Our Planet

Our Planet

Download Bengali undertekster

Sæson 1

Udgivelsesinfo

Our Planet 2019 S01E03 Jungles 1080p NF WEBRip DDP5 1 x264-NTb
En kommentar af Sayeem Shams
সম্পূর্ণ সহজ ও সাবলীল বাংলা সাবটাইটেল। এটি আমার ২৯তম বাংলা সাবটাইটেল। 💣 Google drive: https://bit.ly/2SywO5b 💣 FTP সার্ভার : https://bit.ly/2W6xVeQ 💣 টরেন্ট ডাউনলোড : https://bit.ly/2VcOeGp

Tags

webrip
web
x264
720p
720
BRip
1080
Udgivet den: 2020-05-05
Downloads: 61
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

মাত্র ৫০ বছর আগে...

...আমরা অবশেষে চাঁদে পা রেখেছিলাম।

প্রথমবারের মতো, সেখান থেকে আমাদের পৃথিবীকে দেখেছিলাম।

বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা, তখনকার দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

এই সিরিজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলোকে তুলে ধরা হবে...

...এবং জানাবে মানুষ ও প্রকৃতির জন্য আমাদেরকে কী কী রক্ষা করতে হবে।

আমাদের পৃথিবী ::: বাংলা সাবটাইটেল ::: সাঈম শামস্

এটি একটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন।

এই বনে অনেক বৃষ্টি হয়।

প্রাণীদের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ আবাসস্থল।

রেইন ফরেস্টে ঠিক কত প্রজাতির প্রাণী আছে তা অজানা...

...তবে সংখ্যাটা কয়েক মিলিয়ন হবে।

এবং প্রতি সপ্তাহে নতুন প্রজাতি আবিষ্কার হচ্ছে।

এই ঘোলাটে চিতার মতো অনেক প্রাণী আছে যাদের ব্যাপারে আমরা প্রায় কিছুই জানি না।

বন-জঙ্গল পৃথিবীর মাত্র ৭% স্থান নিয়ে গঠিত হলেও...

....পৃথিবীর স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

::: পর্ব ৩ ::: জঙ্গল

আফ্রিকার প্রাণকেন্দ্রে, কঙ্গো’র অবস্থান।

এটি আমাদের পৃথিবীর সবচেয়ে নবীন রেইন ফরেস্ট, যার বয়স মাত্র ১৮ হাজার বছর।

আর এই জঙ্গলে অন্যান্য জায়গার চেয়ে বড় প্রাণীর সংখ্যা বেশি।

নিম্নভূমির গরিলাদের একটি পরিবার।

তারা এর নেতৃত্বে চলে, একজন প্রভাবশালী পুরুষ গরিলা।

তার উচ্চতা একজন মানুষের সমান, কিন্তু ওজন মানুষের দ্বিগুণ।

বেঁচে থাকার জন্য পরিবারটি তার ওপর নির্ভরশীল।

পরিবারের অভিভাবক হিসেবে, তাকে বিপদের দিকে নজর রাখতে হয়।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী পুরুষ তাকে হটিয়ে পরিবারকে ভেঙ্গে দিতে পারে।

তবে একটি বিপদ তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

বিগত ২০ বছরে...

...বন্যপ্রাণী শিকারের কারণে কঙ্গো’র গরিলা সংখ্যা অর্ধেক কমে গেছে।

গরিলার এই প্রজাতি এখন হুমকির মুখে।

অবশ্য এই বন্য হাতিদেরকে গরিলাটির কোনো ভয় নেই।

তবে হাতিদের ঠিকই শিকার হওয়ার ভয় আছে।

অন্য প্রজাতির হাতির চেয়ে এদের লম্বা দাঁত শিকারিদের কাছে বেশি আকর্ষণীয়।

হাতি পথ ধরে এগোচ্ছে...

... যে পথ তার পূর্ববতী হাতিরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তৈরি করে গেছে...

...খাবার সন্ধানের জন্য।

হাতিদের মতো গরিলার পরিবারও একদিনে কয়েক কি.মি ভ্রমণ করে...

...ফল আর বীজ খোঁজে।

গরিলা আর হাতি হলো এই বনের মালী।

তার বীজ খায়।

এখানকার অনেক গাছ...

...তাদের জন্মের জন্য এই বিশাল প্রাণীদের কাছে ঋণী।

এখানকার সব পথ গিয়ে বেলি বাই-তে গিয়ে মেশে।

এরকম খোলা স্থান কঙ্গো’র বনের একটি বিশেষ দিক।

বনে এরকম আরো ১ হাজারেরও বেশি স্থান আছে।

খোলা স্থানটি বনের বিভিন্ন প্রাণীকে আকর্ষণ করে।

গরিলা নেতা সাবধানে এগোয়...

...ঠিক পেছনেই তার পরিবার রয়েছে।

গরিলা জলজ গাছ খেতে আসে যা বেশ লবণাক্ত।

বনের ভেতরে এটা অল্প খনিজ সরবরাহ হলেও...

...গরিলাদের বাঁচার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

হাতিরা তাদের শুঁড় দিয়ে কাঁদা থেকে লবণ তুলে খায়...

...কিংবা শুধু খনিজ সমৃদ্ধ পানি পান করে।

শুধু নেতার পরিবারই নয়...

...প্রায় ২০০ গরিলা এখানে আসে।

এবং ৫৩০+ হাতি আসে এখানে।

এ থেকে বেলির গুরুত্ব বোঝা যায়।

হাতিদের জন্য স্থানটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

তাদের জীবনের অধিকাংশ সময় কাটে...

...বনের ভেতরে নিজেদের পরিবার নিয়ে ঘুরে।

শুধুমাত্র এখানে এসেই তারা বাকিদের সাথে দেখা করার সুযোগ পায়।

কঙ্গো’র অন্য খোলা স্থানের চেয়ে, বেলি বেশ নিরাপদ।

এখানে শিকারের ভয় নেই।

এখান থেকে গেলেই মূলত বিপদ শুরু হয়।

কঙ্গো’র প্রধান প্রাণী হিসেবে...

গরিলাদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় পরবর্তীতে কঠিন প্রভাব পড়তে পারে...

...পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম এই রেইন ফরেস্টে।

হয়তো সব বন দেখতে একইরকম মনে হয়...

...কিন্তু প্রত্যকটি বন ভিন্নধর্মী প্রাণীর বাসস্থান।

নিউ গিনি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বনে ঢাকা দ্বীপ।

এখানকার অর্ধেকেরও বেশি গাছ ও প্রাণী...

...পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখা যায় না।

এর দুর্ধর্ষ ভৌগলিক অতীত দ্বীপটিকে দিয়েছে...

...পাহাড় আর উপত্যকা সমৃদ্ধ এক নাটকীয় ভূচিত্র।

একটি প্রক্রিয়া, যা এক প্রজাতি থেকে আরেক প্রজাতিকে আলাদা করেছে।

এভাবে আলাদা হয়ে...

...নিউ গিনির প্রাণীরা একদম অদ্ভুত হয়ে গেছে।

এটি পুরুষ twelve-wired bird-of-paradise পাখি...

...পৃথিবীর মাঝে শুধুমাত্র এই জাতের পাখির লেজেই এমন অলংকার রয়েছে।

এটা দিয়ে সে প্রত্যাশিত সঙ্গীকে সুড়সুড়ি দেয়।

কাকের মতো দেখতে এক পূর্বপুরুষ থেকে...

...বার্ড-অফ-প্যারাডাইস ৪০টি ভিন্ন জাতে বিবর্তিত হয়েছে।

এই দ্বীপের প্রতিটি কোণায় ভিন্ন রূপ দেখা যায়।

এটা হলো ব্ল্যাক সিকেলবিল, সে নিউ গিনি’র পর্বতাঞ্চলের বাসিন্দা।

এটা অদ্ভুত আকৃতি ধারণ হতে পারে।

সঙ্গীকে পটানোর জন্য প্রতিটি বার্ড-অফ-প্যারাডাইস-এর ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।

সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দুর্দান্ত পদ্ধতিটি এই মঞ্চে দেখা যাবে।

ওয়েস্টার্ন প্যারোটিয়া পাখিকে সবার আগে নিজের কাজ সারতে হয়।

প্রতিদিন সকালে সে নিজের উঠোন পরিষ্কার করে।

কোনো সঙ্গীকে আকৃষ্ট করতে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নারীরা শুধুমাত্র পরিষ্কার জায়গায় আসে।

তাই একটি ঝরা পাতাও তার সুযোগ নষ্ট করে দিতে পারে।

নিখুঁত।

তার কঠোর পরিশ্রম কাজে দেয়।

একটি নারী পাখি কাজ দেখতে এসেছে।

এটাই তার পটানোর সুযোগ...

...কিন্তু কাজটা সহজ হবে না।

নারীদেরকে পটানো কঠিন।

তাই নাচটি অবশ্যই দৃষ্টিনন্দন এবং নিখুঁত হতে হবে।

মাথা নুইয়ে সে শুরু করে।

এরপর তার নীল চোখে হলুদ ঝলকানি দিতে হবে।

এখনো পর্যন্ত সব ঠিক আছে।

সে সব ভঙ্গি জানে।

দারুণ পায়ের কাজ।

এটা সুফী নাচ।

মাথার পালক তোলা এবং ঘোরানো।

নারী পাখির মাথার পালক শক্ত হওয়া এবং পালক ঝাপটানো...

...খুবই ইতিবাচক চিহ্ন।

পুরুষটি পাশ ফিরে নাচে এবং মাথা নিচু করে যা যেকোনো দিক থেকে দেখতে দারুণ লাগে।

কিন্তু তার মুকুটের সৌন্দর্য...

...শুধুমাত্র নারীটির চোখ দিয়েই দেখতে হবে।

অপেক্ষা করুন।

ওই তো! তার গলার কাছে থাকা চিত্রভাবের ঝলকানি দেখা গেল।

নারীটির উত্তেজনা বাড়ছে।

পুরুষটির নাচ ছিল দুর্দান্ত...

...এবং সে নারীটিকে রাজি করতে পেরেছে।

নিউ গিনির এমন বিচ্ছিন্নতা প্রাণী জগতে অসাধারণ বৈচিত্রময়তা সৃষ্টি করেছে।

কিন্তু বনের বয়সের আরো বড় প্রভাব রয়েছে...

...এখানকার জীব-বৈচিত্রের পেছনে।

বর্নেও’র বন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।

প্রায় ১৩০ মিলিয়ন বছর ধরে এখানে গড়ে উঠেছে।

যা পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন বন।

বর্নেও’র উচ্চভূমিতে থাকা চুনাপাথরের এই পর্বতচূড়াগুলো...

...আসলে সাগরের নিচে তৈরি হয়েছিল।

সময় ও বৃষ্টি ধীরে ধীরে এই বনের দুর্গকে...

...৪০ মিটার টাওয়ারে পরিণত করেছে।

এই জঙ্গলের বয়সের সবচেয়ে মোক্ষম প্রমাণ বহন করে...

...পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন শিকারি।

একটি মখমল কীট।

বনের আর্দ্রতাপূর্ণ ভূমি এর নিরাপদ আশ্রয়।

ডায়নোসরের যুগ থেকে এরা এখানে রয়েছে...

...এবং প্রায় অপরিবর্তিত রয়ে গেছে।

এটা তার শিকারি পোকাকে কম্পন ও স্পর্শের মাধ্যমে চিহ্নিত করে।

কিন্তু তার নিজের কোনো গতি নেই...

...তাহলে সে কীভাবে উড়ন্ত পোকাকে ধরবে?

উত্তরটা কল্পনাকেও হার মানায়।

আঠালো অস্ত্র।

আঘাত করার পর এই আঠোলো তরল শক্ত হয়ে যায়...

...দূর্ভাগা পোকাকে আটকে ফেলে।

মখমল কীট তেলপোকাটির ভেতরে পরিপাক লালা ঢুকিয়ে দেবে...

...তারপর ওর ভেতরকার সব শুষে নেবে।

বনের ভূমিতে থাকা উচ্চ আর্দ্রতা শুধু মখমল কীটের জন্যই ভাল নয়...

...এটা ছত্রাকের জন্যও উপযোগী...

...আর বর্নেও’র প্রাচীন বন বিভিন্ন প্রজাতিতে সমৃদ্ধ।

মৃতকে পঁচানোর মাধ্যমে...

...আঠালো ছাতা জন্মে এবং ছত্রাক দুষ্প্রাপ্য পুষ্টি পুনরায় তৈরি করে।

সময় বর্নেও’র জঙ্গলকে অসাধারণভাবে সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্রময় করেছে।

এখানে বনের মাত্র কয়েক হেক্টরে...

...যত ধরনের গাছ আছে, তা হয়তো পুরো ইউরোপেও নেই।

তারমধ্যে কতগুলো বিরল প্রজাতির।

কয়েক সপ্তাহ ধরে...

...এগুলো বড় হয়ে ফুলে জগ কিংবা কলসির আকার নেয়।

এখানে ৩৯ ধরনের কলসি গাছ আছে...

...এবং তাদের অধিকাংশই অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।

কলসি গাছ পুষ্টি মেটানোর জন্য প্রাণীদের ওপর নির্ভরশীল।

তবে সেটা একটু ভিন্নভাবে।

এটা পাহাড়ী ট্রিশিউ, এদেরকে শুধু বর্নেও-তে পাওয়া যায়।

প্রতিদিন সকালে ট্রিশিউ তার আশেপাশে থাকা কলসি গাছে আসে।

সে মিষ্টি (শর্করার) ওপর নির্ভরশীল।

যা কলসির পশমী পল্লবে পাওয়া যায়।

সে একটা চেটে শেষ করে অন্যটা খেতে যায়।

তারপর আরেকটা।

সবশেষে এত চিনির একটাই পরিণতি।

ফ্রি খাবারের বিনিময়ে ট্রিশিউ উপহার রেখে গেছে।

গাছের জন্য সার।

এবার শুধু বিকেলের বৃষ্টি দরকার।

যা বিষ্ঠাকে কলসির ভেতরে নিয়ে যাবে।

এই বাহ্যিক নাইট্রেট ছাড়া গাঠগুলো বাঁচতে পারবে না।

পুষ্টি পেতে গিয়ে কিছু কলসি গাছ অশুভ পথ বেছে নেয়।

একটু মোটা কলসি গাছ...

...পিঁপড়াদেরকে আকৃষ্ট করে এর পল্লবের নিচে থাকা অমৃতরস দিয়ে।

কিন্তু পিঁপড়া বিনিময়ে কী দেয়?

এই গল্পটাও বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে।

বৃষ্টির ফোঁটার ধাক্কা...

...পিঁপড়ার লেগে থাকাকে অসম্ভব করে তোলে।

গাছগুলো স্প্রিঙের ফাঁদে পরিণত হয়।

কলসি গাছ পিঁপড়ার দেহ খায়।

সকল কলসি গাছ টিকে থাকার জন্য প্রাণীদের ওপর নির্ভরশীল।

এমনকি একটি প্রজাতি তো বাদুড়ের ওপরেও নির্ভরশীল।

পশমী বাদুড় হেমসলেয়ানা কলসিতে...

... ঢোকে কারণ গাছটির চওড়া পেছনের দেয়াল বাদুড়ের আল্ট্রাসাউন্ড প্রতিফলিত করে।

নলাকৃতির কলসি বিশ্রামের জন্য উপযুক্ত জায়গা।

কলসি গাছ নিরাপদ আশ্রয় দেয়...

...এবং বাদুড়ের রেখে যাওয়া বিষ্ঠায় গাছটি সমৃদ্ধ হয়।

এরকম সম্পর্ক গড়ে উঠতে কয়েক মিলিয়ন বছর সময় লেগেছে।

কিন্তু কিছু অনেকগুলো হয়তো এক দশকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

বিগত ৫০ বছরে, বর্নেও’র জঙ্গল অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে।

তারচেয়েও খারাপ খবর রয়েছে...

ফিলিপিনের নিটকবর্তী দ্বীপে।

এখানে ৯০% প্রাথমিক রেইন ফরেস্ট বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

তবে পৃথিবীর সবেচেয় বিরল শিকারি পাখি এখনো আছে।

বিশালাকার ফিলিপিন ঈগল।

এরা মাত্র ৪০০ জোড়া বেঁচে আছে।

তাই পাখির বাসায় একটি বাচ্চা দেখা খুবই বিরল দৃশ্য।

ওর মায়ের বয়স যখন ১ বছর তখন থেকে বিজ্ঞানীরা তাকে পর্যবেক্ষণ করছে।

এখন ১০ বছর বয়সে, তার প্রথম সন্তান হয়েছে।

বাচ্চার বয়স ৪ মাস ইতিমধ্যে প্রায় ১ মিটার লম্বা হয়ে গেছে...

...এবং বেশ আত্মবিশ্বাসী।

অবশ্য এখনো মা ওকে সাহায্য করতে চায়।

বাচ্চাটির অনেক চাহিদা।

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left