছি।
এইযে। এসো।
দেখবে?
No comments yet. Be the first to leave one.