De første 200 linjer.
- ইয়ো - ইয়ো
কী খবর?
আরে মামা!
- জিনিস এনেছিস? - হ্যাঁ হ্যাঁ, পেয়েছি ওদের।
- এটা কী লিখেছিস 5 নাকি S ? - 5, ইয়ো।
না না, S
- নাহ, নাহ, 5'ই লিখেছি। - তাই?
খোদা, তুই "street" বানান ভুল করিস কীভাবে? S-T-R-E-A-T ?
দ্যাখ মামা।
আমার কাজ হলো ড্রাগ বেচা আর টাকা কামানো।
এইসব বানান-টানান নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় আছে নাকি!
হেই।
ওদের নাম কী?
মেয়েটার নাম জানি না, ওর বউ মনে হয়।
লোকটাকে সবাই স্পুজ বলে ডাকে।
স্পুজ? ম্যাড ডগ, ডিজেল - এরকম দুর্ধর্ষ কোনো নাম না?
দাঁড়া আগে বুঝে নেই, তোর টাকা মেরে দিয়েছে...
স্পুজ নামের একটা হাস্যকর লোক?
ইয়ো, নামে কী আসে যায়?
আজদাঁহা এক ছুরি ধরেছিল আমার মুখে, এত্ত বড়।
তুই যদি একাজে না যাবার বাহানা করিস...
- তাই বলেছি নাকি? - তাহলে আমিই যাব।
- শুধু আমি প্রবেশনে আছি তো। - হ্যাঁ।
তারমানে টাকা তুলতে যাবি?
যাবো।
ভালো, যা তাহলে।
এই দুটাকে শায়েস্তা করতেই হবে।
অনুবাদে: メ Kudrate Jahan Zinia メ メ AsadujJaman メ
আমার টাকা কোথায়, হারামখোর? আমার টাকা কোথায়?
আমার...?
আমার টাকা কোথায়, হারামখোর? হ্যাঁ? হারামখোর?
আমার টাকা কোথায়, হারামখোর? ওহ, ভালো।
কোথায় আমার টাকা?
আমার টাকা কোথায়, হারামখোর? হারামখোর, কোথায় আমার টাকা?
কাম অন।
বারোটা বাজাবো তোর।
এখন কী করবি, সেটা তোর সিদ্ধান্ত।
মাটির তিনহাত নিচে পাঠিয়ে দেবো।
তেড়িবেড়ি করবি না। মাথা কিন্তু ঠিক নেই আমার, জানে মেরে ফেলব একেবারে।
এক্কেবারে মাথা নষ্ট।
তেড়িবেড়ি করবি না।
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত।
বাচ্চু, তুমি মেইলবক্সের সামনে দাঁড়িয়ে আছো।
হ্যাঁ, সরি সরি।
আজকের দিনটা মনে হয় ভালোই যাবে, না?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, খুবই ভালো যাবে।
- তোমার দিনটা ভালো কাটুক। - হ্যাঁ, তোমারও।
উফ, খোদা!
ইয়ো, বাসায় কেউ আছে?
হ্যালো?
আজ রাতের স্টিল নকআউটে আপনারা পাবেন...
কাটলারির অভিনব এক সংমিশ্রণ
সবগুলো ফোনলাইন ব্যস্ত আছে ফ্লেক্স পে করতে লাগবে ৮৯ ডলার।
পনেরোটা সহজ ইন্সটলমেন্ট।
আর নকআউট কিন্তু কেবল...
হেই, বাসায় কেউ আছে?
তোমার বাবা-মা কোথায়?
হেই, তোমরা কি পারবে একটা...
করে ফেলেছি আগেই।
দর্শকবৃন্দ, আজকে রাতে...
কতদিন হয়েছে, খেয়াল আছে...
এই সেটে সেই কবে তলোয়ারটা পেয়েছিলাম, মনে আছে?
বোনাস হিসেবে থাকবে ওয়াতাশি আর টান্টো
একারণেই...
একারণেই আপনারা সবাই এত ফোন করছেন...
তোমার নাম কী?
আমার নাম ডিজেল।
ষোল, সতেরো, আঠারো, ঊনিশ...
এসব দেখছ কেন, মজার কিছু দেখো... মানে, মিস্টার রজার্সের (কার্টুন) মতো?
একবার ভাবুন, এই সেটটা যদি আপনাদের বাসায় থাকে!
কাস্টম পিস...
বলাই বাহুল্য, আমরা অনেককিছু ছড়িয়ে রেখেছি...
কিন্তু তারও একটা কারণ আছে।
দাম দশ ডলারের কম হলেও খাটো করা যাবে না এগুলোকে।
এই ছুরিগুলোর ধার...
তোমার বাবা-মা কখন ফিরবে?
মিস্টার স্পুজ তোমার বাবা না? কখন ফিরবে?
আমার ক্ষুধা লেগেছে।
হেই, কী খবর তোমাদের তিনজনের?
কাজে ফেরার প্রথম দিনে ওয়াল্টকে শুভকামনা জানাতে চেয়েছিলাম।
ভাবছি কেমন করবে, যোজ্যতা, সমযোজীতা পড়াতে গিয়ে আর...
আসলে এটুকুই আমার মনে আছে। ভালো থেকো।
স্কাইলার, সুযোগ পেলে আমাকে ফোন কোরো।
হাই, ওয়াল্ট আর স্কাইলার, গ্রেচেন শোয়ার্টজ বলছি...
খবর জানতে ফোন করলাম।
সান্তা ফেতে এসেছিলাম, তোমাদের কথা মনে পড়লো...
আশা করি সবকিছু ঠিকঠাক আছে।
ওয়াল্টের নম্বরে ফোন করলাম, বলছে, লাইন কেটে দেয়া হয়েছে...
তো আশা করছি খারাপ কিছু ঘটেনি।
সময় সুযোগ পেলে ফোন কোরো।
- হ্যালো? - হাই গ্রেচেন।
স্কাইলার হোয়াইট বলছি। খারাপ সময়ে ফোন করলাম?
আরে না না।
তোমার গলা শুনে ভালো লাগছে, সবাই কেমন আছে?
ভালো আছি, ধন্যবাদ।
ওয়াল্ট কাজে গেছে, সুস্থ হবার পরে এই প্রথম গেল আর...
কিছুদিন আগে ও সেলফোনটা হারিয়ে ফেলেছে।
আর আশা করছি তোমাকে দুশ্চিন্তায় ফেলিনি।
না না, জেনে খুব খুশি হলাম যে সবাই ঠিক আছে।
খুব ভালো।
গ্রেচেন, আমি... আমি তোমাকে কথাটা অনেক অনেক আগেই বলতে চেয়েছিলাম...
কথাটা আমার এবং ওয়াল্ট, দু'জনের পক্ষ থেকেই বলছি।
মানে, ও এতোটা নাছোড়বান্দা ছিলো...
এসবকিছু নিজে সামলানোর জন্য আর...
তবে এর আগে অনেকবার তোমাকে ফোন করতে যেয়েও করিনি...
- কী? কী কথা? - আমি...
আমি তোমার আর এলিয়টের কাছে যে কী পরিমাণ কৃতজ্ঞ, তা বলে বোঝাতে পারব না।
ওয়াল্টের চিকিৎসার জন্য যে টাকাটা দিয়েছো, এটা...
এটা আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছে।
আমি... আমি জানি না...
ওয়াল্ট খালি বলে, "ওদের নিয়ে চিন্তা কোরো না, এটা কোনো ব্যাপার না।"
কিন্তু এটা আসলেই অনেক বড় ব্যাপার। হ্যাঁ।
আমার কাছে, আমাদের সবার কাছে।
তাই আমি শুধু...
ধন্যবাদ দিতে চাই।
যাইহোক...
কথা শেষ।
তো আশা করি, শীঘ্রই দেখা হবে।
সত্যি, শহরে আসলে দেখা কোরো, যখন খুশি তখন।
- আজ বিকালে কেমন হয়? - আচ্ছা, ঠিক আছে।
মনো-অ্যালকিন্স, ডায়োলেফিন্স...
ট্রাইন্স, পলিইন্স।
শুধু নামগুলোই সবার মাথা ঘুরিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট।
তবে যখন এগুলোর নাম ভুলে যাবে...
এবং যাবেই...
তখন শুধু একটা মৌলের কথা মাথায় রাখবে...
কার্বন।
কার্বন হলো সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু।
কার্বন ব্যতীত কোনো প্রাণ নেই।
আমাদের চেনা মহাবিশ্বের কোথাও না।
যা কিছুর প্রাণ ছিল, আছে, থাকবে, সেটাই কার্বন।
কারমেন হলেন কার্বন।
সরি অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিন্সিপাল কারমেন, কিছু বলবেন?
না? ঠিক আছে।
আমার ভাবতে ভালো লাগে...
এটা ভাবতে ভালো লাগে যে, একজন নারী এবং তার আঙুলে পড়ে থাকা হীরকখণ্ড...
দুটো একই জিনিস থেকে সৃষ্টি হয়েছে।
অথবা ধরো, ওই হীরকখণ্ড এবং তার আবিষ্কারক।
তোমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরেছি, তাই না?
হীরকের আবিষ্কারক, ঠিক আছে।
এইচ ট্রেসি হল, নামটা লিখে রাখো।
ডক্টর হলই প্রথম পুনরুৎপাদনযোগ্য কৃত্রিম হীরা বানানোর প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছিলেন।
এটা সেই পঞ্চাশের দশকের ঘটনা।
এখন, বর্তমানে, কৃত্রিম হীরা ব্যবহৃত হচ্ছে তেল উত্তোলনে...
বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে, লক্ষ-কোটি টাকার ইন্ড্রাস্ট্রিতে।
সেসময়, ড: হল জেনারেল ইলেকট্রিকের হয়ে কাজ করতেন।
আর ঊনি তাঁদের সম্পদের পাহাড় গড়ে দিয়েছিলেন। মানে, ধারণাতীত।
জানতে চাও GE ড: হলকে কি পুরষ্কার দিয়েছিলো?
একটা ১০ ডলারের ইউএস সঞ্চয়পত্র।
যাইহোক...
কার্বন-গঠিত কাগজে ছাপানো সঞ্চয়পত্র...
কার্বন-গঠিত একজন লোককে দেয়া হয়েছিলো...
কার্বন থেকে বানানো তাঁর আবিষ্কারের জন্য।
তোমাকে আমাদের মাঝে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে।
আর, তোমাকে অসাধারণ লাগছে।
হালকা শুকিয়েছি, যেটা মোটেও দু:খজনক ব্যাপার না।
- আর তাছাড়া চুলের ব্যাপারটা তো আছেই। - ওটা আসলে আমার পছন্দ হয়েছে।
তোমাকে অসাধারণ মানিয়েছে।
- কিন্তু তুমি ভালো আছো তো? - ওহ, অবশ্যই। একশো পার্সেন্ট।
এটা...
কাজে ফিরতে পেরে আমি আনন্দিত।
আমি আনন্দিত... মানে, এখানে এসে আমি খুশি। সত্যি।
আমরাও খুশি।
আর আমি শুধু...
হ্যাঁ। এটা ভালো। এটা অসাধারণ।
সবকিছু ঠিক আছে?
শুধু দয়া করে স্বচ্ছন্দে আমার কাছে চলে আসবে...
যেকোন সমস্যা, যেকোন ইস্যু নিয়ে। যেকোন কিছু।
মানে, সম্পূর্ণ গোপনীয়।
ঠিক আছে?
- কাল দেখা হবে, ফ্লিন। - দেখা হবে, জেফরি।
ওহ, ম্যান।
আমাকে দেখতে দাও।
- ড্যাড, আমাকে দেখতে দাও। - চিন্তার কিছু নেই।
হেই, চলো।
আটচল্লিশ ডলার, ওটাই প্রকৃত মূল্য...
হেই।
ফুচ্চি।
না?
ফুচ্চি।
ওহ, ম্যান।
ওহ, আমার হাত পুরো লেগে যাচ্ছে!
ওহ, খোদা! এসো, এসো, এসো।
এখন! কিচ্ছু জানি না। যদি তোর হাতের খাউজানি থামাইতে চাস...
তোরে বলছিলাম, হয় ধর নাহয় বাদ দে।
আচ্ছা, তুমি এখানেই থাকবে, ঠিক আছে? আচ্ছা? নড়বে না।
- চুপ কর! - তুই চুপ কর।
- তুই চুপ কর, শালা... - তুই চুপ কর!
- তুই'ই ওইটা ফালাইছিস। - আমি ফালাই নাই।
আমি চুলটাও ফালাই নাই!
- তুই ফালাইছিস। - চুপ কর শালীর বেটি!
- তুই চুপ কর! - তুই চুপ কর।
ওঠ।
চুপ কর। চুপ কর! দুইজনই।
- কাজটা কে করতে পারে জানো? - একটা ধারণা আছে।
আমি কি ভাবছি শোনো।
তুমি ওদের সনাক্ত করবে আর তারপর একসাথে, তুমি আর আমি পলিথিনে ওদের মাথা মোড়াবো...
কষে বাধবো, মরুভূমির অনেক গভীরে নিয়ে যাবো, ন্যাংটো করবো...
আর বিশাল এক লাল পিঁপড়ার ঢিবিতে গলা পর্যন্ত পুঁতে দেবো।
একটা পুরোনো ওয়েস্টার্নে (মুভি) দেখেছিলাম।
No comments yet. Be the first to leave one.