De første 192 linjer.
অনুবাদ এবং সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
"সারামা" (ইন্দ্রর সহযোগী কুকুরের নাম ছিল সারামা যাকে বলা হয় সকল কুকুরের মাতা। ইন্দ্রকে অনেক অভিযানে সাহায্য করেছিল এই সারামা। তার সন্তানদের ডাকা হয় সারমেয়।)
ইসা ভাই আপনাকে সালাম জানিয়েছেন।
কুক্কু?
কুক্কু মারা গেছে।
মারা গেছে মানে?
মানে, কিছু না।
আমি গণেশ গাইতোন্ডে।
আমি কাউকে বিশ্বাস করি না।
উনিও আমার কিছুই করতে পারবে না কারণ আমি তারও উপরে।
গোপালমঠে শুধু একটাই ভগবানের পূজা হবে এখন থেকে।
আর সেটা হচ্ছি আমি।
আমি আজ থেকে তোমাদের সবার সর্বশক্তিমান ভগবান।
- খবর পেলি কীভাবে? - স্বপ্নে জেনেছি। নিজের চরকায় তেল দে।
র অফিসারদের আগেই ওকে আমাদের ধরতে হবে।
কেন করছিস এসব? তাকে পছন্দ করিস বলে?
বান্টি এত সহজে ছেড়ে দেবে না। গোলাগুলি হবে শিউর।
গুলি কীভাবে করতে হবে শেখাব তোকে?
রমাকান্ত জাদবের মতো ওটাও গুগল করে জেনে নেবো।
- এই লোকগুলো কারা? - আমাদেরই লোক।
অপরাধীরা এখন বন্ধু হয়ে গেছে।
যদি কাজ ঠিকঠাকমতো না হয়, তবে ওপরমহলে বলবো আমাদেরকে বলা হয়েছিল...
যে তারা এক বিল্ডারকে ব্ল্যাকমেইল করে ৬ লাখ রুপি নিয়ে পালিয়ে গেছে।
- এটা কী? - তোর নিরাপত্তার জন্য।
তারাও গুলি করেছে, উত্তরে আমরাও। বান্টির ব্যপারে আমরা কিছুই জানি না।
কিছু বুঝেছিস?
চল, চল, চল।
বানচোদ!
- এটা প্ল্যান ছিল না। - আরে তুই গিয়ে মেয়েটাকে বাঁচা না?
প্ল্যান ছিল না!
হ্যাঁ, স্যার।
হয়ে গেছে, স্যার।
ম্যাম, ওরা জেনে গেছে।
- কে? - সারতাজ।
কোথায় তারা?
আমি জানি না।
বেকুবের বাচ্চা!
মাদারচোত!
স্যার।
চল, চল!
থামো!
ইঁদুরের বাচ্চা! এখানে কী করছিস তুই?
এই পুরো খেলা তুই শুরু করেছিস, তাই না?
কেন এখন সব বরবাদ করে দিচ্ছিস?
নায়ানিকাকে ছেড়ে দে। তোকে বাঁচাবো আমি?
বাঁচিয়ে কোন চুলোয় নিয়ে যাবি আমাকে?
জেলে?
- ওকে ছেড়ে দে! - ছেড়ে দে ওকে!
ভালোবাসার চক্করে পরে নিজের মরণকে ডেকে আনিস না।
চলে যা এখান থেকে!
আগাবি না, সারতাজ!
তুই একটা গুলি করলে, ৫০ টা গুলি ধেয়ে যাবে তোর দিকে!
শরীরের হাড্ডি মাংস সব আলাদা হয়ে যাবে!
অঞ্জলী মেথুর কল দিয়েছে।
এই ম্যাডাম, এখানে কী বালটা হচ্ছে?
এই সারতাজ কী করছে?
শোনো, ওর সাথে আমাকে কথা বলতে দাও।
কথা বল।
সারতাজ, বেরিয়ে যাও ওখান থেকে।
রাস্তা ক্লিয়ার করে ফেলো।
বুঝেছিস? রাস্তা ক্লিয়ার মানে রাস্তা খালি রাখা।
যা, এখুনি চলে যা!
পেছনে হটে যা, সারতাজ!
কেন আমার প্ল্যানটাকে এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছিস?
চলে যা এখান থেকে, নয়তো তুই মরবি...
তোরা সব দাঁড়িয়ে আছিস কেন? বের কর শালাকে!
চল, আমাদের সময় নেই!
আমরা প্রায় পৌঁছে গেছি!
গাড়িটা বের কর, তাড়াতাড়ি!
খারাপ সময়টা বিনা নোটিশেই শালা শুরু হয়ে গিয়েছিল!
সময়টাই আসলে এমন!
পুরো দেশজুড়েই খারাপ সময় চলছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে কাশ্মির থেকে অপহরণ করা হয়।
দিল্লীতে মন্ডল কমিশনের নামে বাচ্চারা নিজেদের গায়ে কেরোসিন ঢেলে দিচ্ছিল।
সংসদে জাঙ্গিয়ার মতো করে প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন হচ্ছিল।
কিন্তু, আমি গোপালমঠকে এত সহজে ছেড়ে দেবার পাত্র ছিলাম না।
প্রথমে, গ্যাং এ মদ খাওয়া নিষিদ্ধ করে ফেলি।
সবার চেহারা দেখে মনে হচ্ছিল খেয়ে ফেলবে আমাকে!
তারপর, আমি মনস্থির করলাম এক মাসের মধ্যে ইসার ৫০ টা লোককে খুন করবো।
ইরানী হোটেলের আব্দুল।
কী অবস্থা ভাই? কেমন আছিস?
খেজুর গলির রাজিব রঙ্গীলা।
নাগপাড়ার ইসমাইল।
কারখানার আজ্জু, ভিক্কি ও সুফি।
কিন্তু, একজনও গোণায় ধরার মতো কেউ ছিল না।
ইসার ঘনিষ্ঠ কাউকেই মারতে পারিনি আমরা।
ইসা পরিবারসহ দুবাইতে চলে যায়।
পরিতোষ ভাইয়ের মনে হলো, এই সবকিছুই এই জন্যই ঘটেছে কারণ আমার ভাগ্যটাই খারাপ।
তোর গ্রহ... কিছু ঠিক লাগছে না।
মানে, শনি ভর করেছে।
শনির দশা চলছে আসলে।
যখন এর গ্রহণ শুরু হয়...
সব কিছু অন্ধকারে ডুবে যেতে থাকে।
পরিতোষ ভাই বললো, সব দুর্ভাগ্য কেটে যাবে যদি বিশেষ আংটি পরি।
তাহলে, তো জন্মাবার পর সব বাচ্চার আঙ্গুলেই আংটি পরিয়ে দেয়া উচিত।
কিছুই করা লাগবে না তাহলে।
সারাজীবন ধরে মারা খেয়ে যাচ্ছি...
এই বালের আংটি নাকি সব সমস্যার সমাধান করে দেবে!
তোর কী মনে হচ্ছে না, তোর আর ইসার মধ্যকার এই যুদ্ধ অনেক বেশি সময় ধরে চলছে?
ইসাকে সামনে পেলে তো খবরই আছে।
এক শালাকেও ছাড়িনি।
সবগুলো কষ্ট পেয়ে মরেছে।
আমরাও তো অনেক রক্ত ঝড়িয়েছি, কিন্তু তোর চোখে পরে না এসব।
আসুন, দেখে যান।
শেষবার কবে সময় কাটিয়েছিলি তোর ছেলেদের সাথে?
ক্যারাম খেলা, মজা করা?
বান্টির সাথে বাদ্রিয়ার বিয়েতে যাওয়া, ঈদের সময় ছেলেদের সাথে আনন্দ করা?
ছোট আর বড় বাদ্রিয়ার সাথে নাচা বান্টির গণপতি অনুষ্ঠানে?
গোপালমঠে এগুলো সবসময় হতো। সবাই মদ খেতো, ভালো সময় কাটাতো।
এগুলো আর হচ্ছে না।
তুই এই লড়াই থেকে বেরিয়ে আয়, নয়তো এরকমই থাকবি জীবনভর।
এখনও সময় আছে।
গোপালমঠকে শ্মশান হওয়া থেকে বাঁচা।
- ভাব। - ঠিকই বলেছিল কান্তা বাঈ।
কুক্কুর মৃত্যুর পর, আমি বেশ অবসাদ্গ্রস্ত হয়ে গিয়েছিলাম।
চেষ্টা করেছি বিছানায় আমার হতাশাটুকু কাটাতে।
পাগলের মতো।
কিন্তু, যখনই আমি কোন পতিতাকে মাথায় ফুল সহ দেখতাম...
আমি আমার মাকে দেখতে পেতাম।
ওকে নিয়ে এসেছিস কেন?
শুধু হৃদয় না, মেশিন থেকেও রক্ত ঝড়ছে মনে হচ্ছিল।
সারতাজ সাহেব, শক্তি হচ্ছে এমন কিছু
যেটা আপনার ভেতর থেকে আসে...
আর যখন চলে যায়, নিজেকে সর্বহারা মনে হয়।
সময় অনেক দ্রুত চলে যায়, স্যার।
যে চিতার কারণে নিজেকে জীবন্ত মনে হয়েছিল...
যেটার চোখের দিকে তাকিয়ে নিজেকে ভগবান মনে হয়েছিল...
হাসপাতালে সেটাকেই দেখে নিজেকে কেমন খালি খালি মনে হচ্ছিল।
একদম খালি।
এবার বেঁচে গিয়েছিস তুই।
আংটিটা তুমি দিয়েছিলে?
আংটিটার কারণে আজ তোর জান বেঁচে গেছে।
হাসপাতালে যবে থেকে এসেছিস...
আংটিটা তোর আঙ্গুলেই পরা ছিল।
আমি আমার মৃত্যুর ব্যাপারে জানি।
- এভাবে মরবো না আমি। - কে বলেছে তুই মরতে যাচ্ছিস?
পরিতোষ ভাই...
বলতে দাও না?
বল।
আমি বিয়ে করতে চাই।
যে ধরনের মেয়ের কথা বলেছিলে তুমি আমাকে।
আমার জন্য মেয়ে দেখো।
সাবধানে।
উপরে নিয়ে যা ওকে। বিশ্রাম দরকার ওর।
শোন।
কী নাম তোর?
শুভদ্রা।
তুই...
আমার আঙ্গুলে এই আংটি পরিয়ে দিয়েছিলি?
আমাকে বাঁচানোর জন্য?
কথা বলতে পারিস না?
আপনি নিজেকে ভগবানের ওপরে মনে করেন।
সেজন্যই, তিনি আপনাকে সাজা দিচ্ছেন।
তুই চাচ্ছিস, ভগবান যেন আমাকে মাফ করে দেয়?
বল না, মাগী?
আপনি কিছুই বুঝবেন না।
আপনি নিজেকে ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না।
ভগবান আপনাকে শাস্তি দিলে, ওই শাস্তি আমিও পাই।
যখন তিনি নেন, আমার এবং আমার পরিবারের কাছ থেকেও নেন।
তোর কি মাথা নষ্ট হয়ে গেছে?
যা, ফোট এখান থেকে।
ইসার পুরনো কুত্তা পারুলকার, একটা সুযোগ দিল আমাকে।
উসমান শেখ, ইসার একাউন্টেন্ট।
মায়ের চিকিৎসার জন্য সে দুবাই থেকে মুম্বাই আসছে। একা।
এতদিন পর্যন্ত, চুনোপুঁটিদের কতল করছিলাম আমরা।
কিন্তু উসমান... ইসার খাস মানুষ।
ওর ছায়া।
একটা এয়ারপ্লেনে করে আসবে সে।
কিন্তু, যাবে কফিনে করে।
কফ...
কফিনটা কী?
কফিন হচ্ছে যেটা তোর পেছনে ঢোকালে গুহার আকৃতি
এত বড় হবে যে সবাই তোর ওই গুহায় বাস করতে পারবে।
ভাই, ওর গুহায় তাজমহল বানিয়ে দেয়া হোক টুরিস্টদের জন্য।
অই ফাউল, ফিডার খা।
তাজমহল তোর হোগার মধ্যে সেট কর শালা চুতিয়া!
- পারলে সেট কর! - মাদারচোত!
এই ভাঙাচোরা অ্যাম্বুলেন্সটাই পেয়েছিস তুই?
তোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য এনেছি এই অ্যাম্বুলেন্স, বানচোদ!
মাদারচোত! পালাবার সময় এই ঠেলাগাড়িতে করে পালাবি?
তোর গুহায় তো কফিন ভরার জায়গা রয়েছেই!
আরেকটু চেষ্টা করলে এই অ্যাম্বুলেন্সটাও ভরা যাবে!
হ্যাঁ! লাল বাত্তিটা তোর মেশিনে লাগিয়ে নিস তাহলে।
লাল মাত্তিটা আমার মেশিনে লাগালে, তোর বোন এরপরে সাইরেনের মতো শব্দ করবে।
তারপর তুই আমাকে গালি দিবি "বেহেন-চোদ(বানচোদ)"
- তোর ক্ষেত্রে সেটা অবশ্য সত্য। - শুয়োরের বাচ্চা!
- আরে, ট্রিগার টেপ মাদারচোত! - ধৈর্য ধর।
ট্রিগারটা টেপ!
শাউয়া, ট্রিগার টেপ না?
মা মাঝখানে ঢুকে গেছে!
আম্মার মায়রে আন্টি ডাকি!
উসমান শেখ!
No comments yet. Be the first to leave one.