De første 200 linjer.
ফিরে দেখা...
ওকে এখন কী করব?
আমাকে কেন খুন করার চেষ্টা করেছ তা বলার আগে তোমাকে মরতে দিচ্ছি না।
বিবেক।
আমার চোখের দিকে তাকাবে না?
কারণ তুই ওই ভালো চাকরিটা ছেড়ে পুলিশে যোগ দিয়েছিস!
দশ বছর আগের কথা। পাহাড়ের ওপরের বাড়িটায়...
... একটা পরিবার থাকতে আসে।
এলাকায় কয়েকটা চুরির ঘটনা ঘটে।
সবাই নতুন পরিবারটাকে দোষারোপ করে।
তারা বাড়িটা পুড়িয়ে দেয়।
আমি এখন এখানে। একটা চাকরি খুঁজছি...
নিন। এই যে আমার সিভি।
- তুমি আগাহ বেয়োগলুকে চেনো? - আমার বাবা।
আতেস, আপনার ভয় নেই যে খুনি আপনাকে টার্গেট করতে পারে?
সে যেমন আমার ওপর নজর রাখছে,
আমার বাড়ির সীমানায় আমার নজরদারিও রয়েছে।
আমি ওই খুনিকে ধরব।
সে যেখানেই পালাক, যেখানেই লুকাক না কেন। আমি ওকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করব।
আজ নেভরার জন্মদিন। ওর জন্য আমার একটা উপহার আছে।
তুইও বুড়িয়ে গেছিস।
হাই, নাজিফ। মনে আছে আমার কথা?
আমি আগাহ।
কাম্বুরার।
নাজিফ?
হ্যালো, নাজিফ।
কেমন আছিস, নাজিফ?
:.:.: Şahsiyet Episode 05 :.:.: অনুবাদে: নূরুল্লাহ মাশহুর
পস করো। সে এসে গেছে।
পেছনের বেড়া টপকে ভেতরে ঢুকেছে।
এটা কী?
কী পরে আছে এটা?
খরগোশ এর কস্টিউম নাকি?
না। বিড়াল।
এর গোঁফ দেখতে পাচ্ছ?
একটা সাদা বিড়াল।
০০:৫৩।
তুমি নাইটক্লাব থেকে বের হয়েছিলে কখন?
আনুমানিক দেড়টার দিকে।
তুমি যখন কল করলে তখন আমি বের হচ্ছিলাম। সাধারণত ১টার দিকে আমার কাজ শেষ হয়।
ও তোমার ওপর নজর রাখছিল।
জঙ্গলের ভেতর দিয়ে একটা রাস্তা আছে, তাই না?
হ্যাঁ।
এই পোশাক পরে সে যেহেতু কোনো ক্যাব নিতে পারত না...
তার ওপর ফেলার জন্য একটা প্যাকেট করা লাশ।
সে নিজের গাড়ি চালিয়ে এখানে এসেছে। পুরো রাস্তাজুড়ে লাশটা তার সাথেই ছিল।
ওই রাস্তায় নিশ্চয়ই কোনো ক্যামেরা আছে।
আমরা খোঁজ নিবো।
ও একটা উন্মাদ।
কে তুই?
কে?
কী করছে সে?
তুই লাশটা ফেলেছিস। এবার ভাগ।
এক: একটা লাল কলম নাও।
দুই:
নাজিফকে খুন করো।
তিন:
ওউদের ব্যাপারে ভুলো না।
একটা লাল কলম নাও, নাজিফকে খুন করো,
ওউদের ব্যাপারে ভুলো না।
নাজিফ যদি বাসায় না থাকে,
ওকে প্রাণভিক্ষা দাও।
হ্যাঁ।
এটার ডুবে যাওয়া নিশ্চিত করতে সে এত আগ্রহী কেন?
- এটা একটা সারপ্রাইজ। - কীসের সারপ্রাইজ?
সে চেয়েছিল এটা একটা সারপ্রাইজ হোক।
হুম। দুঃখিত। জানতাম না তোমার জন্মদিন ছিল।
অবশ্যই জানতে না।
শুভ জন্মদিন।
শুভ জন্মদিন আমাকে।
কী করছে ও?
বিশ্রাম করছে।
দুনিয়ার কোনো খেয়াল নেই। স্রেফ একটু শুয়ে আরাম করতে চাইছে।
আমি ফিরেছি।
লাশটা কার বলে মনে হয়, নেভরা?
এটা যেহেতু উপহার...
নিশ্চয়ই এমন কেউ যাকে আমি খুঁজছি।
কী করব এখন আমরা?
আমি থানায় ফোন করব।
ক্রাইম সিন ইউনিট চলে আসবে।
ওরা এই ফুটেজ চেক করবে, জানতে পারবে আমি এখানে রাত কাটিয়েছি,
আর প্লেগের মতো আমাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করবে।
তারপর আমাদের দুজনকেই হাজারও প্রশ্ন করবে।
আর সবশেষে, আমাকে কেস থেকে সরিয়ে দিবে।
আমি কাজে ইস্তফা দিবো।
অথবা...
এসবের কিছুই হবে না।
আমি যে ফুটেজে আছি তা তুমি ডিলিট করে দিবে।
আমি বেলুন থেকে স্টিকারগুলো তুলে ফেলব।
কেউ জানতে পারবে না এটা আমার জন্য উপহার ছিল।
তুমি ১৫৫ এ কল করবে,
আর আমি সবার সামনে মিথ্যা বলব।
তারপর আরেকটা মিথ্যা, তারপর আরেকটা।
এত বেশি মিথ্যা বলব যে আমি সব তালগোল পাকিয়ে ফেলব,
আর আগে হোক, পরে হোক ধরা পড়ব।
আমাকে কেস থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে, আর আমি সম্ভবত কাজে ইস্তফা দিবো।
কোনটা ভালো মনে হচ্ছে?
- কোন পথে আমাদের হাঁটা উচিত? - নেভরা...
মাঝে মাঝে নিজেকে বলি...
বলি...
আমি যদি পুলিশ হওয়ার সিদ্ধান্ত না নিতাম?
যদি কখনোই এই চিন্তা মাথায় না আনতাম?
সে কি তবুও এই খুনগুলো করত,
না-কি এই লোকগুলো মারা যাচ্ছে স্রেফ আমি পুলিশ হওয়ার কারণেই?
দেখো, এই তো তুমি।
সে এখনও এখানে আছে।
অবিশ্বাস্য।
আমি তোমাকে ঘরে ঢুকাচ্ছি, তবু সে এখানে।
সে ব্যাগের কথা ভুলে গিয়েছিল।
খুনি না-কি ভিক্টিম?
এ কারণেই সে এটা এখানে রেখে গিয়েছে।
জুম করো তো?
খবরের কাগজের ওপর জুম করো তো?
স্মরণ করো। স্মরণ করো। স্মরণ করো। স্মরণ করো।
স্মরণ করো...
স্মরণ করো?
কী স্মরণ করব?
এটা কি তোমার জন্য?
এটার কোনো অর্থ আছে তোমার কাছে?
এর অর্থ একটাই।
সে ব্যাগটার কথা ভুলে যায়নি। রবং আমাকে "স্মরণ করো" বলতে ভুলে গিয়েছিল।
- নেভরা... - হুম?
- তুমি নিশ্চিত? - এখন আমি নিশ্চিত, আতেস।
আমি পুলিশ বলেই লোকগুলো খুন হচ্ছে।
আর সে যে ব্যাপারই আমাকে স্মরণ করতে বলুক না কেন,
তা স্মরণ না করা পর্যন্ত লোকজন মরতে থাকবে।
ক্রাইম সিন ইউনিটের সাথে যোগাযোগ করান।
কোথায় যাচ্ছিস এই সাতসকালে?
কিছু পেস্ট্রি নিয়ে আসলাম। চল নাস্তা করে নেই।
পারব না, বাবা। আমি একটা চাকরি পেয়েছি। আমার যেতে হবে।
- কোন চাকরি? তোর আগেরটা? - না। পরে তোমাকে বলব।
- আসি। - শুভকামনা।
- বাবা... - হুম?
চলো আজ রাতে বাইরে খেতে যাই।
ফ্রিজে খাবার আছে তো।
জানি, ওটা বুঝাইনি।
আমার নতুন চাকরি উপলক্ষ্যে উদযাপন করতে চাই।
কিন্তু আমার কিছু কাজ আছে।
এই ক্রস-ওয়ার্ড মেলানো ছাড়া তোমার আর কী কাজ?
আটটার মধ্যে বাসায় থেকো, আমরা একসাথে যাবো।
স্কুলও শুরু হয়ে গেছে, হাহ?
- টাই কীভাবে বাঁধে ভুলে গেছি। - আমি বেঁধে দিচ্ছি।
এগুলো ধরো।
এটাও।
- ও কি স্কুলের? - কে?
তোমার প্রেমিকা। নাম যেন কী?
- সুবেদা। - হুম, সুবেদা।
এই নামের অর্থ জানো?
- না। বাঁধা শেষ হয়নি? - ধৈর্য ধরো।
কখনও ভাবোনি ওর নামের অর্থ কী?
আমার মনে হয় না নামের কোনো বিশেষ মাহাত্ম্য আছে।
- কেন? - কারণ আমাদের নাম আমরা নিজেরা বেছে নেই না।
প্রতিটা লোকের
জন্মের সময় হৃদয়ে একটা কালো দাগ থাকে, লোকে বলে।
যখন তারা জীবনের লক্ষ্য খুঁজে পায়,
কেবল তখন সেই দাগ মিলিয়ে যায়।
সুবেদা হচ্ছে সেই দাগের নাম।
এর আরেকটা অর্থ আছে, কিন্তু মনে পড়ছে না।
- থাক, টাই আর বাঁধা লাগবে না। - আরে দাঁড়াও! দাঁড়াও!
মনে পড়ছে।
এর অর্থ পাপ। গোপন পাপ।
যে পাপ লোকে তাদের অন্তরে লুকিয়ে রাখে।
গভীর, গোপন পাপ।
তোমার বুকে কোনো লুকানো পাপ আছে?
আছে।
- সেটা সুবেদা। - হুম। আচ্ছা।
- আপনার আছে? - অবশ্যই। অনেক।
এইতো হয়ে গেছে।
এবার যেতে পারো।
- ধন্যবাদ। - সমসা নেই।
শুভকামনা।
শাব্বাস, নেভরা!
অবশেষে তুমি খুনিকে ধরে ফেলেছ!
তোমাকে তো মেডেল জাতীয় কিছু দেওয়া উচিত।
ও তোমার কাছে এসেছিল যখন কি না তুমি ঘুমাচ্ছিলে।
আমার মনে হয় ব্যাপারটা হচ্ছে তুমি কোথায় ঘুমিয়ে ছিলে।
ও যাতে তোমার কাছে আসে সে কারণে উপযুক্ত বিছানায়ই তোমার ঘুমাতে হতো।
ও তোমার কাছে পৌঁছে গেছে।
একেবারে তোমার ঠিকানায়।
চমৎকার! অসাধারণ!
এর ফল তোমাকে ভোগ করতে হবে, নেভরা!
আমি তোমাকে দেখে নেবো!
সবাই কাজে ফিরে যাও!
তোমার মাথায় সমস্যা আছে না-কি?
সবার সামনে ক্রাইম সিনে তুমি তাকে উত্যক্ত করেছ,
আর তারপর এটা! আনুষ্ঠানিক অভিযোগও জমা দিয়েছ?
তোমার সাজা আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল!
- কিন্তু স্যার... - মুখ বন্ধ!
কাজ করো!
তো... প্রিয় আতেস আর্বে। কাজের কথায় আসা যাক।
তোমার এসব আর্টিকেলের সোর্স কে,
আর বিনিময়ে তুমি তাদেরকে কী দাও?
আমি কাউকে কিছু দেই না।
আমার সোর্স আছে,
আর সেই সোর্স কারা তা তোমাকে বলতে আমি বাধ্য নই।
সোর্স...
আচ্ছা। ঠিক আছে।
দেখো, আতেস আর্বে, এটা বিপজ্জনক খেলা।
যারাই তোমার কাছে এই কেস ফাইলগুলো তুলে দিচ্ছে
খুব শীঘ্রই হয়তো তারা এর বিনিময়ে আরও মূল্যবান কিছু চাইতে পারে।
No comments yet. Be the first to leave one.