Bring Me Home

Bring Me Home (나를 찾아줘)

Download Bengali undertekster

Udgivelsesinfo

Bring Me Home (2019) WEB-DL 480p x264
Bring Me Home (2019) WEB-DL 720p x264
Bring Me Home (2019) WEB-DL Bengali Subtitle
Bring Me Home (2019) WEB-DL বাংলা সাবটাইটেল
En kommentar af ArRmaN
🎀... মুভি ডাউনলোড লিংক জিপ ফাইলের ভেতর এবং কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে। ⭕ ফেসবুকে আমাদের গ্রুপ: কোরিয়ান ফিল্ম ক্রাফট। ...🎀 © Arman AL Mahamud 💙 fb.com/ArRmaN13 💜 [email protected]

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
x264
720p
720
480p
480
Udgivet den: 2020-04-29
Downloads: 33
Hørehæmmede: No

Forhåndsvisning af Bengali undertekster

De første 200 linjer.

রোগীর বয়স ৪৫। হঠাৎ সিঁড়িতে পড়ে যায়।

তখন থেকে শ্বাসপ্রশ্বাস ও হার্টবিট নেই।

তুলুন ওনাকে। এক, দুই, তিন।

এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়।

বেশ, হার্টবিট চেক করেছি।

হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।

- হার্টবিট নেই। - শকার আর এক মিলি এপিনেফ্রিন নাও।

- হার্টে লাগাও। - পরিবারকে জানিয়েছেন?

- জানাচ্ছি। - ১৫০ প্রেশার।

- এপিনেফ্রিন দেয়া হয়েছে। - সবাই সরে যান, শক দিচ্ছি।

সরে যান, শক দিচ্ছি।

এক, দুই, তিন, শক!

আবার গাড়িতে ঘুমিয়েছো?

গাড়িই ভালো। মোটেলে ভালো লাগে না।

শরীরের ক্ষতি করছো। বয়স হয়েছে তোমার, অন্তত ভালোমতো ঘুমাও।

আমি ভালোমতো খাই, ঘুমাই।

আমাকে নিয়ে ভাবতে হবে না।

- এবার কোথায় গিয়েছিলে? - গোসং।

সেখানে আগেও তো গেছো।

কাজে ফিরে যাও না?

উইকেন্ডে একসাথে খুঁজতে পারবো।

ওখানকার বাতাস সতেজ।

জায়গার দামও কম।

ওখানে গিয়ে আমাদের ছেলের সাথে চাষাবাদ করে কাটাবো।

কখনো চাষাবাদ করেছো?

আমাদের ছেলেকে পাওয়া পর্যন্ত সব করতে পারবো।

ওটা সুং-হিউন না? হ্যাঁ।

- সুং-হিউন! - হ্যালো। হ্যালো।

হ্যালো ম্যাম। ওনারা ইয়ুন-সুর বাবা-মা।

- হ্যালো, আমি ইয়ুন-সুর মা। - আমি ইয়ুন-সুর বাবা।

জিন-উক!

হ্যালো, দেখা হয়ে ভালো লাগলো। হ্যান্ডশেক করা যাক।

তোমার মতো আন্টিরও একটা ছেলে আছে।

কিন্তু আমি ওকে হারিয়ে ফেলেছি।

ইয়ুন-সুর বন্ধু হতে পারবে। ওর বয়স এখন ১২।

জিন-উকের বয়স ১০। আপনার ছেলে ওর বড়।

ভাবিনি ও মানসিক হাসপাতালে থাকবে।

সুং-হিউন আমাকে সেখানে নিয়ে যায়।

পুলিশ ওকে হাসপাতালে দিয়ে আসে।

ও নাকি ওদেরকে ওর নাম বলেছিল।

নাম দিয়ে যদি খুঁজতে চায়, তাই।

আর হাসপাতাল?

সাহায্য করার কোনো ইচ্ছা ছিল না ওদের, এটা লুকাতেই ব্যস্ত ছিল।

একজন বাড়তি লোক থাকা মানে ফান্ডও বাড়া।

চার বছর পর ও ফিরে আসে।

কেউ ওকে সাহায্য করলে...

আরও আগে ফিরতে পারতো।

মা বলে চিৎকার করতে করতে ও আমার কাছে আসে, নিজেকে সামলাতে পারিনি।

ও এখনো বেঁচে আছে।

জিন-উক,

আন্টিকেও একটা হামি দিবে?

মা?

খিদা লেগেছে।

সোনা।

সোনা?

কী হলো?

অন্যমনস্ক ছিলে।

জলদি ফিরলে, ডিনার করেছো?

করিনি।

খাবার অর্ডার করবো?

দরকার নেই, সবসময় বাইরে খাও। কিছু বানিয়ে দিই তোমাকে।

- কী খেতে চাও? - ডিম আছে?

- আছে বোধহয়। - কিমছি স্যুপ আর ভাজা ডিম?

কী ব্যাপার?

চাল নেই।

ভালোই হলো। নুডলস অর্ডার করি তাহলে।

- না, যাবো আর আসবো। - দাঁড়াও, জুং-ইয়ন।

সমস্যা নেই।

ইয়ুন-সুকে...

মানুষ করার কষ্টে...

চেয়েছিলাম সপ্তাহখানেকের জন্য ও কোথাও চলে যাক,

যাতে একটু একা থাকতে পারি।

মাথায় এমন চিন্তা আসতো।

আমি বোধহয় ওকে তাড়িয়ে দিয়েছি।

আমার দোষ।

এজন্য নিজেকে খুব ঘৃণা করি।

সেসময় তুমি ক্লান্ত ছিলে।

আমরা আবার আগের মতো হতে পারবো?

ও ফিরে আসলে...

আমরা আবার আগের মতো হতে পারবো?

হ্যাঁ।

আগের মতো হতে পারবো।

আগের মতো হবো।

সং হিয়ে-হি'কে খুঁজে পেতে সাহায্য করুন!!

হাই।

- এত সকাল সকাল এলেন যে? - এটা-ওটা কাজ ছিল।

এসে ভালোই করেছেন।

তোমার বাবা-মা?

আসল বাবা-মা আর পালক বাবা-মা।

তোমার পালক বাবা-মা বোধহয় বেশি কঠোর।

- চা খাবেন? - পরে খাওয়া যাবে।

আশাকরি সবাই ভালো আছে।

তোমার মতো।

হ্যাঁ, হয়তো।

ইয়ুন-সুকে খোঁজার সময় সবকিছু টুকে রেখেছিলাম।

তুমি বেশ দক্ষ। তোমার সাহায্য চাই।

ইয়ুন-সুর ব্যাপারটা

দেখো প্লিজ।

অবশ্যয়ই।

সমস্যা হলো...

- শিক্ষকের পদটা... - হ্যাঁ?

- এখনো আছে? - নিশ্চয়ই, মাত্রই সেটার কল পেলাম।

ওনার কাছে বড্ড ঋণী আমি।

কেটামিন, এটার ব্যাপারে সাবধান।

সুস্থ পেশীও অসাড় করে দিতে পারে।

প্রেসক্রিপশন ছাড়া দিও না।

আচ্ছা।

আপনি সত্যিই অসাধারণ।

- হ্যাঁ? - আপনি অসাধারণ।

তা কেন?

আপনি বেশ পটু।

সবমসময় সাধারণ মানুষের চেয়ে চটপটে আর সুস্থ থাকেন।

সাধারণ মানুষ?

না, মানে...

যারা বাচ্চা হারায়নি তাদের চেয়ে সুস্থ?

- স্যরি। - না, এটাই সত্যি।

- তুমি যাও, আমি রেস্ট নিবো। - আচ্ছা।

ইয়ুন-সু সানজুং রিসোর্টে রুটি বেচে

হ্যালো, স্যার।

দেখা হয়ে ভালো লাগলো।

- আমি কিম মিউং-গুক। - কিম বিউং-সু।

- খুঁজে পেতে কষ্ট হয়নি তো? - একদমই না।

- বাঁচলাম, বসুন। - জি।

- সুং-হিউন আপনার ব্যাপারে অনেক বলেছে। - জি।

অনেকদিন ধরে শিক্ষকতা করেন?

- জি, ১০ বছরের উপর। - ১০ বছর?

- আপনি স্পোর্টস টিচার হবার যোগ্য। - তাই?

- বেশ হ্যান্ডসামও। - ধন্যবাদ।

- আপনি প্রতিভাধর নিশ্চয়ই। - মোটেই না।

প্রতিভাধর ম্যাথ টিচার।

- স্টুডেন্টরা পাগল হয়ে যাবে। - না, তেমনটা না।

শিক্ষকতায় দ্রুত চেঞ্জ আসছে।

প্রথম প্রথম মানিয়ে নিতে কষ্ট হবে।

জি, প্রচুর হোমওয়ার্ক করতে হবে।

সব ফর্মুলার বেসিক হলো ম্যাথ।

ট্রেন্ডিং বিষয়াদিতেও অগ্রগতি আসছে।

সেটাই।

ওরা সবাই ভালো স্টুডেন্ট মার্কও বেশি পায়।

- পড়াতে সমস্যা হবে না। - জি।

- আপনাকে পেয়ে আনন্দিত। - না, আমি আনন্দিত।

দেখি কবে থেকে শুরু করতে পারেন।

১০০ মিটার পর বায়ে মোড় নিন।

বানের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, আসছেন আপনি?

এই, শালা!

ইয়ুন-সুকে নিতে আসবি?

তোমার বউয়ের কী হবে?

ইয়ুন-সুকে খুঁজে দিয়ে যাওনি।

জুং-ইয়ন, এটা অন্যায়। অ্যাক্সিডেন্টের আগে তুমি মাতাল ছিলে?

সব অন্যায়।

- ওঠো, গেস্ট এসেছে। - হ্যাঁ, সব অন্যায়।

জুং-ইয়ন, ইয়ুন-সুকে আমি খুঁজে বের করবো!

মিন-সু! দাঁড়িয়ে আছিস, হ্যাঁ?

আমি কাজ করতে করতে হয়রান।

অ্যাঁ?

মজা করছিলাম।

ওর সাথে এরকম করো না, কেমন?

বলদ!

জান দিয়ে দিচ্ছে বলদটা।

এটা ধরো।

ওঠো।

কত ভালো লোক।

ওকে দেখে আপনার ছেলের কথা মনে পড়ছে?

মাথা তোলো।

ছয় বছর আগে এক হাইস্কুল শিক্ষকের ছেলে হারিয়ে যায়।

এত বছর গোটা দেশব্যাপী ছেলেকে খুঁজে বেড়ানো সেই বাবা মর্মান্তিক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

দুর্ভাগ্যবশত, দুর্ঘটনাটা নিয়ে মানুষের প্রতিক্রিয়া আরও বিদ্রূপাত্মক।

বিরক্ত হয়ে গেছি। ও আসবে না।

এই বজ্জাতকে ধরা উচিত।

পেটানো উচিত।

এটা ওদের দোষ না অবশ্য। ওদের মা-বাপের দোষ।

- নিখোঁজ শিশু কিম ইয়ুন-সু - ছবিটা দেখুন।

মানসুন ফিশিং পয়েন্টের কাজের ছেলেটার মতো লাগছে।

- মানসুন ফিশিং পয়েন্ট? - হ্যাঁ, ওইযে...

পাগল টাইপ ছেলেটা। নামটা যেন কী?

- মিন-সু? - হ্যাঁ, মিন-সু। মিন-সু।

হ্যাঁ, ওর মতো দেখতে।

না, ওর বয়সী বাচ্চারা সব একই দেখতে।

একদম একই, দেখুন।

আরে জ্বালা!

ছবিতে একইরকম লাগছে।

ছেলেটার কথা বাদ দিয়ে টহলে বেরোও, মিয়া।

খুব মিল।

ডিসক্যাঁও!

কখনো শিকার করেছো?

- শিকার? - হ্যাঁ।

ফাঁদ পেতে প্রায়ই করতাম।

ফাঁদ পেতে না। বনে গুলি ছুঁড়ে জন্তু শিকার।

আরে, না।

শিকারের মজা পাওনি এখনো।

খুব মজা লাগে, রোমাঞ্চকর।

- তাই নাকি? - বোকারাম।

শিকারে যাবো একদিন, যাবে নাকি?

না, যাবো না।

তোমার ইচ্ছা।

এই পথে...

খুঁজে নিও।

ভ্রু দেখো, দেখতে একই।

- ও নাকি? - না। ওর রঙ হালকা বাদামী।

আরে, ছবিটা ছয় বছর আগের। মানুষ আর তার রঙও পাল্টায়।

মাথা তুলবে একটু?

Kommentarer

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left