De første 75 linjer.
বৈশ্বিক মানসিকতা মুক্তি বিশ্ব-বাণিজ্যের দিকে আগাচ্ছে আর মার্কেটের উদারনীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্ভাবনার এক পৃথিবী। যে পৃথিবীতে স্বপ্ন সত্য হয়।
শুনতে অসাধারণ লাগছে, আর বিষয়টাও অসাধারণ।
আমাদের স্বল্পসংখ্যকের জন্য।
কিন্তু অধিকাংশের জন্য, দারিদ্র্যের ভুক্তভোগী যারা, ধনিকতন্ত্র মানেই মৃত্যু আর ভোগান্তি।
যখন আমরা নিশ্চিন্তে দিন যাপন করি, সস্তা খাবার খেয়ে পেট টান করে রাখি..
..পৃথিবীর গরিব মানুষেরা ফ্যাক্টরিতে সংগ্রাম করে।
শ্রমের মূল্য জোর করে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যখন কাজের সময় নিয়মিত বেড়েই চলেছে।
ইউনিয়ন গঠন করা নিষিদ্ধ, আর এখন কাজের অবস্থা দুঃসহ প্রায়।
স্বাধীনতার গুনগান করার আগে আমাদের একটা জিনিস স্বরণ রাখতে হবে:
আমাদের পেটুক সমাজ পেরুর কফি বীজের ঘাড়ে দাড়িয়ে আছে।
আমরা ভারতের শিশুশ্রমে সস্তায় তৈরি খাবার খেয়ে বেঁচে থাকি...
- ভালো ছিল? - অনেক ভালো।
শিরনাম বদলে 'কাজের অবস্থা অমানবিক' রাখব?
- না, যেমন আছে সেভাবেই সুন্দর। - ইয়াহ?
আর কোনো ভাবনা এই বিষয়ে?
সস্তা খাবার গ্রহণের কথা যে দু'বার লিখেছ সেটা জানো তো?
হয়তো সেটা বদলাতে পারো।
না, দু'বার করে লেখার মধ্যেই তো পয়েন্ট।
কথার উপর গুরুত্বারোপ করতে ২ বার করে লিখেছি,
- ভালো ছিল? - ইয়াহ, ভালো ছিল।
অমায়িক লেখনী।
আমি ৫ পেয়েছি।
৫ প্লাস? নাইস। অনেক ভালো।
এভা, তুমি কতো পেয়েছ?
ওটা নিয়ে কথা বলতে চাই না।
ঘটনা হচ্ছে, ইয়োনাস তোমার বয়ফ্রেন্ড হয়, তো ওকে তোমার সব বলতে হবে,
আর ইয়োনাস আমাকে সব বলে। তো আমি এমনিতেও জেনে যাব।
কথা সত্য।
ওকে, ইয়াহ। আমি ৪ মাইনাস পেয়েছি।
তুমি ৪ মাইনাস পেয়েছ?
- খারাপ কথা। - ইয়াহ, ইয়াহ। তুমি অন্য অনেক বিষয়ে দক্ষ।
নিজের পোশাক নিজে পরতে পারো, দাঁত ব্রাশ করতে পারো। চিন্তা করে দেখ।
ইয়োনাস, আমরা যাচ্ছি।
- এখন? - ইয়াহ।
- কোথায় যাচ্ছ তোমরা? - এলিয়াসে বাড়ি।
- পরে কথা হবে। - ওকে।
- হ্যালো। - হেই।
- কী অবস্থা? - তেমন কিছু না।
- জোনাসের সাথে আছো? - না, এখন নয়।
এলিয়াসের ওখানে যাচ্ছিলে না?
ইয়াহ, কিন্তু সেটা অনেক আগের ঘটনা।
স্যারার পিকচারগুলো দেখেছো? আমার মনে হয় ওর চোখের পাপড়িগুলো নকল।
- না। - ইয়াহ, ফেসবুকে ছবিটা দেখ।
ওরা ইতোমধ্যে নিজস্ব বাস শুরু করেছে, জানো?
না।
হাইস্কুলে ওঠার ১ মাস হয়েছে কেবল আর ওরা নিজস্ব বাস চালু করেছে।
কার সাথে?
রদ্রিগেজ সম্ভবত, ওরা নিজেদের পেপসি ম্যাক্স নাম দিয়েছে।
তুমি কিন্তু চাইলেই ওর সাথে কথা বলতে পারো।
কামড় তো দিবে না।
ইয়োনাস এসেছে। রাখতে হবে।
কী করবে তুমি?
তোমাকে কল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ফোনের উত্তর দাওনি।
চার্জ শেষ হয়ে গেছিল।
- বাড়িতে চার্জ করতে পারোনি? - বাড়িতে ছিলাম না।
কোথায় ছিলে তবে?
এলিয়াসের বাড়ি।
এখন পর্যন্ত?
ইসাকে সাথে কথা বলেছি। ও বললো অনেক আগেই এলিয়াসের ওখান থেকে চলে এসেছ।
অনেক প্রশ্ন! ইসাক চলে এসেছিল, আমি ছিলাম।
আমাকে বিশ্বাস করো না?
আমাকে বিশ্বাস করো না?
হাহ?
আমাকে বিশ্বাস করো না কেন?
- ৩ প্লাস? বলেছিলে ৪ মাইনাস পেয়েছ। - একই কথা প্রায়।
- 'যেই বহিস্কৃত হয়েছে...' - ইয়োনাস!
- '...নিজের দোষেই হয়েছে নিশ্চয়ই। - ইয়োনাস।
'যেই পরিস্থিতির সম্মুখীন সবাই হয়'? অনেক কিউট ছিল আসলে।
- কী করছো বলে মনে হয়? - কিস।
- নাম কী তোমার? - ইনগ্রিড।
- তোমরা একই ক্লাসে? - ইয়াহ।
প্রতি টিকিটের জন্য ১০ ক্রোনার করে লাগে।
ভালো হবে আশাকরি। তোমরা সবাই এক্সাইটেড?
হাই!
No comments yet. Be the first to leave one.