Our Little Sister

Our Little Sister (海街diary)

Download Bengali undertekster

Udgivelsesinfo

Our Little Sister (2015) BluRay 480p x264
Our Little Sister (2015) BluRay 720p x264
Our Little Sister (2015) BluRay 1080p x264
Our Little Sister (2015) BluRay Bengali Subtitle
আওয়ার লিটল সিস্টার (২০১৫) ব্লুরে ৪৮০পি x২৬৪
আওয়ার লিটল সিস্টার (২০১৫) ব্লুরে ৭২০পি x২৬৪
আওয়ার লিটল সিস্টার (২০১৫) ব্লুরে ১০৮০পি x২৬৪
আওয়ার লিটল সিস্টার (২০১৫) ব্লুরে বাংলা সাবটাইটেল
En kommentar af ArRmaN
█▐ __রানটাইম • 02:07:07__▐▐ মুভি ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে।▐ █ © Arman AL Mahamud 💙 fb.com/ArRmaN13 💜 [email protected]

Tags

BluRay
x264
720p
720
480p
480
1080
Udgivet den: 2021-08-21
Downloads: 57
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

এত সকালে অফিসের কল?

তেমন কিছু না।

একসাথে খেতে পারলাম না বলে সরি।

আমার পার্ট-টাইম জবের বেতন পেলে টাকা দিয়ে দেবো।

তাড়া নেই।

OUR LITTLE SISTER

- বাড়িতে স্বাগত। - বড়ো বোনের কী খবর?

মনে হয় না রাতে সাছি ঠিকমতো ঘুমিয়েছে।

বাইরে থাকার কথা আমাদের জানাতে পারতে।

- হয়ে গেল আরকি। - "হয়ে গেল"?

বড়োদের সাথে কিছু কিছু জিনিস হয়ে যায়।

- শিক্ষার জন্য ধন্যবাদ। - দেরি করেছিস!

দেরি করা যাবে না জেনেও সবসময় দেরি করিস কেন?

বুঝেছিস কথা?

হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ!

ছিকা! উঠে পড়।

ইয়ামাগাতায়?

বাবা একটা হট স্প্রিং হোটেলে কাজ করতো।

টিভি মুভির কাহিনির মতো মনে হচ্ছে।

একদম!

"নির্জন হট স্প্রিংয়ে খুন," ঠিক?

কেউ তাকে খুন করেনি।

"ওই মহিলা" কল করেছিল?

"ওই মহিলা" তো মারা গেছে।

ছিকা! গোগ্রাসে খাস না।

তো, সে তার বর্তমান স্ত্রীর সাথে ইয়ামাগাতায় থাকছিল।

তৃতীয় স্ত্রী? বাপরে!

নানির মতো তোরও হাই প্রেশার হবে।

তোমার বানানো আচারে লবণ কম।

কম হওয়ারই কথা।

আসলে, বাবা একটা মেয়ে রেখে গেছে।

মানে, আমাদের ছোটো বোন?

সেরকমই।

বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যাবে?

আমি কাজের জন্য যেতে পারবো না।

তাই? ব্যাপার না।

তুই তো যেতে পারবি, তাই না? ছিকাকেও নিয়ে যাস।

এটা নিয়ে আমি আশাবাদী না।

সে আমাদের বাবা ছিল, কিন্তু ১৫ বছরে তাকে দেখিনি।

বাবা ভালো ছিল, তাই না?

আমাদেরকে তো চিড়িয়াখানায় নিয়ে যেত।

কিন্তু বাবা-মা রাতে অনেক ঝগড়া করতো।

অনেকবার সাছিকে দেখেছি মাকে সান্ত্বনা দিতে।

বাবার কথা আমার মনেই নেই।

তুই তখনও ছোটো ছিলি।

- ছোটো বোন... - সবসময় বলতি তোর একটা ছোটো বোন চাই।

ছোটো থাকতে চাইতাম! এখন আর সেটার সময় নেই।

সেটাই...

এত জায়গা থাকতে এখানে কেন এসেছে?

এহ? কী?

বললাম, জনমানবহীন একটা জায়গা।

আপনারা কোডা?

আমি আসানো সুজু।

তাহলে, তুমি...

এতদূর পথ পাড়ি দিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ।

একটু দুর্গম হলেও রাস্তাটা শর্টকাট।

- পর্বতের মতো! - হ্যাঁ।

ওইযে।

বললো ওইটা।

বাহ্, অপূর্ব।

এসে গেছি।

স্বাগত। এতদূর আসার জন্য ধন্যবাদ।

আমাদের আসতে বলার জন্য ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ।

মা পরে এসে আপনাদের সাথে দেখা করবে।

স্টেশনে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ।

ও বয়সের তুলনায় বেশি ম্যাচিউর।

আমাদের চেয়েও বেশি, তাই না?

এদিকে, প্লিজ।

আহ, চমৎকার।

বিয়ার!

- আমার বিয়ার চাই! - কী সুন্দর! নদীটা ঠিক নিচেই।

- ভাবছি মাছ ধরা যাবে কিনা। - আমাকে একটা বিয়ার দে।

ইওকো-সান, ঠিক আছো?

কথা বলো না!

- এসেছো তাহলে। - সারারাত কাজ করেও?

এক বন্ধু পৌঁছে দিলো।

মেয়েটা?

হ্যালো, আমি কোডা সাছি।

আমি আসানো সুজু।

তোমার ছোটো ভাই?

হ্যাঁ, তবে ও আমার সৎমা'র ছেলে।

আচ্ছা।

মাফ করবেন।

হ্যালো, আমি কোডা।

- আপনি বড়ো মেয়ে? - জি।

হ্যালো, আমি আসানোর স্ত্রী।

ব্যস্ততার মাঝেও আসার জন্য ধন্যবাদ।

- আমার বাবাকে দেখে রাখার জন্য ধন্যবাদ। - তা না।

আপনার বাবা-ই আমাকে দেখে রেখেছিল।

শেষকৃত্যের যাত্রা শুরু হওয়ার আগে,

আপনাকে অতিথিদের স্বাগত জানাতে হবে।

পারবে সেটা?

পারবো না...

আপনি করুন, মামা।

কিন্তু...

সুজু-ছান করলে কেমন হয়?

হ্যাঁ, ভালো হবে। ও তো এমনিতেও তার মেয়ে।

এটা ঠিক হবে না।

কিন্তু ও খুবই বুঝদার মেয়ে।

সুজু-ছান ভালোভাবেই পারবে। ও বুদ্ধিমতী।

না, এটা বড়োদের কাজ।

আপনি চাইলে, আমি করি?

শুধু অতিথিদের স্বাগত জানানোই তো?

বুঝতে পেরেছি।

আমি করছি।

পারবে তো, ইওকো?

পারবো, মামা। আমি তো ওর স্ত্রী।

আরে, দেখো ধোঁয়া।

হ্যাঁ, ঠিক।

মড়া পোড়াবার চুল্লি থেকে ধোঁয়া বেরোনো সেকেলে একদম।

বাবা নিশ্চয় এখানে সুখী ছিল।

তাকে বিদায় দিতে অনেক লোকজন এসেছে।

সবাই বলেছে সে কেমন ভালো মানুষ ছিল।

সে ভালো আর অপদার্থ ছিল।

এক বন্ধুর ঋণের জামিনদার হয়ে নিজে দেনায় ডুবেছিল।

মহিলাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে গিয়ে পরকীয়ার জড়িয়েছিল।

তার বিধবা স্ত্রী ইওকো, একেবারে আমাদের মা'র মতো না?

তবে সে মারা যাওয়া অবধি বাবার সেবাযত্ন করেছে। আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।

ঠিক বলেছো।

আমি নিশ্চিত বাবাকে দেখতে সে হাসপাতালেও যেত না।

নিশ্চয় বাবার পরিষ্কার জামা দিতে গিয়ে খুব জোর ১০ মিনিট থাকতো।

কিন্তু তার মনে, সেটাই পরম সেবাযত্ন।

- একজন দক্ষ নার্সিই কেবল জানে... - শুনুন!

- কী ব্যাপার? - আপনাদের কিছু দেওয়ার ছিল।

এটা... এটা বাবার ডেস্কে পেয়েছি।

এটা কি তুমি, আপু?

কামাকুরা'র আতশবাজির সময়।

আরে, ইনোশিমা'র এই ট্রিপটার কথা আমার মনে আছে।

ছিকা, এই ট্রিপে তুই হারিয়ে গিয়ে দারুণ ঝামেলা পাকিয়েছিলি।

দর্শনার্থী কেন্দ্রে হাগুও করে দিয়েছিলি।

তাই নাকি?

আসি, তাহলে।

দাঁড়াও।

সময় হবে তোমার?

জি।

এই শহরে তোমার প্রিয় জায়গা কোথায়?

ভাবছি মেয়েটা ঠিকঠাক থাকবে কিনা।

এখানে টিকতে পারবে কিনা সেটাই ভাবছি।

ইওকো'র সাথে ওর তো কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই।

কী সুন্দর দৃশ্য।

বাবার সাথে প্রায়ই এখানে আসতাম।

একই রকম লাগছে না?

একেবারে আমাদের সমুদ্রহীন কামাকুরার মতো লাগছে।

তাই না? স্মৃতি সব মনে পড়ে যাচ্ছে।

সুজু-ছান...

বাবার সেবাযত্ন তুমি করেছিলে, তাই না?

বাবা নিশ্চয়ই তোমার কাছে কৃতজ্ঞ।

অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে।

ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ।

এখানে থাকতে ভালো লাগে?

জানি না ঠিক, খুব বেশিদিন হয়নি এখানে থাকছি।

আচ্ছা।

তবে এখন বুঝতে পারছি বাবা কেন এখানে থাকতে চেয়েছিল।

এসে গেছে।

- আসি। - ভালো থেকো।

হ্যাঁ। আপনারাও ভালো থাকবেন।

সুজু-ছান, কামাকুরাতে চলে আসো না?

আমরা চারজন নাহয় একসাথে থাকলাম।

আমাদের বাড়ি খুব পুরনো, তবে বিশাল।

আমরা সবাই চাকরি করি, তোমাকে দেখে রাখতে পারবো।

কিন্তু...

এখনই জানাতে হবে না।

- ভেবে জানিয়ো। - দেখা হবে।

আসবো আমি!

আপু, ও এসে গেছে!

আচ্ছা!

দেখে পা ফেলো।

স্বাগত!

- লম্বা ভ্রমণে ক্লান্ত? - ঠিক আছি।

তোমার রুম উপরতলায়। জিনিসপত্র রেখে আসো।

- আমার পাশেই তোমার রুম। - আমাকে স্বাগত জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

আসো।

- ধন্যবাদ। - এদিকে, এদিকে।

- ইওশিনো, লাঞ্চ বানাতে সাহায্য কর। - বাইরে থেকে অর্ডার করবে না?

নুডলস ঘরে বানানো ভালো।

পদ্ম মূল আর বেগুন টেম্পুরা, প্লিজ।

- বেগুন আছে। - দারুণ।

আমি সাহায্য করছি।

তুমি জিনিসপত্র আনপ্যাক করো, সুজু। সেটা শুধু তুমিই পারবে।

তুমি এখন আমাদের ছোটো বোন, আর সুজু-"ছান" ডাকবো না।

আচ্ছা।

ইওতছানের রুম পেছনে। এটা আগে সাছির রুম ছিল।

রুমটা একটু ছোটো, তবে দক্ষিণমুখী।

ডেস্কের জায়গা হবে কিনা ভাবছি। এই বাড়িতে প্রচুর সমস্যা।

সুজু?

নানা আর নানি। দু'জনই শিক্ষক ছিলেন।

উনি দেখতে সাছি-সানের মতো।

ওকে বোলো না। কথাটা ওর পছন্দ না।

তাই বুঝি?

মা'র সাথে ওর ঝগড়া হলেই, মা ওকে এই কথা বলে।

- হ্যালো! - ওহ, চলে এসেছে।

বাসায় জিনিসপত্র উঠানো শেষ।

গরম আছে!

গরম!

লোকটা ম্যাক্স'স স্পোর্টসওয়্যারের ম্যানেজার।

ওরা কি প্রেম করছে?

সেটা ভাবতেও চাই না।

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left