Parasyte -the maxim-

Parasyte -the maxim- (寄生獣 セイの格率)

Download Bengali undertekster

Specials

Udgivelsesinfo

বাংলা সাবটাইটেল - Parasyte- [এপিসোড ২৪]
En kommentar af Anime_Freaks
🔴অনুবাদকঃ সৈয়দ মুস্তাকিম উল হাসান🔵

Tags

other
Udgivet den: 2021-07-18
Downloads: 46
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 183 linjer.

ওয়েব নিউজ ওয়েদার ইমেজ

প্যারাসাইট

দিনশেষে কেউই জানে না ওরা আসলে কী।

ওদেরকে নিয়ে এখনো অনলাইনে কথা হয়,

তবে কোনো সরকারী সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সিটি হলের ওই লড়াইয়ের পরে,

এই অঞ্চলে আর তেমন প্যারাসাইটের উৎপাত পরিলক্ষিত হয়নি,

নিশি ফুকুয়্যামা স্টেশনের দক্ষিণ নির্গমন পথ

অথবা বলতে গেলে পৃথিবীতেই।

হঠাৎ ওরা চুপ হয়ে গেল কেন?

প্রথম থিওরী মতে এই লড়াইয়ে ওরা নিজেদের জন্য উপদেশ খুঁজে পেয়েছে।

অন্যটি হচ্ছে,

ওরা নিজেরাই মানব সমাজে আরো বেশী মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

রেইকো তামুরার মতো, কেউ কেউ মানুষের গোস্ত খাবার পরিবর্তে...

খাদ্যাভাসে পরিবর্তন এনে বরংচ আরো মনুষ্য হয়ে উঠছে।

আর বাকী রইলো মিগি,

শিনিচি...

তুমি একদমই বদলাওনি, মিগি।

তুমি খুবই নির্বোধ।

কিন্তু তুমি বেঁচে আছো দেখে আমি অনেক খুশি, মিগি।

এখন আমায় কেমন দেখাচ্ছে শিনিচি?

আমি জানি না।

পূর্বে তুমি আরো অন্যরকম ছিলে।

হয়তো...

কষ্ট করার দরকার নেই।

আমি আসলে আজকে চিরবিদায় নিতে এসেছি।

কী বলতে চাইছো?

আমি ঘুমোতে যাবো।

ঘুম?

কিন্তু তুমি তো সবসময়ই ঘুমাও।

এটা অন্য ধরণের ঘুম।

এবার দীর্ঘ সময়ের জন্য।

হয়তো আমার মৃত্যুর আগপর্যন্ত।

অন্যভাবে বললে,

তুমি আবার তোমার স্বাভাবিক ডানহাত ফিরে পাচ্ছো।

কী বলছো এসব?

আমি বুঝতে পারছি না!

আমার অভ্যন্তরীণ কাঠামোতে আবারো পরিবর্তন এসেছে।

নির্দিষ্টভাবে বললে, গেতোর শরীরে থাকার সময়, আমি নিজেকে একা অনুভব করেছি,

কিন্তু এখন আর একা নই। সম্ভবত এটাই এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী।

কিন্তু মিগি...

সেসময় আমি শুধু বিপুল পরিমাণে তথ্যই লাভ করিনি,

বরংচ বিপুল পরিমাণ ভাবনা অনুসরণ করে কাজও করতে শিখেছি।

এখন আমি বাকী সব তথ্য বন্ধ করে দিয়ে দেখতে চাই...

আমার কাছে এখন যা তথ্য আছে তা দিয়ে কতটুকু কী অর্জন করতে পারি।

তাই আপাতত সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিচ্ছি।

মিগি কী বলছো এসব!

তুমি তো সবসময়ই অনেক কৌতূহলী ছিলে।

এখন কী হয়েছে?

এখনো এমন অনেক কিছু আছে যা তুমি জানো না।

ঠিক বলেছো।

আমি ব্যাপারটা অন্যভাবে নিচ্ছি।

আমি অন্য এক পথে যাবার চেষ্টা চালাচ্ছি।

তোমার পৃথিবী থেকে কিছুটা আলাদা।

আমি বুঝতে পারছি না।

শিনিচি আমি চাই তুমি আমায় একটা স্বপ্ন হিসেবে ভেবে নাও।

এজন্যই আমি চিরতরে বিদায় নিতে এলাম।

কী বলছো এসব?!

তোমার সাথে কাটানো এতগুলো দিন,

সমস্ত সময় আমরা একে অপরকে সাহায্য করেছি...

এসব স্বপ্ন ছিল না!

যথার্থই।

কিন্তু যে ভয়াবহ জিনিসগুলো ঘটেছে,

এতসব মৃত্যু, এসব সত্যই ছিল।

মা!

মা!

মা এখানে কেন?

আমায় মৃত্যুর কথা বলতে শুনে এটা তোমার তৈরিকৃত একটা মানসিক প্রক্ষেপণ।

ওহ তারমানে এভাবেই তোমার মা তোমার মনে হাজির হয়।

কী?

কী বোঝাতে চাইছো?

এগুলো কী মিগি?

আমি আমার মনের চোখ দিয়ে যেভাবে অনুভব করেছি তার থেকে তারা অনেক আলাদা।

আমায় কীভাবে দেখতে তা দেখাও।

আসলেই?

"আসলেই" দ্বারা কী বোঝালে?

বেশ তাহলে এটাই আমি।

নির্দিষ্ট কিছু ব্যাপারে আমরা একে অপরকে বুঝার আশা রাখি,

মনুষ্যরা বাহ্যিকভাবে একই কাঠামোর এবং...

একে অপরের অনুভূতি সঠিকভাবে বুঝতে পারলে,

তারা তাদের কল্পনার চেয়েও বিস্তৃত এক পৃথিবীর দেখা পাবে।

বেশ, বিদায় নেবার সময় হয়ে এসেছে।

আমি চলে যাচ্ছি এখন।

দাঁড়াও, প্যারাসাইটের দেখা পেলে আমি একা কীভাবে লড়বো?

আমি নিশ্চিত তুমি ঠিক থাকবে।

শুধু রাস্তার ট্রাফিকে সাবধানে চলো, ঠিক আছে শিনিচি?

দাঁড়াও!

তাহলে আমি তোমার সাথে আর কথা বলতে পারবো না?

চিরতরে?!

হয়তো।

কিন্তু এমনও কিছু হয়নি যে আমাদের মধ্য থেকে কেউ দ্রুত মারা যাবো।

তাছাড়া নিজের হাতের সাথে কথা বলা কারো জন্য স্বাভাবিক কোন বিষয় না।

তুমি কীভাবে আমার সাথে এমনটা করতে পারছো।

কোনো ধরনের পূর্বাভাস ছাড়াই?

বরাবরের মতোই ঘুম থেকে উঠে তুমি এই স্বপ্নের কথা ভুলে যাবে।

আর স্বপ্নের সাথে তুমি আমাকেও ভুলে যাও এটাই চাওয়া।

আমি নিশ্চিত তুমি পারবে।

আর জেনে রাখো, সকালে যখন ঘুম থেকে উঠবে...

তখন স্বাভাবিক এক হাত দেখতে পাবে।

যেমনটা থাকা উচিত ছিল।

মিগি...

সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ শিনিচি।

পরিবেশনায়: ANIME FREAKS

ভাবানুবাদে: সৈয়দ মুস্তাকিম উল হাসান

কীভাবে আমি তোমার কথা ভুলে যাবো!

আহাম্মক!

মিগি...

সম্পাদনায়: আকতার হোসেন

নাগাই ইদানীং বিরক্তকর হয়ে উঠেছে, সবসময় আমায় ফলো করে।

ওহ, আখিহো।

ওইযে সে!

শিনিচি, অনেক দিন পর!

হেই।

অনেকক্ষণ অপেক্ষা করছিলে?

না, ইউকো আর আখিহো পাশ দিয়েই যাচ্ছিলো।

আমি আখিহোর সাথে একটা আর্ট এক্সিবিশনে যাচ্ছি।

কিন্তু আমি যেতে চাই না।

তোমাদের বিরক্ত করতে চাই না, তাই আমরা গেলাম।

পরে দেখা হবে বন্ধুরা!

ওরা ভালোই মজা করছে।

হ্যাঁ, আমার মতে তারা কলেজ জীবনের পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করছে।

আমিই পিছে পড়ে রইলাম।

তাহলে দ্রুত আমায় ধরো।

আমি তোমার অপেক্ষা করছি।

কলেজের পরীক্ষায় ফেল করে পার্কের বেঞ্চে...

পড়াশোনা করাটা মানষিক অত্যাচারের শামিল।

এতসব উদ্ভুট পরিস্থিতির মধ্যে।

তেমন কিছুই ইদানীং হয়নি।

কোথাও কোনো প্যারাসাইটের দেখা পাওয়া যায়নি।

আমি উদাকে কল করেছিলাম,

তাদের খবরা-খবর জানতে।

কিন্তু তাকে মিগি সম্পর্কে বলিনি।

মিগির উধাও হয়ে যাওয়া তার নিজের প্রজাতির মধ্যেও এক "অনন্য" দৃষ্টান্ত।

আমি কখনোই তোমায় বুঝতে পারিনি, মিগি।

কিন্তু সমস্যা নেই,

আমি নিশ্চিত, আমার অজানা কোনো জায়গায় তুমি হেঁটে বেড়াচ্ছো।

আমরা একত্রে যেসব যুদ্ধ লড়েছি...

সেগুলো পৃথিবী বা অন্য কিছুর জন্য ছিল না।

এটা ছিল মানবতার জন্য... অথবা সত্যি করে বললে আমার জন্য।

দিনশেষে,

আমি প্যারাসাইটের পরিপ্রেক্ষিতে পৃথিবীকে দেখতে পারিনি,

মিগির দৃষ্টি দিয়েও না।

প্রথমে ব্যাপারটা সহজ ছিল না।

দু'টো ভিন্ন প্রজাতি হিসেবে,

কখনও আমরা একে অপরকে ব্যবহার করছি, কখনও খুন করছি।

তবে একে অপরকে বোঝা অসম্ভব।

কারণ তুমি কখনোই তোমার নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে...

অন্যকে বিবেচনা করতে পারবে না।

আমি মনে করি এটা মানুষের দাম্ভিকতা, অন্যান্য জীব কেমন অনুভব করে তা বুঝতে পারছি ভাবা।

প্রকৃত অর্থেই বাইরের জগতে মানুষের তেমন কোনো বন্ধু প্রজাতি নেই।

যদিও আমরা তাদের বুঝতে পারি না,

তবে, প্রতিবেশী হিসেবে তারা আমাদের থেকে সম্মান তো পেতেই পারে।

আমরা অন্য প্রজাতিগুলোকে রক্ষা করি কারণ মানুষ একাকী প্রাণী।

আমরা পরিবেশকে রক্ষা করি কারণ মানুষ নিজেরাই বিলুপ্ত হতে চায় না।

আত্মতৃপ্তিই আমাদের চালিত করছে।

তবে আমি মনে করি এটা প্রকৃত অর্থে ঠিকই আছে।

মানুষ হয়ে মানুষের মানদন্ড অবজ্ঞা করার কোনো মানেই নেই।

আমার এগুলোই মনে হয়।

দিনশেষে, যদি আমরা নিজেদেরকে ভালো না বেসে পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা জাহির করি, তাহলে সেটা ভন্ডামির শামিল।

তুমি ঠিক আছো?

হাহ?

আসলে ভাবছিলাম...

কতটা শান্তিতে আছি ইদানীং।

আসলেই?

শুনেছি অপরাধ বাড়ছে।

ঠিক তাই!

এজন্যই ধারণাগুলো প্রসিদ্ধ নয়।

অথবা কখনো প্রসিদ্ধ হবার মতো কিছু ছিলোই না।

এমনকি বন্য পশুও নিজেদের খাদ্যের জন্য খুন করে থাকে।

সংকীর্ণ অর্থে, তারা আমাদের শত্রু,

তবে বিস্তৃত অর্থে, তারা আমাদের মতোই।

আমরা সবাই এই গ্রহেই জন্মেছি, তাই না?

এবং অন্যদের মতোই আমরা আমাদের জীবন যাপন করছি।

মনে পড়লো,

আমরা অনেক দিন একসাথে,তাই না?

আমরা কি ডেট করছিলাম এতদিন?

হাহ?

মজা করলাম।

জানো...

কী বলতে চেয়েছিলাম ভুলে গেছি।

কী?

হাহ?

এখন কী হলো?

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left