The Menu

The Menu

Download Bengali undertekster

Udgivelsesinfo

The Menu (2022)-BluRay Bangla Subtitle by Mohammad Yousuf
En kommentar af Luca

Tags

bluray
Udgivet den: 2025-02-18
Downloads: 89
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

প্রিয়তমা!

প্লিজ, ধূমপান করো না। এটা তোমার ক্ষুধা নষ্ট করে ফেলবে!

আমি তাহলে খুশিমনে ক্ষুধার্ত পেটে মারা যাব।

হেই!

মার্গোট, আজকের রাতটা বেশ উত্তেজনাময় রাত, বুঝেছ?

খাবারের ঘ্রাণ মানুষের রুচিকে চাঙা করে দেয়!

ধূমপান করলে সেই মনোহর ঘ্রাণের ঠিকমত কদর করতে পারবে না!

আরে, কী শুরু করলে!?

প্লিজ, তোমাকে মিনতি করছি!

তোমার ইচ্ছাই সই! জেসাস!

অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে!

ওহ! ঈশ্বরকে ধন্যবাদ!

এই বোটে কি সবার জায়গা হবে?

আরামসে হবে। সব মিলিয়ে বারোজন কাস্টোমার আসবে।

এক রাতের মেহমানের সংখ্যা?

ওরা লাভ করে কীভাবে?

প্রতিজনের বিল ১২৫০ ডলার। এভাবেই তারা মুনাফা করে।

তুমি নিশ্চয়ই মজা করছ, ঠিক?

আমরা কি এখানে রোলেক্স ঘড়ি চাবাতে এসেছি?

ধুরো, খাবারের দরদাম নিয়ে বকবক করে সময়টা বরবাদ করো নাতো!

শুধু দেখে যাও।

সময়টা দেখবে মন্ত্রমুগ্ধের মতো কাটবে!

- আরে, পয়সা তো খরচ হবে তোমার! - সেটাই।

- খারাপ না! - থ্যাংক্স, দোস্ত!

এটা তোমার প্রাপ্য, সোনা!

এখানে কে আসতে পারলে বেশি খুশি হতো জানিস? বেটি?

আমরা এখানে টাকা পয়সার শ্রাদ্ধ্য করতে এসেছি!

এটা তো কোনো ক্লায়েন্ট ডিনারও নয়!

মানে, আমরা বুদ্ধু, সেটাই তো বলতে চাচ্ছিস?

হ্যাঁ, ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য পাগল!

এখানে তারা এসেছে নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য!

হাই, বন্ধুরা!

তোর পকেটে কি টাকা কুড়কুড় করছিল?

আরে, টাকা আসবে আর যাবে! এটা কোনো ব্যাপার না!

বাহ!

হে ঈশ্বর!

এ যে দেখছি লিলিয়ান ব্লুম!

এই লিলিয়ান ব্লুম'টা আবার কে?

"সেভ্যুর" পত্রিকার বিশিষ্ট ফুড ক্রিটিক!

সে-ই আসলে স্লোয়িককে খুঁজে বের করেছে!

ওকে, আনুষ্ঠানিকভাবে একটা কথা বলে রাখি!

আজকের রাতটা হতে যাচ্ছে পাগলামোতে ভরা একটা রাত!

হোথর্নের উদ্দেশ্যে একটু পরেই যাত্রা শুরু করব!

হোথর্ন! সবাই!

অসাধারণ!

লেডিজ এন্ড জেন্টলম্যান..

হোথর্ন আইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে একটু পরেই আমরা যাত্রা শুরু করব।

- ধন্যবাদ আপনাদেরকে! - আহা!

সমুদ্রের বুকে আছি আমরা!

প্রার্থনা করুন যেন এটা আমাদের গিলে খেয়ে না নেয়!

সেটা আমাদেরও চাওয়া, স্যার!

কিছু মনে করবেন না! জোক করলাম!

- সমস্যা নেই! - বোটে এখন আমরা!

- হ্যাঁ, আমরা বোটে এখন! - জ্বি, বোটে আছি সবাই!

বাহ, আমাদের সাথে দেখছি আজ একজন সেলিব্রিটিও আছেন!

হায় ঈশ্বর! দেখো কে এসেছে!

তোমার না আমার সাথে ঝগড়া করার কথা ছিল?

খেয়াল রেখো মানুষ যেন আমাকে বিরক্ত না করে।

খোদা, আমরা দু'জনেই জানি তুমি উল্টো এসব পছন্দ করো!

শৈশবে আমি উনার সবগুলো মুভি দেখেছিলাম।

হেই শোনো...

উনি কিন্তু বেশ বড়মাপের একজন ভোজনরসিক ব্যক্তি।

শেফ স্লোয়িক আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছেন...

স্থানীয় ঝিনুকের সাথে মিওনের নির্যাসের মিশ্রন সহযোগে...

সাথে আছে লেমন ক্যাভিয়ার এবং ঝিনুকের পাতার চূর্ণ, উপভোগ করুন।

- অসাধারণ! ধন্যবাদ আপনাকে! - ধন্যবাদ।

এটা উনার বিখ্যাত একটা রেসিপি।

লেবুর এই মুক্তোর সম্মিলন তৈরী হয়েছে অ্যালজিনেট থেকে।

অ্যালজিনেট বলতে...

এক ধরনের শৈবাল!

ঠিক ধরেছ।

- পুকুরের আবর্জনা আরকি! - না, সেরকম নয়...

সুস্বাদু!

হে খোদা!

এটা বেশ অসহ্যকর!

বেশ অসহ্যকর প্রকৃতির সুস্বাদু খেতে এটা!

- দারুণ খেতে! - হুম্ম!

আমার না ঝিনুক দিয়ে বানানো খাবার ভালো লাগে!

না, না, এটা আসলে উপাদানগুলোর মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্য বজায় রাখে!

মুখভর্তি মিওনের নির্যাস দরকার তোমার।

প্লিজ, এভাবে বলো না!

বড্ড দেরিতে মানা করেছ। মুখের সম্পূর্ণটা ভর্তি থাকবে।

হাই!

ধন্যবাদ!

মনে হচ্ছে প্রমের অনুষ্ঠানে এসেছি!

তাই? আমি না কখনো প্রমে যাইনি!

সত্যি? কেন?

কারণ, তোমার মতো কোনো সুন্দরী মেয়ে তখন আমাকে পাত্তা দেয়নি।

আহা, বেচারা!

ওসব মুখপুড়ি চুলোয় যাক!

- ব্রাইস। - স্বাগত।

স্বাগত মি. লরিম্যার।

- হ্যালো, ফেলিসিটি লিন। - স্বাগত জানাই আপনাদেরকে।

- আমি ডেমিয়েন গার্সিয়া। - এবং মি. জর্জ ডিয়াজ।

- মি. ডিয়াজ, স্বাগত জানাচ্ছি আপনাকে। - আমার আসল নাম বলে দিলে?

হ্যাঁ, এখানে সবার আসল নামই দিতে হয়!

- পাপারাজ্জি উৎপাত করলে? - ধন্যবাদ এখানে আসার জন্য।

পাপারাজ্জি? আমরা ছোটখাট একটা দ্বীপে যাচ্ছি।

সেজন্যই তোমার আসল নাম দিতে কুন্ঠাবোধ করিনি।

হোথর্নে স্বাগত জানাচ্ছি।

মি. লেডফোর্ড এবং মিস ওয়েস্টারভেল্ট?

ওহ, না...।

আসলে দুঃখিত, ওর জায়গায়...

কিছু পারিপার্শ্বিক কারণে প্ল্যান বদলে গেছে।

তাই মিস ওয়েস্টারভেল্ট আসতে পারেননি। ও হচ্ছে মিস...

আমি মার্গোট।

হাই, ধন্যবাদ আপনাকে।

মার্গোট, স্বাগত জানাচ্ছি।

আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব আজ আপনার সন্ধ্যাটা যেন বেশ মনোমুগ্ধকরভাবে কাটে।

- ধন্যবাদ। - এদিক দিয়ে যান।

ধন্যবাদ।

সোনা, আমি অত্যন্ত দুঃখিত!

বেশ বিব্রতকর ছিল ব্যাপারটা। আমার উদ্দেশ্য ওরকম ছিল না।

সমস্যা নেই, বাদ দাও।

এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ো না।

আবারও সরি।

মি. লিব্র্যান্ট, মিসেস লিব্র্যান্ট, স্বাগত জানাচ্ছি।

যদি কিছু মনে না করেন, আমরা সোজা রেস্টুরেন্টে যেতে চাচ্ছি।

আমরা আশেপাশের এই প্রাকৃতিক দৃশ্য আগেও দেখেছি।

জ্বি, সেটা তো অবশ্যই।

আমার সম্মানিত মেহমানেরা এদিক দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে নিজেদের কথোপকথন চালিয়ে যেতে পারেন।

ধন্যবাদ সবাইকে। প্লিজ, আমাকে অনুসরণ করুন।

তাহলে, এখন আপনি কোন মুভির শ্যুটিং এ ব্যস্ত?

অসংখ্য ধন্যবাদ প্রশ্নটার জন্য। দেখলে, মানুষ এখনো ভোলেনি!

বর্তমানে বলতে পারেন আমার ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে আছি।

আমাকে তো চেনেনই আপনারা।

হোথর্ন আইল্যান্ড ১২ একর জুড়ে বিস্তৃত বন এবং তৃণভূমির এক মিলনমেলা।

সমুদ্র তার অপার মহিমায় আমাদেরকে এখানে আশ্রয় দিয়েছে।

হুম, সেটাই তো দেখতে পাচ্ছি।

ওখান থেকে এখন আমরা শামুক আরোহণ করছি।

আজ রাতে এগুলো আপনাদের আহার হবে।

- আরে, মাথানষ্ট ব্যাপারস্যাপার দেখছি! - তাইতো দেখছি!

এই যে ভাই!

আমার প্লেটে শামুকের দেখা পেতে চাই!

ক্ষুধায় আমাদের পেট চোঁ চোঁ করছে!

কী অভাবনীয় দৃশ্য!

পুরো দ্বীপটাকেই না রন্ধনশালার বিশেষ কোনো অংশ বলে মনে হচ্ছে।

ঠিক বলেছ। ইন্দ্রিয়কে সর্বোচ্চ তৃপ্তি প্রদানের এক সুষম ব্যবস্থা!

না, এটাকে আমি রন্ধনশালার অংশ বলতেই আগ্রহী।

হ্যাঁ, সে ব্যাপারে আমিও দ্বিমত পোষণ করছি না।

আমরা মনে হচ্ছে পাহাড়ের চূড়ায় কোনো বেজক্যাম্পে এসেছি!

বিশ্বাসই হচ্ছে না।

শুঁকে দেখো।

হুম্ম!

জায়গাটা ক্ষুধাটাকে আরো উস্কে দিচ্ছে।

হ্যাঁ, ভোজনরসিক হিসেবে আমি বেশ সৌখিন!

এরকম আয়োজনে আসতে দারুণ লাগে আমার!

আর আমি শেফের বলতে গেলে বেশ কাছের বন্ধু।

ওকে, খাদকের দল!

আমাদের নর্ডিক ঐতিহের আমিষের খনিতে এখন আমরা পা রাখতে যাচ্ছি।

আমরা রন্ধন প্রক্রিয়ায় শুধু গরুর মাংস ব্যবহার করি..

যেটা সংগ্রহ করা হয় ১৫২তম দিনে বিশেষ প্রক্রিয়ায় এভাবে সংরক্ষণ করার পর।

- আরে, জোশ তো! - আমরা ভেতরে যেতে পারি?

- দোস্ত, অনলাইনে এভাবে মাংসের সংরক্ষণের ব্যাপারে পড়েছি। - আমাকে মেসেঞ্জারে লিংকটা দিস তো!

- কোরিয়ান বারবিকিউ! - ইয়েস!

অনুরোধ রইলো, আমাদের আমিষের ভান্ডারকে এভাবে ছোঁবেন না। ওগুলো এখনো অপরিপক্ক।

ধরেন, ১৫৩তম দিনে এটা সংগ্রহ করলেন, তারপর?

আমাদের শরীরের হাড্ডি আস্ত থাকবে না?

সেরকম ক্ষেত্রে, ব্যাকটেরিয়া গ্রাহকদের রক্তপ্রবাহে এবং মেরুদন্ডের শাখা প্রশাখায় ছড়িয়ে যাবে।

তারপর, গ্রাহক পুরুষ কিংবা মহিলা যে-ই হোক হঠাত...

করে প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারে।

হ্যাঁ, আক্ষরিক অর্থেই তখন হাড় থেকেও লাভ হবে না।

বিষয়টা এখন আমরা সবাই অবগত হলাম, তাই না?

উনার হয়ে আমি কাজ করতে চাই!

- আসলেই! - জোশ!

এটাই আমাদের বাসস্থান।

মানে? আপনারা সবাই এখানে থাকেন? সবাই?

জ্বি, আমরা সবাই।

শুধু শেফ বাদে।

অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব, না?

না, মি. ফ্যাল্ডমেন, এটা বন্ধুত্বের চেয়েও বেশি কিছু।

এখানে আমরা সবাই একটা পরিবার।

আমাদের দিন শুরু হয় ভোর ৬.০০ টায়, পরের ৫ ঘন্টা কাটে কঠোর পরিশ্রম করে।

আমরা আহরণ করি, সেটাকে সংরক্ষণ করি, পশু জবাই করি, মাংস সংরক্ষণ করি।

পানীয়ের সংস্থান করি, সবকিছু পরিপাটি রাখি।

একসাথে মিলে কাজ করি।

- তারা একসাথে মিলে... কাজ করে? - হ্যাঁ।

আমরা একসাথে মিলে কাজ করি।

ডিনারের সময় সব মিলিয়ে চার ঘন্টা পঁচিশ মিনিট।

প্রতিদিন ২.০০ টার দিকে আমাদের কাজ সম্পন্ন হয়।

একসাথে কাজ করি বলে থাকাও হয় একসাথে।

আপনাদের কখনো একঘেয়েমিতে পেয়ে বসে না?

- একঘেয়েমি বলতে? - সরি, সরি...

মানে, একই কাজ বারবার করতে মনে অনীহা জাগে না?

শেফ তার কাজকে জগতের সবকিছুর উপরে স্থান দিয়েছেন, একইসাথে আমরাও।

খাবারের মান বজায় রাখতে হলে একঘেয়েমিতে ভোগা যাবে না আমাদের।

এখন বলুন, কার খিদে পেয়েছে?

এই পথটা পেরোনোর পর খাবারের দেখা পাবো, তাই না?

বোট থেকে সোজা ডিনার টেবিলে!

এলসা!

মাফ করবেন!

এলসা, এলসা, হাই!

ওখানে কে থাকেন?

শেফ।

আমরা বাড়িটা ঘুরে দেখতে পারি?

শেফের বাড়িতে আমরা নিজেও প্রবেশের জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত নই, মি. লেডফোর্ড।

চলো।

আমাদের মহামান্য সম্রাটকে বিরক্ত করা মোটেও উচিৎ হবে না!

কথাটা মন্দ বলোনি।

গ্রেটেস্ট অফ অল টাইম বলতে কি গোট বোঝায় না?

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left