De første 200 linjer.
আক্রমণ করো!
আক্রমণ করো!
চলো! যাও! জলদি!
হেনরিখ, চলো! সামনের দিকে! এক্ষুণি চলো!
মইয়ের দিকে!
আমার আদেশে!
সামনে বাড়ো!
হেনরিখ! বাইরে যাও!
তোমরা সবাই, যাও!
চলো! বাইরে যাও!
যাও, হেনরিখ! বাইরে যাও এক্ষুণি!
আক্রমণ করো!
আক্রমণ করো!
যাও! সামনের দিকে!
হেনরিখ!
হেনরিখ!
- আক্রমণ! আক্রমণ করো! - আক্রমণ!
:.:.: All Quiet on the Western Front :.:.: অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
চলো!
উত্তর জার্মানি বসন্ত, ১৯১৭
যুদ্ধের তৃতীয় বছর
পল! পল!
- পল! বেশ? - তো?
উম্ম।
- বেশ তাহলে? - জানি না।
- উনি জানেন আমরা সবাই যাচ্ছি? - হ্যাঁ, অবশ্যই।
ঘরে বসে থাকবি?
খোদা, তুই দেখি মায়ের আচলই ছাড়তে পারবি না, ভাই।
আমায় দে, আমি লিখে দিচ্ছি।
- এতে বাবা-মায়ের স্বাক্ষর লাগবে। - আরে, কেউ দিলেই হলো। চল, দে এদিকে।
- এতে কাজ হবে না, ওরা জেনে যাবে। - কীভাবে জানবে?
বেশ?
ওর মা কি ওদের কলমি বন্ধু না-কি?
- কলম দে। - আহ, দুঃখিত।
ওহ!
লুডউইগ।
এটা করিস না। তোর বাবা তোকে মারবে।
এর চেয়ে ভালো আইডিয়া আছে তোর কাছে? আমি একলা এখানে পড়ে থাকব না।
সাবাশ!
অভিনন্দন, প্রাইভেট বোমার।
হেঁটে চলা এক মরা আদমি।
তোমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছো অস্তিত্বের সঙ্কটাপন্ন মুহূর্তে।
এই মুহূর্তের কথা মনে রেখো।
এটা একটা মহান মুহূর্ত।
আসন্ন দিনগুলোয়, আজ তোমরা কীসে পরিণত হওয়ার সাহস করেছ তা দিয়েই তোমায় বিচার করা হবে।
জার্মানির লৌহকঠিন তারুণ্য।
বন্ধুরা আমার,
আমরা সৌভাগ্যবান এক মহান সময়ে বেঁচে থাকতে পেরে।
তোমাদের কৃতকর্ম হবে
শক্তিশালী আর মহান এক ভবিষ্যৎ গড়ার হাতিয়ার।
চুপ করে দাঁড়িয়ে শোনো, ভদ্রমহোদয়গণ!
কায়জারের সৈন্য চাই, শিশু নয়।
আমি নিশ্চিত যে তোমাদের বেশিরভাগের সাথে আমার আবার দেখা হবে, এখানে, স্বদেশের মাটিতে।
তোমাদের তলোয়ার খাপে ফিরে যাবে সম্মান আর শ্রদ্ধার সাথে।
লৌহ নির্মিত এক ক্রুশ তোমাদের বুকে গর্বের সাথে ঝুলবে।
যাইহোক, এটা মাথায় রেখো।
অন্ধকারতম মুহূর্তে, আর আমি নিশ্চিত করছি এমন মুহূর্ত আসবে,
আক্রমণের আগমুহূর্তে, তোমাদের মন সন্দেহের কুয়াশায় আচ্ছন্ন হবে।
কিন্তু এটা কোনো মানসিক দুর্বলতার কাছে হেরে যাওয়ার সময় নয়।
যেকোনো অস্থিরতা, যেকোনো দ্বিধা আমাদের পিতৃভূমির সাথে বিশ্বাসঘাতকতার সমতূল্য!
আধুনিক যুদ্ধ দাবা খেলার মতো।
এটা কখনোই একক কোনো সৈন্যের ব্যাপার নয়।
আমাদের একমাত্র চিন্তা হবে পুরো শরীরকে নিয়ে।
তোমাদের কাছে সুযোগ রয়েছে তোমাদের ইউনিফর্ম এর যোগ্যতা অর্জন করে নেওয়ার।
আর ফ্ল্যান্ডার্সে ফ্রন্ট লাইনে যোগদানের মাধ্যমে, আমরা শত্রুদের নাস্তানাবুদ করে দেবো।
আর তারপর তোমরা, কয়েক সপ্তাহের মাঝেই,
প্যারিসের উদ্দেশ্যে রওনা করবে!
ইয়াহ!
আমাদের ভবিষ্যৎ,
ডয়েসল্যান্ডের (জার্মানির) ভবিষ্যৎ,
তার সর্বসেরা প্রজন্মের হাতে ন্যস্ত।
আর বন্ধুরা, সেটা হচ্ছো তোমরা!
ইয়াহ!
তো, রওনা করো ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে
কায়জার, ঈশ্বর আর পিতৃভূমির জন্য!
ইয়াহ!
পরের জন।
পরের জন।
পরের জন।
- পরের জন। - পরের জন।
বোমার, পল। ৫৩ ভিজেনগন্ড।
জন্ম নভেম্বর ১৮, ১৮৯৯। সঠিক?
জি, স্যার।
পরের জন।
পল।
নাও। তোমার বাবা তোমায় নিয়ে গর্ব করতে পারেন।
জি।
সব ঠিক আছে?
হ্যাঁ। আমি এটা পরার জন্য অধীর আগ্রহী।
চলো যাও।
ওইতো আসছে ও।
- এমিল হারমান। - নাম আর ঠিকানা।
- পরের জন। - এক্সকিউজ মি।
এটা অন্য কারোর।
আহ, হ্যাঁ। এটা হয়তো ওর গায়ে ছোটো হয়েছিল। প্রায়ই এমন হয়।
নাও। এটা তোমার।
ধন্যবাদ।
আমার মনে আছে তোর কথা।
ওহ, লুডউইগ, সব নারী কি আমাদের থেকে ছিনিয়ে নিবি?
হুম।
আমার তো চিন্তা একটাই তুই যেন আবার আমাদের গুলি না করে দিস।
ও অপেক্ষা করবে না, ফ্রাঞ্জ।
ও করবে না।
আরে, লেডি কিলার।
লা মালমেইসন, উত্তর ফ্রান্স পশ্চিম ফ্রন্ট ২৫ কি.মি. দূরত্বে
- তোমার নাম? - ক্রপ। আলবার্ট ক্রপ, স্যার।
তোমার কি নোংরা মেয়ে পছন্দ, ক্রপ?
তোমার কি নোংরা মেয়ে পছন্দ?
আহ, না। না, স্যার।
তাহলে নোংরা বন্দুক নিয়ে ঘুমাও কীভাবে?
বেলা ৩টায় গার্ড ডিউটির জন্য রিপোর্ট করবে।
ভদ্রমহোদয়গণ, তোমরা বীভৎস নর্দমার মধ্যে লড়াই করবে।
আর সেটা করবে একটা পরিষ্কার G98 সাথে নিয়ে।
তোমরা এটার যত্ন নিবে।
একে ভালোবাসবে।
আর দোহাই লাগে, একে পবিত্র মাতার
মতো পরিষ্কার রাখবে।
কথা পরিষ্কার?
- জি, স্যার! - জি, স্যার!
৭৮তম রিজার্ভ পদাতিক রেজিমেন্টে স্বাগত।
আমরা এখন পশ্চিম ফ্রন্টে আছি।
- প্যারিসে স্বাগত! - হ্যাঁ! প্যারিসে স্বাগত!
আহ!
এদিকে! এদিকে!
এদিকে! এই পথে!
এই পথে!
- যাও! ওখানে ডানদিকে! - ধ্যাত্তেরি, কী হয়েছে?
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে কোম্পানিকে হস্তান্তরের নির্দেশ আছে আমার কাছে।
সেটা করতে পারেন, তবে পায়ে হেঁটে।
ট্রাকগুলো আমাদের দিয়ে দিতে হবে, লেফটেন্যান্ট।
যথাযথ সম্মান সহকারে বলছি, আমার কাছে আদেশ আছে...
আদেশ নিয়ে পাছায় গুঁজে রাখুন।
এখানে আমার ৪০ জন সৈন্য কাঁদামাটিতে পড়ে থেকে মারা যাচ্ছে।
এক্ষুণি বের হোন।
সবাই, ওঠো।
চলো, এগোও।
স্টাফ সার্জনের কথা তো শুনেছ।
জলদি, সৈন্যরা। এখানে ঘুমিয়ে পড়ো না।
চলতে থাকো।
- ফ্রাঞ্জ মুলার, ঠিক? - জি।
সুপ্রিম আর্মি কমান্ডের প্রত্যাশা
তোমরা যেন এখানে অন্তত ৬ সপ্তাহ বেঁচে থাকো।
সেটা তুমি চাও, ছয় সপ্তাহ, বেঁচে থাকতে?
- জি, স্যার। - তাহলে জোরে হাঁটো
আর দেশে যেভাবে পা টেনে চলতে তা বন্ধ করো।
- বুঝতে পেরেছ? - জি।
জলদি করো।
আমরা এখানে চায়ের পার্টিতে আসিনি।
গ্যাস!
- গ্যাস! - গ্যাস!
গ্যাস!
গ্যাস!
গ্যাস মাস্ক পরে নাও!
ভদ্রমহোদয়গণ, ওটা ছিল একটা মোটা শূকর।
ফরাসিরা যদি ভালো তাক করতে পারত,
আমাদের চামচ দিয়ে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সসপ্যানে কবর দিয়ে দিতে পারতে।
কিন্তু একটা ব্যাপার চার্চের আমেনের মতোই ধ্রুব সত্য।
মোটা শূকরেরা গ্যাস মাস্ক বহন করে না।
চোখ সোজা সামনে।
- বয়রা তুমি? - না, স্যার।
আমি স্রেফ মাস্ক পরার চেষ্টা করছিলাম।
পল বোমার, প্রায় নিশ্চিত তুমি সূর্যোদয়ের আগেই মারা পড়বে।
তোমার কিছু খেয়ে নেওয়া উচিত, ভায়া।
এটেনশন! গ্যাস মাস্ক খোলো!
গ্যাস মাস্ক খোলো!
তুমি না।
তুমি রাতের গার্ড ডিউটি পর্যন্ত এটা পরে থাকবে।
তুমি আর ওই অথর্ব শূকরটা।
লাইনে দাঁড়াও। সামনে এগোও!
লাইনে দাঁড়াও!
একসাথে সামনে চলো!
চলো, জলদি করো!
যাও!
চল। পল, চল। তোর ঝোলা আমার কাছে দে।
পরের বার, তুই আমারটা নিস।
অভিনন্দন, সৈন্যরা।
এটাই এখন তোমাদের ঘর।
হেলমেট খোলো।
আমার অনুপস্থিতিতে দেখি সৈন্যরা ভালোই মৌজ করছে, স্টাইনবার্গার।
আমরা সারারাত গোলাগুলির মধ্যে ছিলাম।
সবার অবস্থা বিধ্বস্ত।
বুটগুলো শুকিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে শুরু করাটা ভালো হবে তাহলে।
ওহ, সবাই কি ডুবে মরতে চাও?
সবাই নামো! চলো, পরিখার পানি সেচো!
লাইনে দাঁড়িয়ে পানি সেচো!
কীসের অপেক্ষা করছো, বোমার?
এখানে সময়ক্ষেপণ করছো কেন? যাও গিয়ে পানি সেচতে সাহায্য করো।
কুকুরের দিকে একটা মাংসের টুকরা ছুঁড়ে দাও।
চলো, সবাই!
সেটাই সে চেটেপুটে খেয়ে নিবে।
একটা মানুষকে ক্ষমতা দাও...
সে দানবে পরিণত হবে।
পান করে নাও।
কাৎজিনস্কি, এখানে এসো। সাহায্য করো।
আজ রাতে, অবস্থা আরও খারাপ হবে।
দুঃখিত।
বাদ দে।
যাইহোক, এরকম কিছু আমি কল্পনা করিনি।
চুপ করে থাক, লুডউইগ।
আমার হাত। একদম অনুভব করতে পারছি না।
No comments yet. Be the first to leave one.