De første 200 linjer.
~ অনুবাদক: মোহাম্মদ সায়েম ~
আশিকুর রহমান আর সাইফুল ইসলাম সাকিব ভাইকে ধন্যবাদ ।
মা!
আমি ভয়ঙ্কর না? ভীষণ ভয়ঙ্কর।
এই... তিনিয়া। থামো!
এই, না! ছেলেমানুষী করো না!
আশা করি তোমাদের দৈনন্দিন জীবনও আমাদের মতো সুন্দর।
- বা-বাই! - বা-বাই!
বাই!
জানালা দিয়ে তাড়িয়ে দাও।
দাঁড়াও।
দাঁড়াও।
- ইয়ে! - মাথিয়াস। মাথিয়াস।
ধরো!
না!
তিনিয়া।
- বাইরে নিয়ে ছেড়ে দেব? - আমাকে দাও।
আমাকে দেখাও।
- সাবধানে। ফ্লোরে কাচের টুকরো সব। - আমাকে দেখাও--
মাথিয়াস, চলো দেখি...
এবার ময়লার বাক্সে ফেলো আসো, সোনা।
জৈব বর্জ্য ফেলার জায়গায়।
:-:-HATCHING-:-:-
আয়, আয়, আয়।
- হাই! আমি রিতা। - তিনিয়া, হাই।
আমরা মাত্রই এখানে আসলাম। মানে, আহ, এটা বলতে পারো।
- আমি একটু নিতে পারি? - অবশ্যই।
দুষ্টু! রোসা!
ওরকম করতে পারো না।
স্যরি। সে কখনো কাউকে কামড়ায় না।
- ব্যাথা পেয়েছ ওর কারণে? - না। দোষটা আমার ছিল।
জোরে গাও। আম্মু, জোরে।
আরো জোরে।
ঘুমিয়ে পড়েছে।
- এটা কি নতুন ভিডিও? - হ্যাঁ।
এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
•LOVELY EVERYDAY LIFE•
হাই, আমার 'Lovely Everyday Life' ব্লগে স্বাগতম।
আমি তোমাদের এক সাধারণ ফিনিশ পরিবারের দৈনন্দিন জীবন দেখাবো।
আর দেখাব সেটা কতোটা ভালোবাসাময় হতে পারে।
আমি, আমার দুই ছেলে-মেয়ে, আর স্বামী নিয়ে এই পরিবার।
আমার আদরের মেয়ে তিনিয়া, একজন ব্যায়ামবিদ।
শ্রীঘ্রই প্রথমবারের মতো সে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
তাই আমিও একটু নার্ভাস কিন্তু তাকে নিয়ে গর্ব হয়।
কী হয়েছে?
আমার পায়ের আঙুলগুলো খাড়া না। এরকম।
ওগুলো এরকম হবার কথা
- কেটে দিলে ভিডিয়োতে দেখা যাবে না। - আচ্ছা।
- পাশের বাড়িতে নতুন একটা পরিবার এসেছে। - ভালোই তো।
- তাদের সাথে দেখা হয়েছে? - হ্যাঁ। মানে, তাদের মেয়ে রিতা।
সে আগামীকাল আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
ওর সুন্দর একটা কুকুর রয়েছে।
প্রতিযোগিতায় মনযোগী হবে বলেছিলে।
- ভুলে গেলে নাকি সবটা? - না। মনযোগ আছে তো!
আমি হেল্প করছি।
শুরু করো।
ভালো।
- শেষে এখনো ফ্লিপ করতে পারছো না। - হুম।
দ্বিধা-দ্বন্দে আছো। নিজের উপর ভরসা রাখতে হবে।
- স্যরি। - স্যরি বলতে হবে না।
কিন্তু এটা করতে না পারলে প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে পারবে না।
- আমি আবার চেষ্টা করব। - আজ আর করা লাগবে না।
আস্তে ধীরে করো, বুঝেছ?
- তিনিয়া, তুমি আসছো তো? - আমাকে দৌঁড়াতে যেতে হবে।
যাবে না।
কেন জিজ্ঞেস করতে গেলি? সে কোথাও যায় না।
মজা করো তোমরা।
হাই। ও থেরো।
- হাই। - হাই।
তোমার ব্যায়াম করার পোশাক কেন খুলে ফেলছো না, সোনা?
- হাই। - হাই।
- অনুশীলন কেমন হলো? - বেশ ভালো।
সাবাশ।
তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।
- আমার পছন্দ হয়েছে। - প্রতিযোগিতায় পরলে চমৎকার লাগবে।
আজ আমাদের দেখেছিলে?
মাঝেমধ্যে বড়দের এমন... অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকে।
- কিন্তু, বাবার ব্যাপারটা? - বেশ... বাবা তো বাবাই।
- জানোই তো সে কেমন। - হুম।
এসব আমাদের মধ্যে থাকবে তো? ঠিক আছে?
আমি ক'দিনের জন্য বাইরে যাচ্ছি।
মনে রেখো, কথাটা আমাদের মধ্যেই থাকবে।
হাই। ঘ্রাণ তো এখানেও চলে এসেছে।
ওহ, বাবা, এখানে দেখতে দারুণ লাগছে।
মা! মা! আমরা তোমার জন্য কেক বানাচ্ছি।
আচ্ছা, আচ্ছা, যথেষ্ট হয়েছে।
হেই, মাথিয়াস, যথেষ্ট হয়েছে।
দারুণ। এখন দু'জনের কাপড়ই নষ্ট হয়ে গেল।
- বিজনেস ট্রিপ ভালো ছিলো? - হ্যাঁ, জোশ ছিল।
হাই।
- আচ্ছা? কিছু বলবে, তিনিয়া? - কিছু না।
- তোমার আম্মু ট্রিপের ব্যাপারে কিছু বলেছিল? - হুম।
বলেছিল ব্লগ সেমিনারটা বেশ ভালো ছিল।
ভালো তো।
- নতুন একটা কিনলাম। দেখো। - খুব সুন্দর।
ঠিক আছে।
- ভালো। - ভালো করেছ, তিনিয়া।
তুমি পেরেছ।
প্রতিযোগিতায় এখনো একটা জায়গা ফাঁকা রয়েছে।
আর, আমাদের শেষ প্রতিযোগী। তোমার নামটা যেন কী ছিল?
রিতা।
- হাই! - বিশ্বাসই করতে পারছি না।
আচ্ছা, রিতা, শুরু করো।
হ্যাঁ। পুরাই খাপে খাপ।
হ্যাঁ। চলো আবার করা যাক।
হ্যাঁ। আবার।
আবার।
আবার।
ঠিক আছে, তিনিয়া। আরো একবার করো।
- আমাকে বন্ধ করতে হবে। - আমরা বিষয়টা দেখবো।
- বেশি করো না, তিনিয়া। - আমি ঠিক আছি।
আচ্ছা, আরেকবার করা যাক।
বেশ। এবার হয়েছে।
পেছনের দিকটা ভেতরে টানো।
কোমর সোজা রাখো।
থুঁতনির দিকটা খেয়াল রেখো। বেশ হয়েছে, তিনিয়া।
জানো, ভাবছি প্রতিযোগিতা টা লাইভে দেখাবো।
সবকিছু ঠিক আছে। আমি তোমার যত্ন নিব।
আসলে এখানে আমাদের কিছু সুন্দর মূহুর্ত রয়েছে।
মানুষের এসব পছন্দ হবে।
হেই...
আমি কি তোমাকে কিছু সত্যি কথা বলতে পারি?
মনে হচ্ছে...
আমি প্রেমে পড়েছি।
মানে...
অনেক অনেক বছর পর, কারো প্রেমে পড়েছি।
আর ভাবলাম সেটা একটা মেয়েকে বলা দরকার।
তবে এটা...
এটা হলো...
তেরো হলো আমার জন্য সবচেয়ে ভালো একজন।
জীবনে প্রথমবারের মতো
অনুভব করলাম, যে আমি কারো প্রেমে পড়েছি।
আমাকে দেখতে হবে এর পরিণতি কী হয়।
- বোঝাতে পেরেছি? - হ্যাঁ, বুঝেছি।
জানতাম তুমি বুঝবে।
সোনা, আমি পরের ছুটিতেও দূরে থাকব।
তিনিয়া!
সবকিছু ঠিক আছে?
কী হলো?
তিনিয়া!
তিনিয়া!
কী হয়েছে এখানে? তুমি ঠিক আছো?
একটা পাখি।
ভেতরে একটা পাখি ঢুকেছিল।
হয়তো ওটা আহত অবস্থায় ছিল।
- ওটা কেমন পাখি ছিল? - জানি না।
বেশ বড়ো একটা পাখি।
কী করছো ওখানে?
- যাও! - আমার হিসু করতে হবে।
- বাইরে যাও। - ভয় করছে যেতে।
আউচ, তিনিয়া।
যাও।
Ah, ah, ah, ah
Alli's child
Poor little orphan
Ah, ah, ah, ah Alli's child
Poor little orphan
- কীসের গন্ধ এটা? - তিনিয়া একটা পঁচা।
না, না, মাথিয়াস, চলো তিনিয়া কী বলে শুনি।
কী?
তুমি কী...
তাহলে... মাথিয়াসকে গতকাল বাথরুম ব্যবহার করতে দাওনি।
তিনিয়া একটা পঁচা।
আমরা ঝগড়া করতে আসিনি।
- মাথিয়াস ওর বিছানায় হিসু করেছিল। - ঠিক আছে, আমি পরিষ্কার করে দেব।
- তিনিয়া গতরাতে বাইরে গিয়েছিল। - কী?
- গিয়েছিলে? - না। কিছু কি হয়েছিলো?
হয়নি মনে হয়। মানে...
ওহ...
আচ্ছা। ঠিক আছে।
আচ্ছা। আমি দেখছি।
চলো।
- তোমার কি পাখি আছে? - না।
মানে, সামনে একটা কিনতে পারি।
আজ আসলে না কেন?
- কোথায়? - অনুশীলনে।
আ... আমি ভুলে গিয়েছিলাম।
সে খুব-ই অদ্ভুত।
একসাথে কথা বলতে বলতে হেঁটে বাড়ি যাবে?
তারপর ভয়ঙ্কর ঝড় শুরু হলো। ঢেউ এরকম উচ্চতায় উঠেছিল।
তারা এভাবে ভেসে গিয়েছিল। বিষয়টা পুরো অবিশ্বাস্য ছিল।
এগুলো লাগাতে সাহায্য করতে পারবে?
- রোসা গত রাতে কোথাও চলে গেছে। - ওহ।
মানে, ওহ, না।
• মিসিং: রোসা •
হাই। চলে এসেছো।
টা-ডাহ।
আমার জন্য কী এনেছ?
ধন্যবাদ। খুবই সুন্দর।
- আমার জন্য কী এনেছ? - ওহ, সোনা, তোমার জন্য কিছু আনি নি।
তোমার সুন্দর চুলগুলো জট পাকিয়ে আছে।
চুলগুলো বেশ বড়ো হয়ে গেছে।
মাথিয়াস!
মরা জিনিসটা কী...
পাশের বাড়ির কুকুরটা। তিনিয়া পুঁতে রেখেছিল।
- কোথা থেকে তুলে এনেছো? - তিনিয়া মেরেছিল এটাকে।
- কোনো জন্তু হয়তো থেঁতলেছে। - তিনিয়া থেঁতলেছে।
- মাথিয়াস, মিথ্যা বলো না। - নিজের রুমে যাও।
এক্ষুনি!
তিনিয়া! তিনিয়া!
No comments yet. Be the first to leave one.