De første 200 linjer.
Moshiur Shuvo Presents
বঙ্গানুবাদে : মশিউর শুভ
মার্কাস।
কেমন আছো?
১ ঘন্টা পর জিজ্ঞেস করো।
ভাবলাম অন্ততঃ...
...শেষ একবার চেষ্টা করি।
তুমি স্যান ফ্র্যান্সিসকোতে থেকে গেলেই ভাল হত, ডা. কোগান।
এই সম্মতিপত্রে সাক্ষর করে তুমি...
...তোমার শরীরটাকে একটা ভাল কাজে দান করলে।
তুমি একটা...
...দ্বিতীয় সুযোগ পাবে, আমার গবেষণার মাধ্যমে, তুমি আবার বাঁচতে পারবে...
তুমি জানো, আমি কী করেছি।
আমার জন্য আমার ভাই এবং দু'জন পুলিশ মারা গিয়েছে।
আমার কোন দ্বিতীয় সুযোগ চাই না।
কিন্তু মৃত্যুর ডাক যে কেবল আমারই এসেছে সেটা তো নয়, তাইনা?
ভাবছ আমি তোমার ক্যান্সার সারিয়ে তুলব, সেরেনা?
নিজেকে নিয়ে আমি দুশ্চিন্তা করছি না।
মানবজাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করছি।
শরীরটা তোমার কাছে আমি বিক্রি করব।
কীসের বিনিময়ে?
একটা চুমু'র।
তাহলে মৃত্যুর স্বাদটা অমন।
তুমি খুবই মহৎ একটা কাজ করছো।
না, আমি অপরাধী।
মরার আগ পর্যন্ত আমাকে কেটে খন্ড করতে থাকো।
...
...
...
শেষ কিছু বলতে চাও?
ভ্যানগার্ড, ব্লাকজ্যাক ৬ বলছি।
স্কাইনেটের দিকে মিসাইল যাচ্ছে।
১১ সেকেন্ডে পৌঁছাবে। সামনে বিপদ।
যাও! যাও! চলো, এগোও!
কনার মাটিতে নেমেছে।
মিশন হচ্ছে দ্রুত ঢুকে বের হবে।
কমান্ড ঐসকল কম্পিউটার থেকে যেকোন মূল্যে...
...তথ্য সংগ্রহ করতে বলেছে।
কনার, ওখানে কোন মেশিন নেই।
ওগুলো চলে গিয়েছে।
এখানটা বেশিই নীরব।
মনে হচ্ছে, তারা আমাদের অপেক্ষাতেই ছিল।
এটা শেষ, এটা শেষ।
এই গন্ধটা কীসের, ভাই?
এটা দেখছ?
ওলসেন, জিনিসটা পেয়েছি।
তোমাকে আরেকটা জিনিস দেখানোর আছে।
শক্ত দেয়াল। যা নিতে এসেছি তা নাও, বারবোসা।
হাতে সময় কম।
সকলে ছড়িয়ে পড়ে, জায়গাটাকে সুরক্ষিত রাখো। ওখানে বিশাল শূণ্যতা দেখছি।
এই ব্যপারটা আমাদের অজানা কেন?
স্যার, আমার মনে হয় কমান্ড এটাই খুঁজছিল।
আমি তাদের সোর্স কোডে আছি।
এই লোকগুলিকে স্যান ফ্রান্সিসকোতে নেয়া হয়েছিল।
নতুন টার্মিনেটর তৈরীর রিসার্চ প্রজেক্ট।
এটা কমান্ডে পাঠাও।
আপলোড হচ্ছে, আমার ২ মিনিট লাগবে।
দাঁড়াও, দাঁড়াও, পেছনে যাও।
থামো।
টি-৮০০। একটা নতুন টার্মিনেটর।
যেমনটা বলেছিলে ঠিক তেমনি মিলে যাচ্ছে।
- এটা ভয়ংকর। - এসবে নাক গলিও না।
এসবে মনোযোগ দিয়ো না। তুমি এই মিশনের দায়িত্ব নেই।
এই চোদনাগুলিকে মুক্ত করে দাও। আসো, চলো।
- জেরিকো, শুনছো। - সাবধানে।
জেরিকো, শুনছো!
কনার, তুমি উপরে চলে যাও। মনে রেখো ঐ লোকগুলি...
...তারা মারা গেলেও যেন রেডিওতে আমার ডাকে সাড়া দেয়।
কনার!
কনার, তাদেরকে জবাব দিতে বলো।
ওলসেন, এখানে কোথাও সমস্যা আছে।
উপর থেকে শুনছ!
বহির্গামী শত্রুর এয়ারক্রাফট। আমি ধাওয়া করছি।
এটার ডেকে মানুষ কয়েদি আছে!
ডেটা ট্রান্সফার সম্পন্ন।
কনার, আমরা তোমার সাথে উপরে এসে...
ওলসেন।
ব্রাভো ১০, ব্রাভো ১০, শুনতে পাচ্ছো?
ঈগল ১, ব্রাভো ১০ কে বলছি। শুনতে পাচ্ছো?
ব্রাভো ১০, ব্রাভো ১০, শুনতে পাচ্ছো?
এখানে।
ব্রাভো ১০, পরিচয় দাও।
কনার।
আমরা নিষ্কাশনের জায়গাতে লোক পাঠাচ্ছি।
ওখানে কতজন বেঁচে আছে?
১।
শুনেছি।
ঘাঁটিতে ফিরব, স্যার?
- ফিরব? - না।
- আমাকে কমান্ডের কাছে নিয়ে চলো। - স্যার?
কমান্ড।
ঠিক আছে। অন্য পথে যাচ্ছি।
তারা অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।
কমান্ড চায় না তাদের অবস্থান ফাঁস হোক। রেডিওতে যোগাযোগ করবে শুধু।
-তারা নিচে আছে? - তারা অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।
যতটুকু লাগবে তারা ততটুকুই জানাবে। উপর মহলের আদেশ এটা।
তুমি এটার দরজা খুলবে...
...এবং তাদেরকে বলবে আমি ভেতরে এখনি ঢুকতে চাই!
এটা পাগলামি।
জন কনার।
মানব জাতির ভবিষ্যৎবানীর নেতা।
তুমি, এই সাবমেরিনে থাকা প্রতিটা ব্যক্তির জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছ
...তোমার এই লোক দেখানো স্ট্যান্ট দেখাতে গিয়ে।
তোমাকে সরাসরি বলে দিচ্ছি।
আমি এসব ভবিষ্যৎবানী বিশ্বাস করি না।
যেখানে মানুষ এক মুহুর্তেই মারা যেতে পারে।
আমরা একই দলে আছি?
হ্যা, একই দলে আছি।
ভাল। ভাল।
তো, সৈনিক...
...এখানে তুমি কী করতে এসেছ?
- আমরা ওখানে কী পেলাম? - তোমার যতটুকু জানা দরকার...
- ...ততটুকু তোমাকে জানানো হবে। - আসলে, আমার জানা দরকার।
কারন আমার লোক ওখানে মারা গিয়েছে।
আমরা ওখানে কী পেলাম?
ওখানে একটা সমাধান পেয়েছি, কনার। যেটা চিরতরে এই যুদ্ধের ইতি টানবে।
আমরা জানি যে, মেশিন নিজেদের ভেতর যোগাযোগ করতে শর্টওয়েভ ব্যবহার করে।
ইন্টেলিজেন্স দল প্রাথমিক চ্যানেলের নিচে একটা গোপন সংকেত পেয়েছে।
এটা দিয়ে মেশিনকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
স্কাইনেট নিজেও একটা মেশিন। আর প্রত্যেকটা মেশিনের মত...
... এটাকেও বন্ধ করা যাবে।
এটা কাজ করবে?
এটা কী কাজ করবে?-হ্যা। টেস্ট করা হয়েছে কী?-না।
এটা আমাকে দিন।
আমি টেস্ট করব।
আমিই করতে পারব।
কনার এবং তার টেকনোলজি এক্সপার্টদের সুনাম আছে।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে।
কনারকে উপরে নিয়ে যাও। তলদেশে যাবার জন্য প্রস্তুত হও।
কনার, এটা সঠিকভাবে করতে পারলে, যুদ্ধটার ইতি টানতে পারব।
আমার ৪ দিনের ভেতর আক্রমণ করব।
কনার।
এগুলো সংকেতটার কোড।
- শুভ কামনা। - ৪ দিনে কেন?
স্কাইনেটের বার্তা থেকে একটা খুন করার লিষ্ট বের করেছি।
ওটাতে লিখা আছে, এই সপ্তাহের শেষে এই রুমের কেউ আর বেঁচে থাকবে না।
ঐ লিস্টে তোমার নাম ২ নম্বরে।
- ১ নম্বরে কে? - এক অচেনা বেসামরিক লোক, নাম কাইল রিস।
জেরিকো, শুনছ?
জেরিকো, শুনছ?
বার্নস।
আমার ভাইটা বাঁচে নি, তাইনা?
এটা সারাহ কনার তার পুত্রের উদ্দেশ্যে বলা ২৮ নং টেপ।
সবচেয়ে কঠিন কাজটা হচ্ছে সিদ্ধান্ত নেয়া...
...তোমাকে কোনটা বলব আর কোনটা বলব না সেটার।
তোমাকে তোমার বাবা সম্পর্কে বলব?
এতে আমাকে বাঁচাতে তাকে অতীতে পাঠানোর সিদ্ধান্তে কী প্রভাব পড়বে ...
...সে তোমার বাবা এটা জানার পরেও?
তখন তার বয়স তোমার থেকেও কম থাকবে, যখন তার দেখা পাবে সে কিশোর থাকবে।
হায়রে, একজন লোক এসব ভাবলে পাগল হয়ে যাবে।
কিন্তু তুমি যদি কাইলকে না পাঠাও তাহলে তোমার জন্ম হবে না...
...এবং স্কাইনেট যুদ্ধটা জিতে যাবে।
তার ব্যপারে কথা বলতে চাও?
কাইল বাইরে কোথাও একা ঘুরে বেড়াচ্ছে আর স্কাইনেট তাকা ধাওয়া করছে।
সংকেতটার কী খবর?
তোমার কী মনে হয়?
এটাতে যদি কাজ হয়, তাহলে তো অবিশ্বাস্য হবে।
- আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। - আমি সহমত।
- কিন্তু আমাদেরকে চেষ্টা করতে হবে। - আচ্ছা।
ঠিক আছে, আমাদের পরিচিত ছোট কিছু একটা দিয়ে শুরু করতে হবে।
একটা হাইড্রোবোট ধরে এনে টেস্টিং করা উচিত।
হ্যা।
কী হল, জন?
কাইল রিসকে মেরে, ভবিষ্যতকে রিসেট করো ...
...কোন জন কনার থাকবে না।
হেই!
বাঁচতে চাইলে আমার সাথে আসো।
ওটা আবার কী?
সে কথা বলে না, তবে তোমাকে শুরু করতে হবে।
ঐ জ্যাকেটটা পেলে কোথায়?
মৃত লোকটার এটার প্রয়োজন ছিল না।
লালটুকু দেখেছ?
এটা রক্তের প্রতীক। এটা রেসিস্টেন্টসের প্রতীক।
তুমি অবশ্যই তাদের কোন যোদ্ধা নও, তাই এটা খুলে ফেলো।
খুলে ফেলো!
কারো দিকে বন্দুক তাক করার আগে...
...বন্দুক চালানোর যোগ্য হয়ে নেবে।
এখন তোমাকে আরেকবার জিজ্ঞেস করব।
- ঐ জিনিসটা কী ছিল? - টার্মিনেটর।
টি-৬০০।
আজকে কত তারিখ?
এটা কত সাল?
২০১৮।
এখানে কী ঘটেছিল?
কেয়ামত ঘটেছিল।
আমাকে এখান থেকে যেতে হবে।
পায়ে হেঁটে যেতে পারবে না। মেশিন তোমাকে কেটে দু'খণ্ড করবে।
তোমার গতি লাগবে।
আমার একটা গাড়ি লাগবে।
গ্রিফিত মানমন্দিরে কয়েকটা আছে।
- যদিও ওগুলো চলে না। - আমাকে নিয়ে চলো।
নিচু হও!
ওটা শিকারি-খুনী ছিল।
তোমার বদৌলতে তারা এখন আমাদের কথা জানে।
তোমার নাম কি, খোকা?
কাইল রিস।
আসো।
তার টান্সমিটার পুড়িয়ে দিয়েছি, যেন এটা তার সঙ্গীদেরকে ডাকতে না পারে।
তবে সে রিসিভ করতে পারবে।
No comments yet. Be the first to leave one.