De første 200 linjer.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - রাজু তালুকদার তানভীর হোসেন
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - তাওহীদুল ইসলাম সুমন রাকিব হোসেইন
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - এফ আর সজীব আরমান আল মাহমুদ
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - আরমান আল মাহমুদ
আজকের লিজেন্ডারি খাবারটি হলো ফ্রাইড চিকেন!
ওহ, খোদা। আমার মুখে জল এসে গেছে।
তো, এই রেস্তোরাঁটির মালিক কে যিনি মুখে জল এনে দেবার মতো এই খাবারটি পরিবেশন করেন?
মালিক, আপনি কোথায়?
আমি এই রেস্টুরেন্টের মালিক।
খোদা!
দাঁড়ান, এখানে এই তরুণী পার্ট টাইম চাকরি করে না?
সে আসলে এই জায়গার মালিক?
আমাদের সিক্রেট হলো আমার গভীর-ভাজার পদ্ধতি।
তেলের তাপমাত্রা ১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে হবে।
১১ মিনিটের জন্য গভীর-ভাজা হলে চিকেন সবচেয়ে ভাল স্বাদের হয়।
- আর এখন আমরা অপেক্ষা করবো। - যাইহোক, মিস. শিন।
আপনার এখানে চিকেন ভাজার পরিবর্তে কোনো ডেটে যাওয়া উচিত নয়?
আমার বয়স যখন প্রায় দশ বছর,
আমার বাবা হঠাৎ করে বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন।
সেই থেকে, আমার মা...
একটি কঠিন সময় পার করেছেন।
চুলের পিনের মতো সেই জিনিসগুলো হয়তো চিনেন।
আমি সেগুলো দোংদেমুন মার্কেট থেকে পাইকারি কিনতাম...
আর পাতাল রেল স্টেশনে বিক্রি করতাম।
আমার মা এখনও আমাকে বলেন যে আমি সেরা ফ্রাইড চিকেন তৈরি করি।
এই তরুণী তার স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে কঠোর পরিশ্রম করছেন।
শিন রু-মির ভবিষ্যৎ অবশ্যই উজ্জ্বল!
ছংইয়াং মরিচের সাথে ফ্রাইড চিকেন খেতে অসাধারণ!
- অসাধারণ! - অসাধারণ!
ছংইয়াং মরিচের সাথে ফ্রাইড চিকেন খেতে অসাধারণ!
চ্যাম্পিয়ন তরুণ উদ্যোক্তা শিন রু-মি, ম্যাম ম্যাম চিকেন।
হ্যালো, রু-মি।
মিস্টার কিম।
- ওরা আমার দোকান ভাঙতে এসেছে। - কী?
- ওরা এসে গেছে। - ওহ, ঠিক আছে। আমি এখনই আসছি।
- কুত্তার বাচ্চারা! - ধাক্কা দিয়ে ভেঙে ফেল!
- তোরা কোন সাহসে ভাঙচুর করিস? - এদিকে আয় বলছি।
তোদের কি অনুমতিপত্র আছে? জানোয়ারের বাচ্চারা!
- আমাদের পথ থেকে সরে যা! - বেজন্মার বাচ্চারা!
ওকে বের করে আন!
ধর ওকে জলদি।
- ছাড় আমাকে! বেজন্মার বাচ্চারা। - ওকে টেনে বের কর।
খোদা...
ভেঙে ফেল সবকিছু!
ওই, ছাড় আমাকে!
- ওকে এখান থেকে নিয়ে যা। - ছাড় আমাকে!
- রু-মি! - ওকে টেনে নিয়ে যা।
- যাব না! আমি কোথাও যাব না! - ধুর।
- রু-মি! - এটা থেকে দূরে থাক!
- কুত্তার বাচ্চারা! - ওকে টেনে নিয়ে যা!
জলদি কাজটা শেষ কর সবাই।
- জলদি! জলদি কর! - ছাড় আমাকে!
ছাড় আমাকে। আমি যাব না! ছাড় বলছি।
- মা! - নড়াচড়া করিস না।
- মা! - এদিকে আয় শালী।
এখানে আমাকে হেল্প কর।
- মা! বেজন্মার বাচ্চারা... - হারামির বাচ্চা...
- ধর ওকে। - মা!
- ওকে টেনে বের কর। - তার গায়ে হাত লাগাবি না বললাম!
বাল, আমরা ফেঁসে গেলাম।
মরে গেল নাকি?
নিশ্বাস নিচ্ছে? বসকে ফোন কর। এখনই।
ধুর বাল।
মহিলাটা মোটেও নড়াচড়া করছে না।
- আমাদের যেতে দাও! - খোদা, এটা কী হলো?
- মিস. খোয়ন! - খোদা।
- মিস. খোয়ন! - রু-মি!
- না... - রু-মি...
- কুত্তার বাচ্চারা! কে এটা করেছে? - ধ্যাত্তেরি।
প্লিজ কেউ ৯১১ এ কল করো?
পুলিশকে ডাকো!
- বেজন্মার দল। - এই, ৯১১ এ কল করো।
এই বসন্তের পানিতে কী সমস্যা?
মনে হয় এই পানি দূষিত।
আমাকেও কিছু নিতে দিন।
কিন্তু, এটা...
এটার স্বাদ অদ্ভুত।
এই পানি দূষিত হয়ে গেছে।
ধ্যাত, কেন কেউ আমাকে বিশ্বাস করছে না?
হ্যালো।
অপেক্ষা করার সময় এক কাপ কফি উপভোগ করুন।
খোদা, ভয় পেয়েছি।
তোমার কাজ শেষ হলে চলো কফি খাই।
- কফি? - হ্যাঁ।
কফি হলে খাওয়া যায়।
ঠিক আছে।
সক-হন, এতগুলো কফির প্যাকেট কিনে রেখেছ কেন?
কিনিনি।
ব্যাংকে এক গাদা পড়ে থাকতে কিনতে যাব কেন?
কিন্তু ওগুলো তো কাস্টমারদের জন্য।
আমি এখানে শুধু একজন ক্লিনার, তাই কখনই ভাবিনি ফ্রি কফি খেতে পারবো।
এমন ভেবো না।
কেউ কিছুই বলবে না।
এমনকি এখান থেকে টয়লেট পেপারও নিয়ে যাই।
এই যে!
তোমার তো অনেক সাহস!
- তোমার এটা রেখে আসা উচিত। - না, রাখবো না। এটা আমার।
খোদা।
তুমি কফি খাবে না?
না।
আমার পেট খারাপ হয়েছে। বসন্তের পানি খাওয়াত হয়তো।
আজকাল বসন্তের পানি খাওয়ার সময়ও সতর্ক হওয়া দরকার।
শুনেছি ট্যাপের পানি খুব ভালো।
চিন্তা করো না। বাড়ি ফেরার পথে একটু সোজু খেলে ঠিক হয়ে যাবে।
প্লিজ, বেশি খেয়ো না।
তুমি এখন আর যুবক নেই। নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া উচিত।
তোমার দেখাশোনা করারও তো কেউ নেই।
পেটটা একটু মালিশ করে দাও।
ওহ, স্যার।
দেখা যাক। এখন দেখা যাক।
ভাই, বিদায়।
আগামীকাল দেরি করো না।
গতকালও ৩০ মিনিট দেরি করে এসেছিলে।
ঠিক আছে, ঠিক আছে। সে আসলেই বিরক্তিকর।
ম্যাম, কফির প্যাকেটগুলো আমাদের কাস্টমারদের জন্য।
আপনাকে এগুলো নিতে বলেছে কে?
আপনিই তাহলে এতদিন চুরি করছিলেন?
না, এই প্রথম করেছি।
শুনুন, ভেবেছেন আমরা এগুলো আপনার নেওয়ার জন্য ওখানে রেখেছি?
আপনার কি কোনো কমন সেন্স নেই?
ভেবেছিলাম ওগুলো ইচ্ছা হলে খেতে পারব...
তা কেন ভাবলেন!
ম্যাম?
আমার দিকে তাকাবেন? আমি আপনার সাথে কথা বলছি।
দুঃখিত।
ম্যাম, আমাদেরকে এগুলোর দাম আপনার বেতন থেকে কেটে নিতে হবে।
খোদা, বোকা মহিলাটা। একবারে অনেকগুলো
নিয়ে ফেললে, অবশ্যই তারা ধরে ফেলবে।
খোদা, কেমন বোকা।
একটুও চালাকি জানে না।
আমার পেট...
ব্যথা করছে...
না।
না!
হায় সর্বনাশ!
স্যার? এই যে!
একটু শান্তভাবে খেতে পারেন না?
দেখুন কী করেছেন!
- দুঃখিত। - বাড়ি চলে যান।
উঠে বাড়ি যান!
আহ্...
ওহ, খোদা।
হ্যালো?
হ্যালো?
বাবা।
রু-মি বলছি।
মা মারা গেছে।
ভাবলাম তোমার জানা উচিত।
খোদা, রু-মি...
তোমার জন্য খুব কষ্ট হচ্ছে।
আহারে মেয়েটা...
রু-মি। নিজেকে শক্ত করো।
দুঃখিত আমরা থাকতে পারছি না।
ঠিক আছে। আপনাদের যাওয়া উচিত।
খোদা...
সোনা, এসো। চলো যাই।
ওহ, খোদা...
আহারে মেয়েটা।
শান্ত হও।
আমি ভালো থাকব।
- নিজের যত্ন নিও। - ভেতরে চলে যাও।
- বিদায়। - চলো।
- বিদায়। - বিদায়।
খোদা...
তোমাকে হঠাৎ করে ডাকার জন্য দুঃখিত।
ও কি অসুস্থ ছিল?
হঠাৎ করে হয়ে গেল।
তোমাকে ফোন করেছি কারণ তোমার নম্বরটা মায়ের ফোনে পেয়েছি।
মানে...
তুমি তো আমার বাবা।
কিছু খেয়ে নাও।
- রু-মি। - কুত্তার বাচ্চারা!
এখানে পা রাখার সাহস হলো কী করে!
- থামুন। - তোদের লজ্জা করলো না!
- চুপ থাকুন, প্লিজ। - ছেড়ে দাও আমাকে!
- আমরা সমবেদনা জানাতে এসেছি। - এমন করছেন কেন?
- ম্যাম, প্লিজ। চুপ থাকুন। - ছাড়ো। ছাড়তে বলেছি।
- ওই কুত্তার বাচ্চাটা... - এমন করছেন কেন?
- এসব কী! - প্লিজ, যথেষ্ট হয়েছে।
- এসব কী বাল? - এই মেয়েটা...
রু-মি।
ওই, চুলে পার্ম করিয়েছিস?
- হেয়ার ট্রিটমেন্টও নিয়েছি। - খোদা, বলদ কোথাকার।
কী? বলদ?
মিস্টার মিন।
ভেবেছিলাম আপনাকে আদালতে দেখব।
আমরা একে অপরকে আদালতে দেখব কেন?
রু-মি, তুমি আমার জীবনকে অনেক কঠিন করে তুলছ। আমি সত্যিই ক্লান্ত।
- কেন আপনি... - ওই।
তোমার মা গাড়ি চালানোর সময় মারা গেছেন।
আমাদেরকে দোষ দিচ্ছ কেন?
তুমি অবশ্য এরকমই ভাববে কারণ তুমি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর অবস্থায় আছ।
- কী? বিভ্রান্তিকর? এই, ছাড়ো। - এই, থামো বলছি।
- কী হচ্ছে এখানে? - ছাড়ো আমাকে!
আমাকে ছাড়তে বলেছি!
- খোদা! - সাহস হয় কী করে আমাকে বিভ্রান্তিকর ডাকার!
- যথেষ্ট হয়েছে। - এসব কী?
আরে, মিস্টার মিন।
এই দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। আমরা আইন অনুসারে চলছি না কেন?
No comments yet. Be the first to leave one.