De første 200 linjer.
খোদা।
ওহ খোদা।
- এটা... - বিশ্বাস-ই হচ্ছে না।
গভর্নর সাহেব!
গভর্নর সাহেব!
এই যে।
অবশেষে ডিজাইনটা বেরিয়েছে।
দেখুন। ওররে।
আদুরে না?
এটাকে সুন্দর বলে?
আরে, কুন সাহেব। আজকাল বাচ্চারা অন্যরকম জিনিস পছন্দ করে।
লাইসেন্স করা পণ্যদ্রব্য বেচে যে লাভ হয় শুনলে চমকে যাবেন।
যদি সেরকম হয় তো ঠিক আছে।
যাকগে, অভিযোগকারী সন্ন্যাসীগুলোর খবর কী?
ওটা না তোলার জন্য তারা কিছু হাস্যকর যুক্তি দেখিয়েছে,
কিন্তু জেলা অফিস অভিযোগগুলো নাকচ করে দিয়েছে।
চিন্তা করবেন না।
কে জানতো জিনইয়াং-গুনে এমন গুপ্তধন আছে?
জিনিসটা সম্পর্কে বলো তো। যেতে পারি?
কুন সাহেব, এই বিষয়ে পরে কথা বলবো।
আচ্ছা, বুঝেছি।
ওহ খোদা।
- এদিকে। - এসে পড়েছি।
কত্তো... বিশাল রে।
হ্যাঁ, একদম।
চোখের চারপাশে ওটা কী?
ওটা সাফ করা লাগবে।
- জি, অবশ্যই। - ওই যে।
রঙ চটে গেছে নাকি পট্টি ওটা?
দেখে চোখের পট্টির মতোই লাগছে।
উন সেওক!
- জি, স্যার? - চোখের ওপরের জিনিসটা।
নষ্ট না করে ওটা সরাও আর পরিষ্কার করে রেখে দাও।
জি, স্যার।
অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄
ভাগ।
ভাগ!
উন সেওক, কী করছো?
স্যার।
বলেছিলাম জলদি কাজ সারতে অথচ এখনো এখানেই পড়ে আছো।
আবিষ্কারটা অনেকের মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছে,
তাই জিনিসটা সাবধানে নেবে...
আর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেবে।
জি, স্যার।
ওই কাপড়টাও।
বুঝেছি, স্যার।
নাও।
এক হাতে টাকা নেওয়ার সাহস হয় কী করে?
ইয়ার্কি হচ্ছে?
ধুত্তুরি।
চাহনি তো সেই অস্থির।
ভেতরে যাও।
আজ বাসায় থাকা যায় না?
মনে কু ডাক দিচ্ছে।
মানে কী?
কাল রাতে একটা ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখেছি...
আর পেটও ব্যথা করছে।
সেজন্যই ভেতরে থাকতে বলেছিলাম।
দুশ্চিন্তা বাদ দিয়ে ঘরে যাও।
অন্তত বাবুকে শুভকামনা জানিয়ে যাও।
তোমার মা খুব একটা ভালো বোধ করছে না, তাই আজ তাকে কষ্ট দিও না।
আমি শিগগিরই চলে আসবো।
দেখা হবে।
- জলদি বাড়ি ফিরো। - ফিরবো।
হ্যাঁ, আজকের আবহাওয়াটা দারুণ।
দিনটা ফুরফুরে মেজাজে শুরু করলে কেমন হয়?
ধুর। ইয়ার্কি মারাচ্ছো?
ওঠ। তোর দেরি হচ্ছে।
ওঠ।
বাসের জন্য ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।
আবারো ঝাড়ি খেতে চাস তুই?
তুই গ্রেপ্তার হসনি, জানিস তো।
পাশের সিটে এসে বস।
যে কেউই বলবে যে আমি গ্রেপ্তার হয়েছি।
মা'র সাথে স্কুলে যাওয়া ভালো ব্যাপার না?
পথে কথা বলতে পারি...
ব্যস গেটের সামনে নামাবে না।
জি, স্যার। রওয়ানা দিলাম।
১৯১৫ সালে, সেওকগুরাম পুনঃসংস্কারের চেষ্টা করার সময়,
জাপান একটি নির্মাণ কৌশল চালু করে যা সেই সময় নতুন ছিল।
সিমেন্টের ব্যবহার।
আর্দ্রতা রোধ করার জন্য সবখানে সিমেন্ট লাগানো হতো,
কিন্তু এতে ভেতরের দেয়াল আর মূর্তি স্যাতস্যাতে হতো ও শ্যাওলা জন্মাতো।
মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস...
পানির অণুর গতি কমিয়ে দিতে পারে।
এতে স্যাতস্যাতে অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে...
এই বিষয়টি ১,০০০ বছর আগের লোকজনও জানতো।
কিন্তু ১,০০০ বছর পর যারা ধ্বংসাবশেষগুলো উদ্ধার করেছিল...
এ সম্পর্কে একদম অজ্ঞ ছিল।
স্টুডেন্টস,
অতীতের কিছু ধ্বংসাবশেষ বা ঘটনা হয়তো মাটি চাপা থাকাই ভালো।
যদি সেটা আমরা বুঝতে বা ব্যাখ্যা করতে না পারি,
আজ এটুকুই।
আগামী সপ্তাহের ক্লাসের আগ পর্যন্ত,
গোরিওর ধর্মীয় স্থাপত্য নিয়ে পড়াশোনা কোরো।
তোমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে।
- সিরিয়াসলি? - ইয়ার্কি হচ্ছে?
হ্যালো।
ইদানীং কী শিখছো?
সাংস্কৃতিক সম্পদ।
সাংস্কৃতিক সম্পদ? কী বোরিং।
- এটা কি প্রফেসর মিন ইয়ং সু'র? - সিরিয়াসলি!
প্রফেসর মিন এটা জানে না।
এশিয়ার আসল রহস্য।
ওখানে আমাদের সব ইতিহাস আছে।
যদি ওটায় সাবস্ক্রাইব করো নতুন এক দুনিয়ায় চলে যাবে।
- মানে আসলেই নতুন দুনিয়ায়। - খোদা।
- কোনো প্রশ্ন? - উদ্ভট তো।
কোনো প্রশ্ন?
প্রথম মাস ফ্রি?
প্রথম মাস ফ্রি,
- কিন্তু চাইলে পয়সা দিতে পারো। - কী?
প্রথম মাসের পয়সাও দিতে পারো।
এসব কী?
- হ্যালো। - হ্যালো।
ধুত্তুরি।
এই। পোলাপান। দেখো।
যদি আগ্রহী হও, ইউটিউবে একটা কমেন্ট কোরো।
লাইক আর সাবস্ক্রাইব করতে অবশ্যই ভুলবে না।
- ইয়ং সু। ধুরো। - তোমাকে সময়মতো আসতে বলেছিলাম।
এখানে ধান্দা করতে বলিনি।
আগেই চলে এসেছি। এক ঢিলে দুই পাখি মারছিলাম আর কি।
দেখা করতে চেয়েছিলে কেন?
সাথে এসো।
ছুড়ে না মারলেও তো চলতো।
- "মাসিক রহস্য পত্রিকার" সাবস্ক্রিপশন? - হ্যাঁ।
- মানুষ আসলেই এর জন্য টাকা দেয়? - হ্যাঁ।
এখন সাবস্ক্রিপশনের-ই জমানা।
তোমারও অ্যাকাউন্ট খোলা উচিত।
পেছনে এগুলো কী?
ধরো না।
এটা মঙ্গোলিয়ার তাতারদের প্রতীক।
এটা কাছাকাছি রাখলে, পয়সা আসে।
কোনো জাদুকর এঁকেছে এটা?
না, eBay থেকে দশহাজারে কিনেছি।
ওরে খোদা।
দাঁড়াও।
আমাকে এতোবার কল করেছিলে কেন? দেখা করতে চেয়েছো কেন?
তোমার সাথে কিছু লোক দেখা করতে চায়।
আমার সাথে? কে?
এভাবে হুট করে আসায় দুঃখিত।
অনেক তাড়ায় ছিলাম আমরা।
আমার নাম সাং ওয়ান। জেছিওন বৌদ্ধধর্ম গবেষণা ল্যাবে কাজ করি।
আর ও...
আমার নাম ইল জু।
আচ্ছা। দেখা কেন করতে চেয়েছেন?
- সন্ন্যাসী সাং ওয়ান। - ওহ, হ্যাঁ।
এখানে আকর্ষণীয় একটা জিনিস পেয়েছি।
এই ব্যাপারে আপনার মতামতটা শুনতে চাইছিলাম।
- এটা সত্যি। - জি?
- এটা তো সত্যি। - ওহ, এটা না।
এই যে।
বোধহয় বুদ্ধের এই মূর্তিটি গোরিও রাজবংশে নির্মিত হোরান মন্দিরের আগের স্থানে আবিষ্কৃত হয়েছে।
সেই মন্দিরে বুদ্ধের একটা অশুভ মূর্তি ছিল।
হ্যাঁ, ভুতুড়ে বুদ্ধ মূর্তিটার কথা বলছেন।
হ্যাঁ। ঠিক ধরেছেন।
"ওউ ইয়াদম" অনুসারে,
ওটা বন্ধ্যা করে দেওয়ার পরও, দুর্ভাগ্য থামেনি।
তাই অদ্ভুত ঘটনা থামাতে তারা বুদ্ধের আরেকটি মূর্তি নির্মাণ করে।
তাহলে সমস্যাটা কী?
সংক্ষেপে বললে,
গল্পটায় একটা ভুতুড়ে বুদ্ধ মূর্তির উল্লেখ আছে,
আর আমাদের ম্যাগাজিনে ছাপা ওটাই সেটা।
যখন শুনলাম প্রথম ভুতুড়ে বুদ্ধ মূর্তিটা...
ছনবো পর্বতে আবিষ্কৃত হয়েছে,
আমরা তাদের খোঁড়াখুঁড়ি থামানোর চেষ্টা করেছি।
কিন্তু জেলা অফিস সাবধান না হয়ে তাড়াহুড়ো করে সেটা উদ্ধার করেছে।
তাহলে এখন ওটা কোথায়?
সেটা জানার যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।
প্রথম ভুতুড়ে বুদ্ধ মূর্তিটায় সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অশুভ আত্মাটা আছে।
যতো দ্রুত সম্ভব ওটা খুঁজে বের করতে হবে।
আর এটা ওটা আবিষ্কারের সময় তোলা ছবি।
আমরা এসেছি এখানে কী লেখা আছে তা বের করতে পারবেন কিনা জানতে।
এটা তিব্বতি ভাষা।
সে এককালে...
প্রাচীন বৌদ্ধধর্ম শিক্ষার প্রতিশ্রুতিশীল জিনিয়াস ছিল।
ওহ।
দেখুন,
আমি এটার অর্থ বের করতে পারি,
কিন্তু ইদানীং, আমি ব্যস্ত আছি।
জানি না এসবের সময় পাবো কিনা।
আমি জানি তুমি ব্যস্ত নও।
তুমি একটা কোম্পানিতে কাজ করো।
সে সুন্দর একটা জায়গায় কাজ করে আর মাসে মাসে বেতন পায়।
কিন্তু আমি একজন ফ্রিল্যান্সার।
- ঠিক। - সময় মানেই টাকা।
তাই আমার গবেষণার জন্য পয়সা দিতে হবে।
এই। সন্ন্যাসীদের পকেট কেটো না।
সমস্যা নেই।
- পয়সা দেওয়াই উচিত। - কী?
সমস্যা নেই।
আপনি যতো চাইবেন ততোই দেবো।
কিন্তু যেহেতু এটা জরুরী বিষয়, প্লিজ জলদি করবেন।
আচ্ছা।
- সন্ন্যাসী সাং ওয়ান। - হ্যাঁ।
এই নিন আমার বিজনেস কার্ড।
ভেবেছিলাম পয়সা বের করছেন।
দয়া করে কিছু পেলে আমাদের জানাবেন।
ঠিক আছে।
আমরা এবার উঠি।
No comments yet. Be the first to leave one.