불한당: 나쁜 놈들의 세상
De første 200 linjer.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আল মাকসুদ রফিকুল রনি
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - তানভীর রহমান নকিব সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - আল মাকসুদ
মাছ তো বেশ ভালোই খাস।
খেতে ভালো লাগে?
আমার মাছ খুব ভালো লাগে।
কাঁচা, ভাজা বা হোক রান্না
সবরকম ভাবেই ভালো লাগে।
-আমি খেতে পারি না। -কেন?
মাছের এই ব্যাপারটা, তাকিয়ে দেখ
চোখ খোলা অবস্থায় মারা যায়।
মনে হয় যেন আমার দিকে তাকিয়ে কী না কী বলছে।
আমার মাছ ভালো লাগে না।
চিংড়ির ব্যাপারটা কি? তুই তো চিংড়ি খাস।
চিংড়ি ভালো লাগে।
চিংড়িও তো মাছ, চোখও আছে।
কিন্তু চিংড়ির চোখ ছোট ছোট।
কাজের সময় চোখে চোখ রাখতে পারি না।
কিন্তু জা-হো একদম উল্টো।
ব্যাটা কাউকে মারার সময় একেবারে চোখে চোখ রেখে মারে।
ব্যাটায় মাছ খুব ভালোবাসে, খালি মাছ খায়।
যখন মি. হ্যান জা-হো এর ব্যাপারে কথা বলিস, তোকে একদম বাচ্চাদের মতো লাগে।
এক্কেবারে পিনিক উঠে যায়।
মনে হয় না ওর ভেতর অপরাধবোধ বলে কিছু আছে।
কিন্তু জিনিসটা তেমন খারাপ না।
পিস্তলের বদৌলতে আমাদের কাজের ধরণটা বেশ বদলে গেছে।
প্রস্তরযুগে, মারার জন্য মানুষ পাথর ব্যবহার করত।
ব্রোঞ্জ ও লৌহ যুগে, চাকু আর কুড়াল।
আর এখন, পিস্তল।
পিস্তল অপরাধবোধটা কমিয়ে দিয়েছে।
হয়তো মাঝের দূরত্বের কারণে।
কী বাল বকছিস?
ইস্...
তাকানো যাচ্ছে না।
সাবাশ, নিকোনায়।
THE MERCILESS (কঠিনহৃদয়) - সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আল মাকসুদ রফিকুল রনি
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - তানভীর রহমান নকিব সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - আল মাকসুদ
"মুক্তি পাবার দিন"
কি সেকেলে!
সাথে এত্তগুলো আন্ডা পান্ডা।
গাড়ির রঙটা।
সবথেকে বাজে এই টফু ঐতিহ্য।
বার্গারটা আমার জন্য।
আমার মাল কই?
তোর মাল?
নাতাশা!
আমি একজন মহিলারই খুব সম্মান করি,
সেটা তুমি, চিফ চিওন।
আর তোমার ঘাউরামি তো মাশাল্লাহ্।
আমার আইনজীবিরা কাজের সময় নষ্ট হবার জন্য
তোমার বিরুদ্ধে মামলা করতে চাচ্ছিল।
কিন্তু আমি সবাইকে থামিয়ে দিলাম।
সম্মান দিলে সম্মান পাবে, আর আমরা এভাবেই সম্মান অর্জন করি।
ছোট্ট একটা দেশের জন্য, এত্তগুলা চেয়ারম্যান।
তোমার সাথে আমার কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।
তোমার মতো গাজার চোরাচালানকারীদের জেলের ভাত খাওয়ানোই আমার কাজ, চেয়ারম্যান কো.
আমি এভাবেই মাইনে আর প্রমোশন পাই।
আমাকে সাহায্য করো।
যাও কুকুরের দন্ড চুষে সাহায্য কর, পারলে আগে প্রমাণ নিয়ে আসো।
জিনিশটা রাশিয়ান বেলুগা মাছের ডিম,
এই ডিমের দাম তোমার একমাসের মাইনের সমান।
খেয়ে দেখবে?
আঙুল দিয়ে কি সব কাজ সারো নাকি?
দন্ডটায় অনুভূতি পাচ্ছো না?
ওরে শুয়োরিনী।
হাঁটু গেড়ে বসে একটু আদর করে দে দন্ডটায়।
অনেকদিন পর দেখা, চিফ!
আগের মতোই চিরযৌবনা!
নতুন মাল নাকি?
তো মনা কে তুমি?
আফা, এখনি দন্ডের মাপজোখ করার কোনো দরকার নেই।
ইস্ বিশ্বাস হচ্ছে না।
বেশ।
ভালো ভালো খাবার খাও,
দন্ড দাঁড়ালেই লাগিয়ে আসো।
কিন্তু শেষমেশ ঐ জেলের ঘানির তেল দিয়েই কাজ সারতে হবে।
তাই না, মি. হ্যান?
"৩ বছর আগে, জিওনগি কারাগার"
১,২,৩!
আর কেউ! আর কেউ?
আয়, কোন বাপের ব্যাটা আছিস!
ঐ যে! একটা পাইছি!
আমার কিছু করা লাগবে বলে মনে হয় না, ব্যাটা তো বাতাসের ঝোকায় উড়ে যাবে।
ঠিক আছে, রেডি!
১,২,৩!
এই ছোকরা,
দাঁত শক্ত করে চিপে ধরে রাখিস, জিহ্বা কামড়ে ফেলিস না আবার।
কুত্তা* বাচ্চা!
তুই ঘুষি মেরেছিস! শালা বাটপার!
মালটা ঘুষি মেরেছে!
মাথা ঠান্ডা কর, খুব লজ্জা লাগছে নাকি।
তুই ঘুষি মেরেছিস, খা*কির পোলা।
চড় ছিল রে, শালা টাকলা।
কুত্তা* বাচ্চা!
*দসে!
ধর শালাকে!
থাম ব্যাটা!
শালা বাটপার!
বাস্টার্ড!
তোরে এভাবে মেরেছিলাম।
শালা ভোদাই!
আর এইটা হইল গিয়া ঘুষি!
শালা আ*দা!
কি ছিল?
এই চার দেওয়ালের পিছে দুই ধরনের মাল আছে।
এক যাদের সাথে পাকনামি করতে পারবি আর দুই যাদের সাথে পাকনামি করা তোর ঠিক হবে না।
আজ যার সাথে পাকনামি করেছিস সে দুই নম্বরটা ছিল।
আর তুই?
তোর কী মনে হয়?
যার সাথে পাকনামি করা ঠিক হবে না?
না।
আমি রেফারির গুরুদায়িত্বে আছি।
খালিপিলি ঝামেলায় জড়াস না।
ওরে শালা।
তোকে তো কালসিটেতেও ঝাক্কাস লাগছে।
মারা খা!
ঈশ্বরের অশেষ কৃপা রয়েছে তোর উপর।
ঐ শয়তানগুলো এমনিতেই ছেড়ে দেওয়ার বান্দা না।
কিন্তু তারা রান্নাঘরের ব্যাপারটার পাশ কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ঈশ্বরের বান্দা হিসেবে, আমরা বন্ধু হলে কেমন হয়?
আমি তেমন ধার্মিক না।
তোমার সাথে থাকলে ঐ পাপীগুলো আমার ধারেকাছেও ভিড়তে পারবে না।
গার্ডদের সাথে সম্পর্ক বেশ ভালো তার।
হয়তো সিগারেট চালানের ব্যাপারে।
সিগারেট?
আগের বারের মতো সবকটা একসাথে ছেড়ে দিস না।
৩ বক্সের টাকা কাল পাবেন।
সিগারেট হাতবদল এখানের পুঁজির বড় একটা উৎস।
আর এই দুষ্ট শয়তানগুলো এটা দখল করতে যেকোনো কিছু করতে পারে।
হ্যান জা-হো আসতেই নিজের মনে করে সব দায়িত্ব কাধে তুলে নেয়।
Hallelujah.
কিশোর জীবনেই হ্যান নেশাদ্রব্যের কারবার শুরু করে,
তো সে খাঁটি গ্যাংস্টার না, কিন্তু সে আসলে,
বড় বড় গুন্ডারাও লাল সাগরের মতো দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়।
নিজস্ব ফোন কাছে রাখাও ওপেন সিক্রেট এখানে,
সে যেন জেলে বন্দী দেবতা।
সে তার সাগরেদদের সাথে মদ গেলে, উদরপূর্তি করে।
বিচ্ছুরা! সবাই গ্লাসে মাল ঢাল।
তো চুমুক দেওয়া যাক।
ঠিক আছে।
আমরা সবাই!
একই পরিবারের!
ভাই! তোমায় বড্ড ভালোবাসি!
"মুক্তি পাবার ১৩ দিন পর"
হ্যান সারাক্ষণ তোমার ব্যাপারে কথা বলে।
মাথায় মাল আর হাতে জোর আছে।
মাথার ব্যাপারে বলতে পারব না, তবে হাতে তেমন জোর নাই।
এক হাত হবে নাকি?
কেমনে?
আরে ব্যাটা তোকে খেপাচ্ছে।
পোলাপানের সামনে মান ইজ্জত খোয়াস না।
এই অনেক হয়েছে।
জা-হো.
তুই কার দিকে?
অবশ্যই, আমার।
এই, সুদির ভাই।
যদি আমাকে হারাতে পারিস, তোর সোনার বাংলা চুষে গানটা গাইব।
আমি তোর টাইপের নারে পাগলা।
কুত্তা*...!
ভাই, এটা আসল?
মাদার*দ!
আসো এদিকে ভাতিজা।
ভাতিজা,
কাজ আর বিশ্রাম আলাদা করতে শিখ।
তোর হাবলা বাপের মতো হয়ে যাস না।
কাজের হ।
ধুর শালা...
বাল!
ঠিক আছিস?
যা মজা কর, এখানে কী করছিস?
কাঁদছিলি?
আমি কাঁদছিলাম?
কী স্যার?
এই শালা, আমি কি কাঁদছিলাম!
জ্বি স্যার।
এই শালারপো, কখন কাঁদলাম?!
বের হ, শালা! শেষ তুই!
জা-হো জেলে কেমন কাটাচ্ছিল?
আমায় ছাড়া রাজার মতো ঘুরে বেড়িয়েছে হয়ত।
অনেকটা প্রেসিডেন্টের মতো, স্যার।
পার্থক্য কী?
প্রেসিডেন্টের একটা মেয়াদ আছে।
আর সেই মেয়াদ সসীম।
হে ঈশ্বর, সময় এসে গেছে।
কীসের?
কিম সাং-হ্যান.
ওর ব্যাপারে তো শুনেছ অবশ্যই।
ঐ মাল সব মালের বাপ।
দেখা যাক।
এখন নির্বাচনের সময়।
তোমার খ্যাতি আগে বাড়িয়েছে তোমাকে, দেখা হয়ে ভালো লাগল।
আমি হ্যান জা-হো.
তো তুমি এখানকার মাথা।
ফাও প্যাচাল পারা আমার পছন্দ না,
তাই একটা জিনিস পরিষ্কার করে দিতে চাই।
সিগারেট ব্যবসাটাকে 50-50 ভাগে আরোপ করা হোক।
বাজারের বেশি মূল্যর কারনে সরবরাহ মুলতুবি আছে ...
No comments yet. Be the first to leave one.