Die in a Gunfight

Die in a Gunfight

Download Bengali undertekster

Udgivelsesinfo

Die in a Gunfight 2021 1080p BluRay H264 AAC-RARBG
En kommentar af LoneWolf89bd

Tags

BluRay
1080
Udgivet den: 2021-07-24
Downloads: 46
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

পাঁচ বছর বয়স থেকে,

বেন গিবন ৭২৩ টা দাঙ্গা, হাঙ্গামা আর মারপিট করেছে।

প্রতি বছর গড়ে আনুমানিক ৩২.৮৬ টা

এবং সে প্রত্যেকটাতে হেরেছে

এরকম একটা রেকর্ড দেখে

তার থেরাপিস্ট বুঝতে পেরেছিলেন যে ও আসলে হারতে চায়

আর সত্যি বলতে, বেনের জেতার কোন অর্থই ছিল না।

এটা অনেকটা উত্তেজনাপূর্ণ অনুভূতির মতো ছিল

যেন সে তার নিজের মস্তিষ্কের ভেতরে চারপাশে ভেসে বেড়াচ্ছিল

তার জীবনকে একটা সিনেমার মত দেখছিল সে যেন সেখানে কিছুই ঘটেনি

সে এটা দেখতে পেত, কিন্তু অনুভব করতে পারত না

তাই তার মধ্যে অনুভব করার একটা তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল

- হেই! - যে কোন কিছু

বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে

এবং তার নিজের চলচ্চিত্রের বন্দী দর্শক হয়ে,

বেন অদ্ভুত সব উপায়ের খোঁজ করছিল

অন্তত যাতে দর্শকদের সন্তুষ্ট করা যায়

এটা একটা উদ্দেশ্যহীন অনুসন্ধান ছিল, এ যেন দ্বন্দ্ব এবং স্ব-অপব্যবহারের দ্বন্দ্ব।

যতক্ষণ না সে আসলেই জানতে পারছে যে সে কী খুঁজছে

ওর জীবনে প্রেম এল

হলি শিট

হুট করে, বেনের পৃথিবীটি জীবন্ত হয়ে উঠল

এবং নিজের জীবনকে এমন এক উত্তেজনার সাথে অনুভব করল যা সে কখনই সম্ভব বলে মনে করেনি।

কিন্তু তারপরে, একদিন হঠাৎ করেই এটা

চলে গেল, যেভাবে এটা এসেছিল

আর তারপর

বেন গিবন

বেন নিজেকে ঠিক সেখানে খুঁজে পেল যেখানে সব শুরু হয়েছিল

নিচে শুইয়া থাক, হালার পুত

এক মিনিট

উম।

ওহ, ফাক

এখনো বেঁচে আছি আমি

কুত্তার বাচ্চা...

মুকুল

আমরা কেন ওখানে যাচ্ছি?

মজা হবে।

কোন মজা হবে না।

তুমি ওখানে যাচ্ছ কারণ ও ফিরে এসেছে, তাই না?

ও ওখানে থাকবে কিনা সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে

এটা তার বাড়ি।

আমাদের এখানে আমন্ত্রণও দেওয়া হয়নি, তাই না?

নাহ।

মুকুলের উদ্বেগ যুক্তিসঙ্গত ছিল,

যেহেতু হাই সোসাইটির ইভেন্টগুলোতে ঝামেলা করার ব্যাপারে বেনের কুখ্যাতি ছিল।

আসলে, ওর সাম্প্রতিক কতগুলো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের পরে

সুস্পষ্ট ও পরিস্কারভাবে একটা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল

সেজন্য বেন গিবনকে এখানে স্বাগতম জানানো হয়নি

ন্যান্সি গিবন

- আহ, মা আসছে। - বেঞ্জামিন

- হায় আল্লাহ্‌. তুমি এখানে কি করছ? - হেই মা

ফ্রি মাল, ধন্যবাদ, নিখুঁত টাইমিং

- ধন্যবাদ. - আমার সাথে এসো.

তুমি ভাল করেই জানো যে এই ইভেন্টগুলোতে তোমাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে

মা, ওসব আগের কথা

তুমি এক্সেটার ক্লাবের সভাপতিকে ঘুষি মেরেছ

- কার্পেটে মুতু করেছ। - হ্যাঁ হ্যাঁ. আমরা বুঝতে পেরেছি, বুঝতে পেরেছি

তুমি ওকে কেন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছ না, মুকুল?

আপনার ছেলে একজন নৈরাজ্যবাদী, মিসেস গিবন।

- ও ডেমোক্র্যাট - এটা কি?

আহ, মা, এগুলো আঘাতের দাগ, এগুলো ডলা দিলেই উঠবে না

তোমরা দুজন কি গাঁজায় দম দাও নাকি?

- হ্যাঁ - না

- বাবা. - তোমার বাবা এসেছে।

- ব্যাটম্যান - এইতো সে

হেনরি গিবন

কি? এটা সত্যিই ভাল।

উম-হুম। যদি উইলিয়াম আর বিয়াট্রিস তাকে এখানে দেখে

একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে...

আমার চোখ নিশ্চয়ই আমাকে ধোঁকা দিচ্ছে।

উইলিয়াম র‍্যাথকার্ট

নিজের চেহারার দিকে খেয়াল রাখো না, তাই না?

একটু মারপিট করসে আরকি, আপনি জানেনই তো ছেলেরা কেমন

এটা আসল কথা না

আপনার ছেলে অবৈধভাবে এখানে ঢুকেছে

আমি ওকে নজরবন্দি করে রাখব আর ও যেন সবার সাথে ভদ্র ব্যবহার করে। ঠিক আছে, বেঞ্জামিন?

হুঁ?

ধন্যবাদ.

আমি কি কর্তৃপক্ষকে ফোন করে কিছু বলব?

মেরি র‍্যাথকার্ট

তুমি এরকম দুঃখী দুঃখী চেহারা বানিয়ে রেখেছ কেন?

বিয়াট্রিস র‍্যাথকার্ট

শহরের সবচেয়ে যোগ্য ব্যাচেলররা আজ রাতে এখানে এসেছে

আর তুমি কোণার মধ্যে একা একা বসে আছ

একটু মজা করো। চেষ্টা করো

আমার মেয়েটা সারা রাত মুখটা বাংলা পাঁচ বানায়ে রাখসে আর সেটা নিয়ে সবাই কথা বলুক তা আমি চাই না।

মেরি র‍্যাথকার্ট প্রথমে তার বাবা-মা'র বুকভরা আশা ভেঙ্গে দিয়েছিল

যখন ওর বয়স ছিল ১২ বছর

তাকে শহরের সবচেয়ে নামকরা প্রাইভেট স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

ওর ১৬ বছর বয়সে,

তাকে শহরের প্রতিটি প্রাইভেট স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু সে লাগামছাড়া হয়ে গিয়েছিল

যখন সে বেঞ্জামিন গিবনের প্রেমে পড়ল

যে ছিল মেরির বাবার প্রতিদ্বন্দ্বীর কুখ্যাত পুত্রসন্তান

খবরটা যখন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল তখন কেলেঙ্কারী হয়ে গেল

এবং তাকে আর কখনও গিবনের সাথে দেখা করতে নিষেধ করা হয়েছিল,

যেটা মেনে চলার কোন ইচ্ছাই মেরির ছিল না

তাই সে বেনের সাথে মেক্সিকোতে পালিয়ে যাওয়ার একটা গোপন পরিকল্পনা করল

তবে তাদের পরিকল্পনা শীঘ্রই ব্যর্থ হয়ে গেল

আর মেরিকে হঠাৎ করে প্যারিসের বোর্ডিং স্কুলে পাঠানো হল,

যেখানে তার প্রতিভা আরও পরিশীলিত পরিবেশে বিকশিত হতে লাগল

মেরি অনেক বার বেনকে চিঠি লিখেছিল

প্রথম বার...

- আমি তোমাকে মিস করছি - তারপর...

তুমি কি আমাকে ভুলে গেছ?

- আর তারপর... - চুদিনা তোমারে, গগন আঁধারে!

কিন্তু কোন এক কারণে, যা মেরি জানেনা

বেন আর কখনও চিঠি লিখেনি।

আর তাই সেও আর কখনও লেখেনি।

সে বেনকে ভুলতে আর তার পিছনে ফেলে আসা জীবনকে ভুলে যেতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল

সে সরবনে পড়াশোনা করতে প্যারিসে থেকে গেল

এবং পুরোপুরি নতুন জীবন শুরু করতে নিজেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করল

কিন্তু তার হৃদয় ভরাট ছিল,

দীর্ঘস্থায়ী নিঃসঙ্গতায় সে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল

মুক্তি

আর তারপরেও তার বাবা

নিশ্চিত করল যে ওকে সবসময় ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে

তাই সে কখনও অতটা একা ছিল না যতটা সে অনুভব করছিল

শেষ অবধি, তার মধ্যে আগুনের যতটুকু বাকী ছিল তা সময়ের সাথে সাথে চলে গেল

আর একটা পোষা পাখির মতো খাঁচার স্বাচ্ছন্দ্যের খোঁজে

সে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরে গেল

ঠিক যেখানে ওর শুরু হয়েছিল।

আমি বলছি, "ওকে বের করে দাও"

বেঞ্জামিন চলেই যাচ্ছিল, উইলিয়াম।

কি? তোমার কিছু বলার আছে?

শুধু চেহারা দেখাতে এসেছিলাম

তোমার চোখে বরফ দিচ্ছ না কেন? তোমাকে দেখতে দাগী আসামির মতো লাগছে।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে, গিবন এবং র‍্যাথকার্ট পরিবার

একে অপরের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে

এমনকি কেউ এটাকে "রক্তের দ্বন্দ্ব" হিসাবে অভিহিত করতে পারে

এবং সমস্ত রক্তের দ্বন্দ্বের মত,

এটার শুরুও হয়েছিল খানিকটা রক্ত ঝরার মাধ্যমে

১৮৬৪ সালের কথা

টারলেটন র‍্যাথকার্ট এবং থিওডোর গিবন,

নিউ ইয়র্ক সিটির বর্ধমান সংবাদ শিল্পের দুজন শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব,

এই দুজন ভদ্রলোক ডুয়েল লড়তে মুখোমুখি হলেন

টারলেটনের জুতো নিয়ে থিওডোরের খবরের কাগজে একটা সংবাদ ছাপানোর পরে

থিওডোর টারলেটনের বুলেটের আঘাতে মারা গেল

মৃত্যুর আগে ওর শেষ কথা ছিল...

ওই হারামজাদা র‍্যাথকার্টকে বলো ওর সাথে জাহান্নামে দেখা হবে

বছরের পর বছর ধরে, দুটো পরিবারের প্রকাশনা সংস্থা

প্রতিদ্বন্দ্বী মিডিয়া সংঘ হিসেবে ক্রমেই বেড়ে উঠল

যা আজকের দিনে গিবন টেলিকমিউনিকেশনস আর

র‍্যাথকার্ট কর্পোরেশন নামে পরিচিত

আর তাদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব এখনও অব্যাহত আছে

একে সহজেই মিডিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে যুদ্ধংদেহী দ্বন্দ্ব বলা যেতে পারে,

তবে হেনরি গিবন এবং উইলিয়াম র‍্যাথকার্টের ক্ষেত্রে

এই দ্বন্দ্বটা ব্যবসায়িক ছিল না... এটা ছিল ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব

মাফ করবেন. এদিকে এসো বাছা

তুমি এখন বড়ো হয়েছ

এখন সময় হয়েছে বড়দের মত আচরণ করার

বেরিয়ে যাও

কি হল ওখানে?

উইলিয়ামের আচরণ কিছুটা কর্কশ ছিল, তাই না?

মেরি ফিরে এসেছে

ব্রো, কোট।

হুঁ।

ঠিক আছে.

সিকিউরিটি!

- হায় আল্লাহ্‌! - হেই, তুমি পেয়েছ?

যাও, যাও, যাও, যাও, যাও!

ও আবার কোট চুরি করেছে

ওয়াল্টার, ওটা আমার কোট! তাকে থামাও!

গিবন!

মেরির প্যারিসে নির্বাসন দ্রুত এবং বিনা সতর্কতার সাথে সম্পন্ন করা হয়েছিল।

ও ফোন করেছিল, টেক্সট দিয়েছিল, কিন্তু সে তার উত্তর দেয়নি

তিনি ইমেল করেছিল, কিন্তু কোনও সাড়া পায়নি।

মেরির হদিস এবং তার নীরবতা একটা ভুতুড়ে রহস্য হিসাবে রয়ে গেল

প্যারিসে তাঁর কষ্টের বর্ণনা বেনের কানে না যাওয়া পর্যন্ত।

ভগ্নহৃদয়ের বেন তার ওয়ান ওয়ে টিকেটটা ব্যবহার করল যা সে মেরির সাথে ব্যবহার করার কথা ভেবে রেখেছিল

আর কোন কিছু না জানিয়েই মেক্সিকোতে অদৃশ্য হয়ে গেল,

প্রত্যাবর্তনের কোন অভিপ্রায় ছিলনা তার

তাঁর অস্তিত্বের জানান দেবার একমাত্র প্রচেষ্টা হিসেবে

সে তার মা বাবার কাছে একটা সাংকেতিক চিঠি লিখে পাঠাল

তার সাত মাস পরে ওর সাথে মুকুলের দেখা হল

গোপনীয়তার শপথ গ্রহণের কারণে

তারা কেউই কীভাবে একে অপরের সাথে পরিচিত হয়েছিল, সেটা নিয়ে একটা কথাও কখনও বলেনি,

তবে তারা তখন থেকেই অবিচ্ছেদ্য ছিল।

ডাই ইন অ্যা গানফাইট

তুমি জানো, আমি এটা হজম করতে পারব না

এত বছর পরেও তুমি ভাবছ যে ও আর বড় হবে

হেনরিকে এইবার একটা চেক লিখতে হবে।

মাথা গরম কইরো না ডার্লিং

ও কি প্রায়ই এ ধরণের কাজ করে?

সে যখনই এসে চেহারা দেখানোর সিদ্ধান্ত নেয়

ওহ, মেরি, আমি জানি তোমার এই চেহারার মানে কি

- আমি কি স্ক্র্যাপবুকটা বের করব? - না, প্লিজ, না।

আসলে, বেশিরভাগ বাবা-মা তাদের বাচ্চাদের কৃতিত্বের রেকর্ড রাখেন,

কিন্তু তাদের ব্যর্থতা ভুলে যান। এটা অস্বাভাবিক.

আমার মা সর্বদা বলতেন, "লজ্জার চেয়ে বড় কোন শিক্ষক আর নেই"

নটাঙ্কি কইরো না। এটা মজার.

আমি চাই আমার নিকৃষ্টতম শত্রুরও যেন এরকম সন্তান না হয়

তৃতীয় শ্রেণীর রিপোর্ট কার্ড। অনেক মেধাবী ছিল

ছেলেটার মাথা একেবারে গেছে

পরিবারটাকে একেবারে শেষ করে দিয়েছে

- তাই নাকি? - ওহ, আমি এটা ভালবাসি।

তোমার মনে আছে ফেলিক্স গ্রাহামের কথা?

কয়েক বছর আগে তাঁর সাথে ও কয়েকটা সেশন করেছিল

প্যাথলজিক্যাল বৈপরীত্য

উনি বলসিলেন যে ওর একটা স্ক্রু ঢিলা আছে

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left