De første 200 linjer.
মালায়ালাম ফিল্ম ইণ্ডাষ্ট্রি সম্পর্কিত যেকোন তথ্য এবং সিনেমার আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে: মালায়ালাম সিনেখোর
চোখে লাগছে।
আরেকটু।
কষ্ট হচ্ছে, বাবু?
জাস্ট দুই মিনিট!
হারামি এতো সহজে আঘাত পাবে না।
এইতো প্রায় শেষ।
কি সুন্দর!
- চুপ করে বসো। - আহ!
এখন কেমন লাগছে?
হ্যাঁ, ভালো।
মেক-আপ শেষ এখন কস্টিউম পরিবর্তনের পালা।
এসব ঠিক আছে, এটা আমার দ্বারা হবে না।
অসম্ভাব!
- কাম অন... - ধর!
এই! থাম!
ভালোই-ভালোই দরজাটা খুল বলছি!
ধাক্কা মার! আরো জোরে!
ধাক্কা মার!
তোর তো বাইরে বেরোতেই হবে। তারপর দেখবি!
- হ্যাঁ, দেখা যাবে! - হ্যাঁ, দেখা যাবে!
জান্নাত?
হ্যাঁ! দরজা খোল।
দয়া করে হারামিদের বল...
কেউ তোকে ছাড়ছে না, যতক্ষণ না এটা পরে আমাদের সাথে সেলফি না তুলছিস।
বেশি ভাব করিস না তাহলে কিন্তু তোর কপালে দুঃখ আছে।
কেক কোথায়?
- গাড়িতে আছে। - গাড়িতে? কেন?
পার্টি হবে মায়াগনহল্লী-তে।
অন্যদের দেখতে হবে না!
সত্যি আমরা বাইরে যাচ্ছি? বেশি হয়ে যাবে না!
বেচারা!
তাই বুঝি!
আমার জন্মদিনের সময়,
আমাকে পোষাকুকুর বানিয়ে ছবি তুলেছিলি কই তখন তো কাউকে এতটা দুঃখি হতে দেখিনি।
ঠিকই তো তখন লাফিয়ে-লাফিয়ে ছবি তুলেছিলি!
এখন ওর বেলা কষ্ট হচ্ছে?
ওহহহহ!
জঘন্য সুপারম্যান!
এই সুপারম্যান! আমাকে বাঁচাও! বাঁচাও!
- সুপারম্যান! - চল, পোজ মার!
হ্যাঁ, পোজ মারো!
ভালো করে পোজ দাও!
পোজ মার, দোস্ত!
- আরো? - হ্যাঁ!
- শেষ? - আয়! সেলফি... সেলফি।
- বস। - ঠিক আছে।
ক্যামেরার দিকে তাকা।
এতো লজ্জা পেয়ো না, সুপারম্যান!
আরে পোজ মার!
চমৎকার!
- শেষ? - না! না! না!
চল।
কি? এই পোশাকে বাইরে যাবো?
- অসম্ভব। - তোর যেতে হবে না!
আমরা তোকে নিয়ে যাব। চল!
মা কসম! তোরা আমার হাতে রামধোলাই খাবি!
আজ আমার জন্মদিন!
উইস-মি!
আজ আমার জন্মদিন! উইস-মি লাক!
_D E A R F R I E N D _ অনুবাদক : আরুশ আরিয়ান।
অনুবাদক : আরুশ আরিয়ান।
পার্টি! পার্টি! ইয়ে!
শুভ জন্মদিন বিনোদ!
- আয় নাচ! নাচ ! - ভাই, এখানে অনেক মানুষ।
নাচ! নাচ!
দেখ!
পার্টি! পার্টি! পার্টি! পার্টি!
মুখে মারিস না।
আয়! আরে আয়!
পার্টি! পার্টি! পার্টি! পার্টি!
নাচ! নাচ! নাচ! নাচ!
গাইজ!
পার্টি তো সবে শুরু!
আজ রাতটা...
বিনোদের নাম!
এই ভাই! ভিডিও করো না। ভিডিও!
- প্লিজ, না। - কেক কাট।
লাইভ করছে।
এই!
ফোনটা দাও... দাও!
লাইভ করতে কে বলেছে? কে অনুমতি দিয়েছে?
ফোন দে! শয়তানের বাচ্চা!
- গাঁয়ে হাত দিচ্ছিস কেন রে! - থাম!
সজিত, থাম।
এই! এই! এই!
সজিত, থাম!
দোস্ত, থাম!
কী?
কী মনে করো গভীর রাতে মাতাল হয়ে তোমরা যা মন তাই করে বেড়াবে?
এজন্য জরিমানা দিতে হয় জানো?
বাবা কৃষক, স্যার। টাকা নেই...
এটা কী?
ট্যাটু।
এই! ওভার-স্মার্টগিড়ি করবে না।
কী লেখা আছে সেটা বলো।
মা।
মা, বলে।
মা!
বেশি বুঝো তাই না?
- স্যার.. - এই চুপ!
স্যার কথা বলছেন দেখতে পাচ্ছ না? চুপ কর...
ওর সাথে কিসের সম্পর্ক?
- বন্ধু। - ওহো!
শুনেছেন স্যার?
বন্ধু, বলে।
এসবই করে বেরাও কোন কাজ নেই?
চোদানি!
এই!
কী?
কী বললে?
শয়তানের বাচ্চা!
আমাকে গালি দেস!
এই!
আইসক্রিম খাবি?
গাড়ি থামা।
দুঃখিত।
ধন্যবাদ...
এটা আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় জন্মদিন।
সবারই জন্মদিন আসবে, তাই না?
তখন তোরা বৈদ্যুতিক চেয়ারে ফেঁসে যাওয়ার মতো অনুভব করবি......
আর সুইস আমার হাতে থাকবে।
অপেক্ষা কর!
গভীর নিঃশ্বাস নিন।
আর ধীরে-ধীরে, নিজস্ব গতিতে...
চোখ খুলুন।
এখন কেমন অনুভব হচ্ছে?
কিছু না!
আমার কিছুই অনুভব হয় না!
আমার একটা মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রয়োজন ব্যাস।
ঠিক আছে। সার্টিফিকেটে কী লিখবো?
যা মন চায়।
মেডিকেল সার্টিফিকেট-টা আমার খুব বাজেভাবে প্রয়োজন।
অফিস থেকে আমি ক্ষনিকের বিরতি চাই।
অ্যান...
আপনার অফিস বা কাজের চাপ...
এর কোনটিই আপনার স্ট্রেসের কারণ নয়।
আমাদের কি প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করা উচিত নয়, অ্যান?
পরবর্তী সেশনে কি স্বামীকে সাথে আনতে পারবেন?
হ্যাঁ।
আহ!
শেষ না?
চলো?
এই!
এই! আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিন! প্লিজ!
আগামী সপ্তাহে রিভিউ পেপার জমা দিতে হবে।
অনেক কাজ!
তুমি বাড়িতে এসেছো দুই সপ্তাহ হয়ে গেছে।
তারাও তোমার সাথে দেখা করতে চায়।
আমি তাদের সাথে ভিডিও কলে কথা বলে নিবো।
তুমি অনেক বদলে গেছো।
আগে তো কথা শুনতে।
আগামীকালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট গুলো হোয়াটসঅ্যাপে করে দিও।
- অবশ্যই, ম্যাডাম। - ধন্যবাদ।
এই! দাড়াও!
দাড়াও! দাড়াও!
এক মিনিট... দেখি।
দেখি!
ওগো! এই ছবিটা দেখো! তোমাকে কতো ইনোসেন্ট লাগে!
শেষ বার জিজ্ঞাসা করছি। সত্যিই আসছো না?
আমি আজ যেতে পারব না।
ঠিক আছে, বাই। সন্ধ্যায় চেষ্টা করব... দাও।
ওহো! সাইকোলজিক্যাল চাল!
দাও!
সন্ধ্যায় বাসায় আসছো তো, না? তখন নিও।
তুমি একটা ভয়ংকর টক্সিক মানুষ।
ভাবছি তোমাকে নিয়ে একটা ফেসবুক পোস্ট লিখতে হবে।
দাও!
জানি, করবে না কারণ তুমি ভয় পাও।
শোনো! গাইডকে বলে অর্ধেক দিনের ছুটি চেয়ে নাও না।
এসো!
প্লিজ।
না।
যদি আগ্রহ না থাকে তাহলে তুই এখানে এসেছিস কেন?
ও্ কেরালা থেকে এসেছে, তাই না?
যদি আমি দেখা না করি তবে বাবা শুধু-শুধু ফোন করে বিরক্ত করবে।
ওর সাথে ওই লোকটা কে?
ওর বন্ধু।
- মিস্টার মানিব্যাগ! - আমরা শিফট করার পরিকল্পনা করছি...
এসব সেট-আপ ছাদে নিয়ে যাবো আর জায়গাটা লাউঞ্জ করার চিন্তা-ভাবনা।
- কাজ হবে? - হ্যাঁ?
প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির বার হওয়ার কারণে ব্যবসা কমে গেছে।
নীচে একটা লোকাল বার বানানো প্রয়োজন...
এতে লোকাল কাস্টমারও বাড়বে।
এটা ওর বুদ্ধি।
কী মনে হয়?
চমৎকার!
কি করছেন?
স্টার্ট-আপে আছি।
তাদের একটি স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ আছে।
বাজারে এমন অনেক অ্যাপ আছে।
২০৩০-এর মধ্যে মৃত্যু বিকল্প হবে।
ট্যাগলাইন টা ভালো।
জিন-ম্যাপিং সম্পর্কে শুনেছেন?
৫০ বছর বয়সে ডায়াবেটিস সনাক্ত করতে চান?
নাকি ওষুধ খেয়ে মৃত্যুকে দীর্ঘায়িত করবেন?
বা ছোটখাটো জীবনধারার পরিবর্তন করতে চান,
সুস্থ, সুখী এবং দীর্ঘ জীবন চান?
ভাই!
এক মিনিট।
No comments yet. Be the first to leave one.