De første 122 linjer.
অনুবাদক: আকাশ বসাক
সম্পাদনায়: আকতার হোসেন
উইলিয়াম মিনের্ভা বলছি।
ম-মি. মিনের্ভা?
হ্যালো? মি. মিনের্ভা?
এই ফোনটার জবাব দিয়েছো যখন, আমার বিশ্বাস তুমি একজন পলাতক।
- আপনি এখন কোথায় আছেন? মি. মিনের্ভা! - যেটা বলার ছিল সেটা তাড়াতাড়ি বলে দিচ্ছি।
এটা একটা রেকর্ডিং।
আমার আসল নাম জেমস রাতোরি।
আমি খামারে কাজ করতাম।
কিন্তু একদিন, বাচ্চাদের বলি দেয়াটা আমার কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে...
যা ১০০০ বছর আগে মানুষ ও দৈত্যদের মধ্যে করা প্রতিজ্ঞা।
কিন্তু সেই প্রতিজ্ঞাটি আমি ভাঙতে পারিনি।
তাই আশা করেছিলাম, অন্তত, অন্তত কিছু বাচ্চারা সত্যটা জেনে যাবে এবং তাদের ভবিষ্যতকে নিজেদের হাতে তুলে নেবে।
আমি খামারে যাওয়া বইগুলোর মধ্যে ক্লু ছেড়ে দিই, তাদেরকে আশ্রয়স্থল অব্ধি নিয়ে আসার জন্য যেখানে তোমরা বর্তমানে রয়েছো।
উইলিয়াম মিনের্ভা নামক এক কাল্পনিক ব্যক্তির ভান করি।
কিন্তু খামার আমার প্রতারণার ব্যাপারে জেনে যায়,
আর আমাকে প্রতারক ঘোষণা করে আমার পেছনে লেগে পড়ে।
তোমার সাথে যদি একবার দেখা করতে পারতাম... অথবা তোমাদের সবার সাথে।
আমি তোমার কন্ঠস্বর শুনতে চাই... তোমাদের সবার সাথে দেখা করতে চাই।
এখানে এসে খুব ভালো কাজ করেছো।
আমি নিশ্চিত তুমি অত্যন্ত কষ্ট ভোগ করেছো।
তুমি চাইলে এই আশ্রয়স্থলে সারাজীবন থেকে যেতে পারো।
অথবা এখান থেকে বেরিয়ে যদি মানুষের পৃথিবীতে যেতে চাও,
তাহলে কলমে এই শব্দটা লেখো।
ফি. উ. চা. র... "ফিউচার।"
ওখানকার মানুষেরা তোমাকে গ্রহণ করে নেবে।
মি. মিনের্ভার সাথে সাক্ষাৎ হলো না ঠিকই, তবে তিনি আমাদের পক্ষেই ছিলেন।
মি. মিনের্ভা এই নিরাপদ জায়গাটি আমাদের জন্যই তৈরি করেছিলেন।
তিনিই আমাদের এখানকার পথ দেখিয়েছেন। কিন্তু এখন থেকে...
সবকিছু আমাদের ওপর নির্ভর করছে।
ভাবছি আমাদের আগে কেউ সেখানে যেতে পেরেছে কি-না।
আশা করছি পেরেছে।
ম্যাপ!
ডি১০০...
এটা পশ্চিম প্রান্তের কিনারায় রয়েছে। এটা তো অনেক দূরে!
তবে সেখানে পৌঁছাতে পারলে...
আমরা মানুষের পৃথিবীতে প্রবেশ করবো।
আগে, এই আশ্রয়স্থলে থাকার জন্য আমাদের একটা ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।
তারপর, বাড়িতে ফিরে গিয়ে ফিল ও বাকিদের নিয়ে আসবো।
আমরা অন্যান্য বাড়ির বাচ্চাদেরও উদ্ধার করে এখানে নিয়ে আসবো,
তারপর আমরা সবাই একসাথে মানুষের পৃথিবীতে পাড়ি দেবো।
ততক্ষণ অব্ধি, আমরা হার মানবো না!
যদি হার মেনে নিই, তাহলে আমরা নরমানকে নিরাশ করে ফেলবো।
যতই হোক, আমি নরমানকে কথা দিয়েছিলাম।
যে আমি হার মানবো না। কাউকে মরতে দেবো না।
আমাদের পরিবারের সবাইকে নিয়ে পালাবো।
আমাদের এই প্রতিজ্ঞা পালন করতেই হবে।
সুপ্রভাত!
উঠে পড়ো, নয়তো ব্রেকফাস্ট পাবে না!
কেউ কোনো অনুরোধ বা মতামত দিতে চাও?
আমি!
আমি আরও সুস্বাদু মাংস খেতে চাই!
পাখির মাংস খেতে আর ভালো লাগছে না।
তোমরা সবাই দিনদিন লোভী হয়ে পড়ছো।
আমি পুডিং খাবো!
আমি আপেল পাই খেতে চাই!
প্যানকেক!
ওই, এটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলো!
আমরা তোমাদের পুডিং বা প্যানকেক খাওয়াতে পারবো না ঠিকই,
তবে শিকার করে অন্য কোনো প্রাণীর সুস্বাদু মাংস খাওয়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
আমিও যেতে চাই!
কী? ডমিনিক, শিকারে যাবে?
- আচ্ছা। - ইয়েস!
কেন?!
ডমিনিকের মধ্যে শিকার করার বিচক্ষণতা রয়েছে।
সনজুও আমার প্রশংসা করেছিল!
তাহলে, আমরাও যাবো!
থোমা আর লানি, হাহ?
এত সন্দিহান হচ্ছো কেন?
তোমরা কোনো দুষ্টুমি করবে না তো?
একদম না!
নিশ্চিতভাবে বলছো তো?
একদম!
আজ ভাগ্য আমাদের সাথে নেই।
তবুও, আমি কোনো ছারপোকা খেতে চাই না।
তাহলে আমরা বন্য গাছপালা এবং বাদামের একটা স্বাস্থ্যকর ডিনার করবো।
ভালো দেখিয়েছো, ভালো দেখিয়েছো!
আমাদের জলদি ফিরতে হবে।
ইয়েস! ধরে ফেলেছি!
আরে, থামরে ভাই...
থোমা?
আবার নয়!
এটা পেছল খাচ্ছে!
কী এটা?
এটাকে গুয়ে বলে!
গুয়ে?
এটাই এর আসল নাম?
না। আঠালো হওয়ার কারণে আমরা এই নামটা রেখেছি।
- এটা কি কোনো মাছ? - যাই হয়ে থাকুক, এটা খুবই স্থূল।
দেখে বেশ সুস্বাদুই মনে হচ্ছে।
তৈরি... এবার...
আরে!
আরে!
ধরে ফেলেছি!
কিন্তু এখনো একটা সমস্যা রয়েছে...
সুরক্ষার জন্য কে আগে খাবে?
লটারিটা নিরপেক্ষ ছিল, তাই রাগ করলে চলবে না।
আমিই কেন? আর কোনো উপায় নেই!
ওই মাছগুলো স্থূল, তাই না?
এখন আর নেই।
তবুও আমি খেতে চাই না!
এটা মাছ নাকি কোনো জীবাণু সেটাও বোঝা যাচ্ছে না! আমি কোনোভাবেই এটা খাবো না!
আমরা রেগে যাবো না বলে ঠিক করেছিলাম।
অসম্ভব, নয়তো আমি আর পিয়ানো বাজাবো না!
তুমি এটা করতে পারো না!
তোমার পিয়ানো বাজানো শুনতে আমাদের খুবই ভালো লাগে!
তাহলে আমি বাজাবো! শুধু দয়া করে, আমার জায়গায় অন্য কেউ এটা খাও!
টা-ডা!
মনে হচ্ছে দায়িত্বটা আমাদেরকেই নিতে হবে।
গুয়ের খোঁজও তো আমরাই করেছিলাম।
থোমা! ল্যানিওন!
তোমাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
আমিও খাবো।
আর তোমার মাথাটাও গেছে।
আচ্ছা...
চলো শুরু করা যাক।
দশ মিনিট পার হয়ে গেছে।
কেমন লাগছে তোমাদের? তোমাদের জিহ্বায় কিছু অনুভব হচ্ছে?
পেটে ব্যথা হচ্ছে না তো?
৩০ মিনিট।
তো? অস্বাভাবিক কিছু হয়নি?
No comments yet. Be the first to leave one.