De første 200 linjer.
:.:.: Let's Fight Ghost :.:.: Episode 08 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
উফ, ওর চেহারাও কী দারুণ ফটোজেনিক!
এত্ত সুন্দর।
দাঁড়াও, এই শব্দ কোথা থেকে আসছে?
এখানে হয়তো...
ওহ খোদা।
বিরক্তিকর ব্যাপার, এখানে পর্যন্ত চলে এসেছে ও!
এবার তো একটা ঝামেলা বাঁধল।
তুমি...আমাকে দেখতে পাচ্ছো?
কী করা উচিত আমার?
কী দেখেছ এখানে?
কিম হিউন জি।
জানতাম।
- কিউং জা। - হিউন জি, কোথায় যাচ্ছিস?
- আমি একজনকে ফলো করছি। - কাকে?
- পরে বলবোনে। বাই! - বাই!
আমাকে বিরক্ত করো না।
সিনিয়র, আপনি ঠিক আছেন তো?
হ্যাঁ, উনারা বলেছেন এক মাসের মধ্যে আমার হাত ঠিক হয়ে যাবে।
- আমাকে এখানে নিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ। - না, সমস্যা নেই।
- সিনিয়র, আমি দুঃখিত, কিন্তু আমার যেতে হবে। - ওহ, শিওর।
আশা করি আমার জন্য তোমার এপয়েন্টমেন্টের দেরি হয়ে যায়নি।
না, সমস্যা নেই। স্কুলে দেখা হবে।
- থ্যাংকস। - শিওর।
হিউন জি!
ও কি ভেতরে অপেক্ষা করছে?
স্যার, আপনি ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না কারণ আমরা বন্ধ করে ফেলেছি।
- আমি একজনকে খুঁজছি... - এক্সকিউজ মি?
কিছু না।
হিউন জি।
হিউন জি।
কিম হিউন জি।
কোথায় গেল ও?
হিউন জি!
এখানে তুমি!
দুঃখিত সময়মতো আমি আসতে পারিনি।
কেন আসতে পারোনি?
ব্যাপারটা হচ্ছে...
একটা জরুরি কাজ পড়ে গিয়েছিল।
দুঃখিত। অন্য কোনো সময় পার্কে যাবোনে।
- আচ্ছা। - অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছিলে?
না! যখন তুমি আসছিলে না তখন চলে এসেছি।
যাক বাঁচা গেল। ভেবেছিলাম তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করছিলে।
তোমার জন্য কেন এতক্ষণ অপেক্ষা করব?
এই লোকটাকে আগে দেখেছেন?
উচ্চতা প্রায় ১৭৪ সেন্টিমিটার, বয়স ৪৪ বছর।
ওর নাম পার্ক জি হুন।
ইয়াংজু গ্রামের ওই বোর্ডিং হাউজটা চেনেন? ওখানে থাকে।
এই প্রথম ওনাকে দেখছি।
সন্ন্যাসী, এখানে কদাচিৎ দুর্ঘটনা ঘটে।
কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে, সাথে সাথেই আমরা খবর পাই।
এই লোকটাকে আমি এর আগে কখনও দেখিনি।
আমি এখন রিপোর্ট করছি, প্লিজ পেছনের পাহাড়গুলোতে গিয়ে এলাকাটা অনুসন্ধান করুন।
কীসের অনুসন্ধান?
মানে? মাত্রই আপনাকে ছবিটা দেখালাম।
পাথরটা পুরো লাল হয়ে আছে!
দেখুন এই সবুজ পাথরটার পাশে এটা কতটা লাল!
কিছু একটা ঘটেছে, তাই প্লিজ গিয়ে সার্চ করুন!
এটা কোনো কাজে আসবে না।
এই থানায় অনুসন্ধানে যাওয়ার মতো যথেষ্ট লোকবল নেই।
তাহলে কী করবেন? এটা তো ঠিক না!
প্লিজ, যথেষ্ট হয়েছে। এত আপসেট হলে, এটা পূরণ করুন।
পুরো পাহাড়ে রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে!
রিপোর্ট লিখে কিচ্ছু হবে না!
দয়া করে এখানে রাগ দেখাবেন না। স্রেফ রিপোর্টটা পূরণ করুন।
কীভাবে পূরণ করব?
কোথায় এটা?
প্যাকেজটা কোথায়?
বল।
তোর মনে হয় আমি তোকে বলব?
ওই বাচ্চাটা মারা গিয়েছে তোর কারণে।
জানিস সেটা?
ওই বাচ্চাটা মারা গিয়েছে কারণ তুমি আমাকে বলিসনি।
বল।
যদি না বলিস...
তোর ছেলে মারা যাবে।
এটাই তোর শেষ সুযোগ।
বল!
- তুমি যাবে না? - কোথায়?
- স্কুলে। - না, যাবো না।
আমি বাসায় থাকব।
অবাক করা ব্যাপার। তুমি সবসময় আমাকে ফলো করো।
তাই বলে প্রতিদিন তোমাকে ফলো করতে হবে?
আচ্ছা তাহলে, ঘরে থাকো। আমি গেলাম।
হুম, আমি ঘরেই থাকব!
এরকম "উদাসীন" ভাব ধরতে আমি একদম পারি না।
আমি তো কখনও ওকে বলিনি আমাকে ফলো করতে।
ও-ই সবসময় আঠার মতো পেছনে লেগে থাকে।
খোদা, ও পাশে না থাকলে কত শান্তি লাগে!
ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে!
- কতক্ষণ যাবত তুমি এখানে? - মাত্রই এলাম।
কী বলছিলে বিড়বিড় করে?
কিছু না।
আমাকে ফলো করছো কেন?
তোমাকে ফলো করছি না। আমি নিজের মর্জিতে এসেছি।
আচ্ছা... আমি নিশ্চিত তাই হবে।
এত কিউট কুকুরছানার মতো হাসির কারণ কী? কাকে দেখছিস?
এই ছবিটা আমাদের পিকনিকের সময়কার।
কাকে দেখে এভাবে হাসি ফুটছে...
না। না... স ইয়ন না।
অসম্ভব! কখনোই না!
বং পাল যদি জানতে পারে কী করবি?
পাগল নাকি তুই? হাহ? বিশ্বাসঘাতকতা করছিস!
- ওর জন্য কীভাবে তোর ফিলিংস আসে... - কী যা তা বলছিস?
স ইয়নের জন্য আমার ফিলিংস আসবে কেন? হাস্যকর কথা বলছিস।
তাহলে কার জন্য?
তাহলে...
আমার জন্য?
হ্যাঁ, নে আমাকে। আমার দেহ ভোগ কর।
না! সর আমার থেকে!
আও, আমার দুদু!
কে তাহলে? বং পাল?
না।
হ্যালো।
বং পাল, যতবার ও তোমার দিকে তাকায় ও মুচকি হাসে। ওর আচরণ অদ্ভুত মনে হচ্ছে।
না, মোটেও না! মিথ্যা কথা!
তাহলে কাকে দেখে হাসছিস?
দেখ।
কী এটা?
কোনো ভূত? এটা কোনো ভূতের ছবি?
এই, এটা আমি! আমাকে ক্যামেরাবন্দি করেছে!
আমার এঞ্জেল।
তোর এঞ্জেল। এঞ্জেল? যে এঞ্জেলকে পিকনিকে দেখেছিলি?
হ্যাঁ, ওই এঞ্জেল।
ও বলছে আমি এঞ্জেল।
এঞ্জেলের খ্যাতা পুড়ি।
যখন আমি সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে পড়ছিলাম...
আমার এঞ্জেল যদি না থাকত... আমি মারা যেতাম।
সে সময় এঞ্জেল আমাকে জিজ্ঞাসা করল...
"তুমি ঠিক আছো?"
এ কথা দিয়েই ও আমাকে বাঁচাল আর আমার মন চুরি করে নিল।
ওহ খোদা, মনে হয় ও আমার প্রেমে পড়েছে, তাই না?
সেই মুহূর্তে...
তোর মাথায় মনে হয় তখন একটা গর্ত হয়েছিল।
ওই ভূত তোর মন চুরি করেনি, তোর বুদ্ধি চুরি করেছে!
- স্বপ্ন দেখা বাদ দে! - ভূত হলেই কী!
দেখ!
কী সুন্দরী, নম্র আর কিউট।
- কী মনে হয়? - ও নম্র?
- ওকে সুন্দর দেখাচ্ছে। - ও কিউট?
আমি অনেক সুন্দরী নিশ্চয়ই। প্রথম দেখায় ও প্রেমে পড়ে গেছে।
- তাই না? - ওহ প্লিজ। খুশি এবার?
কেউ একজন আমাকে পছন্দ করার কথা বলেছে। তুমি এটা শুনলে খুশি হতে না?
যাইহোক, সে স্বাভাবিক না।
- কে? - কে আবার? সিনিয়র ইন রাং।
ছুন সাংকে বুঝতাম কারণ সে স্বভাবতই অদ্ভুত।
কিন্তু সিনিয়র ইন রাং আরও বেশি অদ্ভুত।
একদম না, সে মোটেও অদ্ভুত না।
আমার দিকে তাকানোর পর এটা স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।
তুমি হলে অদ্ভুত।
আজ তোমাকে কিছুটা ওভারকনফিডেন্ট মনে হচ্ছে।
ও দারুণ সুন্দরী, কিন্তু হাসলে ওকে আরও বেশি সুন্দর লাগে।
সত্যিই, হাসলে ওকে ঠিক পরীর মতোই মনে হয়।
কী করছো? জলদি করো।
ওর মাঝে এত সুন্দরের কী আছে?
সিনিয়র ইন রাং আস্ত পাগল।
মেয়েটা হাতে ব্যথা পেয়েছে।
বং পাল।
হ্যালো, সিনিয়র।
তোমাকে গতকাল ঠিকমতো ধন্যবাদও জানাতে পারিনি।
আমার সাথে যদি হাসপাতালে না থাকতে তাহলে আমার অবস্থা খুব খারাপ হতো।
আমার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
তুমি বলেছিলে তোমার একটা এপয়েন্টমেন্ট ছিল। আমার কারণে তোমার দেরি হয়ে গিয়েছিল?
- আহ... হ্যাঁ, বেশ... - কী?
ওই মেয়ের সাথে ছিল বলে ও ব্যস্ত ছিল।
যদি কিছু মনে না করো, আমি তোমাকে আজ ট্রিট দিতে চাই। কী বলো?
- সমস্যা নেই। - আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য।
ওকে।
- হ্যালো। - হ্যাঁ, হ্যালো।
ক্লাস শুরুর আগে আমার কিছু বলার আছে।
তোমাদের মাঝে কেউ কেউ হয়তো ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে জানো।
তোমার ক্লাসমেট নো হিউন জু দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
হিউন জু এর শেষকৃত্যের তথ্যাদি ক্লাস ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।
তোমরা যারা ওকে চেনো, তারা ওর শেষকৃত্যে উপস্থিত হতে পারলে ভালো হবে।
ওকে, নাম ডাকা শুরু করছি।
- কিম ওহ ছাং। - আছি।
ওকে।
- না জিন সু। - উপস্থিত।
ধন্যবাদ।
- পার্ক বং পাল। - লাব্বাইক।
ধন্যবাদ।
ভাগ্যবতী তুমি বেঁচে আছো।
আর বং পাল তোমাকে পছন্দও করে।
ওকে, আজ এ পর্যন্তই। ধন্যবাদ সবাইকে।
ধন্যবাদ।
বং পাল, কী খাবে? চলো তোমার পছন্দের খাবার খাওয়া যাক।
দুঃখিত সিনিয়র, তবে আজকের প্রোগ্রামটা বাদ দেওয়া যাক।
- আমাকে বাসায় যেতে হবে। - কী?
- দুঃখিত। - আচ্ছা।
হ্যালো।
- হ্যালো। - জি, হ্যালো।
- কোথাও যাচ্ছেন? - হ্যাঁ, একটা সেমিনার আছে।
কী ব্যাপার?
তেমন কিছু না আসলে। সেদিন একটা প্রশ্ন করতে ভুলে গেছি।
কী?
ন হিউন জু যেদিন খুন হয় সেদিন আপনি কোথায় ছিলেন?
আহ, প্রটোকলের জন্য জিজ্ঞাসা করতে হচ্ছে, তাই প্লিজ চিন্তা করবেন না।
সেদিন আমি হাসপাতাল ক্লিনিকে ছিলাম।
হাসপাতাল ক্লিনিকে?
বুঝতে পেরেছি। ব্যস্ততার সময়ে বিরক্ত করার জন্য ক্ষমা চাইছি।
No comments yet. Be the first to leave one.