De første 200 linjer.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
"Peppermint Candy"
- অনুবাদে - Flamy Tuhin
- অনুবাদে - আরমান আল মাহমুদ
- অনুবাদে - রফিকুল রনি
- অনুবাদে - হাসান শুভ
- অনুবাদে - মোঃ রায়হান শেখ (জনি)
- সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
"বহিরাঙ্গন প্রমোদভ্রমণ"
"বহিরাঙ্গন প্রমোদভ্রমণ" "বসন্তকাল ১৯৯৯"
এই! তুই ইয়ংহো না?
অনেক বছর পর তোকে দেখলাম।
- দেখা হয়ে খুব ভালো লাগল, ইয়ংহো। - আমারও।
এখন কী করছিস?
ও আসলেই ইয়ংহো!
- নিজের আদিশহরে তোকে স্বাগতম। - তোদের এখনো আমার কথা মনে আছে।
- অবশ্যই মনে আছে। - অনেক বছর পার হয়ে গেছে।
এই মেয়েটাকে মনে আছে?
ছং ওক-সান, যে ক্লাসে সবসময় ঘুমিয়ে পড়তো।
- কেমন আছিস? - এ আমাদের ব্যাঙের ঠোঁটওয়ালী কিম মিহ্যুয়া।
- আমি লি মিহ্যুয়া। - লি মিহ্যুয়া।
ড. পিম্পল, শিন জংজা।
এখন ও বাস মালিক সমিতির সভাপতির স্ত্রী।
হাই!
আবার দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
চল বসে হালকা-পাতলা মাল খাওয়া যাক।
এই। বস। একটু মাল খা।
আমরা তোর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলাম,
কিন্তু পারিনি।
ব্যাপার না।
একমাত্র আমারই তোকে কল না করার জন্য স্যরি বলা উচিৎ।
এই মানুষটাই এখন আমাদের বন্ধু সংঘের হর্তাকর্তা।
- বংয়ু ক্লাব। - হ্যাঁ, বংয়ু ক্লাব।
তোর সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি বলে আমি সত্যিই দুঃখিত।
বললাম তো, ব্যাপার না।
সত্যিই আমি তোর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলাম, তোর কথা সবসময় আমার মাথায় ছিল।
কিন্তু কেউই তোর অবস্থান সম্পর্কে অবগত ছিল না।
স্যরি রে।
২০ বছর পর ছেলেবেলার সব বন্ধুদের একত্রে মিলিত করা
যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়েও অনেক কষ্টসাধ্য।
হুম, একদম।
যদি একবার জানতে পারতাম তুই কোথায়....
বললাম না, আমি ঠিক আছি।
আমাকে নিয়ে তোদের আর চিন্তা করতে হবে না।
ওর মাথায় একটু বরফ দে।
আমি একটা গান গাইবো?
অবশ্যই, গান শুরু কর।
পরবর্তী গায়িকাকে এখানে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
মিসেস. জাং, ম্যাডাম! ম্যাডাম! প্লিজ!
ও কোথায় কাজ করত তোদের মনে আছে?
সে আর্মিতে যোগ দেয়ার আগে, ট্যা-হুয়া ইলেকট্রনিক্সে কাজ করত।
এর মধ্যে ২০ বছর পার হয়ে গেছে।
ওহ, কড়া রোদে আমার চেহারাটা লাল হয়ে গেছে!
তুই বসন্তে শরতের পাতা পেয়েছিস।
- দেখতে খুব সুন্দর। - দেখতে খুব সুন্দর।
দেখ ঐদিকে! আমরা ওকে গিয়ে নামিয়ে আনলে ভালো হতো না?
ওকে একা থাকতে দে। কিছুক্ষণ পর ও নিজেই থেমে যাবে।
- একদম ঠিক। - এটা বিপজ্জনক।
ওকে নিয়ে আয়।
নেমে আয়! নেমে এসে আমাদের সাথে খাওয়া দাওয়া কর!
নেমে আয়, বলছি!
- কিছু কর! - ট্রেন আসছে! জলদি নেমে আয়!
- এই! না নামলে বিপদে পড়বি! - ওকে নিয়ে চিন্তা করা বাদ দে।
এই! নাম তাড়াতাড়ি! ট্রেন আসছে! তাড়াতাড়ি নাম।
- কিম ইয়ংহো! - ও আমাদের কথা শুনবে না।
- নাম, শালা! - নেমে আয়, প্লিজ।
চিন্তা করিস না। হান নদীতে আত্মহত্যার চেষ্টায়
ঝাপ দেয়া প্রত্যেক ১০ জনের মধ্যে ১ জন মরে না।
কিম ইয়ংহো!
কিম ইয়ংহো, নেমে আয়!
মালটা আসলেই তারছেঁড়া!
এই, তাড়াতাড়ি নাম, শালা বোকা*দা!
তুই জিতলি। যা খুশি কর, শালা পাগলা!
চল সবাই নাচি।
দিনটা একটু প্রাণবন্ত করে তোলা যাক।
এই! নেমে আয়!
কী সমস্যা? নিচে আয় কথা বলি।
কিম ইয়ংহো!
কিম ইয়ংহো!
আমি অতীতে ফিরে যাচ্ছি!
"ক্যামেরা"
"ক্যামেরা" "৩ দিন আগে, বসন্তকাল ১৯৯৯"
ফ্যাক্টরিতে কাজ করার সময় আমরা একটা গ্রুপ গঠন করেছিলাম।
আচ্ছা, ঐ সংঘের নাম বংয়ু ক্লাব, তাই না?
ঠিক, তো ২০ বছর পর এই প্রথম আমরা
সবাই মিলে একটা বনভোজনে
যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। - বনভোজন?
হ্যাঁ। আর তাই তোমাকে এই ইভেন্টটার ঘোষণা দেয়ার জন্য কল করেছি।
তাহলে, তুমি তোমার সদস্যদের জানাতে
একদম সঠিক জায়গাটাই বেছেছ।
ধন্যবাদ।
আশা করি গ্রুপের সকল সদস্যরা
এখন এই প্রোগ্রামটা শুনছেন
আর বনভোজনে যোগ দেবেন।
- তুমি তৈরী? - হ্যাঁ।
ঠিক আছে। শুরু করো।
২০ বছর আগে গ্যারিবংডংয়ে
বসবাসকারী বংয়ু ক্লাবের
সদস্যরা, আবার বনভোজনের উদ্দেশ্যে
মিলিত হতে যাচ্ছে, যেখানে
প্রথমবার আমরা সবাই
প্রমোদভ্রমণে বেড়াতে গিয়েছিলাম।
তো, বংয়ু ক্লাবের সদস্যরা
অনুগ্রহপূর্বক এই প্রোগ্রামটা শুনলে, প্লিজ...
- আপনি কি সিউল থেকে এসেছেন? - হ্যাঁ।
আমি এখানে আপনার কাছে মাল বিক্রি করতে এসেছি।
- আগে টাকা দিন। - প্রথমে মাল দেখাও।
এই যে মাল। আগে টাকা।
এটা আমাকে দে, শালারপুত!
এই জায়গার জন্য ১ হাজার উয়ন তেমন বেশি কিছু না।
নীচের দিকে
১৫০০ করে, কিন্তু এখানের দৃশ্যটা বেশি সুন্দর।
একদম ঠিক বলেছেন। এই দৃশ্য দেখার জন্য মানুষ মরতেও পারে,
আর এখানের কফিও খুব সুস্বাদু।
এক সেকেন্ড....
যাহ্, কেলো করেছে!
কী হয়েছে?
মানিব্যাগে টাকা আনতে ভুলে গেছি
শুধু ক্রেডিট কার্ড আছে।
- এখন কী করা যায়? - একটু ভালো করে খুঁজে দেখুন।
আমি ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে ভুলে গিয়েছিলাম।
স্যরি।
পরেরবার এলে আপনার টাকা দিয়ে দিব বললে বিশ্বাস করবেন?
এই নিন, আপনার কফি ফেরত নিন।
কফিটার এখন আর দুই পয়সারও দাম নেই।
- নিয়ে নিন। - ধন্যবাদ।
কথা দিচ্ছি পরবর্তীতে এলে আপনার টাকা পরিশোধ করে দেবো।
ক্যামেরার দিকে তাকান, হাসুন। বলুন কিম-চি।
- মাফ করবেন। - এক, দুই, তিন!
- শুভ অপরাহ্ন, স্যার। - হাই।
উম...কিম!
কী করছ?
আপনি কি এই গাড়িটার মালিক?
হ্যাঁ।
আপনার গাড়ি এখানে পার্ক করতে পারবেন না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্লিজ।
- আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সটা দেখান। - এটা আমার গাড়ি না।
এইমাত্র বললেন গাড়িটা আপনার।
এটা চুরি করা গাড়ি, তাই না?
- আপনার আই.ডি কার্ড দেখান! - কী জন্য?
আপনার আই.ডি কার্ড বের করুন, এক্ষুনি!
দাঁড়া! দাঁড়া বলছি!
- কে? - আমি।
এখানে কেন এসেছ?
স্যামিন?
ও ঘুমাচ্ছে।
তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি কোনো কারণ ছাড়া এখানে কেন এসেছ?
পপ্পি। আমি পপ্পিকে দেখতে এসেছি।
পপ্পি...
অনেক হয়েছে। পপ্পি! যাও ভেতরে যাও!
কেন? কেন?
কিম ইয়ংহো।
আপনি কিম ইয়ংহো, তাই না?
সরুন। আমি চেষ্টা করছি।
এত বড় চাবির গোছা সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ান কেন?
এখন ভেতরে ঢুকতে পারেন।
ভেতরে আসুন।
বসুন। বাজে আতিথেয়তার জন্য ক্ষমা চাইছি।
আপনাকে খুঁজে পাওয়া অনেক কষ্টের একটা কাজ ছিল।
নতুন বাড়ির ছাউনি ফুটো। গতরাতে, আমার কপালে বৃষ্টি
পড়ছিল, যখন আমি শুয়ে ছিলাম।
বসে থাক! মাদার*দ!
এটা কোনো খেলা না, বোস!
আমার জীবনযাপনের পদ্ধতি বড়ই করুণ, তাই না?
আশ্চর্য লাগছে আমি কেন এভাবে জীবন কাটাচ্ছি?
যদিও জানি না তোকে কে পাঠিয়েছে,
কিন্তু তোর সাথে কথা বলতে চাই।
আবহাওয়াটা বেশ ভালো, তাই না?
মদ খাবি?
কিন্তু এখানে কোনো মদ নেই।
আমার সঞ্চিত শেষ ক'টা টাকা দিয়ে, এটা কিনেছি।
কেউ একজনকে মারার জন্য।
আমি একা মরতে চাই না।
চাই কেউ একজন আমার সাথে যাক।
যেসব হারামখোর আমার জীবনটা বরবাদ করে দিয়েছে তাদের থেকে মাত্র একজনকে।
কিন্তু...
কাকে মারব?
আমার জন্য খুব মুশকিল হয়ে যাচ্ছে, জানিস
একজনকে ধরে নেওয়া খুব মুশকিল।
ঐ মাদার*দ স্টক ব্রোকার
যে আমাকে পুরো কাঙাল করে ছেড়েছে?
ঐ দৈত্যের ন্যায় সুদখোর মহাজন
যে আমাকে উচ্চহারে সুদ দিতে বাধ্য করত?
নাকি...
আমার ঐ ব্যবসার অংশীদার
যে আমার টাকা নিয়ে পালিয়েছে?
নাকি আমার প্রাক্তন স্ত্রী
আর আমার বাচ্চাকে
আমার সাথে মরা উচিৎ?
আমার জীবনে
এত পরিমাণ হারামী আছে যে
কেবল একজনকে ধরে নেওয়া মুশকিল।
তুই!
জানি না কেন এসেছিস।
তোর দিনটা খারাপ।
বল!
দেখবি? নাকি যাবি?
ইয়ুন সুনিমকে তো চেনেন, নাকি?
কাকে?
ইয়ুন সুনিম। আমাকে ও পাঠিয়েছে।
No comments yet. Be the first to leave one.