Udgivelsesinfo

Prasanna Vadanam WEB-DL Bsub By FLAMYTUHIN & ZAHID HASAN[2 23 59]
En kommentar af Luca

Tags

webdl
Udgivet den: 2025-03-22
Downloads: 42
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

- অনুবাদে - :.:.: F L A M Y T U H I N .:.:

সুরিয়া!

- সম্পাদনায় - :.:.: F L A M Y T U H I N :.:.:

রোগীর অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর।

ওনার বাবা-মাকে খবর দিন, ওনার অবস্থা বুঝিয়ে বলুন...

এবং সম্মতির জন্য তাদের সই নিন।

না, ডাক্তার। ওনার বাবা-মা দুর্ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।

-ডাক্তার! -হ্যাঁ?

উনি জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন।

তুই তো আমাকে খুব ভয় পাইয়ে দিয়েছিলি, সুরিয়া।

এখন কেমন লাগছে?

উহ…

আমরা তোর অপেক্ষায় ছিলাম, ভাই।

কিন্তু দু’দিন পরেও তোর জ্ঞান না ফেরায়...

...তোর বাবা-মায়ের শেষকৃত্য- আমাকেই করতে হলো।

আমার বাবা-মায়ের শেষকৃত্য?

আপনাকে কেন আমার বাবা-মায়ের শেষকৃত্য করতে হলো, স্যার?

আপনি কে, স্যার?

সুরিয়া, আমি ভিগনেশ।

ভিগনেশ?

আপনি ভিগনেশ হবেন কীভাবে?

এই...

আমি ভিগনেশ, কী বলছিস তুই এসব!

তুই আমাকে চিনতে পারছিস না?

এই!

ডাক্তার!

জি?

স্যার! ও কি নিজের অতীত ভুলে গেছে?

ও বলছে, আমাকে চেনে না।

উহ…

-তুমি বললে তোমার বাবা একজন প্রফেসর, তাই না? -জি, স্যার।

তিনি জেএনটিইউ-তে গণিতের প্রফেসর, স্যার।

-আর তোমার মা…? -আমার মা গৃহিণী, স্যার।

স্মৃতিশক্তি তো ঠিকই আছে মনে হচ্ছে।

বলছে তো সবকিছু মনে করতে পারছে।

কিন্তু ও মানতেই চাইছে না যে আমি ভিগনেশ, স্যার।

এক মিনিট!

সুরিয়া...

এনাকে চেনো?

না, চিনি না, স্যার।

তাহলে তুমি কখনোই ওনাকে দেখেছ বলে মনে পড়ছে না?

না, স্যার।

উহ...

এই মহিলাকে কি তোমার চেনা চেনা লাগে?

আমি ওনাকে চিনি না, স্যার।

এই, কী বলছিস এসব? ওনারা তোর বাবা-মা!

উনি কী বলছেন, স্যার?

আমি কেন আমার নিজের বাবা-মাকে চিনব না, স্যার?

তাহলে অন্তত, এই ভদ্রলোককে তো চেনো?

স্যার…

চিনি না, স্যার।

কিরে, সামনে বসে থাকা এই ডাক্তারকেও চিনতে পারছিস না, সুরিয়া?

আমি কনফিউজড, স্যার।

আমি কেন আমার বাবা-মাকে চিনতে পারছি না, স্যার?

ঠিক আছে। চিন্তা কোরো না।

আমি... একটু পরে তোমার সঙ্গে কথা বলব।

স্যার, আমি ঠিক আছি। আমাকে বলুন। প্লিজ, স্যার!

-এক মিনিট, প্লিজ... -আমি বলছি...

-স্যার, আমি ভয় পাচ্ছি। -দয়া করে একটু অপেক্ষা করুন।

ব্যস কয়েক মিনিট।

ওর আসলে কী হয়েছে, স্যার?

দুর্ঘটনার কারণে সুরিয়া দুটো শারীরিক সমস্যার শিকার হয়েছে।

একটা হলো প্রোসোপ্যাগনোসিয়া।

সহজভাবে বললে, এটাকে ফেস ব্লাইন্ডনেস বলে।

ফেস ব্লাইন্ডনেস?

আপনি বলতে চাচ্ছেন আমার বন্ধু মুখ দেখতে পায় না, স্যার?

ফেস ব্লাইন্ডনেস মানে এই নয় যে মুখ অদৃশ্য হয়ে যায়।

রোগীরা অন্য ব্যক্তির চোখ, কান, নাক সবই দেখতে পায়।

এগুলো একসঙ্গে মিলে একটা মুখ গঠন করে, তাই তো?

সেটাই তারা চিনতে পারে না।

কিন্তু স্যার, ওর মা-বাবার নাম আর পেশা সবই মনে আছে।

এর সঙ্গে স্মৃতিভ্রংশের কোন সম্পর্ক নেই।

উদাহরণস্বরূপ...

তুমি কি এদের চিনো?

কীর্তি সুরেশ, কৃতি স্যানন আর অনুপমা।

তুমি কীভাবে এদের চিনলে?

মুখ দেখে, স্যার।

ধরো, দুজন মেয়ে ভেতরে ঢুকলো।

যমজ,

ধরি, তাদের নাম সীতা আর গীতা।

তারা দেখতেও একরকম আর একই রকম পোশাক পরে।

তারা দুজনই ভেতরে গেলো,

এরপর তাদের একজন তোমার জন্য কফি আনল।

তুমি কি বুঝতে পারবে, সে সীতা না গীতা?

না, স্যার।

কেন?

তাদের চেহারার গঠন একরকম, তাই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, স্যার।

সমস্যা হলো, তোমার মস্তিষ্ক তাদের মুখের গঠন মনে রাখতে পারে না।

সাধারণত চাইনিজ বা জাপানি সিনেমা দেখার সময় এমনটা হয়।

তুমি যেভাবে ছবিগুলো চিনতে পারলে, সেটাকে প্রাইমারি আইডেন্টিফিকেশন বলে।

যদি তা ব্যর্থ হয়, তাহলে সেকেন্ডারি আইডেন্টিফিকেশন থাকে।

এটি চিহ্নিত করা হয় নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে।

যেমন, চুলের স্টাইল, গায়ের রং, কথা বলার ধরন,

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, দাগ, উল্কি ইত্যাদি।

স্যার, দ্বিতীয় সমস্যাটা কী?

ফোনাগনোসিয়া। কণ্ঠস্বর চিনতে না পারার অসুস্থতা।

বুঝলাম না, স্যার।

ধরো, দু'জন লোক তোমার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছে।

তুমি তাদের প্রতিটি শব্দ বুঝতে পারবে…

কিন্তু কোন কথাটা কে বলেছে, সেটা বুঝতে পারবে না!

এটাই ফোনাগনোসিয়া।

এজন্যই কি ও আইসিইউ-তে আমার কণ্ঠ চিনতে পারেনি, স্যার?

তার মানে, আমার বন্ধু মুখ দেখতে পারে, কিন্তু চেহারা মনে রাখতে পারে না।

কথা বুঝতে পারে, কিন্তু কে বলছে তা বুঝতে পারে না।

ঠিক তাই।

স্যার, এর কোনো চিকিৎসা বা পদ্ধতি আছে?

এর কোনো নিরাময় নেই।

এটা স্থায়ী ক্ষতি।

:.:.: PRASANNA VADANAM :.:.:

কয়েক বছর পর

এই!

রাস্তায় এতো জঞ্জাল কীসের? গাড়ি সরান!

-ভাই, একটু সরুন তো! -শুনতে পাচ্ছেন না? -একটু দাঁড়ান!

হেই...হেই! ওহ শিট, পুলিশ! তুমি এই ভাষা বুঝবে না।

-কী হয়েছে ভাই? তোমার মানিব্যাগ? -হ্যাঁ ভাই।

ভাই, আপনি কি দেখেছেন?

সাদা শার্ট, নীল জিন্স আর চশমা।

-ঐ লোকটাই। -ঐ লোক?

-যত্তসব আকামের দোকানদারি! -হুম।

ওই লোকটাই।

মানিব্যাগটা দাও।

আপনি আমার মানিব্যাগ চাচ্ছেন কেন?

তোমার মানিব্যাগ চাচ্ছি না, আমার মানিব্যাগ দাও।

আপনার মানিব্যাগ আমার কাছে থাকবে কেন?

কারণ তুমি এটা আমার কাছ থেকে চুরি করেছ?

-চুরি করেছি? -মানিব্যাগটা ফেরত দাও।

-এই…তুমি কি বলছ বুঝতে পারছ? -ভাই, ভালোভাবে বলছি।

-আমি কেন তোমার মানিব্যাগ নেব? -আমি দেখেছি।

ওর মানিব্যাগ ফেরত দাও।

তুমি কী দেখেছো? কার মানিব্যাগ? কে চুরি করেছে?

আমি দেখেছি তুমি ওর মানিব্যাগটা সরিয়ে চুপচাপ গিয়ে বাইকে উঠলে। আমি সব দেখেছি।

এই, কী আজেবাজে কথা বলছ?

আমি মানুষের মানিব্যাগ নেব কেন?

কী হয়েছে? সমস্যা কী?

আমিতো উনাকে চিনিই না। আমার মানিব্যাগ উনার কাছে।

লোকটা ভদ্রতা বোঝে না। হেই, হেই!

এই! আমার মানিব্যাগ ফেরত দাও।

আমি পুলিশ ডাকব। পুলিশ!

-পুলিশ… -বাহ! দারুণ অভিনয়!

নিজে পকেট মেরে আবার নিজেই পুলিশ ডাকছো…বাহ, চমৎকার!

-এই, কী আজেবাজে কথা বলছ? -তুমি চাইলে পুলিশ ডাকতে পারো।

-এই! মাত্র ওখানে থামিয়ে আসলাম, -হাত সরাও।

আবার এখানে শুরু করেছো?

স্যার, ও আমার মানিব্যাগ চুরি করেছে।

স্যার, আমি কিছু করিনি, স্যার।

-ও তোমার মানিব্যাগ চুরি করেছে? তুমি দেখেছ? -ওনাকে বলো, ভাই।

আমি দেখেছি।

নিশ্চিত?

-পুরোপুরি নিশ্চিত। -স্যার, উনি মিথ্যে বলছেন, স্যার।

-এই! -আমি কি চোর?

একজন সাক্ষী মিথ্যে বলবে কেন? ওকে চেক করুন।

স্যার, আপনি আমার কথা বুঝছেন না কেন?

সাদা শার্ট… আর সাদা শার্ট…

নীল জিন্স… আর নীল জিন্স…

ও কি সে নয়?

-এই, চুপ কর শালা! -স্যার, আমার কথা শুনুন। আমি চোর নই।

আমি আমার উকিলকে ডাকব। কী?

-কী হলো? -স্যার…

আইন আর উকিলের এসব বড় বড় বুলি ছাড়ছিস কেন?

আগে থানায় চল!

স্যার, স্যার, স্যার! স্যার, স্যার…

এই, যে সাক্ষী এত নিশ্চিত ছিল… সে কোথায়?

হুঁ?

হারামজাদা!

এই রঙগুলো ছাড়া তো আমাকেও চিনতে পারবি না।

তারপরও সমাজসেবা করার এত শখ কেন?

মানে…আমি ভাবলাম, তথ্য দিলে ওদের একটু সাহায্য হবে, তাই…

-সাহায্য? কার জন্য? চোরের জন্য? -না!

এমন সমাজসেবা করতে গেলে একদিন বড়সড় ঝামেলায় পড়বি।

কিছু হবে না।

-কিছু হবে না? -এখন চুপচাপ এই গানটা শোন!

-গুড মর্নিং স্যার… -হাই, সুরিয়া!

পাঞ্চিং হয়ে গেছে তো?

-সুরিয়া! -হুঁ?

বিকেলের মিটিংয়ের সব দরকারি ফাইল আমি তোমার ডেস্কে রেখেছি।

তুমি কি একটু দেখে আমাকে জানাবে?

ঘন কোঁকড়া চুল…

ঠিক আছে, নাদিয়া। দেখে নেব।

হ্যালো?

ওহ, কুরিয়ার?

জুতোর র‍্যাকের পাশে রেখে দিন।

-হ্যাঁ, ঠিক আছে। -সুরিয়া স্যার!

হুঁ?

কফি…

পদ্মা দিদি!

শুনলাম, তোমার মেয়ে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে? পার্টি কবে দিচ্ছো?

বাড়ি এসো, স্যার, তোমার জন্য চিকেন বিরিয়ানি রান্না করব।

-আমি আজ সন্ধ্যায় আসব। -হুম।

তোমরা শুনছ রেডিও মির্চি ৯৮.৩ ‘সড়ক চা উইথ কড়ক সুরিয়া।’

এবারে এই গানটা শোনো।

আমাদের সঙ্গে আছেন প্রখ্যাত ডায়েটিশিয়ান মিস্টার বিশ্ব ভারত।

চলো, ওনার সঙ্গে একটু মশলাদার মাটন নিয়ে আলোচনা করি।

বাবা, বেলুন কিনে দাও,

স্যার, আমার কাছে খুচরো নেই।

খুচরো নেই?

দাও, আমি PhonePe-তে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

-আমার ফোন নেই, স্যার। -তাহলে কীভাবে?

এক মিনিট, স্যার।

-ম্যাডাম, আপনার কাছে খুচরো আছে? -না, দাদু!

ভাই, এটা ভাংতি হবে?

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left