The Grapes of Wrath

The Grapes of Wrath

Download Bengali undertekster

Udgivelsesinfo

The Grapes of Wrath 1940 1080p Bluray x264 anoXmous Bengali By Raihanjony
The Grapes of Wrath 1940 720p BluRay X264-AMIABLE
The Grapes of Wrath 1940 720p BluRay x264-DON
The Grapes of Wrath 1940 720p BluRay X264-Team FuSiOn
En kommentar af Raihanjony
সাবটাইটেলের কিছু লাইনে ত্রুটি এবং ভুল অনুবাদ থাকার কারণে সংশোধন করে আবার আপলোড করে দিলাম। আশা করি সমস্যা হবে না। রানটাইমঃ ০২:০৯:০৮ সেকেন্ড। ডাউনলোড লিংকঃ-https://tinyurl.com/228jb4j9

Tags

BluRay
x264
720p
720
1080
Udgivet den: 2021-08-10
Downloads: 63
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

মুভির নামঃ দ্য গ্রেপস অব র‍্যাথ (১৯৪০) ভাবানুবাদঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)

সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করলাম আমার মাকে! জীবনযুদ্ধে হার না মানা একজন লড়াকু সৈনিক।

- কবে ফিরবে, রয়? - ওহ, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে।

কথা শোনার মত কোনো কাজ করবে না।

- ঠিক আছে, দেখা হবে। - দেখা হবে।

লিফট পাওয়া যাবে, মিস্টার?

- স্টিকার দেখতে পাওনি? - হ্যাঁ, দেখেছি।

কিন্তু একজন ভালো মানুষ তার গাড়ির পেছনে...

...কী লেখা আছে তা নিয়ে মাথা ঘামাই না।

ঠিক আছে, বাঁকটার কাছাকাছি না যাওয়া পর্যন্ত গাড়ির পা দেওয়ার জায়গাটায় হাঁটু গেড়ে বসে থাকো।

- দূরে কোথাও যাচ্ছ? - না, কয়েক মাইল দূরে যাচ্ছি।

আমি ক্লান্ত না হলে ওখানে পায়ে হেঁটেই চলে যেতাম।

- কাজ খুঁজছো? - না। আমার দাদার বাড়ি আছে।

চল্লিশ একর জায়গা। তিনি একজন বর্গাচাষি, কিন্তু আমরা সেখানে দীর্ঘকাল ধরে আছি।

ওহ।

- কাজ করো? - হ্যাঁ।

তোমার হাত দেখেছি। তুমি হয়তো গাঁইতি বা হাতুড়ি দিয়ে পাথর ভাঙো।

এসব দিয়ে কাজ করলে হাত মসৃণ হয়ে যায়। আমি এমন ছোটোখাটো বিষয় সবসময় লক্ষ্য করি।

কোন ব্যবসা করো?

- তুমি তাড়াতাড়ি যাচ্ছ না কেন, বন্ধু? - তাড়া কীসের?

গাড়িতে ওঠার পর থেকে আমাকে তুমি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছো। আমি কোথায় ছিলাম তা জিজ্ঞাসা করছ না কেন?

আমি কারও বিষয়ে নাক গলায় না। আমার নিজের চরকায় আমি তেল দিই।

ভেড়া যেমন ঘাস নাক দিয়ে শুকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খায়, তেমনি তুমিও আমাকে খুঁটিয়ে দেখছো।

শোনো, আমি কিছুই গোপন করছি না। আমি জেলে ছিলাম। চার বছর হয়েছে।

- আর কিছু জানতে চাও? - আমার কথায় কষ্ট পেও না।

- আমাকে যা খুশি জিজ্ঞাসা করো। - আমি খারাপ কিছুই বলেনি।

আমিও খারাপ কিছু বলেনি। আমি শুধু কারো সাথে ঝামেলা ছাড়াই নিজেকে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছি, ব্যস এইটুকুই।

সামনের ঐ রাস্তাটা দেখতে পাচ্ছ? ওখানেই আমি নেমে যাবো।

আমি কী করেছি তা জানার জন্য তুমি অনেক কষ্ট করেছ, তাই না?

কিন্তু আমি তোমাকে হতাশ করার মত লোক নই।

নরঘাতক।

তিনি আমার রক্ষাকর্তা।

আমার রক্ষাকর্তা।

এখন আমার রক্ষাকর্তা।

- কেমন আছো, বন্ধু? - ভালো।

আচ্ছা...

...তুমি বুড়ো টমের ছেলে টম জোড না?

হ্যাঁ। আমি এখন বাড়ির দিকেই যাচ্ছি।

চেহারা দেখেই চিনতে পারছি।

আমি তোমাকে ব্যাপটাইজ (খ্রিস্টান ধর্মে শিশু জন্মগ্রহণ করার পর তার পাপমুক্তির অনুষ্ঠান) করেছিলাম, ছেলে।

তুমি যাজক না?

এক সময় ছিলাম।

এখন আর নেই।

আমি মর্যাদা হারিয়েছি।

কিন্তু অবশ্যই আমি কাজটা উপভোগ করতাম।

আমি ধর্মপ্রচার করতাম যাতে অধিকাংশ পাপী পুরোপুরি অনুতপ্ত হয়ে...

...আমার নিকটে পাপ স্বীকার করতে আসে।

কিন্তু আর করি না।

আমার আত্মা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে।

ধর্মপ্রচার করার ব্যাপারে আমি আর কোনো কিছুই পাইনি।

কিছু বিষয়ে আমি বেশি নিশ্চিত নই।

আমার মনে আছে তুমি একবার গির্জায় ধর্মপ্রচারক হিসেবে...

...হাত উঁচিয়ে উঁচিয়ে নৈতিক বক্তৃতা দিচ্ছিলে।

হ্যাঁ, আমারও মনে আছে।

তখন বেশ ভালোভাবেই বক্তৃতা দিতাম।

কিন্তু সেটা কিছুই ছিল না।

এক গোলাবাড়িতে একবার আমি হেঁটে হেঁটে ধর্মোপদেশ প্রচার করেছিলাম।

এমন করেঃ

- তুমি কি সেটা দেখেছিলে? - না।

দেখোনি?

এখন তো সবই অতীত হয়ে গেছে।

তোমার নিশ্চয়ই বাড়িতে স্ত্রী আছে।

না, গির্জার অধিবেশনে মানুষকে ঈশ্বর ভীরু না করা পর্যন্ত মেয়েদেরকে নিয়ে কীর্তন করতাম।

তারপর তাদেরকে সান্ত্বনা দিতে যেতাম।

আমি সবসময় তাদেরকে ঈশ্বর অনুরাগী করতে চাইতাম।

অশুভ কিছু অনুভব করলে বারবার প্রার্থনা করতাম, কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হতো না।

পরেরবার, আবার সেটা করতাম।

ভেবে বের করেছিলাম যে, পাপমুক্ত করার মত যোগ্যতা আমার ছিল না।

হ্যাঁ, বাবা সবসময় বলে যে, তুমি কোনো ধর্মপ্রচারকের জন্য কখনও ধর্মপ্রচার করা বাদ দাওনি।

আমি যদি কোনো মেয়েকে ভালোবাসতে পারতাম, তবে তাকে কখনো যেতে দিতাম না। হুইস্কি চলবে?

কিন্তু তুমি কোনো যাজক ছিলে না। তাই একটা মেয়ে কেবল তোমার কাছে মেয়েই ছিল।

কিন্তু আমার কাছে তারা পবিত্র পানপাত্র ছিল।

আমি তাদের আত্মাকে বাঁচাচ্ছিলাম।

আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করলাম, কোনটাকে পবিত্র আত্মা বলা যায়?

হয়তো সেটা ভালোবাসা।

আমি সবাইকে খুব ভালোবাসি তাই মাঝে মাঝে আমি আবেগাপ্লুত হয়ে যায়।

তাই হয়তো কোনো পাপ নেই, কোনো পুণ্য নেই।

এটা শুধু মানুষ কর্মের উপর নির্ভর করে।

কিছু মানুষের কর্ম ভালো হয়, কিছু মানুষের কর্ম ভালো হয় না...

...আর এই খারাপ কিছুর ব্যাপারে যেকোনো মানুষেরই বলার অধিকার আছে।

অবশ্যই, যদি কেউ গরীব মানুষকে খাবার দেয়, তবে আমি সেটাকে দয়া বলবো...

...কিন্তু আমার মন বলে কেউ এমনটা করবে না।

- চমৎকার পানীয় মদ। - অবশ্যই।

কারখানার মদ। পকেটের কিছু টাকা খরচ করতে হয়েছে।

- তুমি কি বিশ্ব ভ্রমণে বেড়িয়েছিলে? - কিছু শোনোনি? খবরের কাগজে ছেপেছিল।

- না, কখনোই শুনেনি তো। কী হয়েছিল? - চার বছর যাবত আমি জেলে ছিলাম।

জিজ্ঞাসা করার জন্য আমাকে ক্ষমা করো।

এসব বিষয় নিয়ে আমি আর ভাবি না। আমি যা করেছি তা আবার করবো।

ড্যান্স হলে এক লোককে মেরে ফেলেছিলাম।

আমরা মাতাল হয়ে ছিলাম। লোকটা ছোরা বের করতেই আমি বেলচা দিয়ে মাথায় ঘা বসিয়ে দিই।

- আঘাত করে ওর মাথা সম্পূর্ণ দুভাগ করে দিয়েছলাম। - মনে অপরাধবোধ অনুভব করোনি?

না। সেও তো আমার দিকে ছোরা ধরেছিল। এজন্যই আমাকে শুধুমাত্র সাত বছরের জেল দিয়েছে।

কিন্তু চার বছর পরই প্যারোলে ছাড়া পেয়েছি।

- তারপর থেকে তোমার পরিবারের সঙ্গে দেখা হয়নি? - না, কিন্তু সূর্যাস্তের আগেই দেখা করার ইচ্ছে আছে...

...আর দেখা করার জন্য আমি খুব ব্যাকুল হয়ে আছি।

- তুমি কোন পথে যাবে? - ওহ, এটা কোন ব্যাপার না।

যেদিন থেকে নিজের মর্যাদা হারিয়েছি, মনে হয় সেদিন থেকে যত সম্ভব অন্যের পথ ধরে চলছি।

আমি তোমার পথেই যাবো।

হয়তো মা রাতের খাওয়ার জন্য শুকরের মাংস রান্না করে থাকবে।

চার বছরে চারবার ছাড়া আমি শুকরের মাংস খাইনি। তাও আবার প্রত্যেক বড়দিনে।

তোমার বাবার সাথে দেখা হলে খুশিই হবো।

হা, হা। শেষবার উনাকে আমি ব্যাপটাইজের সময় দেখেছিলাম।

আমার দেখা সবচেয়ে বড় পবিত্র আত্মার মাত্রা উনার ছিল।

একদিন তিনি পূর্ণিমার রাতে ঝোপঝাড়ের উপর ঝাঁপ দিয়ে নেকড়ের মত গর্জন করছিলেন।

শেষে হুশ ফিরে এলে নিজেকে ঝোপের মধ্যে আবিষ্কার করেন...

...এবং কোঁ কোঁ করে চিৎকার করে সেই ঝোপ থেকে দৌড়ে বের হয়ে আসেন।

এরপর তিনি অনেকটা মুক্ত হয়ে যান।

কিন্তু উনি হঠাৎ পা পিছলে পড়ে গিয়ে ব্যথা পান।

ওদিক দিয়ে একজন দাঁতের ডাক্তার যাচ্ছিলেন। তিনি উনাকে আমার কাছে নিয়ে আসলে আমি প্রার্থনা করি, কিন্তু...

...তখন তোমার বাবার মধ্যে আর কোনো পবিত্র আত্মা ছিল না।

- বাতাসের শব্দ শোনো। আবহাওয়াটা কিছুটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। - হ্যাঁ।

বছরের এই সময়ে প্রায়শই হয়ে থাকে।

মা?

বাবা?

মা?

এখানে কেউ নেই।

- কিছু হয়েছে। - তোমার কাছে দেশলাই হবে?

তারা সব চলে গেছে নাকি মরে গেছে।

- ওরা কখনোই তোমাকে কোন চিঠি লিখেনি? - না। ওরা চিঠি লেখার মত মানুষ ছিল না।

এটা মায়ের। কয়েক বছর আগেও এটা পড়তো।

এটা আমার ছিল। জেলে যাওয়ার সময় দাদাকে এটা দিয়ে গেছিলাম।

তোমার মনে হয় তারা মারা গেছে?

এই ব্যাপারে তো আমি কখনোই কিছু শুনেনি।

টমি?

মিউলি।

- আমার পরিবার কোথায়, মিউলি? - কেন, তারা তো চলে গেছে।

আমি জানি তারা চলে গেছে, কিন্তু তারা কোথায় গেছে?

এ হলো মিউলি গ্রেভস। এই পাদ্রীকে চিনতে পারছ?

- আমি আর পাদ্রী নই। - ঠিক আছে। তোমার একে মনে আছে?

- তোমার সাথে আবার দেখা হয়ে খুশি হলাম। - এখন, আমার পরিবার কোথায়?

ওরা চলে গেছে। তোমার জন আংকেলের কাছে চলে গেছে। সবাই ওখানেই গাদাগাদি করে থাকছে। দুই সপ্তাহ আগে গেছে।

কিন্তু ওরা সেখানেও থাকতে পারছে না, কারণ তোমার জন আংকেলকেও চলে যাওয়ার নোটিশ দিয়েছে।

কী হয়েছে? কেউ আমাদেরকে উচ্ছেদ করতে আসবে কেমন করে?

আমরা এখানে ৫০ বছর ধরে বসবাস করছি।

সবাইকে জমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। তাই সবাই ক্যালিফোর্নিয়াতে চলে যাচ্ছে।

তোমার পরিবার, আমার পরিবার, প্রত্যেকের পরিবার।

আমি ছাড়া সবাই চলে গেছে। কিন্তু আমি যাইনি।

- এমনটা কারা করেছে? - শোনো।

এদের মধ্যে এই ধুলোও দায়ী। শুরুটা ধুলো ঝড়ের কারণেই হয়েছে।

বছরের পর বছর ধরে এমন করে ধুলো ঝড় হচ্ছে।

ধুলো ঝড়ে আমাদের জমি নষ্ট হয়ে গেছে। ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।

এখন আমাদের জীবিকাও নিয়ে গেছে।

তুমি কি পাগল হয়ে গেছো?

কেউ কেউ বলে আমি নাকি পাগল হয়ে গেছি। কী ঘটেছে শুনতে চাও?

আমি তো তোমাকে সেটাই জিজ্ঞেস করছি, তাই না?

যা ঘটেছে...

যা আমার সঙ্গে ঘটেছে...

একজন লোক একদিন এসে...

ধুলোতে জমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরে, ভাড়াটে ব্যবস্থা আর কাজ করে না।

জমিতে ঠিকমতো চাষবাস হয় না, যার ফলে খুব কম লাভ হয়।

তার চেয়ে একটা ট্র‍্যাক্টর বারো-চৌদ্দটা পরিবারের কাজ একাই করতে পারে।

আমরা শুধু ট্রাক্টর চালককে কাজের মজুরি দেবো আর সব ফসল আমরা নেবো।

হ্যাঁ, কিন্তু জমিতে চাষ করে ভাগে যা পাই, তা দিয়ে তো আমরা এখন নিজেদের পেট চালাতে পারি না।

বাচ্চারা ঠিকভাবে খেতে পায় না। আর কাপড়চোপড়ও ছিঁড়েখুঁড়ে যা-তা,

ছেলে-মেয়েদের চাহিদা পূরণ করতে না পারলে বাবা হয়ে নিজেকে লজ্জিত হতে হয়।

আমি এভাবে সাহায্য করতে পারব না। আমার কাছে আদেশনামা আছে। তারা আমাকে বলে দিতে বলেছে তোমরা যেন জমিটা ছেড়ে দাও।

- সেজন্যই তোমাদের বলছি। - তার মানে আপনি আমার নিজের জমি থেকেই চলে যেতে বলছেন?

- আমাকে দোষারোপ করো না। এটা আমার দোষ না। - তাহলে কার দোষ এটা?

তুমি জানো জমির মালিক কে। শোওনি ল্যান্ড অ্যান্ড ক্যাটল কোম্পানি।

- "শোওনি ল্যান্ড অ্যান্ড ক্যাটল কোম্পানিটা" কার? - এটা কারও নয়। কেবল একটা কোম্পানি মাত্র।

ওদের প্রেসিডেন্ট আছে, তাই না? ওদের এমন একজন নিশ্চয়ই আছে যে জানে কীসের জন্য ওরা এসব করছে!

ওহ, শোনো ছেলে, এটা কোম্পানির দোষ নয় কারণ ব্যাংক ওদেরকে কী করতে হবে তা বলে দিয়েছে।

- ঠিক আছে। ব্যাংক কোথায় তাহলে? - টালসায়। তোমরা কি ব্যাংকের ম্যানেজারের সাথেও কথা বলতে যাবে?

সে ম্যানেজার ছাড়া আর কিছুই নয়। সে তার নিজের আদেশ অক্ষুণ্ন রাখতে বদ্ধপরিকর।

- তাহলে কে আমাদেরকে উচ্ছেদ করবে? - দেখো ভাই, আমি এসব জানি না।

আমি যদি করতাম, তবে তোমাদেরকে বলতাম। কার দোষ তা আমি জানি না।

আমি এখানে দাঁড়িয়ে থেকে আপনাকে বলছি, মিস্টারঃ

কেউ আমার জমি থেকে আমাকে তুলে দিতে পারবে না!

৭০ বছর আগে আমার দাদা এই জমি কিনেছিল!

আমার বাবা এখানে জন্মেছে। আমরা সবাই এখানে জন্মেছি!

আমাদের অনেকেই এখানে মরেছে!

আমাদের বাপ-দাদারা এখানে মারা গেছে।

সেজন্য আমরাই এখানকার আসল মালিক।

আমরা এখানে জন্মেছি...

...শ্রম দিয়েছি...

...আর যদি মরতে হয়, তবে এখানেই মরবো!

কাগজপত্রে যা লেখা আছে তা আমি মানি না।

তো, তারপর কী হয়েছে?

ওরা আসে। ওরা এসে আমাকে জমি থেকে উচ্ছেদ করে।

- তারা ক্যাটস নিয়ে আসে। - কী নিয়ে?

ক্যাটস, ক্যাটারপিলার ট্র্যাক্টর।

এবং তাদের প্রত্যেকে...

...দশ-পনেরটা পরিবারকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়।

একশো পরিবার। যাদের রাস্তা ছাড়া মাথা গোজার কোনো জায়গা নেই।

র‍্যান্সদের, পিটারদের, পেরিদের, জোডদের।

একের পর এক পরিবারকে তারা ঘরছাড়া করেছে।

অর্ধেক পরিবারকে পথে বসিয়েছে।

প্রায় একমাস আগে একজন আমাকে উচ্ছেদ করতে এসেছিল।

ফিরে যাও বলছি!

ফিরে যাও! তোমাকে সতর্ক করছি, ফিরে যাও!

আর এক ধাপ কাছে আসলে, গুলি করে তোমার মাথার খুলি উড়িয়ে দেবো!

এই আমি বলে রাখলাম!

তুমি তো জো ডেভিসের ছেলে।

কেউ আমার উপর বন্দুক তাক করলে সেটা আমি পছন্দ করি না।

তাহলে তুমি এটা কীসের জন্য করছ? তাও আবার তোমার নিজেদের লোকদের বিরুদ্ধে কাজ করছ।

দিন প্রতি তিন ডলার পাই, সেজন্যই তো কাজটা করছি।

বাড়িতে আমার দুইটা ছোট্ট বাচ্চা আছে। আমার স্ত্রী আর আমার শাশুড়ী আছে। তাদেরকেও তো পেটে কিছু দিতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, প্রথমে আমি আমার পরিবারের কথা ভাববো। অন্যদের কী হবে সেটা তাদের দেখবার বিষয়।

হ্যাঁ, কিন্তু তুমি বুঝতে পারছো না, ছেলে। এটা আমার জমি!

হয়তো আপনার জমি হবে। কিন্তু এখন এটা কোম্পানির।

More Bengali subtitles for The Grapes of Wrath

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left